Jump to ratings and reviews
Rate this book

তিন গোয়েন্দা #16

কাকাতুয়া রহস্য

Rate this book
Adapted from "The Mystery of the Stuttering Parrot" (Alfred Hitchcock and The Three Investigators, #2).

Paperback

First published March 1, 1988

20 people are currently reading
382 people want to read

About the author

Rakib Hassan

579 books393 followers
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন।
থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা।
রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
474 (63%)
4 stars
195 (26%)
3 stars
62 (8%)
2 stars
6 (<1%)
1 star
8 (1%)
Displaying 1 - 30 of 30 reviews
Profile Image for রিফাত সানজিদা.
174 reviews1,356 followers
August 19, 2016
নীলক্ষেত.কম থেকে একবার বেশ কটা বই কিনেছিলাম সস্তায়। তিন গোয়েন্দার ভলিউম ১-৯ আর দুটো অনুবাদ।
সেবার বই পড়েছি প্রায় সবই, এবং মোটামুটি সবগুলোই ছিল পাশের বাড়ি আর পাড়াতুতো ভাইবেরাদরদের কাছ থেকে ধার এনে পড়া। :D
বহুবছর পর আবার সেই ছিতিবিজড়িত ছেলেবেলার রত্নভাণ্ডারের চর্বিতচর্বন...

ক্যাপ্টেন লঙ জন সিলভার ছদ্মনামধারী এক রহস্যপ্রিয় খেয়ালি পড়ুয়া কাজ করতো রেয়ার আর্ট কেনাবেচার, লণ্ডনে। রামধনুর সাতরঙে আঁকা বিখ্যাত এক ছবির মূল প্রিন্ট হাতে পেয়ে লুকিয়ে ফেলে সে কৌশলে। সিলভারের পোষা-- নানা বিখ্যাত ঐতিহাসিক চরিত্রের নামে নাম রাখা ছটা কাকাতুয়া আর ব্ল্যাকবিয়ার্ড দ্য পাইরেট নামের ময়নার আজব বুলিগুলোর মধ্যেই রয়েছে সেই গুপ্তধনের হদিস।
আন্তর্জাতিক দাগী অপরাধী মঁসিয়ে শোঁপাকে টেক্কা দিয়ে, চিরশত্রু শুঁটকি টেরি ওরফে টেরিয়ার ডয়েলের উৎপাত এড়িয়ে আর দাঁতভাঙা হেঁয়ালির জট ছাড়িয়ে কিশোর, মুসা আর রবিন পারবেতো সেই ছবি উদ্ধার করতে?

'লিটল বো- পীপ হ্যাজ লস্ট হার শিপ অ্যান্ড ডাজনট নো হোয়্যার টু ফাইন্ড ইট। কল অন শারলক হোমস।'

লিটল বো- পীপ কি জানে, হারানো শৈশব কী করে খুঁজে পাওয়া যায়? :)
Profile Image for Shotabdi.
820 reviews203 followers
July 4, 2024
অল টাইম ফেভারিট! 💕
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews217 followers
October 29, 2024
কয়েকবার পড়েছি তাও বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। অনেক পছন্দের একটা গল্প।
Profile Image for Saumen.
255 reviews
August 1, 2022
ওরররে শালা!!! জোস জিনিস। এই কথাটাই বের হয়েছিল মুখ দিয়ে, এটাই বইয়ের রিভিউ।
Profile Image for Mou.
88 reviews1 follower
December 28, 2025
ডেভিস ক্রিস্টোফার কে চিনেন তো? আরে সেই চিত্রপরিচালক, যিনি তিন গোয়েন্দার বেশ কয়েকটা কেস নিয়ে মুভি বানিয়েছেন, তার কথা বলছি। এই কাকাতুয়ার কেসটা তিন গোয়েন্দাকে তিনিই দিয়েছেন। তার বন্ধু একসময়ের বিখ্যাত অভিনেতা মিস্টার মরিসন ফোর্ডের পোষা কাকাতুয়া হারিয়ে গেছে। যেনতেন কাকাতুয়া নয় কিন্তু। শেক্সপিয়ারের নাটকের ডায়ালগ বলা কাকাতুয়া। তার নাম ও আবার বিলি শেক্সপিয়ার।
খুব সহজ কেস মনে হচ্ছে তাই না? হয়তো পাখিটা কোথাও উড়ে গেছে , খুঁজে এনে দিলেই হয়ে গেলো। কিন্তু আসলেই কি তাই!

