What do you think?


ইস্টিশন
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
জালাল মাথা থেকে সব চিন্তা দূল করে পাগলের মতো ছুটতে থাকে, প্লাটফর্ম শেষ হবার আগে তার এই ট্রেনে উঠতে হবে, একবার প্লাটফর্ম শেষ হয়ে গেলে আর সে উঠতে পারবে না। ছুটতে ছুটতে সে একটা খোলা দরজার হ্যান্ডেলের দিকে তাকাল, সে যদি হ্যান্ডেলেটা একবার ধরতে পারে তাহলেই শেষ একটা সুযোগ আছে। একবার চেষ্টা করল, পারল না, জালাল তবু হাল ছাড়ল না। সে শুনতে গেল ট্রেনের ভেতর থেকে মানুষজন চিৎকার করছে, “কী কর? কী কর? এই ছেলে? মাথা খারাপ না-কি?”
জালাল মাথা থেকে সব চিন্তা দূল করে পাগলের মতো ছুটতে থাকে, প্লাটফর্ম শেষ হবার আগে তার এই ট্রেনে উঠতে হবে, একবার প্লাটফর্ম শেষ হয়ে গেলে আর সে উঠতে পারবে না। ছুটতে ছুটতে সে একটা খোলা দরজার হ্যান্ডেলের দিকে তাকাল, সে যদি হ্যান্ডেলেটা একবার ধরতে পারে তাহলেই শেষ একটা সুযোগ আছে। একবার চেষ্টা করল, পারল না, জালাল তবু হাল ছাড়ল না। সে শুনতে গেল ট্রেনের ভেতর থেকে মানুষজন চিৎকার করছে, “কী কর? কী কর? এই ছেলে? মাথা খারাপ না-কি?”
128 pages, Hardcover
First published February 1, 2013
About the author
Muhammed Zafar Iqbal
399 books1,632 followersমুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 35 reviews
April 11, 2021
বইটা পড়তে পড়তে হঠাৎই অবাক হয়ে খেয়াল করলাম আমার চোখের কোনে পানি জমে আছে। শেষ কবে মুজাই'র কোনো কিশোরোপোন্যাস পড়ে চোখে পানি চলে এসেছিল? সম্ভবত 'আমার বন্ধু রাশেদ' পড়ে, সেই ৯৪-৯৫ সালের দিকে। মন খারাপের মাঝেও একধরনের আনন্দ লাগল, ২৫-২৬ বছর পরেও এই ধুলোধুসরিত রুক্ষ-কর্কশ-সিনিক্যাল মানুষটার ভেতরে কোথাও এখনো ছোটবেলার সহজসরল-কল্পনাপ্রবণ-অবাক চোখের কিশোর পাঠকটি টিকে রয়েছে আবিষ্কার করে।
খুব কম লেখকই সমাজের যেকোনো স্তরের মানুষের সাথে একাত্ম হয়ে পুরোপুরি তাদের চোখ দিয়ে পৃথিবীটা দেখতে পারেন, মুজাই'র বড় ভাইয়ের এই দুর্লভ গুণটি ছিল নিখাঁদ ভাবে। আজ বুঝলাম চাইলে মুজাই নিজেও খুব সহজেই তাঁর চিরচারিত সাবলীল গল্পকথনের শক্তিতে ক্ষুদে পাঠকদের (সাথে আমার মতো বুড়ো পাঠককেও) তাদের চেয়ে ভিন্ন স্তরের বালক-বালিকাদের ভিন্নরকম জীবনের গল্প শোনাতে পারেন একইরকম মন ছোঁয়া আন্তরিকতার সঙ্গে। যদি নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে যেতে চান তবেই আর কি।
এই উপন্যাসটির জন্য মুজাই'র আর দশটা কিশোরোপন্যাসের মতো শেষের দিকে একটা টিপিক্যাল রোমাঞ্চ-অ্যাডভেঞ্চার ঘটনা না থাকলেও কোনো সমস্যা ছিল না। যে পথশিশুদের জীবনের প্রতিটা দিনই একটা করে বেঁচে থাকার বাস্তব অ্যাডভেঞ্চার সেখানে আর আরোপিত কাল্পনিক অ্যাডভেঞ্চারের প্রয়োজন কী? অবশ্য সে ঘটনাটাও বইয়ের বাকিটার সাথে মিল রেখে বাস্তবসম্মতই হয়েছে।
সমাপ্তিটা যেমন আশঙ্কা করছিলাম সেরকম রূপকথা-টাইপ কিছু হয়নি। কিন্তু হলো না দেখেও কেমন জানি মনটা খারাপ হয়ে গেল। বইটা শেষ করে অনেকক্ষণ চুপ করে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকলাম। পড়ার সময় রিভিউতে কী কী নিয়ে কিভাবে কী লিখব হাবিজাবি অনেককিছুই মনে মনে সাজাচ্ছিলাম, এখন আর অত কিছুই সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে ইচ্ছে করছে না।
খুব কম লেখকই সমাজের যেকোনো স্তরের মানুষের সাথে একাত্ম হয়ে পুরোপুরি তাদের চোখ দিয়ে পৃথিবীটা দেখতে পারেন, মুজাই'র বড় ভাইয়ের এই দুর্লভ গুণটি ছিল নিখাঁদ ভাবে। আজ বুঝলাম চাইলে মুজাই নিজেও খুব সহজেই তাঁর চিরচারিত সাবলীল গল্পকথনের শক্তিতে ক্ষুদে পাঠকদের (সাথে আমার মতো বুড়ো পাঠককেও) তাদের চেয়ে ভিন্ন স্তরের বালক-বালিকাদের ভিন্নরকম জীবনের গল্প শোনাতে পারেন একইরকম মন ছোঁয়া আন্তরিকতার সঙ্গে। যদি নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে যেতে চান তবেই আর কি।
