What do you think?


একাত্তরের ডায়েরী
152 pages, Hardcover
First published January 1, 1989
About the author
Sufia Kamal
16 books13 followersBegum Sufia Kamal (Bengali: সুফিয়া কামাল) was a Bangladeshi poet, freedom fighter, feminist and political activist. Kamal was an influential cultural icon in the Bengali nationalist movement of the 1950s and 60s and an important civil society leader in independent Bangladesh. She died in 1999 and was the first woman to be given a state funeral in the country.
She was honored with Bangla Academy Award for Literature (1962) and Ekushey Padak (1976).
She was honored with Bangla Academy Award for Literature (1962) and Ekushey Padak (1976).
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
November 16, 2020
এ ডায়েরীর যাত্রা শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর,১৯৭০ তারিখে আর শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৭১এ।
সবগুলো দিনের বিবরণী অবশ্য নেই, তবে যতটুকু আছে সেগুলোই বা কম কিসে! ১৯৭১ এর বর্বরতার টুকরো প্রমাণ।
এই ডায়েরী একান্তই ব্যক্তিগত, কাজেই খুব বেশি কিছু আশা করার কোনো কারণ নেই। পড়ে খুব ভালো না লাগলেও খারাপ লাগে নি!
প্রায় প্রতি দিনের ঘটনার সারাংশ কবি সুফিয়া কামাল ঐ দিবাগত রাতেই লিখে রাখতেন। ডায়েরীর কথাগুলো মূলত তার আশেপাশের ঘটনা সংক্রান্ত। কোনোদিন শুধু আশঙ্কা আর ভয়ের কথা লিখেছেন, পরিবারের সদস্যদের কথা লিখেছেন। লিখেছেন প্লেন থেকে বোমা ফেলার কথা।
যুদ্ধ যখন মাঝামাঝিতে তখন সেই সময়ের দিনলিপিতে বেশিরভাগ তারিখেই তিনি দুঃস্বপ্নের কথা উল্লেখ করেছেন। কবি সুফিয়া কামাল কোনোদিন ভয়ে তটস্থ থাকতেন, উদ্বিগ্নতা, নিঃসঙ্গতা আশে পাশেই ছিল। আল্লাহর কাছে বারবার ফরিয়াদ করেছেন, আস্থা রেখেছেন, সবার জন্য দোয়া করেছেন আর সবার জন্য শান্তি কামনা করেছেন। আবার মাঝে মাঝে বেশ কিছু কবিতা লিখে মনের কথা ব্যক্ত করেছেন আপন মনে-
~১৬ নভেম্বর, ২০২০
সবগুলো দিনের বিবরণী অবশ্য নেই, তবে যতটুকু আছে সেগুলোই বা কম কিসে! ১৯৭১ এর বর্বরতার টুকরো প্রমাণ।
এই ডায়েরী একান্তই ব্যক্তিগত, কাজেই খুব বেশি কিছু আশা করার কোনো কারণ নেই। পড়ে খুব ভালো না লাগলেও খারাপ লাগে নি!