এত বছর পর তিন গোয়েন্দা পড়তে নেয়ার আগে ভেবেছিলাম খুব একটা ভালো লাগবে না হয়তো। কৈশোর পেরিয়ে এসে কিশোর থ্রিলারে থ্রিল খুঁজতে যাওয়া বোকামি ছাড়া কিছুই না। কিন্তু কয়েক পেজ পড়ার পর অবাক হয়ে খেয়াল করলাম আমার ভালো লাগছে পড়তে। নতুন করে মুসার ভূতের ভয়, কিশোরের তীক্ষ্ম বুদ্ধি আর রবিনের বিনয়ী চরিত্রের সাথে একাত্ম হয়ে আমিও সমাধান করে ফেললাম কাকাতুয়া রহস্য।

রহস্য ধীরে ধীরে জমাট বাঁধলেই বেশি মজা পাওয়া যায় পড়ে। এই গল্পেও ঠিক তাই হয়েছে। শুরুতে একটা কাকাতুয়া হারানো গেলেও আস্তে আস্তে সামনে আসে আরো কাকাতুয়ার অস্তিত্ব। কিন্তু কাকাতুয়া গুলোকে এমন বিচিত্র ডায়ালগ শেখানোর উদ্যেশ্য টা কি আর কেই বা শিখিয়েছে! চোর ই বা কেনো হন্যে হয়ে খুঁজছে পাখি গুলোকে! এমন নানা প্রশ্ন এসে ভিড় করে মাথার মধ্যে। একটা প্রশ্নের উত্তর পেতে পেতে আরো প্রশ্ন এসে জমা হয়। সেই সাথে একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় ছিলো পাখির বুলির ধাঁধা।

কাহিনীতে আরো বোনাস হিসেবে ছিলো তিন গোয়েন্দার চির শত্রু টেরিয়ার ডয়েলের উপস্থিতি। শুঁটকি টেরির শয়তানি তো পড়ার আনন্দ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু টেরির সহযোগীদের মিস করেছি বেশ। এছাড়াও রহস্য সমাধানে ভূত থেকে ভূতের ব্যবহার আর সেই রাজকীয় রোলস রয়েসের ড্রাইভার হ্যানসনের উপস্থিতি কাহিনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

রহস্যের একটার পর একটা টুইস্ট যেন রোলার কোস্টারে ভ্রমণ করিয়ে এনেছে আমাকে। গল্পের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধাঁধার সমাধানে বুদ হয়ে ছিলাম। একজন রহস্য প্রেমীর এর বেশি কি লাগে! কিন্তু আফসোস একটাই কাহিনীর শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেলো। এই গল্পটাই যদি আরেকটু বিস্তৃত হতো তাহলে আরো ভাল লাগতো আমার। আরো বেশি উপভোগ করতাম।
এক বসায় শেষ করার মত দারুন একটা বই বলা চলে কাকাতুয়া রহস্যকে। সব থেকে বড় কথা এত বড় হয়েও তিন গোয়েন্দার এই গল্প আমি ভীষন উপভোগ করেছি যা আমার নিজের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল।
Profile Image for Shadman Shoumik.
6 reviews4 followers
October 7, 2023
রেটিং- ⭐⭐⭐⭐⭐...

তিন গোয়েন্দা পড়ার শুরু দুই বছর আগে 'কাকাতুয়া রহস্য' দিয়ে। এরপর একে একে তিন গোয়েন্দার আরও অনেক বই পড়ে রহস্যে বুদ হয়ে তিন গোয়েন্দার ভক্ত হয়ে গিয়েছি। ২ বছর পর আবারো পড়লাম 'কাকাতুয়া রহস্য', অনুভূতিটা একই— অসাধারণ।
Profile Image for Soumik.
83 reviews17 followers
November 18, 2019
This is one of the best books of Tin Goyenda! Ah, I miss those school days when I used to buy Tin Goyenda books and read them by hiding from my mom!❤️
Profile Image for Rocky Rahman.
106 reviews9 followers
August 30, 2024
দেশের অবস্থার কারনে কোনো কিছুতেই তেমন ফোকাসড হওয়া পসিবল না। প্রিয় জনরার বইগুলোও ৫-৬ পৃষ্ঠার বেশি পড়া পসিবল হয়না।
তাই একটা হালকা পাতলা সহজ কিন্তু ভালো মানের বই পড়া দিয়া রিডার্স ব্লক কাটালাম।
তিন গোয়েন্দা যতোদিন রকিব হাসানের কাছে ছিলো গল্প নিয়ে ততোদিন কোনো অভিযোগ ছিলোনা, তিগোর একদম স্বর্নযুগের বই এটি।
Profile Image for Md. Tahsin Alam.
1 review3 followers
June 23, 2024
উৎপীড়কের যম, উৎপীড়িতের বন্ধু।


