Jump to ratings and reviews
Rate this book

মুক্তিযুদ্ধে মেজর হায়দার ও তাঁর বিয়োগান্ত বিদায়

Rate this book
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এসএসজি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো অফিসার আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার বীর উত্তম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অন্যতম প্রাণপুরুষ। এই গেরিলাযুদ্ধ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাজার হাজার গেরিলাযোদ্ধারা যে যুদ্ধাভিযান পরিচালনা করেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের তা এক অত্যুজ্জ্বল অধ্যায় । একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ‍ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিণীর আনুষ্ঠানিক আত্নসমর্পণে মেজর হায়দারের ছিল প্রত্যক্ষ ভূমিকা। যুদ্ধের পর ঢাকায় লুটপাট বন্ধ করা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণেও ছিল তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত না থাকলেও, ৭ নভেম্বর তথাকথিত সিপাহি জনতার বিপ্লবে তাঁকে হত্যা করা হয়। এই বীরযোদ্ধাকে নিয়ে কোনো বই লেখা হয়নি। তাঁর সহযোদ্ধা জহিরুল ইসলামের দীর্ঘ গবেষণার ফল এ বই সেই অভাব পূরণ করবে। এ বই শুধু মেজর হায়দার বীর উত্তমের জীবনের ধারাক্রম নয়, ইতিহাসের এক বিরল অধ্যায়েরও অন্তরঙ্গ বিবরণ।

সূচিপত্র
* লেখকের কথা
* ভূমিকা
* পরিবারের কথা
* পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে হায়দার
* মুক্তিযুদ্ধে ক্যাপ্টেন হায়দার
* গেরিলা গড়ার কারিগর
* বাংলাদেশ হাসপাতাল
* বিজয়
* বিজয়ের পর ঢাকা শহরে মেজর হায়দার
* মর্মান্তিক ও বিয়োগান্ত বিদায়
* গ্রন্থপঞ্জি

224 pages, Hardcover

First published February 1, 2013

1 person is currently reading
23 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (9%)
4 stars
8 (72%)
3 stars
1 (9%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (9%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Emtiaj.
237 reviews86 followers
January 24, 2016
যে বিচ্চু বাহিনীর কারণে পিয়াঁজী সাবের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেত*, সেই বিচ্চু বাহিনীর প্রশিক্ষক এ.টি.এম. হায়দারকে নিয়ে লেখা এই বইটা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। ডিসেম্বরই যে বলেছিল তাঁর গেরিলা দলকে, ভারতীয়রা না যাওয়ার আগে তোমরা সব অস্ত্র জমা দিবেনা, তাঁকেই ভারতের দালাল বলে খুন হতে হল তথাকথিত সিপাহী বিপ্লবে। তাঁর বড় বোন ভাই সম্বন্ধে বলতে গিয়ে বলেছিলেন, "হায়দারের মৃত্যুর ৩৭ বছর পর পরিণত বয়সে আজ এই কথা বলতে ইচ্ছে করছে যে, এত লোকে হায়দারকে জানার বা চেনার বা তার বিখ্যাত হওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সে যদি শুধু আমার আদরের ছোট ভাইটি হয়েই বেঁচে থাকত আমাদের মাঝে, সেটিই ভালো ছিল।"

মেজর হায়দারের দিক দিয়ে চিন্তা করলে বইটা ৩/৫ কিন্তু সামগ্রিকভাবে চার দিতেই ইচ্ছে হল।

*চরমপত্র - এম.আর. আখতার মুকুল
Profile Image for Azwad Enam.
36 reviews9 followers
May 3, 2020
মুক্তিযুদ্ধের আমাদের সেনাবাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। লে. কর্ণেল হায়দার শুধু একজন চৌকস অফিসারই ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই দেশের জন্যে নিবেদিত প্রাণ একজন দেশপ্রেমিক। আমাদের যুদ্ধে গেরিলা যোদ্ধাদের ভূমিকা বলার অপেক্ষা রাখে না। একজন মানুষ কতটা নিবেদিত হলে মাত্র নয়মাসের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার গেরিলা যোদ্ধা তৈরির সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারেন তা আমাদের মত সাধারণ মানুষের চিন্তার অতীত।
আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়টি ছিল খুবই অস্থিতিশীল, আর সেই সময়ের ঘটনাপ্রাবাহ এখন আমাদের সামনে ঘোলাটে।
খুব অল্পসময়ে লে. কর্ণেল হায়দারের মত একজন দেশপ্রেমিককে হারিয়েছি। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে হয়ত এই মানুষগুলোর প্রাপ্য মূল্যায়ন হয়না, কিন্তু এই মানুষগুলো যাদের হৃদয় ছুঁয়েছিলেন তারা বাঁচিয়ে রাখবেন এই মহৎ মানুষগুলোকে নিজেদের মত করে নিজেদের স্মৃতিতে।
লেখক জহিরুল ইসলাম এর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রসংশা যোগ্য। তার লেখায় রেফারেন্স এর ব্যবহার খুবই সুন্দর ভাবে লক্ষ্যণীয়। সময়ের কারণে হয়ত অনেক ঘটনার প্রপার ডকুমেন্টেশন হয় নি তারপরও বইটি আমাদের দেশের ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি মূল্যবান সংযোজনা।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.