এই উপন্যাসটির জন্য মুজাই'র আর দশটা কিশোরোপন্যাসের মতো শেষের দিকে একটা টিপিক্যাল রোমাঞ্চ-অ্যাডভেঞ্চার ঘটনা না থাকলেও কোনো সমস্যা ছিল না। যে পথশিশুদের জীবনের প্রতিটা দিনই একটা করে বেঁচে থাকার বাস্তব অ্যাডভেঞ্চার সেখানে আর আরোপিত কাল্পনিক অ্যাডভেঞ্চারের প্রয়োজন কী? অবশ্য সে ঘটনাটাও বইয়ের বাকিটার সাথে মিল রেখে বাস্তবসম্মতই হয়েছে।
সমাপ্তিটা যেমন আশঙ্কা করছিলাম সেরকম রূপকথা-টাইপ কিছু হয়নি। কিন্তু হলো না দেখেও কেমন জানি মনটা খারাপ হয়ে গেল। বইটা শেষ করে অনেকক্ষণ চুপ করে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকলাম। পড়ার সময় রিভিউতে কী কী নিয়ে কিভাবে কী লিখব হাবিজাবি অনেককিছুই মনে মনে সাজাচ্ছিলাম, এখন আর অত কিছুই সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে ইচ্ছে করছে না।
September 30, 2020
'ইস্টিশন' বইটি মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের মনোমুগ্ধকর সৃষ্টি। তিনি আবারো প্রমাণ করলেন যে তিনি ছোটদের মন অনেক ভালো বোঝেন,অন্য যে কারো চেয়ে বেশী।
শিশুরা সমাজের জন্য সবচেয়ে সুন্দর উপহার। কিন্তু আমাদের চারপাশের পথশিশুদের আমরা যেনও দেখেও না দেখার ভান করি। আবার যারা ওদের পাশে দাড়ায় তাদেরও ধারনা ভুল প্রমান করার চেষ্টা করি। এই বইটিতে মায়া, জালাল, জেবা, শাজাহানের মতো শিশুদের কথা বলা হয়েছে। যাদের ঘর ট্রেন লাইনের পাশে। যাদের ঠিকানা ইস্টিশন। যাদের জীবন জটিলতায় ভরা থাকলেও যারা নিজের মাঝে খুঁজে পায় কোমলতা ও বেঁচে থাকার অদ্ভুত শক্তি। এ বইয়ের অন্যতম চরিত্র হল ইভা নামের একটি মেয়ে। সে সম্পর্কে কিছু নাই বলি। এছাড়া বইটিতে ফুটে উঠেছে একটি মাদক বিক্রয়কারি চক্র, একটি ছেলেধরা চক্র থেকে ভেজাল পানি বিক্রিকারি একজন মানুষের বর্ণনা পর্যন্ত। যাই হোক এই বইটি যে কোনও পরিবারের দাদু থেকে ছোট্ট বাচ্চাটির জন্যও উপযোগী বলে আমি মনে করি |
শেষ কথায় জাফর ইকবাল স্যার লিখেছেন, এক সময় স্টেশনের এই ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর সাথে তার একটা বন্ধুত্ব হয়েছিল এবং একটি দুটি ছাড়া উপন্যাসের বেশিরভাগ ঘটনাই তার নিজ চোখে দেখা । হয়তো বা সেজন্যই বইয়ের ভাষায় বাস্তবতার এতটা ছড়াছড়ি ।
শিশুরা সমাজের জন্য সবচেয়ে সুন্দর উপহার। কিন্তু আমাদের চারপাশের পথশিশুদের আমরা যেনও দেখেও না দেখার ভান করি। আবার যারা ওদের পাশে দাড়ায় তাদেরও ধারনা ভুল প্রমান করার চেষ্টা করি। এই বইটিতে মায়া, জালাল, জেবা, শাজাহানের মতো শিশুদের কথা বলা হয়েছে। যাদের ঘর ট্রেন লাইনের পাশে। যাদের ঠিকানা ইস্টিশন। যাদের জীবন জটিলতায় ভরা থাকলেও যারা নিজের মাঝে খুঁজে পায় কোমলতা ও বেঁচে থাকার অদ্ভুত শক্তি। এ বইয়ের অন্যতম চরিত্র হল ইভা নামের একটি মেয়ে। সে সম্পর্কে কিছু নাই বলি। এছাড়া বইটিতে ফুটে উঠেছে একটি মাদক বিক্রয়কারি চক্র, একটি ছেলেধরা চক্র থেকে ভেজাল পানি বিক্রিকারি একজন মানুষের বর্ণনা পর্যন্ত। যাই হোক এই বইটি যে কোনও পরিবারের দাদু থেকে ছোট্ট বাচ্চাটির জন্যও উপযোগী বলে আমি মনে করি |
শেষ কথায় জাফর ইকবাল স্যার লিখেছেন, এক সময় স্টেশনের এই ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর সাথে তার একটা বন্ধুত্ব হয়েছিল এবং একটি দুটি ছাড়া উপন্যাসের বেশিরভাগ ঘটনাই তার নিজ চোখে দেখা । হয়তো বা সেজন্যই বইয়ের ভাষায় বাস্তবতার এতটা ছড়াছড়ি ।
April 12, 2023
