Jump to ratings and reviews
Rate this book

চোখের জলে শ্যাওলা পড়ে না

Rate this book

Hardcover

4 people are currently reading
85 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

338 books702 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (15%)
4 stars
9 (23%)
3 stars
8 (20%)
2 stars
12 (30%)
1 star
4 (10%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Tiash ..
315 reviews114 followers
December 30, 2020
#গল্প_একটুখানি
কলেজ জীবনের প্রেম নিয়ে কত মানুষ কত কিই না করে। মেয়ে ছেলে একটু ভাবের জন্য লেবাসটা নেহাতই পরিবর্তন করে ফেলে। সায়ে সুগন্ধি পোশাক জুতো পরিপাটী। বেশ লুতেপুতো ধরনের প্রেম। প্রথমে মন পরে দেহ দেয়ার পর সেই প্রেম থাকে না। প্রেম করে বিয়ের পর ৫-৬ বছর পর সাথের মানুষটাকে লাগে অসহ্য। সেইসব এড়াতেই দুই বান্ধবী তিতির আর রাত্রি কথা দেয় পড়ালেখা করে চাকরিতে ঢোকার আগে প্রেম করবে না। চাকরির পর বিয়ে, বিয়ের পর প্রেম। সেই পথেই হেঁটেছে দুজন।

বাধা যে একেবারেই আসেনি তা না। নিজেরও হয়ত দুর্বল হয়েছে। কিন্ত কাটিয়ে ওঠেছেও। এমন করে তাদের পড়ালেখার পাট চুকে গেল। উমেদারির ধন্না দিচ্ছে। তার ওপর বিয়ের চাপ। ঠিক চাপও নয় কেননা তার পরিবারের সাপোর্টও পেয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি সবসময় এক থাকে না। সেই পরিস্থিতির শিকার তারা দুই বান্ধবী।

বিয়ের জন্য পাত্রের ইন্টারভিও নিতে গিয়ে (স্বাধীন ভাবধারার মেয়ে, তাই ছেলেদের ইন্টারভিউ নেয়😎) সন্ধান পায় সুপুরুষ, স্বাধীনচেতা, কর্তব্যপরায়ণ তিমিরের। তিমিরের সাথে তিতিরের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

তারপর? প্রেম? তিমির মানুষটা বেশ ভাল। কাউকে ভালো করে না জেনে শারীরিক সম্পর্কে জড়াবে না। হোক না সে তার নিজের স্ত্রী। তিমিরের প্রতি তিতিরের দুর্বলতা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে রাত্রি মেয়েটা কেমন যেন হয়ে যায়। তিমিরের বন্ধু শরনের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। কিন্তু তা যেন উজানে চলা রাত্রির প্রেম নয়, বর্তমানকালের সেই লুতুপুতু প্রেম। তারপর এর পরিণতি?

একদিন তিমির তিতির প্ল্যান করে হানিমুনে সমুদ্র দেখতে যাবে। গেলও। সেখানে দেখা হল তিমিরের পিসতুতো ভাই প্রবালের সাথে যার একটা রহস্য এই সমুদ্রের বালিয়াড়ির বালির মতোই নিছক রহস্য। সেখানে তিমির-তিতির জুটির আসলে কি হয়? কে বা সে ফিরঙ্গী মহিলা যাকে হঠাৎ হঠাৎ বিচে দেখা যায়? কেন বা তিতির বুঝে আসলেই চোখের জলে শ্যাওলা পড়ে না?

#ভালো_লাগা_যা_কিছু___

সমরেশ একটা ভালোবাসা 😍.. তিতির তিমির নতুন জেনারেশনের একটা আদর্শ জুটি। আসলেই প্রকৃত প্রেম এমনই হওয়া বাঞ্চনীয়। চরিত্রগুলো এত্ত বেশি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন! ঘটনার প্রবাহ এত স্মুথ! হরর গল্পের মত অযথা কোনো ফ্যান্টাসিতে রেখে দেয়নি। ভৌতিক জিনিসটাকে এতোটা বাস্তব করে তোলা একমাত্র সমরেশের দ্বারাই সম্ভব। বইটাতে নারীবাদী হয়ে দাড়িয়েছেন একদিকে একদিকে রহস্য টেনেছেন। এরকম দ্বৈততা ভালো না লেগে পারে না!

#বইটাতে_ভালো_না_লাগা

রাত্রি একটা ক্রাস ছিল। কিন্তু সে তিতিরের বিয়ের পর যা কান্ড শুরু করে তাকে ভালো বললে পাপ হবে। রাত্রির ওপর চরম বিরক্ত আমি। বইটাতে প্রবালদার ওপর আরেকটু ফোকাস করলে পারতেন।

#প্রতিক্রিয়া__

সামাজিক কাহিনীর ভেতর হরর টানা নিঃসন্দেহে একটা চমকপ্রদ ব্যাপার ছিল। বইটার শেষটা এমন উদ্ভট হবে আসলেই এটা কল্পনাতীত। আর ব্যাপারস্যাপার এত বাস্তব! মনে হচ্ছিল আসলেই তেমন কিছু হতেই পারে। বইটা ভালো লাগার অন্য নাম। যারা আমার রিভিউ পড়েনন তারা জানেন আমি রেটিং এ কৃপণ। এ বইটার রেটিং সেই হিসেবে অনেক বেশি। বাক্য ব্যয় করব না, না পড়লে চরম মিস☺
Profile Image for Ësrât .
515 reviews85 followers
April 16, 2019
এটা আসলে বই ছিল না এক ধরনের বাজে রসিকতা তা বোধহয় সমরেশ মজুমদার বলতে পারবেন, অখাদ্য পুরোই, মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.