What do you think?


আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী
- GenresScienceNonfictionPhysics
271 pages, Hardcover
First published April 1, 2005
About the author
অভিজিৎ রায়
17 books198 followers[Dr. Avijit Roy is a Bangladeshi-American blogger, published author, and prominent defender of the free thought movement in Bangladesh. He is an engineer by profession, but well-known for his writings in his self-founded site, Mukto-Mona—an Internet congregation of freethinkers, rationalists, skeptics, atheists, and humanists of mainly Bengali and South Asian descent. As an advocate of atheism, science, and metaphysical naturalism, he has published eight Bangla books, and many of his articles have been published in magazines and journals. His last two books, Obisshahser Dorshon (The Philosophy of Disbelief) and Biswasher Virus (The Virus of Faith), have been critically well-received and are popular Bengali books on science, skepticism, and rationalism. }
লেখক হবার কোন বাসনা ছিলো তা নয়। কিন্তু ছোট্ট একটা স্বপ্ন হয়তো ছিলো একটা মনের গহীনে। স্বপ্নটা পালটে দেবার। সেই পালটে দেবার স্বপ্ন থেকেই ২০০১ সালের দিকে একদিন সমমনা কয়েকজন লেখকদের নিয়ে তৈরি করে ফেললাম মুক্তমনা সাইট (www.mukto-mona.com)। এর পর থেকেই সাইটটির বিস্তৃতি বেড়েছে। এখন বাঙালি বিজ্ঞানকর্মী, যুক্তিবাদী ও মানবতাবাদীদের কাছে মুক্তমনা একটি বিশ্বস্ত নাম। ২০০৭ সালে মুক্তবুদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার আর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্যক অবদান রাখার প্রেক্ষিতে তার মুক্তমনা সাইট অর্জন করেছে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক।
শখের বশে টুকিটাকি লেখা লিখছিলাম ইন্টারনেটে, ম্যাগাজিনে আর দৈনিক পত্র-পত্রিকায়। পছন্দের বিষয় প্রথম থেকেই ছিলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং দর্শন। আমার সেসময়ের চিন্তাভাবনার গ্রন্থিত রূপ ‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ (২০০৫)। এরপর একে একে অনেকগুলো বইই বের হয়েছে। তার মধ্যে, মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে (২০০৭, পুনর্মুদ্রণ ২০০৮), স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি (২০০৮), সমকামিতা: বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান (২০১০,পুনর্মুদ্রণ ২০১৩), অবিশ্বাসের দর্শন (২০১১, দ্বিতীয় প্রকাশ: ২০১২, তৃতীয় প্রকাশ: ২০১৪), বিশ্বাস ও বিজ্ঞান (২০১২), ভালবাসা কারে কয় (২০১২),এবং শূন্য থেকে মহাবিশ্ব (২০১৪: প্রকাশিতব্য)। পাঠকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে, বইগুলো পাঠকদের ভাল লেগেছে। অনেকেই বইগুলোকে ‘ব্যতিক্রমী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, কেউবা আবার আগ বাড়িয়ে বলেছেন ‘মাইল ফলক’। তা যে ফলকই হোক না কেন, আমি এই বইগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখে একটি ব্যাপার বুঝতে পারি যে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী ও সাধারণ মানুষেরা বিজ্ঞান বিমুখ নয় মোটেই, নয় দর্শনের প্রতি অনাগ্রহীও। ভাল বই তাদের আগ্রহ তৈরি করতে পারে পুরোমাত্রায়।
পেশায় প্রকৌশলী। পড়াশুনা করেছি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট), পি.এইচ.ডি করেছি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরে (এন.ইউ.এস)। বর্তমানে আমেরিকায় কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত । অবসর সময় কাটে বই পড়ে, লেখালিখি করে, গান শুনে, জীবনসঙ্গিনী বন্যার নিয়মিত বকা খেয়ে, আর নিঃসীম আঁধারে আলোকিত স্বপ্ন দেখে - ‘মানুষ জাগবে তবেই কাটবে অন্ধকারের ঘোর’...