অধিকাংশ মানুষের শৈশব এবং কৈশরে থাকে ধবধবে পরিষ্কার স্কুল ড্রেস, পিঠে স্কুল ব্যাগ। খেলার মাঠ, বন্ধু বান্ধব মিলে খেলা করা এবং নির্দিষ্ট সময় ঘরে ফেরা। এটা স্বাভাবিক একটা চিত্র।
ট্রেন থামার আগেই ছোট ছোট বাচ্চারা ঝুকি নিয়ে এক দৌড়ে চলন্ত ট্রেনে উঠে পড়ে। ট্রেনের যাত্রীদের কাছ থেকে শুধু খাবার কিনে খাবার জন্য দুই টাকা চায়। ট্রেন চলে যাবার পর কে কতো টাকা পেলো তা হিসাব করতে বসে। এর মাঝে আবার কেউ কেউ কতো টাকা ভিক্ষা পেলো তা গুনতেও পারে না। এই চিত্র একটু অস্বাভাবিক তবে বাস্তব একটা চিত্র।
স্টেশনে আসা অল্পকিছু যাত্রীদের মনে অল্প পরিমান সহানুভূতি বা সমবেদনার উদয় হলেও এই জীবনেই অভ্যস্ত স্টেশনে থাকা বাচ্চারা। এদের মধ্যে অনেক বাচ্চারই বাবা-মা থেকেও নাই, আবার অনেকে বোঝেই না বাবা- মা জিনিসটা আসলে কি। এই সব ছোট ছোট বাচ্চাদের চালিত করে সাধারনত বাবা- মা অথবা বড় কেউ কিন্তু স্টেশনে থাকা বাচ্চাদের নিজের দায় নিজেকেই নিতে হয়। হয়তো সৃষ্টিকর্তার উদাসীনতায় এরা সবাই পরিবার থেকে ছিটকে পড়েছে। খোলা আকাশের নিচে স্টেশনে কুকুরের সাথে এরা জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে থাকে।তাই তারা সবাই মিলে একটি পরিবার।
জীবনের প্রয়োজনে বাঁচার তাগিদে এসব স্টেশনে থাকা বাচ্চাদের প্রতিটি মুহূর্তের সংগ্রাম করে টিকে থাকার চিত্রটাই মূলত লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল "ইস্টিশন" বইটাতে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ট্রেন থামার আগেই ছোট ছোট বাচ্চারা ঝুকি নিয়ে এক দৌড়ে চলন্ত ট্রেনে উঠে পড়ে। ট্রেনের যাত্রীদের কাছ থেকে শুধু খাবার কিনে খাবার জন্য দুই টাকা চায়। ট্রেন চলে যাবার পর কে কতো টাকা পেলো তা হিসাব করতে বসে। এর মাঝে আবার কেউ কেউ কতো টাকা ভিক্ষা পেলো তা গুনতেও পারে না। এই চিত্র একটু অস্বাভাবিক তবে বাস্তব একটা চিত্র।
স্টেশনে আসা অল্পকিছু যাত্রীদের মনে অল্প পরিমান সহানুভূতি বা সমবেদনার উদয় হলেও এই জীবনেই অভ্যস্ত স্টেশনে থাকা বাচ্চারা। এদের মধ্যে অনেক বাচ্চারই বাবা-মা থেকেও নাই, আবার অনেকে বোঝেই না বাবা- মা জিনিসটা আসলে কি। এই সব ছোট ছোট বাচ্চাদের চালিত করে সাধারনত বাবা- মা অথবা বড় কেউ কিন্তু স্টেশনে থাকা বাচ্চাদের নিজের দায় নিজেকেই নিতে হয়। হয়তো সৃষ্টিকর্তার উদাসীনতায় এরা সবাই পরিবার থেকে ছিটকে পড়েছে। খোলা আকাশের নিচে স্টেশনে কুকুরের সাথে এরা জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে থাকে।তাই তারা সবাই মিলে একটি পরিবার।
জীবনের প্রয়োজনে বাঁচার তাগিদে এসব স্টেশনে থাকা বাচ্চাদের প্রতিটি মুহূর্তের সংগ্রাম করে টিকে থাকার চিত্রটাই মূলত লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল "ইস্টিশন" বইটাতে ফুটিয়ে তুলেছেন।
November 26, 2018
কিছু কিছু গল্পের হ্যাপি এন্ডিং হয় না। মুখে তিক্ত স্বাদের মতন লেগে থাকে এমন। ইস্টিশন এমন একটা।
গল্পের মূলত পথশিশুদের জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে। খুব কাছ থেকে দেখতে পাওয়া যায় তাদের জীবনের সুখ দুঃখ হাসি কান্না। তাদের এমন সব কিছুর মাঝে দিয়ে যেতে হয় যা কিনা আমরা বিশ্বাসও করতে পারতাম না। সকাল থেকে শুরু হয় তাদের জীবিকার জন্য লড়ায় শেষ হয় এক্কেবারে শেষ রাতে। এমন করেই তাদের দিন চলতে থাকে। এর মধ্যে, মাঝে মাঝে কিছু হাসি কান্না মিলিয়ে জীবন চলে যাচ্ছে।
পড়ার পর মনে মনের মধ্যে একটা খারাপ লাগাঁ কাজ করবে যে কিছু করতে না পারার আক্ষেপ, অপরাধবোধ। এই কারনেই মনে হয় লেখকের এই ইস্টিশনের উপস্থাপনা।
