ফ্ল্যাপে লিখা কথা মিসির আলি তার খাতা বের করলেন। কেইজ নাম্বার দিয়ে ফারজানার নামে একটি ফাইল খোলা যেতে পারে। খাতার পাতায় ফারজানার নাম লিখতে গিয়ে মিসির আলি ইতস্তত করতে লাগবেন। ফাইল খোলার দরকার আছে কি?
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
তন্দ্রাবিলাস' হুমায়ূন আহমেদ এর মিসির আলি চরিত্রভিত্তিক ১১ নম্বর উপন্যাসিকা। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এই বইয়ে লেখক তার মিসির আলি চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের অদ্ভুত আচরণ এবং অস্বাভাবিক ক্ষমতার যৌক্তিক কারণ উপস্থাপন করেছেন। অবচেতন মনের কল্পনার সাথে পরাবাস্তব জগতের গল্প তন্দ্রাবিলাসের মুখ্য বিষয়বস্তু।
তবে যে বয়সে হুমায়ূন আহমেদের এই বই পড়ার কথা না, ঠিক তেমন বয়সেই তন্দ্রাবিলাস পড়া হয়েছিল আমার। ক্লাস টু অথবা থ্রি'তে পড়ি তখন। বড় বোনের হুমায়ূনপ্রীতির কারণে বাসার বুকশেলফে বেশকিছু বই ছিলো। আমি টুকটাক কমিকস, ভূতের গল্প আর রুপকথার বই পড়তাম। কোন এক সন্ধ্যায় গা কেঁপে জ্বর এলো; যতদূর মনে পড়ে রাত দশটার পর আব্বুর কোলে করে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বাসায় ফিরেছিলাম। সেই রাতে আবার তুমুল ঝড়বৃষ্টি, অত:পর এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। তখন আইপিএস,জেনারেটরের যুগ ছিল না। ঘরে ঘরে চার্জার লাইট, মোমবাতি, ল্যাম্প জাতীয় জিনিসই ছিল একমাত্র ভরসা। ঘুম আসছিল না কিছুতেই। পানি খেতে উঠে কী মনে করে যেন শেলফ থেকে তন্দ্রাবিলাস বইটা বের করে পড়তে শুরু করলাম... আট/দশ বছরের বালকের মাথায় প্যারানরমাল মিস্ট্রি কী বস্তু অথবা হুমায়ূন সাহিত্যের মাহাত্ম্য জাতীয় জটিল বিচার বিশ্লেষণ জ্ঞান থাকার কথা নয়। ওই বয়সের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করলে আমি বলব, বইটা শুরু করার পর ভালোই লাগছিলো পড়তে। ঝড়বৃষ্টির রাতে চার্জার লাইটের মিটমিটে আলোয় যখন দেয়ালে দীর্ঘ ছায়া পড়ে, তখন আপাতদৃষ্টিতে ভৌতিক একটা বই পড়তে ভালো না লাগাটাই বরং অস্বাভাবিক! একটানা কতক্ষণ পড়েছিলাম মনে নেই, তবে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম-সে বিষয়ে নিশ্চিত।
জ্বরের কারণে পরেরদিন স্কুলে যাওয়া হলো না। আমার মাথায় ততক্ষণে মিসির আলি জোরেসোরে চেপে বসেছে। একটা মেয়ে হঠাত মিসির আলি সাহেবের বাসায় উপস্থিত হয়ে বড়সড় একটা চিঠি দিয়ে গায়েব হয়ে গেলো। তারপর সেই চিঠিতে তার স্মৃতিচারণের মাধ্যমে একাধিক ভৌতিক ঘটনার বর্ণনা শুরু হলো- অনেক কিছু না বুঝলেও এটুকু ঠিকই বুঝেছিলাম। আর এ-ও বুঝেছিলাম যে, ভয়ের চোটে বারবার ঘেমে যাচ্ছি! (ঘামটা অবশ্য প্যারাসিটামলের প্রতিক্রিয়া হিসেবেও হতে পারে!)। সেই ভয় এতোটাই বিশুদ্ধ ছিল যে, এরপর কয়েকদিন একা একা বাথরুমে যেতেও গা কাপতো! বক্স খাটে শুয়ে মনে হতো, নিচে কুকুরের মতো উবু হয়ে শরীফা বসে নেই তো? বারান্দায় কোন মৃত আত্মা ঘুরে ঘুরে আমার ওপর নজর রাখছে না তো?
