Jump to ratings and reviews
Rate this book

কৃষ্ণ‌কুমারী

Rate this book

Hardcover

First published January 1, 1861

5 people are currently reading
113 people want to read

About the author

Michael Madhusudan Dutt

31 books60 followers
Michael Madhusudan Dutt, or Michael Madhusudan Dutta (Bangla: মাইকেল মধুসূদন দত্ত) was a popular 19th-century Bengali poet and dramatist. He was a pioneer of Bengali drama. Madhusudan is widely considered to be one of the greatest poets in Bengali literature and the father of the Bengali sonnet. He pioneered what came to be called amitrakshar chhanda or blank verse (Bangla:অমিত্রাক্ষর ছন্দ). His famous work, মেঘনাদবধ কাব্য, is a tragic epic. It consists of nine cantos and is exceptional in Bengali literature both in terms of style and content. With its publication, the Indian poet distinguished himself as a serious composer of an entirely new genre of heroic poetry, that was Homeric and Dantesque in technique and style, and yet so fundamentally Indian in theme.

From an early age, Dutt aspired to be an Englishman in form and manner. Born to a Hindu landed-gentry family, he converted to Christianity as a young man, to the ire of his family, and adopted the first name Michael. He dreamt of achieving great fame if he went abroad. His adolescence, coupled with the spirit of intellectual inquiry, convinced him that he was born on the wrong side of the planet, and that conservative Hindu society in early nineteenth-century Bengal (and by extension Indian society) had not yet developed the spirit of rationalistic inquiry and appreciation of greater intellectualism to appreciate him. He believed that the "free thinking" and post-Enlightenment West would be more receptive to his creative genius. He composed his early works—poetry and drama—almost entirely in English. In later life he regretted his attraction to England and the Occident. He wrote ardently of his homeland in his poems and sonnets from this period.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
12 (22%)
4 stars
28 (51%)
3 stars
12 (22%)
2 stars
0 (0%)
1 star
2 (3%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Hanif.
159 reviews6 followers
April 13, 2023
বাংলা সাহিত্য প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক হিসেবে পরিচিত, এবং ইতিহাসের কাহিনী অবলম্বনে লিখিত এটিই প্রথম বাংলা নাটক(BCS এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ xd)।

কৃষ্ণকুমারী রাজা ভীমসিংহের মেয়ে। তিনি রুপে ছিল অনন্য সুন্দরী।
জয়পুরের রাজা জগৎসিংহ, এবং মরুদেশের রাজা মানসিংহ দু'জনেই কৃষ্ণকুমারীকে বিয়ে করার জন্য, ভীমসিংহের প্রতি একইসাথে প্রস্তাব পাঠানো হয়।
বিভিন্ন কারণে ভীমসিংহ বাধ্য হয়ে মানসিংহের সাথে মেয়ে কৃষ্ণকুমারীর বিয়ে ঠিক করলে, জগৎসিংহ এতে ক্ষ্রিপ্ত হয়ে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে বসেন!
মদনিকা এবং ধনদাস, চরিত্র দুটি নাটকটিকে ট্রাজেডিতে রুপান্তর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
অহল্যা দেবী, বিলাসবতী, তপস্বিনী, বলেন্দ্রসিংহ ইত্যাদি চরিত্র গুলোও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নাটকটিতে একাধারে রোমান্টিকতা, যুদ্ধ-বিগ্রহ, বিয়োগান্তক ইত্যাদি অনুভূতি গুলো অনুভব করা যাবে।

ভালোই ছিলো, তবে শেষ পরিণতিটা দেখার জন্য, মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না।
Profile Image for Md Azmir Fakir.
236 reviews17 followers
July 3, 2024
কৃষ্ণকুমারী মধুসূদন এর ইতিহাস আশ্রিত ট্র্যাজেডি নাটক। এবং বাংলায় প্রথম মৌলিক নাটক। মধু প্রতিভার পূর্ণরূপ প্রকাশ পেয়েছিলো কৃষ্ণকুমারীতে। মধুসূদন খুব মনোযোগের সাথে টডের ইতিহাস অনুসরণ করেছেন। নাটক টি পাশ্চাত্য আদর্শে রচিত। তিনি মূলত কবি। তার মতে গদ্যে মানুষের অনুভূতি প্রকাশ হয় ঠিকই, কিন্তু নর-নারীর আবেগ ও গভীর অনুভূতি প্রকাশ একমাত্র কাব্য দ্বারা সম্ভব।

কেশবচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুরোধে তিনি টড বর্নিত রাজপুতগনের ইতিহাস থেকে এই নাটকের কাহিনী গ্রহণ করে , নাটকের প্রয়োজনে ইতিহাস কিছুটা অদল বদল করে কোন ঘটনাকে বিকৃত না করে রচনা করেন।নাটকটি অনেক বেশি বিশ্বস্ততার সাথে ইতিহাসকে অনুসরণ করেছে।

নাটকে কাহিনী শুরু রাণা ভীমসিংহ ১৭৭৮-১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্ত মেবারের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সম্রাট রূপে তাকে যেভাবে ভাগ্য বিরূপের শিকার হতে হয়েছে তেমনি হত হয়েছে পিতা হিসেবেও।এটাই নাটকের মূল।