গল্পের মূলত পথশিশুদের জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে। খুব কাছ থেকে দেখতে পাওয়া যায় তাদের জীবনের সুখ দুঃখ হাসি কান্না। তাদের এমন সব কিছুর মাঝে দিয়ে যেতে হয় যা কিনা আমরা বিশ্বাসও করতে পারতাম না। সকাল থেকে শুরু হয় তাদের জীবিকার জন্য লড়ায় শেষ হয় এক্কেবারে শেষ রাতে। এমন করেই তাদের দিন চলতে থাকে। এর মধ্যে, মাঝে মাঝে কিছু হাসি কান্না মিলিয়ে জীবন চলে যাচ্ছে।
পড়ার পর মনে মনের মধ্যে একটা খারাপ লাগাঁ কাজ করবে যে কিছু করতে না পারার আক্ষেপ, অপরাধবোধ। এই কারনেই মনে হয় লেখকের এই ইস্টিশনের উপস্থাপনা।
October 11, 2017
আমি যদি ছোট হতাম হয়ত আবেগ কাজ করত গভীর থেকে— কতটুকুই আর গভীর হয় শিশুমন! তবে অল্প গভীরতায় নিজের আবেগে ডুবে যাবার জন্য ছোট্ট বাচ্চা যথেষ্ঠ। যে জায়গা, যে স্টেশনে গল্পটা উঠেছে আর নেমেছে সে স্টেশনটা আমার চেনা, এ স্টেশনের ট্রেনগুলো আমার চড়া। এর প্ল্যাটফর্মের দীর্ঘতা আমার হেঁটে রাখা। তাই পত্রিকা পড়ার মত আমার গল্প ফুরিয়েছে। আবার যার জীবনের একটি অংশকে বীজ ধরে তার জীবনগল্পের ছায়া বই হয়েছে সে লোকটাও আমার দেখা। জাফর স্যার এবং তার স্ত্রীকে একটা দীর্ঘসময় বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সিলেট ঢাকা সিলেট ছুটতে হয়েছে। ছেলের জন্য মেয়ের জন্য, এর বিস্তারিত পাওয়া যাবে উনার স্ত্রী ড. ইয়াসমীন হকের সাস্টে ২২ বছর (22 years at SUST) বইতে।
কেউ যখন বইটা পড়বে খুব সাধারণ ঘটনায় সাজানো গল্প। কিন্তু এর কঙ্কালটা স্যার ম্যাডামের জীবনের গল্পাংশ।
বাস্তব থেকে বসে উপুড় হয়ে বইয়ে কী হচ্ছে তা দেখব না বইয়ে গল্প কই গেল এ দুই দেখার মাঝে বয়সের ফারাক। গল্পশেষে স্যারের 'শেষ কথা' অংশটুকু যদি বইয়ের শুরুতে থাকত তাহলে কল্পনাটাও ভিন্ন হত। মানুষ ভালবাসে সেই গল্পটাকে যেখানে সে নিজে আছে, তার জীবনের একটা মিল আছে, অংশ আছে।
কেউ যখন বইটা পড়বে খুব সাধারণ ঘটনায় সাজানো গল্প। কিন্তু এর কঙ্কালটা স্যার ম্যাডামের জীবনের গল্পাংশ।
বাস্তব থেকে বসে উপুড় হয়ে বইয়ে কী হচ্ছে তা দেখব না বইয়ে গল্প কই গেল এ দুই দেখার মাঝে বয়সের ফারাক। গল্পশেষে স্যারের 'শেষ কথা' অংশটুকু যদি বইয়ের শুরুতে থাকত তাহলে কল্পনাটাও ভিন্ন হত। মানুষ ভালবাসে সেই গল্পটাকে যেখানে সে নিজে আছে, তার জীবনের একটা মিল আছে, অংশ আছে।
August 24, 2014
গল্প হিসেবে আহামরি কোন গল্প না। বরং স্টেশনের বাচ্চাদের কথোপকথনের ভাষা, চারপাশের বর্ণনা ইত্যাদি জায়গায় লেখা অনেক দূর্বল লেগেছিলো। কিন্তু বইয়ের শেষে এসে দুই পৃষ্ঠায় লেখকের নিজস্ব কথা বইটাকে অন্য মাত্রা দেয়। সত্যি বলতে কি, শেষ দুলাইন পড়ে কিছুক্ষণ থম মেরে ছিলাম। আমার মনে হয়েছে পথশিশুদের জন্য কিছু করে না পারার এক ধরনের অপরাধবোধ থেকে স্যার এই গল্পটা লিখছে। যেই অপরাধবোধে আমরা সবাই কম বেশি ভুগি। কিন্তু বেশিরভাগই কিছু করে উঠতে পারি না অথবা করি না।
May 16, 2014
স্যারের একটা অন্য রকম উপন্যাস পড়লাম। ইস্টিশনের শিশুদের নিয়ে লেখা বই, তবে কেবল শিশুদের জন্যে বই বলে মনে হয় নি। লেখকের জীবনের খুব কাছের একটি দ্বন্দ্ব নিয়ে লেখা বইটি সেটা পড়ে বোঝা যায়। এক বসায় পড়ে শেষ করার মতো বই। তাঁর ভালো অন্য লেখাগুলোর মতোই আবেগস্পর্শী।
April 11, 2016
মূলত ইলবাল স্যারের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে লেখা গল্প। আহামরি কোন লেখা না, কৈশরের কৌতহূল আর দুরন্তপনা লক্ষ্য করা যায় ইস্টিশনের বাচ্চাদের মাঝে। অপরাধে জড়িয়ে পরা ব্লাহ ব্লাহ। স্টেশনের বাচ্চাদের বাস্তব জীবন নিয়েই লেখা।
February 14, 2014
জাফর ইকবালের অন্যান্য বই থেকে কিছুটা আলাদা। ভাল লেগেছে।
January 26, 2017
3 1/2 star.