ইংল্যান্ডের উপকথার সবচেয়ে জনপ্রিয় অধ্যায়ের 'নায়ক' কে যেভাবে তার আধুনিক সংস্করণের মধ্য দিয়ে তুলে এনেছেন রকিব হাসান 'দ্য মিস্ট্রি অব দ্য স্ট্যাটারিং প্যারট' থেকে অ্যাডাপ্ট করা তিন গোয়েন্দার ষোড়শ কিস্তি 'কাকাতুয়া রহস্য'য়, তা বরং চাহিদা মিটিয়ে উপরি পাওনা-ই বটে।

কাহিনীর শুরু সাদামাটা একটি কাকাতুয়া খোঁজা নিয়ে। কিন্তু একটি থেকে এক এক করে পাওয়া গেলো সাতটি কাকাতুয়ার সন্ধান। থুক্কু, ছয়ট�� কাকাতুয়া আর একটি ময়না - যাদের নাম আবার ঐতিহাসিক চরিত্রদের নামে: লিটল বো-পীপ, বিলি শেকসপীয়ার, ব্ল্যাকবিয়ার্ড, রবিন হুড, শারলক হোমস, ক্যা��্টেন কিড আর স্কারফেস - অদ্ভুত এক রসবোধের স্মারক যেন এই নামগুলো। যেগুলো আবার নির্দিষ্ট কিছু বুলি আওরায়, তাও আবার কড়া ব্রিটিশ টানে। যেন কেউ খুব যত্ন করে শিখিয়েছে ইংরেজি সাহিত্য ও ইতিহাসের বিখ্যাত কিছু সংলাপ। কেন? খেয়াল, পাগলামি নাকি অন্য কোনো গভীর উদ্দেশ্যে?

সাধারণ কাকাতুয়ার মাঝে আন্তর্জাতিকভাবে কুখ্যাত আসামি এনথনি শোঁপা, কিংবা দৃষ্টিভঙ্গি বদলালে আধুনিক রবিনহুড-ই বা করছে কী? কিংবা পিস্তলের আদলে লাইটার দিয়ে তিন গোয়েন্দাকে ভয় দেখানো বদমেজাজি হাইমাসই বা অন্য দেশ থেকে এখানে কেন পাড়ি জমিয়েছে? সাধারণ কাকাতুয়া থেকে এ কোন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লো তিন গোয়েন্দা? উপকথার মতো এখানেও কী বরাবরের মতো জয় হবে রবিনহুডের, নাকি মস্তিষ্কের ধূসর কোষ ব্যবহার করে অসম লড়াইয়ে জিতে যাবে কিশোর পাশা? প্রশ্নগুলো ক্রমেই বাড়ছে।

সংলাপগুলোই বা কী নির্দেশ করছে, গুপ্তধনের মতো মূল্যবান কোনো জিনিস নাকি ক্যাপ্টেন লঙ জন সিলভারের আরো একটি রসিকতা?

এ যেন কোন এক অদৃশ্য অর্কেস্ট্রা রহস্যের সিম্ফনি বাজাচ্ছে, এবং আমি তন্ময় হয়ে শুনে যাচ্ছি।

এসকল প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহ হচ্ছে নিশ্চয়ই? আপনার এই কৌতূহল মেটাতে অপেক্ষা কিসের? একটি সংস্করণ তুলে নিন এবং যাওয়ার জন্য পরিপূর্ণ এক জগতের দ্বার উন্মুক্ত করে ফেলুন। তিন গোয়েন্দার ভাষায়, 'রহস্যের সমাধান করতে চলেছি, এসো না, চলে এসো আমাদের দলে!'

