Jump to ratings and reviews
Rate this book

বীরাঙ্গ‌না কাব্য

Rate this book

Unknown Binding

11 people are currently reading
130 people want to read

About the author

Michael Madhusudan Dutt

31 books60 followers
Michael Madhusudan Dutt, or Michael Madhusudan Dutta (Bangla: মাইকেল মধুসূদন দত্ত) was a popular 19th-century Bengali poet and dramatist. He was a pioneer of Bengali drama. Madhusudan is widely considered to be one of the greatest poets in Bengali literature and the father of the Bengali sonnet. He pioneered what came to be called amitrakshar chhanda or blank verse (Bangla:অমিত্রাক্ষর ছন্দ). His famous work, মেঘনাদবধ কাব্য, is a tragic epic. It consists of nine cantos and is exceptional in Bengali literature both in terms of style and content. With its publication, the Indian poet distinguished himself as a serious composer of an entirely new genre of heroic poetry, that was Homeric and Dantesque in technique and style, and yet so fundamentally Indian in theme.

From an early age, Dutt aspired to be an Englishman in form and manner. Born to a Hindu landed-gentry family, he converted to Christianity as a young man, to the ire of his family, and adopted the first name Michael. He dreamt of achieving great fame if he went abroad. His adolescence, coupled with the spirit of intellectual inquiry, convinced him that he was born on the wrong side of the planet, and that conservative Hindu society in early nineteenth-century Bengal (and by extension Indian society) had not yet developed the spirit of rationalistic inquiry and appreciation of greater intellectualism to appreciate him. He believed that the "free thinking" and post-Enlightenment West would be more receptive to his creative genius. He composed his early works—poetry and drama—almost entirely in English. In later life he regretted his attraction to England and the Occident. He wrote ardently of his homeland in his poems and sonnets from this period.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (56%)
4 stars
6 (24%)
3 stars
3 (12%)
2 stars
1 (4%)
1 star
1 (4%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Fahad Amin.
174 reviews9 followers
November 5, 2025
কবির মেঘনাদবধ কাব্যটা আগেই পড়া ছিল। তবে আমার কাছে এ কাব্যের শব্দচয়ন যেন আরও দুর্বোধ্য কঠিন মনে হলো।
Profile Image for Ummea Salma.
126 reviews124 followers
December 14, 2020
দাঁত আর একটা ও দাঁতের জায়গাতে নাই :3 এত শক্ত বাংলা এই ছোট মাথাতে কিছুতেই ঢুকলো না।
তবে প্রতিটা পত্রকাব্যের আগে কে কাকে কেনো এটা লিখেছে সেটার বর্ননা খুবি চমকপ্রদ লেগেছে।
আশা করি ভবিষ্যতে এটা পড়ে আরো ভালোভাবে প্রতিটা লাইন বোঝার মত অবস্থা তৈরি হবে! :3
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
March 25, 2019
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কবি ওভিদের ( পাবলিয়াস ওভিদিয়াস ন্যাসো ) 'Heroides' বা ' Epistiles of heroins ' পত্রকাব্যের অনুসরণে ১১টি পত্র সংকলন গ্রন্থ এই ' বীরাঙ্গনা কাব্য '। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পত্রকাব্য, যার মধ্য দিয়ে পাশ্চাত্য নবজাগরণের ঢেউ লাগে পুরাণের নায়িকা চরিত্রে এবং তাতে একালের নারীর মানসিকতা অনুসন্ধানের প্রয়াস লক্ষণীয়।

কাব্যটি ভারতীয় পুরাণের এগারো জন নারীর স্বামী বা প্রেমাস্পদকে লেখা পত্ৰকাব্য। এই এগারোটি পত্ৰকাব্য গুলি হল -

১) দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা :
এটি একটি অনুযোগ পত্র। শকুন্তলার সুখ শান্তি নষ্ট করে চলে যাবার জন্য শকুন্তলা দুষ্মন্তকে গঞ্জনা দিয়েছেন, রাজা ফিরে আসবার কথা দিয়ে দীর্ঘকাল পত্নীর কাছে ফিরে না আসায় এই পত্র। তবে নেহাৎ মৃদু অনুযোগ পত্র।

এই পত্রের মধ্যে মধুসূদনের লিপিচাতুর্যের প্রভূত প্রমাণ মেলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দের নির্ভুল ব্যবহারে লালিত্য আরও বৃদ্ধি করেছে। যথাযথ শব্দ ও অলংকার সন্নিবেশ লক্ষ্য করার মতো।

২) সোমের প্রতি তারা : এটি একটি প্রেম পত্র।
চন্দ্রকে গুরু পত্নী তারা ভালোবেসেছেন। কিন্তু সে ভালোবাসার কথা স্পষ্ট ভাবে তাঁকে বুঝিয়ে উঠতে পারছেন না। এই পত্রে যদিও তিনি মাঝে মাঝে তাঁর মনের কথা এবং চন্দ্রের প্রতি তাঁর পূর্ববর্তী আচার আচরণের কারণ বিশ্লেষণ করে চন্দ্রকে তাঁর প্রেম নিবেদন করেছেন তবু তৎক্ষণাৎ তাঁর মনে এসেছে দ্বন্দ্ব, শুরু হয়েছে আত্মধিক্কার। এই প্রেম প্রকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো হয়ে উঠেছে সামাজিক নীতি অথচ প্রেমিককে ভোলার ক্ষমতা তাঁর নাই।

৩) দ্বারকানাথের প্রতি রুক্মিণী : এটিও একটি প্রেমপত্র। ভীষ্মক রাজপুত্রী রুক্মিণী -
" নিশার স্বপনে হেরি পুরুষরতনে/ কায় মনঃ অভাগিনী সঁপিয়াছে তারে ;" কিন্তু এই স্বপ্নের ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর চোখের দেখা ও মৌলিক পরিচয় না হলেও তিনি এই স্বপ্নের ব্যক্তিটির সম্মন্ধে অনেক কিছুই জানেন। এই ব্যক্তিটি হলেন কৃষ্ণ। কৃষ্ণের রূপ তাঁকে অভিভূত করে দিয়েছে।এই রূপ দর্শন করেই রুক্মিণী তাঁর পায়ে আত্মনিবেদন করেছেন।

৪) দশরথের প্রতি কেকয়ী : এটি হলো অনুযোগ পত্র। কেকয়ী স্বামীকে যথার্থ ভালবাসেন,কিন্তু যে বয়সে কেবলমাত্র স্বামীর প্রতিই স্ত্রীর ভালোবাসা অটুট থাকে, অন্যত্র নয় - সে বয়সকে কেকয়ী অতিক্রম করে এসেছেন। আজ তাঁর সমস্ত ভালোবাসা একমাত্র পুত্রের উপর বর্ষিত। তাই যখন সেই পুত্রের স্বার্থের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হতে পারে বিবেচনা করলেন তিনি,তখনই আগুনের মতো জ্বলে উঠলেন। দশরথের মনে আঘাত দিয়ে তাঁকে বেদনার্ত করে তোলা এবং সর্বত্র তাঁর মান সম্মানকে ধুলায় লুটিয়ে দেবার হুমকি দেন কেকয়ী। এখানে কেকয়ীর মনের ক্ষোভ, ক্রোধ এক বিস্তৃত ব্যঞ্জনায় ব্যঞ্জিত হয়ে উঠেছে।

৫) লক্ষ্মণের প্রতি শূর্পণখা : এটি প্রেমপত্র। লক্ষ্মণের অপূর্ব রূপে আকৃষ্ট হন শূর্পণখা। তাঁর এই প্রেম নিবেদনের মধ্যে লজ্জা - শরম বাধা - বন্ধনের নামমাত্র নাই।এখানে তাঁর তীব্র কামনার প্রকাশ ঘটেছে।