তন্দ্রাবিলাস বইটা আমি পরবর্তীতে কম করে হলেও দশ থেকে বারোবার পড়েছি। ততোদিনে বয়স হয়েছে, বুদ্ধি হয়েছে, মিসির আলীকে ভালোভাবে চিনেছি, হুমায়ূন আহমেদকে আরও কাছ থেকে জেনেছি। ছোটবেলার আধো আধো উপলব্ধি আর ধোঁয়াটে কুয়াশাও কেটে গিয়েছে। কিন্তু কাটেনি সেই মুগ্ধতা। অতিপ্রাকৃত সেই গল্পটা পড়ে প্রথমবার যে ভয় পেয়েছিলাম, তাও বিন্দুমাত্র কমেনি।
টিপিকাল প্যারানরমাল মিস্ট্রির সাথে মিসির আলীর বইগুলোর একটা বড় ধরনের পার্থক্য আছে। মিসির আলি অনেক ক্ষেত্রেই শেষ পর্যন্ত অতিপ্রাকৃত ঘটনাগুলোর বৈজ্ঞানিক অথবা যুক্তিবাদী ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। তবুও রহস্য থেকে যায়... "চিরকাল এইসব রহস্য আছে নীরব, রুদ্ধ ওষ্ঠাধর..."
তন্দ্রাবিলাসের ক্ষেত্রেও সেই একই কথা প্রযোজ্য। তবে একটা অভিযোগ থেকেই যায়। অনেক প্রশ্নের উত্তর না পেলেও মিসির আলীতে আমি বরাবরই সন্তুষ্ট থাকি। তবে তন্দ্রাবিলাসের শেষটায় আমার মন ভরেনি। অতীত থেকে বর্তমানে এসে দুই/তিন পাতায় যবনিকা টানলে কি আর স্বস্তি পাওয়া যায়?
মিসির আলির মতে পৃথিবীর সকল রহস্যেরই সমাধান আছে।লজিকের সিড়িঁ বেয়ে তিনি পৌছে যান রহস্যের কিনারায়।প্যারাসাইকোলজির জগতের সর্বত্র তার বিচরণ।সকল রহস্যই তার কাছে সমাধান যোগ্য।ফারজানার সমস্যা যখন দেশ বিদেশে কোন সাইকিয়াট্রিস্ট সমাধান করতে পারলেন না,সেই সমস্যাও মিসির আলি সমাধান করে ফেললেন।
নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব অনেক বড় সমস্যা বিষেস করে সেটা যদি শৈশবে হয়।ফারজানার শৈশবের একাকিত্বই তাকে তার মত করে একটা জগৎ তৈরি করতে বাধ্য করেছিল।শৈশবে তার মাকে হারানো সেটাও আবার তার মতে তার বাবার কারনে,অতঃপর তার ছোট মায়ের আগমন, তার মৃত্যু,ছোট মায়ের প্রতি তার গভীর ভালবাসা,তার প্রতি ছোট মায়ের ভালবাসা কিংবা একসময় বুঝতে পারা সে এই পরিবারের কেউ না,তাকে একটা অন্য পরিবার থেকে আনা হয়েছিল এই সবকিছুই তার মাঝে এক বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি করেছিল।যার ফলে সে নিজেকে ভীষন ভাবে একা মনে করতে শুরু করেছিল।কোন খেলার সঙ্গী না পেয়ে নিজের সাথেই খেলা। এই সবকিছুই তাকে বাধ্য করেছিল নিজের আলাদা একটা জগৎ তৈরি করতে।যেখানে সে যা খুশি করতে পারত।
মিসির আলির অন্যসব বইয়ের মত এই পড়েও বইয়ে দেওয়া তত্ব নিজের উপর প্রয়োগ করেছি।যেমন এই বইয়ে দেওয়া মেজাজের সাধারণ সূত্রের নিয়মটা কিংবা নিজের মত করে রহস্য সমাধানের চেষ্টা করি,বুঝতে চেষ্টা করি সমস্যা কোন জায়গায় এবং কোন সময়ই পারি না কারণ আমিতো মিসির আলি না।
লক্ষী পুজোর সন্ধ্যায় একটা (কি দুটো) মিসির আলি পড়বো না, তা হয় না। বার্ষিক ট্র্যাডিশন বলে কথা। না মেনে যাবো কই? ওদিকে আবার বিকেলবেলা ঠান্ডা হাওয়ার পিঠে চেপে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেলো। চমৎকার অ্যাটমোস্ফেয়ার যাকে বলে। আমিও তাই তড়িঘড়ি আলি সাহেবের দরজায় করা নেড়ে এলাম। পেয়ে গেলাম আমার এগারোতম আলি কাহিনী 'তন্দ্রাবিলাস'এর দেখা। (রইলো বাকি নয়।)
আমরা সবাই ড. জেকিল এবং মিস্টার হাইড। আপনিও কিন্তু তাই—একদিকে অসম্ভব যুক্তিবাদী মানুষ অন্যদিকে.... যুক্তিহীন জগতেও চরম আস্থা আছে এমন একজন। তাই না? খুব ভুল কি বলেছি?