প্রায় প্রতি দিনের ঘটনার সারাংশ কবি সুফিয়া কামাল ঐ দিবাগত রাতেই লিখে রাখতেন। ডায়েরীর কথাগুলো মূলত তার আশেপাশের ঘটনা সংক্রান্ত। কোনোদিন শুধু আশঙ্কা আর ভয়ের কথা লিখেছেন, পরিবারের সদস্যদের কথা লিখেছেন। লিখেছেন প্লেন থেকে বোমা ফেলার কথা।
যুদ্ধ যখন মাঝামাঝিতে তখন সেই সময়ের দিনলিপিতে বেশিরভাগ তারিখেই তিনি দুঃস্বপ্নের কথা উল্লেখ করেছেন। কবি সুফিয়া কামাল কোনোদিন ভয়ে তটস্থ থাকতেন, উদ্বিগ্নতা, নিঃসঙ্গতা আশে পাশেই ছিল। আল্লাহর কাছে বারবার ফরিয়াদ করেছেন, আস্থা রেখেছেন, সবার জন্য দোয়া করেছেন আর সবার জন্য শান্তি কামনা করেছেন। আবার মাঝে মাঝে বেশ কিছু কবিতা লিখে মনের কথা ব্যক্ত করেছেন আপন মনে-
"কে আছে সৌভাগ্যবতী আমার মতন
এক পুত্রহীনা হয়ে শত পুত্র ধন লভেছি,
সৌভাগ্য মোর। "
~১৬ নভেম্বর, ২০২০
July 25, 2021
ভেবেছিলাম যুদ্ধ সময়ের একটা মোটামুটি দৈনিক ধারণা পাওয়া যাবে। একজন লেখক যখন ওই বিক্ষিপ্ত সময়ে ডায়েরি লিখেছেন তখন তো এটুকু আশা করাই যায়। কিন্তু নাহ, তেমন কিছু পাওয়া যায়নি বলা যায়। একেবারে একজন সাধারণ মানুষের ডায়েরি।
January 3, 2021
১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের পর যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলো তখন সব বাঙালির সুযোগ ছিল না সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার। ফলে কেউ কেউ সশরীরে যুদ্ধ করেছেন, কেউ কেউ অন্ন/বস্ত্র/আশ্রয়/চিকিৎসা দিয়ে যোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন আবার কেউ কেউ যুদ্ধকে দেখা এবং নিজের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা ছাড়া তেমন কিছু করতে পারেন নি। খ্যাতিমান কবি সুফিয়া কামাল বলতে গেলে তৃতীয় দলেই পড়েন ; যুদ্ধের সময় তেমন কিছু করতে পারেন নি তিনি। কিন্তু তাঁর যেটা এলাকা তথা লেখালেখি সেটা দিয়ে ঠিকই অবদান রেখেছেন তিনি। যুদ্ধের গোটা সময়টা হানাদার বাহিনীর নাকের ডগায় বসে, সদা সর্বদা আক্রমণের আশঙ্কায় থেকেও তিনি তাঁর ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করেছেন সেই সময়ের ঘটনাবলীকে যা আমাদের তথা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্মকে বুঝতে সাহায্য করে সেই উত্তাল সময়কে।
ডায়েরীটা কবি হাতে পান ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে যখন তিনি ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এলাকায় ত্রাণ কাজে ব্যস্ত। লেখা শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে আর যখন শেষ করলেন তখন শেষ হয়েছে ১৯৭১ সালের পুরোটা। আর এই এক বছর সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে এই ডায়েরীতে। বলতে গেলে ডায়েরীটা কবির ব্যক্তিগত আনন্দ, দুঃখ, আক্ষেপ আর হতাশার কথা। যুদ্ধের সময়ে তাঁর ছেলেমেয়েদের জন্য তাঁর চিন্তা, সদাসর্বদা বোমাবর্ষণের শব্দে আতঙ্কিত অবস্থা, রাস্তায় লাশ দেখে শিউড়ে ওঠা, পরিচিত কারো শহীদ হওয়ার খবর শুনে কষ্ট পাওয়া এসবই উঠেছে ডায়েরীর পাতায় পাতায়।