January 15, 2019
This book made my childhood ❤
July 14, 2022
একই নামে বই হুমায়ূন আহমেদেরও আছে। হুমায়ূন স্যারের ইস্টিশন প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে। আর জাফর ইকবাল স্যারেরটা অনেক পরে গিয়ে।
জাফর ইকবাল স্যারের এর আগে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা বইটি পড়েছি। আমায় তেমন টানেনি। এরপর কাজলের দিনরাত্রি পড়তে গিয়েও ভালো লাগেনি। তো তার লেখা বইয়ের ওপর খানিকটা অনীহা এসে যায়। সেটা কিছুটা দূর করেছে ইস্টিশন বইটি।
বইয়ে ইস্টিশনে থাকা ছেলেমেয়ের কথা বলা হয়েছে। মূল চরিত্রে আছে জালাল, মজিদ, জেবা, মায়া। এরা কেউ কুলিগিরি করে খায়। কেউবা ভিক্ষা করে। বাবা-মা ছাড়া এই ছোটো বাচ্চাদের জীবন অদ্ভুতভাবে কাটে। দু'টাকা বকশিশের জন্য কিম্বা একটু পেট পুরে খাওয়ার জন্য এরা যারপরনাই কষ্ট করে।
লেখক এইসব ছেলেমেয়েদের জীবনগল্প বলতে গিয়ে একটু এডভেঞ্চার টেনেছেন। যদিও সেটা কাল্পনিক। কিন্তু বাস্তবে এদের জীবন রোমাঞ্চকরের চে' কম নয়।
জাফর ইকবাল স্যারের এর আগে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা বইটি পড়েছি। আমায় তেমন টানেনি। এরপর কাজলের দিনরাত্রি পড়তে গিয়েও ভালো লাগেনি। তো তার লেখা বইয়ের ওপর খানিকটা অনীহা এসে যায়। সেটা কিছুটা দূর করেছে ইস্টিশন বইটি।
বইয়ে ইস্টিশনে থাকা ছেলেমেয়ের কথা বলা হয়েছে। মূল চরিত্রে আছে জালাল, মজিদ, জেবা, মায়া। এরা কেউ কুলিগিরি করে খায়। কেউবা ভিক্ষা করে। বাবা-মা ছাড়া এই ছোটো বাচ্চাদের জীবন অদ্ভুতভাবে কাটে। দু'টাকা বকশিশের জন্য কিম্বা একটু পেট পুরে খাওয়ার জন্য এরা যারপরনাই কষ্ট করে।
লেখক এইসব ছেলেমেয়েদের জীবনগল্প বলতে গিয়ে একটু এডভেঞ্চার টেনেছেন। যদিও সেটা কাল্পনিক। কিন্তু বাস্তবে এদের জীবন রোমাঞ্চকরের চে' কম নয়।
March 20, 2024
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার এর লেখা "ইস্টিশন" বইটি চোখে জল কিন্তু মুখে হাসি ফোটানোর মতো অসাধারণ একটি বই।
বইটি পড়ে চোখে পানি এসে পড়লেও মনের গভীরে কোথায় যেন একটি সুপ্ত সুখানুভূতি কাজ করেছে।
আমি মনে করি, ছোট কিংবা বড় কমবেশি সকল বয়সের পাঠকেরই বইটি ভালো লাগবে।
Personal Rating :- 5 out of 5.
Happy Reading.
বইটি পড়ে চোখে পানি এসে পড়লেও মনের গভীরে কোথায় যেন একটি সুপ্ত সুখানুভূতি কাজ করেছে।
আমি মনে করি, ছোট কিংবা বড় কমবেশি সকল বয়সের পাঠকেরই বইটি ভালো লাগবে।
Personal Rating :- 5 out of 5.
Happy Reading.
December 16, 2022
২০১৩ সালে এই বইটি বের হয়। কাকতালীয় ভাবে আমি প্রথমবার ট্রেনে ভ্রমণ করি সে বছরই!!!