এই গল্পটি শুরু হয় ভালো। মিসির আলির বাড়িতে সায়রা বানু নামক এক মেয়ের আচমকা অনুপ্রবেশ। সে বুদ্ধিমতি ও বিভ্রান্তিকর। মুখে অদ্ভুত সব গল্প। সাথে বাক্স-প্যাটরা। আলী সাহেবের বাড়িতে থাকতে চায় সে! সবটাই বেশ পরিচিত লয়ে রচিত। আজব ক্লায়েন্টের আজব আগমন। বিরক্ত মিসির আলী। অসুস্থতার উচাটন। যথাসম্ভব বিভ্রান্তি ও গল্পের হাতছানি। সবটাই সিরিজের নিয়মে 'গতে-ধরে' ঘটে। তবুও লেখাটির গতিপ্রকৃতি আগ্রহোদ্দীপক। ঘটনার প্রাথমিক ঘনঘটা করে তোলে বেজায় কৌতূহলী...
তবে, গল্পটিতে মিসির আলি থেকেও নেই যেন। এখানেই সামান্য হতাশ আমি। যতটা লেগওয়ার্ক মানুষটা সচরাচর করে থাকেন, এতে তার সিকিভাগও করেননি উনি।
এর পেছনে অবশ্য উপন্যাসটি নিজেই দায়ী। কারণ এর পুরোটাই প্রায় চিঠির স্বরূপে লেখা। যা সিরিজে ইতিমধ্যে আগেও পেয়েছি। চিঠি, বা ডায়েরি, বা ওইরকমের কিছু। এতে গল্প ফেনিয়ে ওঠে বেশি। বকবকানি বেড়ে যায়। লেখকও হাঁপিয়ে ওঠেন তাড়াতাড়ি। তবুও লেখার ধরণ ও রহস্যের আকর্ষণ, গোগ্রাসে 'গিলিয়ে' নেয় সবটা। এবং এখানেও তার অন্যথা হয় না যথারীতি। তাই মেয়েটির বয়ানে, তার জীবনের অতিলৌকিক অন্ধকার ঘাটতে গিয়ে গায়ে কাঁটা দিলো বারংবার। একই সাথে রাগ হলো হুমায়ূনের প্রতি।
আপনি বলবেন, এইতো! পথে এসো বাবা। মিসির আলি পড়বো আর হুমায়ূন আহমেদের ওপর চটবো না, সেটাও কি সম্ভব?