সবচেয়ে বেশি যেটা ডায়েরীটা থেকে পাওয়া যায় তা হলো যুদ্ধের এক প্রত্যক্ষদর্শীর মানসিক অবস্থার রূপান্তর। ২৫ মার্চের পর বিহ্বলতা, শুরুর প্রতিরোধের খবর শুনে আনন্দ, পাক বাহিনীর দখলের পর শঙ্কা আর শেষদিকে যৌথবাহিনীর আক্রমণের পর বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ ফুটে উঠেছে এখানে। ঐ সময়ে কবির মানসিকতা কেমন ছিল তার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন তেমন সময় মানুষ আত্মহত্যা করে অথবা পাগল হয়ে যায়! এতটাই বিভৎসতা, নৃশংসতা, উৎকন্ঠার ভিতর দিয়ে যেতে হয়ে তখন মানুষকে।
এই নৃশংসতা আর উৎকন্ঠার কথা কবি ছোট ছোট বাক্য আর প্যারাগ্রাফে তুলে ধরেছেন। আর তা করতে গিয়ে নিজের কবি সত্ত্বাকেও ভোলেন নি তিনি। ফলে মাঝে মাঝেই কবিতার মাধ্যমে নিজের ভাব প্রকাশ করেছেন তিনি। কখনও নিষ্ঠুর মৃত্যু দেখে শিউড়ে উঠে স্বাভাবিক মৃত্যু চেয়েছেন, কখনও আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন আবার কখনও নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছেন।
নেতিবাচক দিকের কথা যদি বলতে চাই তাহলে প্রথমেই বলতে হবে লেখিকার ভাষারীতির কথা। কেমন যেন রোবটিক মনে হয়েছে লেখনী। হয়তো ডায়েরী বলেই সংক্ষেপে দিনের কথা লিখতে চেয়েছেন তবু পড়তে অস্বস্তি হয়েছে। ‘ রাত তিনটায় শুয়ে পাঁচটায় উঠে ছয়টার ট্রেন ধরে তিনটায় ঢাকা পৌঁছালাম।‘ এমন ধরনের লেখা পড়তে অস্বস্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক নয় কি! আরেকটা জিনিস বলা যায় পুনরাবৃত্তি আর একঘেয়ে বর্ণনার কথা। ওমুকের খবর নেই, তমুকের চিঠি নেই ধরনের লাইন প্রতিটা এন্ট্রিতে ; আবার কেথায় টানা পাঁচ-সাত দিনের লেখায় কি কি স্বপ্ন দেখেছেন তার বর্ণনা! প্রচুর নাম ব্যবহার করেছেন লেখিকা কিন্তু তাদের কোনো পরিচয় জানা না থাকায় পড়তে কেমন যেন অসুবিধা হয়েছে। ডায়েরীতে না হয় নামই যথেষ্ট কিন্তু বই প্রকাশের আগে অন্তত তাদের পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। আর শেষ যে কথাটা বলব, ডায়েরীটা একান্ত ব্যক্তিগত আর পারিবারিক মানে বলতে চাচ্ছি ‘ একাত্তরের দিনগুলি' তে যে সামগ্রিক একটা ভাব ছিল সেটা এখানে অনুপস্থিত।
সবমিলিয়ে বলতে গেলে, মোটামুটি একটা বই। সামগ্রিক চিত্র না আসলেও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটা চিত্র পাওয়া যায় এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে।
ডায়েরীটা কবি হাতে পান ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে যখন তিনি ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এলাকায় ত্রাণ কাজে ব্যস্ত। লেখা শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে আর যখন শেষ করলেন তখন শেষ হয়েছে ১৯৭১ সালের পুরোটা। আর এই এক বছর সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে এই ডায়েরীতে। বলতে গেলে ডায়েরীটা কবির ব্যক্তিগত আনন্দ, দুঃখ, আক্ষেপ আর হতাশার কথা। যুদ্ধের সময়ে তাঁর ছেলেমেয়েদের জন্য তাঁর চিন্তা, সদাসর্বদা বোমাবর্ষণের শব্দে আতঙ্কিত অবস্থা, রাস্তায় লাশ দেখে শিউড়ে ওঠা, পরিচিত কারো শহীদ হওয়ার খবর শুনে কষ্ট পাওয়া এসবই উঠেছে ডায়েরীর পাতায় পাতায়।