৬) অর্জুনের প্রতি দ্রৌপদী : এটি একটি স্মরণপত্র। দ্রৌপদী অর্জুনের বিবাহিত স্ত্রী। সুন্দরী নারীর আবাসস্থল স্বর্গে স্থিত স্বামীর সঙ্গে কিছুটা রসিকতাও করেছেন তিনি। এবং স্বামীকে তাঁর সংসারের খবর দিতেও ভুল করেননি তিনি। ধর্মরাজের কথা, মধ্যম পান্ডবের কথাও জানান। সবার মনের কথা লিখলেও নিজের কথা তিনি একেবারেই তোলেননি।

৭) দুর্যোধনের প্রতি ভানুমতি : এই পত্রিকায় সুমধুর কান্তাপ্রেমের পরিচয় আছে। পতি দুর্যোধনের বিপদের আশঙ্কায় উৎকন্ঠিত হয়ে পড়েছেন ভানুমতী। তাই তিনি যুদ্ধ থেকে বিরত থাকবার জন্য দুর্যোধনকে পত্র লিখেছেন।

৮) জয়দ্রথের প্রতি দুঃশলা : দুঃশলা দুর্যোধনের ভগিনী, তাঁর স্বামী জয়দ্রথ দুর্যোধনের পক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন।তাই নিয়ে দুঃশলার আগ্রহ ও উৎকণ্ঠার শেষ নেই। সেজন্য পুত্র মণিভদ্রের কথা বলে যুদ্ধে ক্ষান্ত হবার অনুরোধ করেন (মহাভারতে তাঁর পুত্রের নাম মণিভদ্র নয়,সুরথ)।

৯) শান্তনুর প্রতি জাণ্হবী : এই পত্রিকাটি সম্পূর্ণ অভিনব ধরনের। এখানে জাণ্হবী রাজা শান্তনুর সঙ্গে মিলনের জন্য এ পত্র রচনায় আগ্রহী নন, বরং তিনি দাম্পত্য বন্ধন ছিন্ন করার প্রয়াসী। তৎসত্ত্বেও পত্রটিকে প্রেমানুভূতি বর্জিত বলে মনে হয় না। জাণ্হবী দেবীর মনে মমত্ববোধ জাগলেও তা বৃথা, কেননা তিনি দেবী।তাই তাঁর প্রেমবোধকে সবলে চেপে তাঁদের দাম্পত্য সম্মন্ধে সুস্পষ্ট অবসান ঘটাতে চান।


১০) পুরুরবার প্রতি ঊর্বশী : এখানে প্রেমপত্র লেখা হয়েছে। ঊর্বশী স্বর্গবেশ্যা। তিনি পুরুরবার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এই পত্র লিখেছেন।

১১) নীলধ্বজের প্রতি জনা : এটি অনুযোগ পত্র। নীলধ্বজের প্রতি জনার পত্র রচনার কারণ মাতা জনার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ একমাত্র পুত্রের মৃত্যু এবং সেই পুত্রের হত্যাকারীর শাস্তির বিধান না করে স্বামী কর্তৃক সেই ব্যক্তিরই স্বরাজ্যে পূজার আয়োজন।
Profile Image for Ruhina Jannat.
12 reviews
June 23, 2021
পড়ে শেষ করিনি। একটা থিসিসের কাজে একটুখানি উদাহরণ ব্যাবহার করতে গিয়ে পড়া হয়েছে কিছুটা। যতটুকু পড়েছি ততটুকু বুঝতে সময় লেগেছিল।
Profile Image for Aminul Tanvin.
13 reviews5 followers
September 8, 2020
যদিও বীরাঙ্গনাদের আমার যথাযথ বীরাঙ্গনা মনে হয়নি। কিন্তু কাব্যগুণের জন্য এটা ৫ ★ দেয়া যায়। খুবই রোমান্টিক লেখকের অন্য কাব্যের মতই।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.