এই গল্পটিও আচমকা মাঝপথে ছেড়ে দিলেন লেখক। ঘুমচোখে ঘোষণা করলেন, অনেক হয়েছে। ইরর্যাশনালিটির কুয়াশায় মিসির আলিকে দিয়ে যুক্তির গ��রেনেড ফেললেন ঠিকই। তবুও, জোড়াতালির গন্ধটা নাকে ঝাপটা মেরে চলছে, এই এখনও। যেন অলৌকিকের ফাঁকে গুঁজে দেওয়া এক চামচ ফাঁকি। অনেকটাই মিলিয়ে দিলেন বটে, তবে তাতে প্রশ্ন বাড়লো বই কমলো না। শুধু ভাবনার খোরাক পেলাম যথাসম্ভব।
তাই, ভাবছি। ভেবেই যাচ্ছি কেবল। একেই বুঝি সঙ্গদোষ বলে।
ওই ৯৬ পৃষ্ঠার মধ্যেই মিসির আলি ও ফারজানার বিরামহীন ভ্যাজর ভ্যাজর কমিয়ে এন্ডিংটা বরং আরো বিকশিত করা যেত না??? অমন দায়সারাভাবে কাহিনী শেষ করতে কে বলেছিল?? ফারজানার সমস্যাটা একই সঙ্গে বিচিত্র ও বেদনাবহ, শেষের অংশটুকু পছন্দ হলে নির্দ্বিধায় চার তারা দিয়ে ফেলতাম; কি সুন্দর এক বসায় পড়ে গেলাম, বহুদিন পর মিসির আলির সাক্ষাৎ পেয়ে ভালোও লাগছিল। সব মাটি।
মিসির আলি সিরিজের একাদশতম বই 'তন্দ্রাবিলাস'। লেখক বইটির গল্প লিখে হয়তো নাম ঠিক করেছেন অথবা নাম ঠিক করে গল্প; উভয়ই হতে পারে।
মিসির আলির কাছে সায়রা বানু নামে একটি মেয়ে এসেছে। মেয়েটি মিসির আলিকে গল্প শোনাতে চায়। কিন্তু মিসির আলি যারপরনাই বিরক্ত। বিরক্তি চেপে রাখতেও পারছেন না। মেয়েটি জানায় সে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গিয়েছিল বলে তাকে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল এবং সে আবারও পালিয়ে এসেছে। মিসির আলি বুঝতে পারেন মেয়েটি মিথ্যা বলছে। সায়রা মিসির আলির বাসায় থাকতে চায়। কিন্তু মিসির আলি রাজি না হওয়াতে সায়রা তার ব্যাগ রেখেই চলে যায়। বলে যায়, পরে এসে নিয়ে যাবে। কিন্তু সে আর আসে না।
মিসির আলি পড়লেন ঝামেলায়। মেয়েটি কোথায় গেল বা কী হল কে জানে! তিনি ব্যাগ খুলে সেখানে একটি খাতা পান। খাতাটি পড়ে জানতে পারেন সেই লেখাটা তাঁকে উদ্দেশ্য করেই। খাতায় সায়রা তার জীবনের অনেক ঘটনাই লিখে রেখেছে। খাতাটি দীর্ঘ সময় নিয়ে লেখা হয়েছে। সায়রার মায়ের মৃত্যু, বাবার দ্বিতীয় বিয়ে এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ করেছে। এবং সে দাবি করে মিসির আলি এই সমস্যাগুলোর সমাধান বের করতে পারবেন। মিসির আলি শুধু খাতা পড়েই সমাধান বের করে ফেলেন।
মিসির আলি যেভাবে সমাধান টেনেছেন তা অনেকটা জোড়াতালি দেওয়া। মিসির আলির স্বভাবসুলভ বুদ্ধিমত্তা এই গল্পটিতে পাওয়া যায়না। তার সমাধান তখনই সত্য হবে যখন অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর বর্ননা সায়রা ভুলভাবে উপস্থাপন করে। কিন্তু সায়রার ঐ বক্তব্যগুলো মিথ্যা হলে আবার মীমাংসিত প্রশ্নগুলোও সত্য হতে পারে না। এই বইটির প্রথমদিকের বর্ননা ঠিক একইভাবে আরেকটা গল্পতেও আছে; এই ব্যাপারটা পছন্দ হয় নি। লেখক এই বইতে আরেকটা মারাত্মক ভুল করেছেন। ১ কে প্রথম মৌলিক সংখ্যা বলেছেন, তাই ফোন নাম্বারের সিরিয়ালটা ভুল হয়েছে। বইটা ঠিক উপভোগ করা গেল না। হ্যাপি রিডিং।
তন্দ্রাবিলাস,মিসির আলি সিরিজের বই।বইটা রহস্য নিয়ে শেষ হয়নি কিংবা মিসির আলির পরাজয় দিয়েও না এইজন্য ভালো লাগছে।মিসির আলি চিত্রা ওরফে ফারজানার প্রবলেমের সুন্দর সমাধান করেছেন হয়তো কিছু জায়গা এভয়েড করেছেন কারণ মিসির আলি অস্বাভাবিক কিছু নিয়ে বেশি ভাবতে চান না। ফারজানা, মেয়েটি বুদ্ধিমতি কিন্তু সে বাস করে তন্দ্রাময় জগতে আর সেজন্য হয়তো সে অস্বাভাবিক। বিলাসিতা জিনিসটা ভালো না,সে যেই বিলাসিতা হোক না কেন!!আর ফারজানা তো আবার তন্দ্রাবিলাস😑 মোটের উপর,ভালো ছিল কিন্তু সাসপেন্স আর একশানের বড়ই অভাব বোধ করেছি যেহেতু ঘটনার বেশিটাই লেখক তুলে ধরেছেন চিঠির মাধ্যমে।মিসির আলি মশাইয়ের উপস্থিতি ও খুব কম কিন্তু তিনি তার কাজ করেছেন,ফারজানার সমস্যার সমাধান নিয়ে তিনি এসেছেন তার কাছে ।এখন ফারজানা তন্দ্রাবিলাসে আছন্ন থাকবে, না সব ছেড়ে সূর্যস্নানে যাবে সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার।
প্রায় বারো বছর আগে পড়েছিলাম বইটা। কাহিনী ভুলে বসে ছিলাম। আবার পড়ে শেষ করলাম মাত্রই। গল্পে অনেক কিছুরই সমাধান হয়নি, অনেক প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। তবে পড়তে ভালো লেগেছে। প্রিয় লেখকের প্রিয় চরিত্র নিয়ে লেখা বলে কথা!