সবচেয়ে বেশি যেটা ডায়েরীটা থেকে পাওয়া যায় তা হলো যুদ্ধের এক প্রত্যক্ষদর্শীর মানসিক অবস্থার রূপান্তর। ২৫ মার্চের পর বিহ্বলতা, শুরুর প্রতিরোধের খবর শুনে আনন্দ, পাক বাহিনীর দখলের পর শঙ্কা আর শেষদিকে যৌথবাহিনীর আক্রমণের পর বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ ফুটে উঠেছে এখানে। ঐ সময়ে কবির মানসিকতা কেমন ছিল তার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন তেমন সময় মানুষ আত্মহত্যা করে অথবা পাগল হয়ে যায়! এতটাই বিভৎসতা, নৃশংসতা, উৎকন্ঠার ভিতর দিয়ে যেতে হয়ে তখন মানুষকে।
এই নৃশংসতা আর উৎকন্ঠার কথা কবি ছোট ছোট বাক্য আর প্যারাগ্রাফে তুলে ধরেছেন। আর তা করতে গিয়ে নিজের কবি সত্ত্বাকেও ভোলেন নি তিনি। ফলে মাঝে মাঝেই কবিতার মাধ্যমে নিজের ভাব প্রকাশ করেছেন তিনি। কখনও নিষ্ঠুর মৃত্যু দেখে শিউড়ে উঠে স্বাভাবিক মৃত্যু চেয়েছেন, কখনও আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন আবার কখনও নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছেন।
নেতিবাচক দিকের কথা যদি বলতে চাই তাহলে প্রথমেই বলতে হবে লেখিকার ভাষারীতির কথা। কেমন যেন রোবটিক মনে হয়েছে লেখনী। হয়তো ডায়েরী বলেই সংক্ষেপে দিনের কথা লিখতে চেয়েছেন তবু পড়তে অস্বস্তি হয়েছে। ‘ রাত তিনটায় শুয়ে পাঁচটায় উঠে ছয়টার ট্রেন ধরে তিনটায় ঢাকা পৌঁছালাম।‘ এমন ধরনের লেখা পড়তে অস্বস্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক নয় কি! আরেকটা জিনিস বলা যায় পুনরাবৃত্তি আর একঘেয়ে বর্ণনার কথা। ওমুকের খবর নেই, তমুকের চিঠি নেই ধরনের লাইন প্রতিটা এন্ট্রিতে ; আবার কেথায় টানা পাঁচ-সাত দিনের লেখায় কি কি স্বপ্ন দেখেছেন তার বর্ণনা! প্রচুর নাম ব্যবহার করেছেন লেখিকা কিন্তু তাদের কোনো পরিচয় জানা না থাকায় পড়তে কেমন যেন অসুবিধা হয়েছে। ডায়েরীতে না হয় নামই যথেষ্ট কিন্তু বই প্রকাশের আগে অন্তত তাদের পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। আর শেষ যে কথাটা বলব, ডায়েরীটা একান্ত ব্যক্তিগত আর পারিবারিক মানে বলতে চাচ্ছি ‘ একাত্তরের দিনগুলি' তে যে সামগ্রিক একটা ভাব ছিল সেটা এখানে অনুপস্থিত।
সবমিলিয়ে বলতে গেলে, মোটামুটি একটা বই। সামগ্রিক চিত্র না আসলেও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটা চিত্র পাওয়া যায় এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে।
April 16, 2021
সুফিয়া কামাল তাঁর এই দিনপঞ্জি শুরু করেছেন ৩০ ডিসেম্বর,১৯৭০ সালে রিলিফ দ্রব্য বিতরণের বর্ণনা দিয়ে এবং তার ইতি টেনেছেন ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে রাশিয়া থেকে ঢাকায় আগমনের মাধ্যমে।
প্রথমেই বলে রাখি, এই ডায়েরির মধ্যে জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি'র মতন আবেগময় লেখা পাবেন না। এটা পড়লে হয়তো যুদ্ধের ভয়াবহতা সেভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন না। তবে তাঁর লেখায় স্পষ্ট বোঝা যায় দেশের মানুষের জন্য তাঁর আকুলতা, স্বজনদের দেখতে চাওয়ার আকুতি, শঙ্কা, স্বজন-সহকর্মী হারানোর বেদনা, উৎকন্ঠা, ভয়। কবি প্রায়ই শেষের দিকে নানান দুঃস্বপ্ন দেখতেন। তাঁর সেদিনকার লেখাগুলো পড়লে বোঝা যায় মানসিকভাবে তিনি কতটা দৃঢ় ছিলেন। একই সাথে সবসময়ই তাঁর উপর পাকবাহিনীর আক্রমণের ভয় তো ছিলই, তবুও তিনি একটুও টলেননি।