'কাকাতুয়া রহস্য' একটি ভিন্নধর্মী রহস্যে আবৃত গল্প, একটি রহস্যময় সুরের আমন্ত্রণ। এতে যেন রহস্য তার নিজের স্বর্গীয় সুর দিয়ে ঝংকার দিচ্ছে, যাতে রহস্যের আলেয়ার পিছে ছুটে চলা গোয়েন্দাদের সাথে সকল পাঠককে একীভূত করে ফেলবে নিমিষেই। এবং সেই সাথে সুরের সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করে তুলবে আপনাকেও।


পরিশেষে,
'লিটল বো-পীপ হ্যাজ লস্ট হার শীপ অ্যান্ড ডাজনট নো হোয়্যার টু ফাইন্ড ইট। কল অন শারলক হোমস।'

লিটল বো-পীপ কী জানে, হারানো শৈশব কী করে খুঁজে পাওয়া যায়?



[লাস্ট লাইন রিফাত সানজিদার রিভিউ থেকে নেওয়া।]
Profile Image for Old_Soul_Reads.
109 reviews9 followers
March 25, 2024
• একটা প্রাচীন কথা আছে— "ধনীর যম, গরীবের বন্ধু"। আমি নিশ্চিত যারা এখন এই লেখাটা পড়ছেন, তাদের প্রত্যেকের মাথায় একইসাথে একটা নামই এসেছে। রবিনহুড! রবিনহুড ছিলেন ইংরেজ লোককথার এক দুর্ধর্ষ ডাকাত, অত্যন্ত দক্ষ তীরন্দাজ। অত্যাচারী ধনীদের সম্পদ ডাকাতি করে গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিতেন তিনি।


• নামকরণ থেকেই পাঠক আন্দাজ করতে পারবেন গল্পের মূল আকর্ষণ। সাতটা কাঁকাতুয়া। না, ঠিক সাতটা না। ছয়টা হলদেঝুটি কাঁকাতুয়া, একটা ময়না। অদ্ভুত নাম তাদের। অদ্ভুত তাদের আওড়ানো বুলি। লিটল বো-পীপ, বিলি শেকসপীয়ার, ব্ল্যাকবিয়ার্ড, রবিন হুড, শারলক হোমস, ক্যাপ্টেন কিড, স্কারফেস এমনসব অদ্ভুত নাম রাখে কেউ নিজের পোষা পাখির? এদের মধ্যে কেউ আবার জানে মাদার গুজ, কেউ আওড়ায় শেকসপীয়ার, কেউ জলদস্যুর মতো রুক্ষ কন্ঠে নিজেকে ব্ল্যাকবিয়ার্ড দ্য পাইরেট বলে পরিচয় দেয়, কেউ বলে উঠে পুরোনো কোনো স্ল্যাং। আচ্ছা, কাঁকাতুয়াকে তো কতরকম বুলিই শেখানো যায়। তাহলে বেছে বেছে এমন অদ্ভুত সব কথাই কেন শেখানো হলো?


• রহস্যের একদম গোড়ায় খুঁজতে গেলে আমরা একজন উচ্চশিক্ষিত ইংরেজকে পাই; লং জন সিলভার। যার সাহিত্যপ্রেমের নমুনা আমরা ইতোমধ্যেই পেয়ে গিয়েছি। নিজের নাম, নিজের পোষাপাখির নাম কিংবা তাদের শেখানো বুলি সব ক্ষেত্রে তিনি সাহিত্যের আশ্রয় নিয়েছেন। নিজের নাম রেখেছেন বিখ্যাত "ট্রেজার আইল্যান্ড" উপন্যাসের সেই জলদস্যুর নামে। তার কাঁকাতুয়াগুলোর নামও উঠে এসেছে ইংরেজি ক্লাসিক সাহিত্য কিংবা ইতিহাসের পাতা থেকে। ইংল্যান্ড থেকে চোরাপথে ক্যালিফোর্নিয়ায় পালিয়ে এসে আশ্রয় নেন এক গরিব মেকসিকানের বাড়িতে। সাথে একটা ধাতুর তৈরী চ্যাপ্টা বাক্স। শক্ত তালা লাগানো থাকতো বাক্সটায়। মাথার নিচে রেখে ঘুমাতেন। রোজ রাতে ডালা খুলে বাক্সের ভেতর তাকাতেন তিনি। খুব সুখী মনে হতো তখন তাকে, মুখে হাসি ফুটতো। এর মধ্যে কি আছে জানতে চাইলে বলতেন, "বাক্সে আছে রামধনুর একটা টুকরো, তার তলায় একপাত্র সোনা"।