এই বইটি না পড়লে জানতেই পারতাম না স্টেশনের বাচ্চাদের জীবন কেমন হয়।
ইস! যদি উপন্যাস এর বাচ্চাগুলোকে বাস্তবে দেখতে পেতাম,,,
এই বইটি না পড়লে জানতেই পারতাম না স্টেশনের বাচ্চাদের জীবন কেমন হয়।
ইস! যদি উপন্যাস এর বাচ্চাগুলোকে বাস্তবে দেখতে পেতাম,,,
March 13, 2023
4.5 / 5.0
বেশ ভালো। কমলাপুর রেলস্টেশনের কিছু বাচ্চাদের সাথে নিয়মিতভাবে সময় কাটানোর সুযোগ আমার হয়েছিলো কিছু বছর আগে। ওইটার জন্যই কিনা জানি না মন একদম ছুঁয়ে গেলো, যদিও একেবারে সাদামাটা টিপিক্যাল মুজাই স্টাইলের উপন্যাস।
~ 13 March 2023
বেশ ভালো। কমলাপুর রেলস্টেশনের কিছু বাচ্চাদের সাথে নিয়মিতভাবে সময় কাটানোর সুযোগ আমার হয়েছিলো কিছু বছর আগে। ওইটার জন্যই কিনা জানি না মন একদম ছুঁয়ে গেলো, যদিও একেবারে সাদামাটা টিপিক্যাল মুজাই স্টাইলের উপন্যাস।
~ 13 March 2023
May 11, 2020
কিছু মানুষের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে
Read
August 16, 2020সর্বশেষ এটাই পড়েছি। এরপর আর পড়ি নি। পড়বও না ইন শা আল্লাহ।
September 16, 2020
This is a heart touching story..This is a real story.. This story teaches us that all of us are same....We need one thing to do that respect everyone and everyone's feeling.....
July 25, 2021
রিভিউ বলতে গেলে এককথায় পুরো শৈশব ।
আমার জীবনে প্রথম পড়া বই " ইস্টিশন " যা আমাকে পুস্তকাসক্ত করে তুলেছে । সবাইকে অনুরোধ করব বইটা পড়ার জন্য । আশা করি সবার ভালো লাগবে! 🙂
আমার জীবনে প্রথম পড়া বই " ইস্টিশন " যা আমাকে পুস্তকাসক্ত করে তুলেছে । সবাইকে অনুরোধ করব বইটা পড়ার জন্য । আশা করি সবার ভালো লাগবে! 🙂
September 9, 2021
সুন্দর গল্প। শেষদিকে মু.জা.ই. লিখেছেন যে সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়া আসা করতেন প্রতিনিয়ত, আর তখন স্টেশনের বাচ্চাদের সাথে উনার সখ্যতা হয়, আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বইটি লিখেছেন।
November 19, 2021
অসাধারণ পথশিশুদের নিয়ে কাহিনী
April 2, 2023
খুব সুন্দর একটি বই,পড়ে ভালো লাগবে।
November 27, 2023
ইস্টিশনের শিশুদের নিয়ে লেখা বই। অন্যান্য কিশোর উপন্যাস থেকে একটু ভিন্ন ধাঁচের। পড়ার পর মনে মনের মধ্যে একটা খারাপ লাগাঁ কাজ করবে যে কিছু করতে না পারার আক্ষেপ, অপরাধবোধ।
December 18, 2023
রেল স্টেশনের ভাসমান কিশোর জীবনগুলোর অসাধারণ আখ্যান।
হার্টটাচিং কিছু মুমেন্ট আছে। আছে চোখ ভিজিয়ে দেওয়ার মতো এলিমেন্ট।
হার্টটাচিং কিছু মুমেন্ট আছে। আছে চোখ ভিজিয়ে দেওয়ার মতো এলিমেন্ট।
Read
August 4, 2026That চিপসের প্যাকেট
September 26, 2026
জাফর ইকবাল স্যারের লেখা সেরা একটি বই।
August 30, 2018
মায়া চিৎকার করে বললো, “টেরেন আহে। টেরেন!”