এটা মিসির আলির সবচেয়ে বাজে গল্প হলেও হতে পারে৷ যদিও এর আগের গুলো তেমন খারাপ লাগার প্রশ্নও আসেনা। কতগুলো রহস্য রেখে দিয়েছে সাথে এন্ডিংটাও দিতে পারেননি লেখক। এলোমেলো লেগেছে একদম।
আমাদের দেশে ব্যাপক হারে সাইকলজিক্যাল থ্রিলার/হরর লেখা হয় না। সাম্প্রতিক কালে এ ব্যপারে চর্চা বেশ বেড়েছে, তবে সে চর্চা সাম্প্রতিক হওয়ার কারণেই না কি কে জানে, পাঠককূলের খুব স্পষ্ট ধারনা থাকে না সাইকলজিকাল থ্রিলার বা হরর কী সেটা নিয়ে। আর ঠিক এ কারণেই হুমায়ুন আহমেদের এই লেখা গুলিকে আমরা বহুকাল ঠিকমত সংজ্ঞায়িত বা মূল্যায়ন কোনটাই করতে না পেরে তার মাঝারি ধরণের লেখা লেখি গুলি নিয়ে মাতামাতি বেশি করি।
যাক, কথা গুলি বিতং করার উদ্দেশ্য ছিল এই গল্পের অলিগলি মোড় কিংবা গন্তব্য আমরা কতটুকু মেনে নেব তার প্রশ্ন তোলা। সাইকলজিক্যাল থ্রিলার হিসেবে তন্দ্রাবিলাস যথেষ্ট অসাধারণ একটি উপন্যাস, তবে মিসির আলীর উপন্যাস হিসেবে ঠিক কতটা ভাল তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়, ব���শেষত তাদের কাছে, যাদের মিসির আলী পাঠ শুরু বৃহন্নলা আর দেবীর মত মাস্টারপিস নিয়ে। সেই হিসেব বাদ দিলে এই বইটি একটি প্রকৃত সাইকলজিক্যাল থ্রিলার/হরর সংজ্ঞায়িত করার মতই বই।
হুমায়ুন আহমেদ একজন মিনিমালিস্ট লেখক, যাকে আমাদের দেশের সাহিত্যিকর ভালবেসে বাজারি লেখকের অপব্যাখ্যা করে যান বারবার। কম কথায় গল্প বলাটাই যে শিল্প, অষ্টাদশ শতক যে অনেক আগেই মরে গেছে তা অনেকে মানতে চান না। এই উপ���্যাসের ভাষাও মিনিম্যাল স্বভাবতই, প্রাঞ্জল, সহজ, কিন্তু চরিত্র নির্মানে অসাধারণ। খুব সহজে ঘটনার গভীরে ঢুকে যাওয়া যায় , খুব অদ্ভুত ভাবে ভাবে ফারজানা নামের মেয়েটির একান্ত আপন সুরিয়াল পৃথিবী নিজেদের কাছেও সত্যি হয়ে যায়, আর একদম শেষে গিয়ে নিজের খাটের তলাতে উঁকি মারতে ভয় লাগে।
মানুষের মন যেখানে বিশ্বব্রম্মান্ডের এক অমর সৃষ্টি, তার সব রহস্য আমরা উদ্ধার করতে পারব এটা ভাবাই কেমন ধৃষ্টতা নয়? আমার কাছে সাইকলজিক্যাল থ্রিলার হরর মানেই মনস্ত্বত্তের ব্যাখ্যাহীন কোন রহস্যের দিকে ছুটে গিয়ে ব্যর্থ হওয়ার গল্প। যে রহস্যের ব্যাখ্যা আছে, তা কি আর আপনাকে ভাবাবে কখনো? ভাবাবে না। আমরা ব্যাখ্যাহীন সব কিছুকেই ভয় পাই, তাকে নিয়েই ভাবি সব সময়ে। সেই ব্যাখ্যাহীন প্যাটার্নবিহীন রহস্যনির্মাণে সিদ্ধ লেখক একজনই ছিলেন হয়ত।
মিসির আলি খুব একটা পড়া হয় না... এটা আমার পড়া মিসির আলী সাহেবের তিন নাম্বার বই... তিনটার মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভাও লেগেছে।। তবে কিছু খটকা রয়ে গেছে... চিত্রা/নিশি/ফারজানা কি আসলেই মৃত শরীফাকে দেখে?
নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব অনেক বড় সমস্যা বিশেষ করে সেটা যদি শৈশবে হয়।ফারজানার শৈশবের একাকিত্বই তাকে তার মত করে একটা জগৎ তৈরি করতে বাধ্য করেছিল।শৈশবে তার মাকে হারানো সেটাও আবার তার মতে তার বাবার কারনে,অতঃপর তার ছোট মায়ের আগমন, তার মৃত্যু,ছোট মায়ের প্রতি তার গভীর ভালবাসা,তার প্রতি ছোট মায়ের ভালবাসা কিংবা একসময় বুঝতে পারা সে এই পরিবারের কেউ না,তাকে একটা অন্য পরিবার থেকে আনা হয়েছিল এই সবকিছুই তার মাঝে এক বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি করেছিল।যার ফলে সে নিজেকে ভীষন ভাবে একা মনে করতে শুরু করেছিল।কোন খেলার সঙ্গী না পেয়ে নিজের সাথেই খেলা। এই সবকিছুই তাকে বাধ্য করেছিল নিজের আলাদা একটা জগৎ তৈরি করতে।যেখানে সে যা খুশি করতে পারত।
বই থেকেঃ আমাদের চারপাশের জগৎটা সহজ,স্বাভাবিক জগৎ, এই জগতে মাঝে মাঝে বিচিত্র এবং ভয়ংকর কাণ্ড ঘটে। আমার নিজের জীবনেই ঘটে গেল। এবং আপনাকে সে গল্পই শোনাচ্ছি। না শোনালেও চলত। কারণ আমি আপনার কাছ থেকে কোন সাহায্য চাচ্ছি না। বা আপনাকে বলছি না আপনি আমার সমস্যার সমাধান করে দিন।তারপরেও সব মানুষেরই বোধহয় ইচ্ছা করে নিজের কথা কাউকে না কাউকে শোনাতে। আমার তেমন কেউ নেই।
হুমায়ুন আহমেদের লেখার যাদু হলো—তিনি সাধারণ গল্পকেও অসাধারণ করে তুলতে পারেন। তন্দ্রাবিলাস উপন্যাসে তিনি স্বপ্ন আর বাস্তবতাকে এমনভাবে মিশিয়েছেন যে পড়তে পড়তে মনে হবে—আমরা সবাই যেন সেই খেলারই অংশ। হালকা রহস্য, সহজ-সরল ভাষা আর চরিত্রের প্রাণবন্ত সংলাপ বইটিকে করে তুলেছে ভিন্নমাত্রার।
ফারজানার সমস্যা ধরার জন্য আসলেও কি মিসির আলীর দরকার ছিল? আসলেও আনসলভড কিছু ছিল এই গল্পে যা পাঠকরা ধরতে পারেনি? হয় এই গল্পের ডেপথ নেই, অথবা আমি নিজে পৌছাতে পারিনি।
The ending wasn't very developed. If it wasn't for that, I'd give it 4 stars...
To be honest, this story was so good from the very beginning...the suspense, the thrilling vibes, and the mysterious girl, Farjana... everything was great. However, the ending could be better. At least a little more explanation.