['অবিশ্বাসের দর্শন' বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে]
লেখক হবার কোন বাসনা ছিলো তা নয়। কিন্তু ছোট্ট একটা স্বপ্ন হয়তো ছিলো একটা মনের গহীনে। স্বপ্নটা পালটে দেবার। সেই পালটে দেবার স্বপ্ন থেকেই ২০০১ সালের দিকে একদিন সমমনা কয়েকজন লেখকদের নিয়ে তৈরি করে ফেললাম মুক্তমনা সাইট (www.mukto-mona.com)। এর পর থেকেই সাইটটির বিস্তৃতি বেড়েছে। এখন বাঙালি বিজ্ঞানকর্মী, যুক্তিবাদী ও মানবতাবাদীদের কাছে মুক্তমনা একটি বিশ্বস্ত নাম। ২০০৭ সালে মুক্তবুদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার আর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্যক অবদান রাখার প্রেক্ষিতে তার মুক্তমনা সাইট অর্জন করেছে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক।
শখের বশে টুকিটাকি লেখা লিখছিলাম ইন্টারনেটে, ম্যাগাজিনে আর দৈনিক পত্র-পত্রিকায়। পছন্দের বিষয় প্রথম থেকেই ছিলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং দর্শন। আমার সেসময়ের চিন্তাভাবনার গ্রন্থিত রূপ ‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ (২০০৫)। এরপর একে একে অনেকগুলো বইই বের হয়েছে। তার মধ্যে, মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে (২০০৭, পুনর্মুদ্রণ ২০০৮), স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি (২০০৮), সমকামিতা: বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান (২০১০,পুনর্মুদ্রণ ২০১৩), অবিশ্বাসের দর্শন (২০১১, দ্বিতীয় প্রকাশ: ২০১২, তৃতীয় প্রকাশ: ২০১৪), বিশ্বাস ও বিজ্ঞান (২০১২), ভালবাসা কারে কয় (২০১২),এবং শূন্য থেকে মহাবিশ্ব (২০১৪: প্রকাশিতব্য)। পাঠকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে, বইগুলো পাঠকদের ভাল লেগেছে। অনেকেই বইগুলোকে ‘ব্যতিক্রমী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, কেউবা আবার আগ বাড়িয়ে বলেছেন ‘মাইল ফলক’। তা যে ফলকই হোক না কেন, আমি এই বইগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখে একটি ব্যাপার বুঝতে পারি যে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী ও সাধারণ মানুষেরা বিজ্ঞান বিমুখ নয় মোটেই, নয় দর্শনের প্রতি অনাগ্রহীও। ভাল বই তাদের আগ্রহ তৈরি করতে পারে পুরোমাত্রায়।
পেশায় প্রকৌশলী। পড়াশুনা করেছি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট), পি.এইচ.ডি করেছি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরে (এন.ইউ.এস)। বর্তমানে আমেরিকায় কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত । অবসর সময় কাটে বই পড়ে, লেখালিখি করে, গান শুনে, জীবনসঙ্গিনী বন্যার নিয়মিত বকা খেয়ে, আর নিঃসীম আঁধারে আলোকিত স্বপ্ন দেখে - ‘মানুষ জাগবে তবেই কাটবে অন্ধকারের ঘোর’...
['অবিশ্বাসের দর্শন' বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে]
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
April 24, 2021
বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের দ্বন্দটা আপাতত চিরন্তন। অন্য ভাষায় বলতে গেলে এটা হচ্ছে ‘পুরোনো’র সাথে ‘নতুনে’র দ্বন্দ। এই ‘নতু্নত্ব’ পরিচয়টা একই সাথে বিজ্ঞানের জন্য অ্যাডভানটেজ আবার ডিসঅ্যাডভান্টেজ। অ্যাডভান্টেজ এই কারণে, ধর্ম বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে তার পুরোনো বর্ম নিয়ে ডিফেন্ড করছে আদিকাল থেকে, বিজ্ঞান নতুনত্ব’র মাধ্যমে নিজের অস্ত্রাগার আরও সমৃদ্ধ করছে ধর্মের বর্ম গুড়িয়ে দিতে, তাই নতুনত্ব এখানে ব্লিস। আবার নতুনত্ব ডিসএডভান্টেজ এই কারণে নতুনত্ব মানেই অডিটি(Oddity)। আর অডিটি মানেই, ল্যাক অফ নাম্বারস। অন্যদিকে ধর্মের মূল অস্ত্রই হচ্ছে সংখ্যা। এবং দিনশেষে সবকিছু সংখ্যাতেই এসে ঠেকে। কারণ সংঘবদ্ধতা সারিভাইভ্যালের বেটার চান্স দেয়। মানুষও চালাক অনেক। সে সারভাইভ করতেই আসছে পৃথিবীতে, সে টুক করে ঢুকে যায় কোনও একটা সংখ্যাগুরু দলে (আসলে সে তো জন্মই নেয় একটা দলে। ঢুকে যাওয়া বলতে বুঝালাম সে তার দলে নিজের অবস্থানটা পাকাপোক্ত করে আর কী)। এই পাকাপোক্ত করার সিদ্ধান্তটা তার কাছে এই জন্য সহজ, কারণ ধর্মের কাছে ‘সংখ্যা’ আছে আর আছে একটা পরিপূর্ণ গাইডলাইন। অন্যদিকে বিজ্ঞান কোনো পরিপূর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ নাই, বেড়ে চলাই এর বৈশিষ্ট্য। বিজ্ঞানের কিছু খামতির মধ্যে একটা হল, বিজ্ঞান তার নিজের আপাত সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অবগত (আপাত সীমাবদ্ধতা বললাম, বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আসলে নাই)। এই আপাত কিছু সীমাবদ্ধতার মাঝে অন্যতম টপিক হল মহাবিশ্বের উৎপত্তি।
অভিজিৎ রায়ের এই বইটায় এই টপিক নিয়ে কাঠখোট্টা কিছু কথাবার্তা আছে। তবে অভিজিৎ রায় কাঠখোট্টা জিনিসগুলো বেশ মুখরোচক ভাবে ব্যক্ত করেছেন বলতে হয়। বিজ্ঞানের সাথে একটু আধটু যোগাযোগ থাকলেই সবারই এই বই পড়তে পারার কথা। যা বলছিলাম, বিজ্ঞানের যে আপাত সীমাবদ্ধতাটা এর কারণেই আমাদের মহাবিশ্বের উৎপত্তির এই পুরো গল্পটা একটুখানি অসম্পূর্ণ আছে। তাই বিজ্ঞান আর ধর্ম, দুই প্রতিদ্বন্দীই তাকিয়ে আছে একই বান্দার দিকে। সে হল বিশ্বাস। এখন পুরো ব্যাপারটাই এমন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে যে কোনটার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। এই বিশ্বাসযোগ্যতা কিন্তু আমাদের পুরোনো বন্ধু ‘সংখ্যা’র মতই। এখন দেখার বিষয় বিজ্ঞান তার গতি আর কত বাড়াতে পারে আর অসম্পূর্ণ গল্পটার সমাপ্তি টানতে পারে। যদি ভবিষ্যতে সমাপ্তও হয় তবুও বিজ্ঞানের পাল্লা যে খুব বেশি গতিতে ভারী হবে সেটা ঠিক বলা যাচ্ছে না। কারণ পৃথিবীতে আজও ফ্ল্যাট আর্থার’রা বিরাজ করে। দিনশেষে সবকিছু সংখ্যার খেল। চোখে কালো পট্টি বেঁধে যদি আপনি সংখ্যাগুরুর বর্মে নিজেকে সজ্জিত করেন তাহলে আলো আপনার কাছে ট্যাবুই।
অভিজিৎ রায়ের এই বইটায় এই টপিক নিয়ে কাঠখোট্টা কিছু কথাবার্তা আছে। তবে অভিজিৎ রায় কাঠখোট্টা জিনিসগুলো বেশ মুখরোচক ভাবে ব্যক্ত করেছেন বলতে হয়। বিজ্ঞানের সাথে একটু আধটু যোগাযোগ থাকলেই সবারই এই বই পড়তে পারার কথা। যা বলছিলাম, বিজ্ঞানের যে আপাত সীমাবদ্ধতাটা এর কারণেই আমাদের মহাবিশ্বের উৎপত্তির এই পুরো গল্পটা একটুখানি অসম্পূর্ণ আছে। তাই বিজ্ঞান আর ধর্ম, দুই প্রতিদ্বন্দীই তাকিয়ে আছে একই বান্দার দিকে। সে হল বিশ্বাস। এখন পুরো ব্যাপারটাই এমন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে যে কোনটার বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি। এই বিশ্বাসযোগ্যতা কিন্তু আমাদের পুরোনো বন্ধু ‘সংখ্যা’র মতই। এখন দেখার বিষয় বিজ্ঞান তার গতি আর কত বাড়াতে পারে আর অসম্পূর্ণ গল্পটার সমাপ্তি টানতে পারে। যদি ভবিষ্যতে সমাপ্তও হয় তবুও বিজ্ঞানের পাল্লা যে খুব বেশি গতিতে ভারী হবে সেটা ঠিক বলা যাচ্ছে না। কারণ পৃথিবীতে আজও ফ্ল্যাট আর্থার’রা বিরাজ করে। দিনশেষে সবকিছু সংখ্যার খেল। চোখে কালো পট্টি বেঁধে যদি আপনি সংখ্যাগুরুর বর্মে নিজেকে সজ্জিত করেন তাহলে আলো আপনার কাছে ট্যাবুই।
