Anisul Hoque (Bangla: আনিসুল হক) is a Bangladeshi screenwriter, novelist, dramatist and journalist. He graduated from Bangladesh University of Engineering and Technology, trained as a civil engineer.
His inspiration in journalism and writing started during his student life. After his graduation he joined to serve as a government employee but resigned only after 15 days. Instead he started working as a journalist. He attended the International Writing Program at the University of Iowa in 2010. Currently, Hoque is working as an Associate Editor of a Bengali language daily, Prothom Alo.
His novel মা was translated in English as Freedom's Mother. It was published in Maithili too. He was honored with Bangla Academy Award in 2011.
শুধু তড়তড় করে পড়া যাচ্ছে বলে আর কিছু বই রিভাইস হয়ে যাচ্ছে বলে সিরিজের দ্বিতীয় বইটাও পড়লাম। তবে এর পরেরগুলো আর পড়া হবে না কেননা যেই লাইব্রেরি থেকে এই দুইটা পড়লাম, সেখানে আর কোনোটা নাই!
বিগত পর্ব যেখানে শেষ হয়েছিল এটা ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয়েছে। মুজিবের জেল থেকে বের হওয়া থেকে শুরু করে ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের আওয়ামী লীগ হওয়া পর্যন্ত স্থান পেয়েছে এই পর্বে।
ভালো লাগা বলতে যেটা আগে বললাম সেটাই, এই সময়কালের ইতিহাসটা রিভাইস হয়ে গেল, পাশাপাশি দু-একটি নতুন বিষয়ও জানতে পেরেছি।
আর খারাপ লাগাও প্রথম বইটার মতোই। অতি তেলতেলে ভাব, বর্তমান দৃষ্টিকোণ থেকে সেই সময়কে দেখার চেষ্টা, ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমির মুখ দিয়ে অতি নিম্নমানের কিছু ছড়ার ব্যবহার, বিভিন্ন বই থেকে তথ্য টৃকে দেওয়া, অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা দিয়ে পৃষ্ঠা ভর্তি করা ইত্যাদি।
সাড়ে তিন আসলে। বইটা হিস্টরিকাল ফিকশন জনরারই, তবে বেশ কিছু বই ( আত্মজীবনী বা স্মৃতিচারনামূলক) থেকে সরাসরি লেখা ধার করায় ফিকশনের চেয়ে ইতিহাসের অংশটাই বেশি। সিরিজের আগের বইটার ( যারা ভোর এনেছিলো) ব্যপ্তি ছিলো ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত। এ বইয়ের শুরু এর পর থেকেই। '৫২ থেকে মোটামুটি '৫৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা উঠে এসেছে বইটায়। মূলত শেখ মুজিবের জীবনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনার মাধ্যমে ( যেহেতু বইয়ের বেশ কিছু অংশ তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটা থেকে নেওয়া!) লেখক সে সময়ের পূর্ব বাংলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলী তুলে ধরেছেন। ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমির ব্যাপারটা এনে কিছুটা বৈচিত্র্য আনতে চেয়েছেন হয়তো! কিন্তু মাঝে মাঝেই সিরিয়াস লেখার মধ্যে এদের উপস্থিতির ব্যাপারটা খুবই ইরিটেটিং লেগেছে আমার কাছে। লেখা মোটামুটি ফ্লুয়েন্টই ছিলো। তাই সাড়ে তিন দেওয়া যায়।
মনে হয়েছে, লেখকের এই যাবৎ যা পড়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে গোছানো আর সবচেয়ে সুচিন্তিত লেখা পড়ে শেষ করলাম। তাঁর খুব বেশি বই পড়া হয় নি। সুতরাং, এটা বলতে পারি যে লেখকের একটা মাত্র বই পড়তে চাইলে, এই বই বেশ ভালো বাছাই। এর আগের পর্ব, ‘যারা ভোর এনেছিল’ এর তুলনায় এটি সুলিখিত। আর ‘মা’ এর সাথে তুলনা করলে, এই বই অসাধারন, তাই না করি।
তাঁকে ইন্টারনেটে পচায় জাতে ওঠার গড্ডালিকা প্রবাহের আঁচ আমার গায়েও লেগেছিল, তা স্বীকার করছি। খুশি যে তাতে ভেসে যাই নি। একারনে, বইটি পড়তে পেরেছি।
জাতপাতের বিবেচনা না করে পড়ার একটা সুফল পেলাম মেলাদিন পর। সাধারনত, এই কাজ করতে গিয়ে একাধিকবার পস্তাতে হয়েছে। টাকাও গচ্চা গেছে। তাই, আজকাল আমি যে গরীব ও বেকার মানুষ, তা ভুলে যাই না।