The story was good overall. Honestly, Misir Ali's contribution is missing. The truth is, Misir Ali didn't have anything to find out. Whatever, my least favorite "Misir Ali" story...
'..তন্দ্রাবিলাস। তন্দ্রাবিলাস নামটা খুব সুন্দর মনে হলেও তন্দ্রাবিলাসের জগৎটা মোটেই সুন্দর না। ভয়াবহ ধরণের অসুন্দর। এই জগতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এ জগতের বাসিন্দারা মনে করে তাদের জগৎটাই সত্যি। যা আসলে সত্যি না।'
হুমায়ূন আহমেদের হিমু সিরিজটা বেশী প্রিয় ছিলো।আর হিমু সিরিজ পড়া শুরু করলে পাগল পাগল লাগে,আফিম মেশায় লেখায়, মেইবি। মিসির আলী সিরিজ কখনো ধরি নি,'মিসির আলীর চশমা' পড়ার পর 'তন্দ্রাবিলাস' পড়ি।মিসির আলী সিরিজটা হিমু সিরিজ থেকেও দারুন!আমি প্রথমে ভেবেছিলাম,মিসির আলী একজন যুবক ._.
▪যে লাইনটি ভালো লেগেছে- "প্রেম এবং করুণা এক ব্যাপার নয়"
পাঠ প্রতিক্রিয়া- হুমায়ূন আহমেদের গুটিকয়েক বই ছাড়া আর কোনো বইয়ের নামের সাথে কাহিনীর মিল পাই না।এই জিনিসটা একদম বিরক্ত লাগে।আর মজার ব্যাপার হচ্ছে,নাম দেখেই আমি নিজের মতো কাহিনী বানিয়ে নি।পরে পড়ে দেখি তেমন কিছুই না।থ্রিলার বইতে লাস্টে যে চমকটা থাকে,আমি শুধু ওই চকমের জন্যই থ্রিলার বই পড়ি। 'মিসির আলীর চশমা' পড়ে যেমন মজা পেয়েছিলাম, 'তন্দ্রাবিলাস' পড়েও ভালো লেগেছে।
⊕ মিসির আলি' সিরিজের পড়া প্রথম বই এটি আমার। থ্রিলার বই, 'থ্রি এ এম' সিরিজ গুলো, যখন পড়তেছিলাম, রুমমেইট তখন আমাকে 'মিসির আলি' পড়ার জন্য সাজেস্ট করেছিল। 'তন্দ্রাবিলাস' বইটিতে একটি মেয়ের একাকিত্ব জীবন-যাপনের ফলে বিভিন্ন হ্যালুসিনেশনে ভোগতে থাকে, যেমন: বিভিন্ন আত্মাকে দেখতে পাওয়া এবং তাদের সাথে কথা বলা, স্বপ্নের মধ্যে যেটা দেখতো সেটা বাস্তবে ঘটা ইত্যাদি। কোন এক ঘটনা ক্রমে মেয়েটি এসব চিঠির মাধ্যমে মিসির আলিকে জানান। এদিকে মিসির আলি এসব চিন্তা-ভাবনাকে ভ্রান্ত মনে করেন এবং বিশ্বাস করেন:পৃথিবীর সব রহস্যের সমাধান রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মেয়েটির নামে একটি কেইস স্টাডি ফাইল খুলে, রহস্য উন্মোচনের চেষ্টায় লেগে পরে।
হুমায়ুন আহমেদের লিখা সবসময় ই "কমফোর্ট রিড" হয়ে থাকবে আমার কাছে। আর মিসির আলী তো সবসময়ের প্রিয় চরিত্র। . . . . . . . বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমি কখনোই কথা গুছিয়ে বলতে পারিনা, লিখা তো আরও পরের কথা। তাই সবসময় যারা সুন্দর কথা বলতে বা লিখতে পারেন, হোক সেটা কোনো পোস্ট অথবা বইয়ের রিভিউ অথবা চিরকুট, সবসময় আমার তাদেরকে অনেক বেশি ভালো লাগে আবার কিছুটা আফসোসও হয় কেন আমি পারিনা। গুছিয়ে না লিখতে পারার আফসোস তাই আমার বহুদিনের। এই বছর তাই যে বই ই পড়ি তা নিয়ে একলাইন হলেও লিখে রাখার সামান্য চেষ্টা শুরু করেছি। হয়তো আমি বই গুলো পড়ার পরের পাহাড় সমান অনুভূতির তিল পরিমাণও লিখে বোঝাতে পারছিনা, যাই লিখছি তা আসলে আমার অনুভূতিগুলোর রিপ্রেজেন্টেটিভ না, তারপরও চেষ্টা যে শুরু করেছি আপাতত আমি তাতেই খুশি।🌼