হারিয়ে যাওয়া কাঁকাতুয়া খোঁজার মতো সাধারণ একটা কেসের তদন্ত করতে গিয়ে এমন এক জটিল রহস্যের মুখোমুখি হয় যে ক্ষুরধার বুদ্ধির কিশোর পাশাকেও স্বীকার করতে হয় "মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো রহস্য" এটা। একটা কাঁকাতুয়া খুঁজতে গিয়ে আরেকটা, তার সূত্র ধরে আরও পাঁচটা! এই সাত কাঁকাতুয়ার পেছনে লেগেছে আবার অদ্ভুত মোটা এক পাহাড়সম লোক; যে কিনা লাইটার দিয়ে গুলি করার ভয় দেখিয়ে পিলে চমকে দেয় মুসার মতো ছেলের। তারও আছে আরেক প্রতিযোগী, একজন ফরাসি; যার ড্রাইভার সামান্য কথা-কাটাকাটিতে পিস্তল বের করতে যায়। এমনই বিচিত্র চরিত্রের মানুষদের মোকাবিলা করে কাঁকাতুয়ার মুখের বুলি থেকে গুপ্তধন খুঁজে বের করার এ যাত্রায় ছিল টানটান উত্তেজনা। একেকটা সূত্রের মানে বের করতে গিয়ে গলদঘর্ম হতে হয় তিন গোয়েন্দাকে। শেষপর্যন্ত সমাধান তো হয়েছেই, তিন গোয়েন্দা খুঁজে বের করেছে গুপ্তধন। কিন্তু কী ছিল সেই রামধনুর টুকরার নিচে এক পাত্র সোনা তা আমি অজ্ঞাতই রাখলাম।

যেহেতু পাঠপ্রতিক্রিয়া জানাতে এসেছি তাই গল্প নিয়ে আর কথা না বাড়াই। গল্প তো লেখক লিখেই গেছেন, পড়ার জন্য পাঠকরাও আছেন। আমি বরং গল্পটা আমার কেমন লেগেছে তা বলি।

আমি বরাবরই গোয়েন্দা গল্প পড়ার সময় গোয়েন্দার সাথে নিজেও রহস্য সমাধান করার চেষ্টা করি। বলা বাহুল্য, অধিকাংশ সময়ই ব্যর্থ হই। তবে সফল হওয়ার গল্পও কম না। এই কেসটাও আমার একটা ব্যর্থ কেস। তবে আগাচ্ছিলাম ঠিকপথেই, সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো ক্যালিফোর্নিয়ায় আমার সশরীরে উপস্থিত না থাকা। প্রথমবার যখন পড়েছিলাম, তখন শুধুমাত্র কাঁকাতুয়াগুলোর বুলির মানে বুঝার জন্য ট্রেজার আইল্যান্ড আবার পড়েছিলাম। শেকসপীয়ার আর শার্লক হোমস নিয়ে ঘাটাঘাটি করেছিলাম। ক্যালিফোর্নিয়ার আশেপাশের দ্বীপ নিয়ে ঘাটাঘাটি করা, ভূতূড়ে শহর খুঁজে বের করা, জলদস্যুদের নিয়ে গুগল তন্নতন্ন করা কিছু বাকি রাখিনি। বেশ কয়েকটা সূত্র নিজেই বের করেছিলাম, কিশোরের আগেই। এই বইটা আমার পছন্দের হওয়ার অন্যতম একটা কারণ এটা। এই বইটা আমার মস্তিষ্কের ব্যায়াম করিয়েছে অনেকটা।
বইটাতে আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র শোঁপা। গল্পের খলনায়ক এনথনি শোঁপা, ইউরোপের বিখ্যাত আর্ট থিফ। থিফ শব্দটার আভিধানিক অর্থ চোর। চোর অবশ্যই একটি নেতিবাচক শব্দ। কিন্তু আসলেই কি তাই? তাহলে রবিনহুড কেন হিরো? শোঁপা কি তার চেয়ে ভিন্ন কেউ ছিলেন? এনথনি শোঁপা সম্পর্কে গল্পের একদম শেষদিকে চিত্রপরিচালক ডেভিস ক্রিস্টোফার বলেন "মহাপুরুষ হওয়ার মতো অনেক গুণ আছে তার"। অথচ আমরা যদি আরেকটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাই শোঁপা কিশোরকে বলছেন "মানুষের কল্যাণে লাগিয়ো তোমাদের মেধা, মানুষের উপকার কোরো, আমার মত চোর হয়ো না"। চোর এবং মহাপুরুষ, দুইটা সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী পরস্পর সাংঘর্ষিক শব্দ যখন একজন মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় তখন সে মানুষটাকে বাকি আর দশটা মানুষের চেয়ে আলাদা ভাবা দোষের কিছু না। শোঁপার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যায় যখন তিনি কিশোরকে বাংলাদেশের কথা বলেন। যখন তিনি কিশোরকে জানান তার দেশের মানুষের কত দুঃখ, ওরা কত অসহায়। যখন তিনি কিশোরকে বলেন, বড় হয়ে নিজের দেশের মানুষের জন্য কিছু ��রতে। আমার তখন আর তাকে চোর বলতে ইচ্ছে হয় না, তিনি হঠাৎ করেই আমার কাছে চোর থেকে মহাপুরুষ হয়ে যান।