তাঁর এই দিনপঞ্জি একেবারেই ব্যক্তিগত ঘটনা দিয়ে ঠাসা। কিছু কিছু জায়গা পড়লে আড়ষ্টভাব চলে আসবে, কোনো কোনো জায়গায় আবার শুধুই এক-দু লাইনের বর্ণনা। আবার অনেক দিনের শুরু হয়েছে শুধুই কবিতা দিয়ে। সুখপাঠ্য বলবো না, তবে ভালো। যুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মনোভাব এতে ভালোমতনই ফুটে উঠেছে।
প্রথমেই বলে রাখি, এই ডায়েরির মধ্যে জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি'র মতন আবেগময় লেখা পাবেন না। এটা পড়লে হয়তো যুদ্ধের ভয়াবহতা সেভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন না। তবে তাঁর লেখায় স্পষ্ট বোঝা যায় দেশের মানুষের জন্য তাঁর আকুলতা, স্বজনদের দেখতে চাওয়ার আকুতি, শঙ্কা, স্বজন-সহকর্মী হারানোর বেদনা, উৎকন্ঠা, ভয়। কবি প্রায়ই শেষের দিকে নানান দুঃস্বপ্ন দেখতেন। তাঁর সেদিনকার লেখাগুলো পড়লে বোঝা যায় মানসিকভাবে তিনি কতটা দৃঢ় ছিলেন। একই সাথে সবসময়ই তাঁর উপর পাকবাহিনীর আক্রমণের ভয় তো ছিলই, তবুও তিনি একটুও টলেননি।
তাঁর এই দিনপঞ্জি একেবারেই ব্যক্তিগত ঘটনা দিয়ে ঠাসা। কিছু কিছু জায়গা পড়লে আড়ষ্টভাব চলে আসবে, কোনো কোনো জায়গায় আবার শুধুই এক-দু লাইনের বর্ণনা। আবার অনেক দিনের শুরু হয়েছে শুধুই কবিতা দিয়ে। সুখপাঠ্য বলবো না, তবে ভালো। যুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মনোভাব এতে ভালোমতনই ফুটে উঠেছে।
February 14, 2022
Sunk-cost fallacy তে পড়ে বইটা শেষ করলাম। সর্বোচ্চ ৫% লেখা পড়ার মতো ছিলো। একই জিনিসের ভিন্ন উপস্থাপন। খুবই বিরক্তি নিয়ে শেষ করলাম। অনেক কিছু পাবো আশা ছিলো। কিছুই পেলাম না।
November 2, 2025
৭১ কালীন সময়ের অনেক ডায়েরি দিনলিপি প্রকাশিত হয়েছে, ঐসব ডায়েরির সাথে "একাত্তরের ডায়েরী" এর পার্থক্য হচ্ছে, এই ডায়েরি পুরোটাই raw । কোন ধরনের সম্পাদনা করা হয়েছে বলে মনে হয় না। এত মানুষের নাম এসেছে, তাদের কোন পরিচয় ও দেয়া হয়নি। সুফিয়া কামাল তার নিজের জানা অনুযায়ী বিভিন্ন ডাকনাম ব্যবহার করেছেন, সেইসব কে কারও সাথে লিঙ্ক করারও কোন ব্যবস্থা নেই। ছোট ছোট কয়েকটা লাইন দিয়েই এক এক দিনের দিনলিপি শেষ হয়েছে। দেশের ঘটনার চেয়ে ছেলেমেয়ে আত্মীয় স্বজনের কথাই বেশি ফুটে উঠেছে। এইসব ছাপিয়ে এটা বুঝা যায়, ৭১ সালের সেই ভয়াবহ দিনগুলিতে ঢাকাবাসিরা কিভাবে বেঁচে থাকতো। একদিকে স্কুল অফিস খুলছে, বিয়ে, বিবাহ বার্ষিকী হচ্ছে। সেই সাথে নিয়মিত গুলি বোমার আওয়াজ, এখানে ওখানে মেরে ফেলার উড়ো খবর। সাথে বেঁচে থাকার অনিশ্চিত আতঙ্ক। আল্লাহ্ তায়ালার কাছে বারবার প্রার্থনা - দোয়া যাতে এই বিপদ কেটে যায়।
সুফিয়া কামাল আশে পাশে যেসব এলাকার কথা লিখেছেন, সেই জায়গা কম বেশি আমার পরিচিত। কত রক্ত যে এদিকে মিশে আছে, কে জানে। ২৬ শে মার্চ ধানমন্ডি লেকের কথা লিখেছেন,
"পুলের উপর 'মা' বলে একটি আর্তনাদ শুনা গেল, পরপর মেশিনগানের শব্দ ও জয়বাংলা শব্দের পর অবিরাম রাইফেল বোমা স্টেনগান মেশিনগান এর শব্দ..."