প্রতিদিনই এমন ট্রেন আসে। আর ওরা থাকে অপেক্ষায়।
যখনই ট্রেন আসে, তখনই ছোট্ট মায়া চিৎকার করে ওঠে। মায়ার সামনে দাঁতগুলো নেই। তাই মায়া যখন কথা বলে তখন তার দাঁতের ভেতর দিয়ে বাতাসগুলো বেড়িয়ে কথা গুলো অন্যরকম শোনা যায়। আসলে সে বলতে চাচ্ছিলো,”ট্রেন আসছে। ট্রেন!” মায়া শুধু যে ট্রেনকে টেরেন বলে তা নয়। সে গ্রামকে বলে গেরাম আর ড্রামকে বলে ডেরাম! তাকে কেউ অবশ্যি সেটা শুদ্ধ করে দেবার চেষ্টা করে না, কারণ রেলস্টেশনে সে অন্য যে কয়জন বাচ্চাকাচ্চার সঙ্গে থাকে তারাও ট্রেন আর টেরেন কিংবা ড্রাম আর ডেরামের মাঝে পার্থক্যটা ভালোভাবে ধরতে পারে না, বলতেও পারে না।
আর এই ট্রেনের ওপরেই চলে তাদের জীবন।
ইস্টিশন উপন্যাসটি স্টেশনে থাকা কিছু বাচ্চাদের নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা বই।
মায়া, জেবা , মজিদ, জালাল আরো কয়েকজনকে নিয়ে জালালদের সংসার। এদের সবার শেষ ঠিকানা স্টেশন। এখানে অরা সবাই সবার ভাই, সবাই সবার বোন। যদিও কেউ সেটা কখনো প্রকাশ করে না। সবার জন্যই ওদের মধ্যে একটা মায়া থাকে। তাই কেউ চলে গেলে সবার খারাপ লাগে। যদিও কিছুদিন পর সবাই সেটা ভুলে যায়।
বইটিতে ফুটে উঠেছে স্টেশনে বড় হওয়া বাচ্চাদের জীবন। ট্রেনের যাত্রীদের ব্যাগ বহন করে ওরা আয় করে। তেমনি এক যাত্রী ইভা। প্রতি বৃহস্পতিবার আসে ইভা। দু’দিন থেকে আবার চলে যায় ঢাকায়। এর মাঝে বাচ্চাগুলোর সঙ্গে পরিচয় হয় ইভার। প্রথমবার মায়া যখন ইভার কাছে টাকা চায়, তখন সাথে সাথে ইভা ২ টাকা দিয়ে দেয়। এতে মায়া অবাক হয়ে ২ টাকা হাতে ফিরে গিয়ে স্টেশনের সব বাচ্চাদেরকে জানায়। সব বাচ্চা হাজির হয় সেখানে। চাওয়ার সাথে সাথে সবাইকে ২ টাকা দিয়ে ইভা। সেই থেকে ইভার নাম হয়ে যায়, “দুই টেকী আপা”।
এছাড়াও গল্পে কাউলা ও তার মা দুটি চরিত্র। কাউলা, ৪ বছর বয়সের বাচ্চা। সরীরের রঙ কালো, তাই সবাই তাকে কাউলা বলে। আর তার মা পাগল। কেউ কাউলাকে কিছু জিজ্ঞেস করলেই চোখ বড় বড় করে নগ্ন শরীরে সে তাকিয়ে থাকে। এইটুকু বাচ্চা ছেলের মায়ের প্রতি মমত্ববোধ এই গল্পে।
সবশেষে জালাল, মায়া আর জেবা পরে যায় বিশাল বিপদে। ছেলেধরার হাতে পরে যায় মায়া ও জেবা। তাদের উদ্ধার করতে পিছু নেয় জালাল। মায়া আর জেবাকে বাচাতে গিয়ে জালালও আটকা পরে যায় ছেলেধরার হাতে। সবশেষে জালালের নেতৃত্বে ছেলেধরাদেরকে বোকা বানিয়ে ২০ জন বাচ্চাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে জালাল।
এই উপন্যাসেও আছে এডভ্যাঞ্চারের ছোঁয়া!
সবশেষে লেখক জানিয়েছেন, এই গল্পের অনেকটাই সত্যি। ইভার চরিত্রের জায়গা ছিলেন তিনি!
তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হওয়া এই বইটি মূল্য ২০০ টাকা। এটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের বইমেলায়। তোমার বাসার আশেপাশের বইয়ের দোকানে ঢু মারলেই পেয়ে যাবে ‘ইস্টিশন’। এ ছাড়া রকমারি.কম এ বইটি পাওয়া যাবে ২৫% ছাড়ে মাত্র ১৫০ টাকায়।
ধ্রব এষের আঁকা প্রচ্ছদ পুরো বইটিকে প্রচ্ছদেই ফুটিয়ে তুলেছে।
বইটি পড়া শেষে তুমিই বলে উঠবে, আহা! আমি কি সুখী!