November 28, 2017
আমার পড়া প্রথম বিজ্ঞানের বইগুলোর মধ্যে একটি এবং এখন পর্যন্ত আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বই। বইটি অসম্ভব সুখপাঠ্য।আমার এখনো ঐ দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যখন বইটি পড়তে পড়তে তীব্র উন্মাদনা অনুভব করতাম।কেউ যদি বিজ্ঞানকে কখনো কাঠখোট্টা বলে আমি চোখ বন্ধ করে তার হাতে এই বইটি ধরিয়ে দেব।
May 1, 2014
বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও বিষয়বস্তুর জটিলতার কারণে বইটা বুঝে পড়তে কষ্ট হয়েছে (বিশেষ করে পরিশিষ্ট অংশ), তবে লেখককে ধন্যবাদ জটিল বিষয়গুলোকে যথাসম্ভব সহজ করে লিখার আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য। :)
December 18, 2015
বাংলা ভাষায় পৃথিবীর সৃষ্টি-বিকাশ এবং তৎসংশ্লিষ্ট তত্ত্ব নিয়ে এমন তথ্যপূর্ণ আর সমৃদ্ধ বই নেই বললেই চলে। অভিজিৎ রায় এত সুন্দরভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করেছেন যে বিজ্ঞানের কাঠখোট্টা জিনিসগুলোকেও সহজ-সরল এবং বোধগম্য ঠেকেছে। বিজ্ঞানপিপাসী সকল পাঠকের অবশ্য পঠিতব্য একটি বই "আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী"।
Read
September 27, 2022চিন্তার খোরাক যোগানোর মতো বই৷ ই-বুক ভার্সন পড়ায় বইয়ের বাড়তি তথ্যগুলো মিস করেছি যদিও।
July 16, 2025
it gave me a new dream of life
October 22, 2016
its very good book
February 27, 2015
এই বইয়ে ধারাবাহিকভাবে বিধৃত হয়েছে মহাবিশ্বের উৎপত্তির পর্যায়ক্রমিক বিবরণ। আজ থেকে প্রায় চোদ্দশ কোটি বছর আগে এক বিশাল বিস্ফোরণের মাধ্যমে কি ভাবে আমাদের এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছিলো, তার পর কিভাবে তা প্রসারিত হতে হতে আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছেছে, সেই আকর্ষনীয় গল্পের অনুপম সাক্ষর এ বইটি। শুধু তাই নয়, এই বইয়ে উঠে এসেছে মহাবিশ্বের উৎপত্তির তত্ত্ব নিয়ে আধুনিক বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ ধ্যান-ধারণাগুলো, যা বাংলাভাষায় দুর্লভ।
April 28, 2017
সমাজে অনৈতিকতা, অশ্লীলতা, অসহিষ্ণুতা, নাস্তিকতা ও উগ্রতা ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে এধরনের তথাকথিত বিজ্ঞানমনস্ক বই চমৎকার ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এক চিমটি বিজ্ঞানের সাথে দুই চা চামচ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (Sci-fi) এবং এক গ্লাস ইসলাম-বিদ্বেষ মিশিয়ে জোরসে একটা ঝাকুনি দিলেই প্রস্তুত হয় একেকটা বিজ্ঞানধর্মী গ্রন্থ!!
June 23, 2015
ছোট বেলা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পর্যন্ত বিঞ্জান বই গুলোতে যা যা পড়েছি সেগুলাই খুব সহজ ভাষাতে তুলে ধরেছেন। মোটামুটি ভালই লেগেছে। বেশ কিছু ইতিহাস ভুল বোঝাবুঝির ও অবসান ঘটিয়েছেন।
বাকি বই গুলা পড়ার অধীর অপেক্ষায় আছি।
বাকি বই গুলা পড়ার অধীর অপেক্ষায় আছি।
September 4, 2016
Just loved the way he told the stories! he made it really easy! to understand even the difficult topic like Theory of Relativity.....
Hats off sir
Hats off sir
October 17, 2018
খুব ভাল বই। বিজ্ঞান যাদের প্রিয় তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য।
Displaying 1 - 12 of 12 reviews