এই ডায়েরি থেকে অনেক কিছু যে পাওয়া যাবে এরকম না। তবে মাঝে মাঝে আছে পাকিস্তানিদের কঠোর সমালোচনা-
১৪ই আগস্ট। কত রক্ত স্নানের পর স্নিগ্ধ চন্দ্র তারকা পতাকাবাহী এ দিনটি এসেছিল ২৩ বছর আগে পাকিস্তানের সব মানুষের নিপীড়িত সর্বহারা জনের আশা আনন্দের প্রতীক হয়ে। দস্যু দুরাচার বর্বর পশ্চিম পাকিস্তানিদের জঘন্য নিস্থরতায় আজ টা সারা বিশ্বসভায় স্লান, উপহসিত। মুসলিম নামের উপর কলঙ্ক কালিমা লেপন করে দস্যু বর্বর তার হনন কার্য চালিয়ে যাচ্ছে, ধিক।
আজ মিরপুরের অদূরে আমিন নগরে গোলা চালিয়ে বহু লোক মেরে ধান খেত পুড়িয়ে দিয়ে জালিমরা আরও গ্রামে গ্রামে হানা দিয়েছে। কাকে মারছে ওরা। নিজেরা এক অক্ষর কালেমা জানে না। মদে মাৎসর্যে বিভোর। তারা আবার বাঙ্গালিদের কাফের বলে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
সুফিয়া কামাল আশে পাশে যেসব এলাকার কথা লিখেছেন, সেই জায়গা কম বেশি আমার পরিচিত। কত রক্ত যে এদিকে মিশে আছে, কে জানে। ২৬ শে মার্চ ধানমন্ডি লেকের কথা লিখেছেন,
"পুলের উপর 'মা' বলে একটি আর্তনাদ শুনা গেল, পরপর মেশিনগানের শব্দ ও জয়বাংলা শব্দের পর অবিরাম রাইফেল বোমা স্টেনগান মেশিনগান এর শব্দ..."
এই ডায়েরি থেকে অনেক কিছু যে পাওয়া যাবে এরকম না। তবে মাঝে মাঝে আছে পাকিস্তানিদের কঠোর সমালোচনা-
১৪ই আগস্ট। কত রক্ত স্নানের পর স্নিগ্ধ চন্দ্র তারকা পতাকাবাহী এ দিনটি এসেছিল ২৩ বছর আগে পাকিস্তানের সব মানুষের নিপীড়িত সর্বহারা জনের আশা আনন্দের প্রতীক হয়ে। দস্যু দুরাচার বর্বর পশ্চিম পাকিস্তানিদের জঘন্য নিস্থরতায় আজ টা সারা বিশ্বসভায় স্লান, উপহসিত। মুসলিম নামের উপর কলঙ্ক কালিমা লেপন করে দস্যু বর্বর তার হনন কার্য চালিয়ে যাচ্ছে, ধিক।
আজ মিরপুরের অদূরে আমিন নগরে গোলা চালিয়ে বহু লোক মেরে ধান খেত পুড়িয়ে দিয়ে জালিমরা আরও গ্রামে গ্রামে হানা দিয়েছে। কাকে মারছে ওরা। নিজেরা এক অক্ষর কালেমা জানে না। মদে মাৎসর্যে বিভোর। তারা আবার বাঙ্গালিদের কাফের বলে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
January 25, 2017
অনেকদিন বাদে কোন ডায়েরী পড়ে ভালো লাগল , আসলে বিষণ্ন ~
গোটা যুদ্ধের বছরটার স্মৃতি , উদ্বিগ্নতা , অস্থিরতা , আল্লাহর উপর সরল আস্থা । বেশ পরিপাটি একটা ডায়েরী ।
গোটা যুদ্ধের বছরটার স্মৃতি , উদ্বিগ্নতা , অস্থিরতা , আল্লাহর উপর সরল আস্থা । বেশ পরিপাটি একটা ডায়েরী ।
February 14, 2023