শেলরাজ ভীমসিংহ। ভীমসিংহের বংশীয় গৌরব ছিলো অনেক আগে থেকেই। কিন্তু মহারাষ্ট্র তার উপর এমন ভাবে চেপে বসে আছে। তাতে তার অর্থবিত্ত ও শক্তিতে সে দূর্বল হয়। ভীমসিংহের একমাত্র যুবতী কন্যা কৃষ্ণকুমারী। সে অতিশয় রূপবতী।

উদয়পুরের রাজা জগৎসিংহের অনুচর ধনদাস টাকার লোভে তার কাছে কৃষ্ণকুমারীর ছবি বিক্রি করে, বিশ সহস্র মুদ্রা সংগ্রহ করে। এবং রাজাকে কৃষ্ণার দিকে দাবিত করে। রাজা পক্ষ থেকে ধনদাস ভীমসিংহের কাছে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে যায়। কিন্তু জগৎসিংহ এর রক্ষিতা বিলাসবতী তাকে ভালবাসে। সে কৃষ্ণকে বিয়ে করবে শুনে কেঁদে বুক ভাসায়। এ কথা জানতে পারে তার সখী মদনিকা। এবং সে কৌশল করে মরুদেশীয় রাজা মানসিংহের কাছে পত্র পাঠায় এই বলে, কৃষ্ণ মানসিংহকে ভালবাসে। জয়সিংহ জোর করে কৃষ্ণকে বিয়ে করতে চায়। মানসিংহ যেন তার হাত হতে কৃষ্ণকে রক্ষা করে।সে ছদ্মবেশে হাজির হয় কৃষ্ণার কাছে। এবং নিজেকে মানসিংহের দূতী বলে পরিচয় দেয়। সে তাকে এক পুরুষের চিত্র দেখিয়ে বলে এটা মানসিংহ। মানসিংহ তাকে বিয়ে করতে চায়। ছবি দেখে কৃষ্ণা পছন্দ করে।

এদিকে রাজা ভীমসিংহ ধনদাস এর কথা শুনে রাজি হয়, জগৎসিংহ ও কৃষ্ণকুমারীর বিয়ে দিতে। তখন মরুদেশীয় রাজা হতে খবর আসে। রাজা এটাও জানতে পারেন কৃষ্ণ মানসিংহতে অনুরক্তা। এটা জেনে তিনি ধনদাস কে ফেরত পাঠান।

এতে জগৎসিংহ রাগান্বিত হয়ে আবার খবর পাঠান যদি কৃষ্ণকে তার সাথে বিয়ে দেওয়া না হয়, তবে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে। আবার মানসিংহও এই হুমকি দেয়। ভীমসিংহ বুঝতে পারেন, তার মেয়েকে যে রাজার কাছেই বিয়ে দেন না কেন অন্য রাজা যুদ্ধ ঘোষণা করবেন। এমন অবস্থায় যুদ্ধ ঘোষণা দিলে তিনি তা রুখে দাড়াবার শক্তি সঞ্চয় করতে পারবেন না। কেন না তার রাজ্যভান্ডার রিক্ত। তিনি এক অসহায় রাজা এবং পিতা হয়ে মুহ্যমান হন। কি হবে এর পরিনতি।

কৃষ্ণকুমারী নাটকের কাহিনী ইতিহাসের হলেও লেখক তাকে রোমান্টিক ট্র্যাজেডি রূপে দিয়েছেন।

চরিত্র হিসেবে ভীমসিংহ কেন্দ্রীয় চরিত্র। জগৎসিংহ এখানে বেহায়াপনায় মত্ত। তবে সেটা ধনদাসের কারণে। মন্ত্রীর সাথে কাজ করার থেকে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করেন। বিলাসবতী কে ধনদাস ই বারবনিতা বানায়। মদনিকা সখীর কষ্ট সহ্য করতে পারে নি। কৃষ্ণকুমারী পিতার অনুগত কন্যা। তাছাড়াও বলেন্দ্রসিংহ, সত্যদাস, মহিষী অহল্যা অনতম চরিত্র।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
November 25, 2020
মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদ বধ কাব্য পড়ার পর ওনার কোনো বই পড়ার ইচ্ছাই ছিলো না। রুমমেটের টেবিলে বইটা দেখে নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। ভাবলাম, একটু পড়েই দেখি বুঝি আর না বুঝি। কিন্তু, বইটা যে আমার এতো ভালো লেগে যাবে বুঝি নি।
Profile Image for Sabbir Hossain.
64 reviews
March 6, 2025
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক।। শর্মিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক নাটকের যে সূচনা করেছিলেন মধুসূদন কৃষ্ণকুমারী দিয়ে সেটা আরো পূর্ণতা দান করেছিলেন।। একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে মধুসূদন নাটকীয় রূপ দিয়েছিলেন অসাধারণ ভাবে।। সেজন্য আজো বাংলা সাহিত্যে অমর তার এ সৃষ্টি।।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.