প্রতিদিনই এমন ট্রেন আসে। আর ওরা থাকে অপেক্ষায়।
যখনই ট্রেন আসে, তখনই ছোট্ট মায়া চিৎকার করে ওঠে। মায়ার সামনে দাঁতগুলো নেই। তাই মায়া যখন কথা বলে তখন তার দাঁতের ভেতর দিয়ে বাতাসগুলো বেড়িয়ে কথা গুলো অন্যরকম শোনা যায়। আসলে সে বলতে চাচ্ছিলো,”ট্রেন আসছে। ট্রেন!” মায়া শুধু যে ট্রেনকে টেরেন বলে তা নয়। সে গ্রামকে বলে গেরাম আর ড্রামকে বলে ডেরাম! তাকে কেউ অবশ্যি সেটা শুদ্ধ করে দেবার চেষ্টা করে না, কারণ রেলস্টেশনে সে অন্য যে কয়জন বাচ্চাকাচ্চার সঙ্গে থাকে তারাও ট্রেন আর টেরেন কিংবা ড্রাম আর ডেরামের মাঝে পার্থক্যটা ভালোভাবে ধরতে পারে না, বলতেও পারে না।
আর এই ট্রেনের ওপরেই চলে তাদের জীবন।
ইস্টিশন উপন্যাসটি স্টেশনে থাকা কিছু বাচ্চাদের নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা বই।
মায়া, জেবা , মজিদ, জালাল আরো কয়েকজনকে নিয়ে জালালদের সংসার। এদের সবার শেষ ঠিকানা স্টেশন। এখানে অরা সবাই সবার ভাই, সবাই সবার বোন। যদিও কেউ সেটা কখনো প্রকাশ করে না। সবার জন্যই ওদের মধ্যে একটা মায়া থাকে। তাই কেউ চলে গেলে সবার খারাপ লাগে। যদিও কিছুদিন পর সবাই সেটা ভুলে যায়।
বইটিতে ফুটে উঠেছে স্টেশনে বড় হওয়া বাচ্চাদের জীবন। ট্রেনের যাত্রীদের ব্যাগ বহন করে ওরা আয় করে। তেমনি এক যাত্রী ইভা। প্রতি বৃহস্পতিবার আসে ইভা। দু’দিন থেকে আবার চলে যায় ঢাকায়। এর মাঝে বাচ্চাগুলোর সঙ্গে পরিচয় হয় ইভার। প্রথমবার মায়া যখন ইভার কাছে টাকা চায়, তখন সাথে সাথে ইভা ২ টাকা দিয়ে দেয়। এতে মায়া অবাক হয়ে ২ টাকা হাতে ফিরে গিয়ে স্টেশনের সব বাচ্চাদেরকে জানায়। সব বাচ্চা হাজির হয় সেখানে। চাওয়ার সাথে সাথে সবাইকে ২ টাকা দিয়ে ইভা। সেই থেকে ইভার নাম হয়ে যায়, “দুই টেকী আপা”।
এছাড়াও গল্পে কাউলা ও তার মা দুটি চরিত্র। কাউলা, ৪ বছর বয়সের বাচ্চা। সরীরের রঙ কালো, তাই সবাই তাকে কাউলা বলে। আর তার মা পাগল। কেউ কাউলাকে কিছু জিজ্ঞেস করলেই চোখ বড় বড় করে নগ্ন শরীরে সে তাকিয়ে থাকে। এইটুকু বাচ্চা ছেলের মায়ের প্রতি মমত্ববোধ এই গল্পে।
সবশেষে জালাল, মায়া আর জেবা পরে যায় বিশাল বিপদে। ছেলেধরার হাতে পরে যায় মায়া ও জেবা। তাদের উদ্ধার করতে পিছু নেয় জালাল। মায়া আর জেবাকে বাচাতে গিয়ে জালালও আটকা পরে যায় ছেলেধরার হাতে। সবশেষে জালালের নেতৃত্বে ছেলেধরাদেরকে বোকা বানিয়ে ২০ জন বাচ্চাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে জালাল।
এই উপন্যাসেও আছে এডভ্যাঞ্চারের ছোঁয়া!
সবশেষে লেখক জানিয়েছেন, এই গল্পের অনেকটাই সত্যি। ইভার চরিত্রের জায়গা ছিলেন তিনি!
তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হওয়া এই বইটি মূল্য ২০০ টাকা। এটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের বইমেলায়। তোমার বাসার আশেপাশের বইয়ের দোকানে ঢু মারলেই পেয়ে যাবে ‘ইস্টিশন’। এ ছাড়া রকমারি.কম এ বইটি পাওয়া যাবে ২৫% ছাড়ে মাত্র ১৫০ টাকায়।
ধ্রব এষের আঁকা প্রচ্ছদ পুরো বইটিকে প্রচ্ছদেই ফুটিয়ে তুলেছে।
বইটি পড়া শেষে তুমিই বলে উঠবে, আহা! আমি কি সুখী!
March 25, 2024
RE-READ
জালাল is a homeless kid at a station trying to earn money. There are other kids like him some are small, some are the same age as him, and some of them are older. But they stay together. This book is about the lifestyle of these station kids. Their life is uncertain, and hard, but they still try to find happiness in small things. One of the people who became quickly attached to those kids was ইভা, one of the regular passengers of the train. She made some impact on the kids' lives just like they did on hers. It might be small or it might be big. Depends on the perspective. But unfortunately, they had to part ways anyway. Life had to go on.
Anyway, I really enjoyed this book. This book might be nothing special in a sense but it tugs at your heart. It makes me feel guilty and grateful for my life at the same time. I liked the plot. I liked the reality of the plot. The ending was bittersweet. I guess that's what made it more likable.
জালাল is a homeless kid at a station trying to earn money. There are other kids like him some are small, some are the same age as him, and some of them are older. But they stay together. This book is about the lifestyle of these station kids. Their life is uncertain, and hard, but they still try to find happiness in small things. One of the people who became quickly attached to those kids was ইভা, one of the regular passengers of the train. She made some impact on the kids' lives just like they did on hers. It might be small or it might be big. Depends on the perspective. But unfortunately, they had to part ways anyway. Life had to go on.
Anyway, I really enjoyed this book. This book might be nothing special in a sense but it tugs at your heart. It makes me feel guilty and grateful for my life at the same time. I liked the plot. I liked the reality of the plot. The ending was bittersweet. I guess that's what made it more likable.
Displaying 1 - 30 of 35 reviews



















![Profile Image for Arnab Mohajan Shaptarshi [ অর্ণব মহাজন সপ্তর্ষি ].](https://i.gr-assets.com/images/S/compressed.photo.goodreads.com/users/1658754239i/137887372._UX200_CR0,18,200,200_.jpg)