কাহিনি ভুলে গিয়েছিলাম, তাই অনেক বছর পর আবার পড়লাম। ভালো বই, সন্দেহ নেই। লেখাও হয়েছে দারুণ ভঙ্গিতে - কোনও কোনও অংশ পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থেই গায়ে কাঁটা দেয়। খুব গুছিয়ে, গল্পের জাল বিছিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল কাহিনী। কিন্তু হঠাৎ হুমায়ূন আহমেদের সম্ভবত মনে হলো, অনেক লিখে ফেলেছি, এবার ক্ষান্ত দিই। তাই ঠাস করে ওখানেই যবনিকা টেনে দেয়া হলো। তাড়াহুড়ো করলে যা হয়, রহস্যের ব্যাখ্যায় কোথাও কোথাও এমন জিনিস বলা হলো, যেটা কোনোভাবেই হতে পারে না বলে গল্পের শুরু থেকে পাঠককে বলে দেয়া হয়েছে। অনেক কিছুই অমীমাংসিত রয়ে গেল, ‘জগৎ রহস্যময়’ বলে সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হলো। স্রেফ ফাঁকিবাজি, আর কিছু না। হুমায়ূন আহমেদ আরও অনেক বইয়েই এ-কাজ করেছেন। এত কিছুর পরও চার তারা দিতেই হচ্ছে। কারণ ওই হুমায়ূন আহমেদ। আবর্জনাকেও তিনি এতই উপাদেয় করে তুলতে পারেন যে, গপগপ করে খেতে হয়।
তন্দ্রাবিলাস পড়ে শেষ করলাম। খুব আগ্রহ নিয়ে ( শব্দটা খুব পছন্দ হয়ে পড়েছে) পড়ছিলাম। মিসির আলি খুব তৃপ্তি নিয়ে তার ব্যাখ্যা শেষ করলেন। অসাধারণ গল্প। কিন্তু তৃপ্তি হল না। পিপাসা মিটলো না। মিসির আলির বেশির ভাগ গল্পের মতনই।
বইটা পড়ে বিরক্ত লাগছে। হুমায়ূন আহমেদ এর "আনসল্ভদ এন্ডিং" নিয়ে অনেকের কমপ্লেইন থাকলেও আমার নরমালি হয় না। নিজের মতো শেষ ইমাজিন করে নিতে ভালোই লাগে। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে পুর রাইটিং এর কেস ছিল। অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে আর কোন কিছু ইমপ্লাইও করা হয়নি। খুবই রাশ্ড এন্ডিং ছিল।
বইটি পড়া শুরু করি বাসায়, শেষ করতে হল হাসপাতালের বেডে শুয়ে। হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পরি। পরবর্তীতে হাসপাতালে বেশকিছুদিন চিকিৎসার পর যখন কিছুটা সুস্থ হই তখন অবসর সময়গুলোতে বইটি পড়ে শেষ করলাম।
প্রকৃতি রহস্যময়। ব্যখ্যাতীত অনেক ঘটনাই আমরা আমাদের চারপাশে ঘটতে দেখি। কিন্তু ঘটনা গুলো কি আদৌ ব্যখ্যাতীত? নাকি সব ঘটনারই ব্যখ্যা আছে। মিসির আলির মতে লজিক দিয়ে চিন্তা করলে সবকিছুই ব্যখ্যা করা সম্ভব।
খুব শৈশবে ফারজানার মা মারা যায়। একাকিত্ব থেকে বাচার জন্য সে নিজের আলাদা একটা জগৎ তৈরি করে ফেলে। এখানে সে তার মৃত মা এবং মৃত শরিফাকে দেখতে পায়। কিন্তু আসলেই কি তাই?
গল্পের শুরুটা ভাল লাগলেও শেষটা পড়ে তৃপ্তি পেলাম না। স্বভাবসুলভ ভাবে মিসির আলি রহস্য সমাধান করলেও একটা জায়গায় খটকা থেকেই যায়। প্রকৃতি আসলেই রহস্যময়।