বইটাকে পাঁচ তারকা না দিলে আমার নিজরই খারাপ লাগবে। আমার অত্যন্ত পছন্দের তিন গোয়েন্দার গল্পগুলোর মধ্যে কাঁকাতুয়া রহস্য অন্যতম।
রেটিং: ৫/৫
Profile Image for Partha Goswami.
137 reviews2 followers
January 6, 2026
The relation between Robert Arthur’s The Mystery of the Stuttering Parrot (part of the Three Investigators series) and Satyajit Ray’s work is primarily found in the Feluda story titled "Ghurghutiyar Ghatona" (translated as The Locked Chest or The Incident at Ghurghutiya).
While Ray was a highly original writer, he was a voracious reader of Western detective fiction, and "Ghurghutiyar Ghatona" shares a specific, clever plot device with Arthur's book.
The Key Connection: The "Parrot Riddle"
Profile Image for Tahmina Ferdows.
70 reviews11 followers
November 7, 2019
Once upon a time... I was addict with tin goenda by Rakib Hasan.... I have read almost all book of Tin Goenda series.... কাকাতুয়া রহস্য is just great..........
Profile Image for Pervez Robin.
35 reviews2 followers
April 8, 2023
এক নাম্বার র‍্যাংক পাওয়া গল্প, মানে তিন গোয়েন্দার শ্রেষ্ঠতম।
12 reviews
May 10, 2023
বেস্ট একটা স্টোরি।ভলিউম ৩/২ এর প্রতিটা স্টোরিই স্পিচলেস✨
Profile Image for Raisha Alam.
6 reviews7 followers
July 20, 2025
এক কথায় মারাত্মক একটি বই!!

বইটি পড়ে যে অনুভূতি হয়েছে তা প্রকাশ করার মতো না । মনে শুধুমাত্র একটাই কথা আসছে মারাত্মক মারাত্মক মারাত্মক অনেক বেশি সুন্দর গল্প টা
7 reviews10 followers
July 28, 2014
তিন গোয়েন্দার প্রথম দিকের সব কয়টা বইই খুব টানত। এর মধ্যে কাকাতুয়া রহস্যটা খুবই ভাল লেগেছিল।
Profile Image for Nafees Omar.
158 reviews16 followers
May 3, 2022
অনেকদিন পর ছোট্টবেলার সেই তিন গোয়েন্দা পড়লাম। রকিব হাসানের প্রথম দিককার লেখা। স্কুল লাইফের ফিরে যাওয়ার মতই অসাধারন একটা এক্সপেরিয়েন্স হল এত বছর পর।
Profile Image for Tiash ..
315 reviews114 followers
February 1, 2018
আমার প্রথমদিককার পড়া তিগোর একটা বই এটা। আমার এই সিরিজের সবচেয়ে প্রিয়দের একটা এটা। কাকাতুয়া দিয়ে কোড বলানো আর কিশোরের মারপ্যাঁচ মেরে শেষটার মোড় ঘুরিয়ে দেয়া আমি আমৃত্যু ভুলব না!! 😍
Displaying 1 - 30 of 30 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.