অন্তর্জাল থেকে শত সহস্র দূরে থাকা একজন এই বইয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল বলে, তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। দোয়া করব, যাতে নিজেও যা পড়তে ইচ্ছা করে, তা পড়তে গিয়ে মন কতটুকু চাইছে পড়ে দেখতে, তার চেয়ে বেশি রিভিউমুখী না হই। আমীন।
উষার দুয়ারে-আনিসুল হক আলো আধারের যাত্রী, যারা ভোর এনেছিল পড়া হয়েছিল। এবারে বইমেলার আগেই তাই উষার দুয়ারে পড়ে সিরিজ শেষ করলাম। হুমায়ুন বাদশার বই হুমায়ুন আহমেদ এর কল্যানে পড়া, সেখানে লেখক বলেছিলেন হুমায়ুন এর জীবন এমনিতেই এমন বৈচিত্র্যময় যে নতুন কিছু যোগ করতে হয় না-বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন এর জীবন তেমনি। ব্যাঙ্গমা, ব্যাঙ্গমীর কথক তাই ভুত ভবিষ্যতকে এক করে দিলেও আমাদের মজা নষ্ট করে মাঝে মাঝে। হয়তো লেখক আমাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। মাওলানা ভাষানী অদ্ভুত মানুষ, বিপদ দেখলে পালিয়ে যান-বংগবন্ধুর ভাষায়। সোহরাওয়ার্দী, একে ফজলুল হক, যুক্তফ্রন্টের গঠন, পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র অনেক কিছুর ভাষাই বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে আগেই জানা ছিল। তাজউদ্দিন এর বিয়ের ব্যাপার, বার বার জেল এর হাত থেকে মুক্তির ব্যাপারটা ছিল উপভোগ্য। একই টাইমলাইনে একই সাথে বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন, একে ফজলুল হক এর কথা এনে অনবদ্য উপন্যাসে রুপ দিয়েছেন এই উষার দুয়ারে কে। আসছে ভোর তার ই দুয়ারে এ যেন প্রথম পদচিহ্ন।
মোটামুটি সহজপঠ্য। ‘উষার দুয়ারে’ বড় গল্পটিতে কোন মৌলিক চরিত্র নেই। বাস্তবে যেসব চরিত্র তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ভূখন্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক কাজ এবং আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন তাদেরকেই গল্পের আকারে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু চরিত্রের চলমানতা নেই। যেমন কিছু চরিত্র শুরুতে গুরত্বপূর্ণভাবে থাকলে মাঝখান থেকে সেগুলো একেবারে উধাও। আবার মুজিব চরিত্রটি অনেক দেরী করে আনা হয়েছে। এসব খুঁত চোখে বড় বেশী বাজে। ডিটেইল মোটামুটি থাকলেও তার উপস্থাপনা ভালো নয়। তবে বাক্যের গাঁথুনি সহজ বলে একের পর এক পৃষ্ঠা উলটে যাওয়া যায়।
বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ থেকে অনেক অংশ তুলে দেয়া হয়েছে, যদিও বাক্যের ধরণ বদলে। পৃষ্ঠা বাড়িয়ে বইয়ের মূল্য বেশী করার জন্য এটি করা হয়েছে বলে ধারণা করি। এর মাধ্যমে বইটি আরো অখাদ্য হয়ে উঠেছে।
ব্যাংগমা-বেংগমির ছড়াগুলো ভালো হয়েছে। ওগুলো বারবার পড়তে ইচ্ছে হয়।
আনিসুল হককে আমি জঘন্য লেখক বলে জানি। তিনি যদি এই বই লেখার জন্য গোস্ট রাইটার ভাড়া করেন তবে অবাক হবো না।
The problem with the book is that it takes lots of things word by word from Sheikh Mujibur Rahman's Autobiography. And adds very little over it.
It is better to read the first book in the planned Trilogy (3rd book yet to come) and then Sheikh Mujib's Autobiography than reading this.
Other things that are written are bland and are not written properly. The first part 'Jara Vor Enechilo' (Those Who Brought Dawn, I made this translation, not official) is ten times better than this book. And that book was written before the autobiography was published.
The extra stuff that comes out looks like text book writing than a novel. The writer should've spent more time while writing this.
I hope the third book will be as good as the first one, if not better than this.