"একাত্তরের ডায়েরী" ঠান্ডা মেজাজে পড়ার বই! কারণ ইতিহাস আমাদের এমনি বিরক্ত লাগে। লেখিকা এতে ডিসেম্বর ৩০, ১৯৭০ সাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার ডায়েরিতে লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলার কথা। তার পরিবার-পরিজন, বিভিন্ন লেখক, শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানী সহ বাঙলার দামাল ছেলেদের সাহসিকতা তার লেখায় বারবার উল্লেখ এসেছে।
তবে লক্ষণীয় দিক হচ্ছে, তিনি কখনো চাননি পাকিস্তান ভেঙে যাক। যেমন করে ভাসানী চেয়েছিল দুই প্রদেশের আলাদা রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তার লেখায় বারবার ফুটে উঠেছে আল্লাহর উপর তার বিশ্বাস। তিনি যেন, মাবুদের কাছে শুধু শান্তি চেয়েছেন বারবার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতা, তাণ্ডব হালকা আমেজে তার ডায়েরিতে উল্লেখ করেছে।
বারবার তার মুখে ফুটে উঠেছে তার পরিবারের কথা। তার মেয়ের মৃত্যুর কথা। তার কাছের মানুষ গুলোর এক এক করে মৃত্যুবরণ করছে। তিনি চেয়েছেন তার মৃত্যু হোক তবুও শান্তি আসুক বাংলার প্রাণে।
তবে লক্ষণীয় দিক হচ্ছে, তিনি কখনো চাননি পাকিস্তান ভেঙে যাক। যেমন করে ভাসানী চেয়েছিল দুই প্রদেশের আলাদা রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তার লেখায় বারবার ফুটে উঠেছে আল্লাহর উপর তার বিশ্বাস। তিনি যেন, মাবুদের কাছে শুধু শান্তি চেয়েছেন বারবার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতা, তাণ্ডব হালকা আমেজে তার ডায়েরিতে উল্লেখ করেছে।
বারবার তার মুখে ফুটে উঠেছে তার পরিবারের কথা। তার মেয়ের মৃত্যুর কথা। তার কাছের মানুষ গুলোর এক এক করে মৃত্যুবরণ করছে। তিনি চেয়েছেন তার মৃত্যু হোক তবুও শান্তি আসুক বাংলার প্রাণে।
February 15, 2025
কেমন ছিল ১৯৭১ এর দিনগুলো, কীরূপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তখনকার মানুষদের, তা জানার আগ্রহ বরাবরই অনেকের রয়েছে। আর যদি সেই সময়টাকে ঘিরে রোজনামচা পাওয়া যায় তাহলে আগ্রহ বুঝি আরও দ্বিগুন হয় বাস্তবিক ঘটনাগুলোকে জানতে পারার স্পৃহা থেকে, মনে হয় কারো চোখের দেখা দৃশ্যগুলো আমি বা আমরাও দেখবার চেষ্টা করছি বা দেখতে পাচ্ছি, সেই ঐতিহাসিক ঘটনার কিছুটা অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছি।
সত্যি বলতে খুব আশা নিয়েই বইটি শুরু করেছিলাম তবে আশাহত হয়েছি এজন্য যে তেমন বিশদ তথ্য পায়নি , ঘুরে ফিরে একই লেখা। তবে এই নিয়ে সমালোচনা করা খুবই বিব্রতকর হবে কারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই একটা যুদ্ধকালীন সময়ে বিরাট বিরাট বচন কাগজের পাতায় টুকে রাখার সময় বা মন মানসিকতা না থাকবারই কথা। প্রতিদিনকার অনিশ্চিতয়তা, স্বজনদের চিন্তায় দিশেহারা, প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন- ব্যাপারগুলোকে কোনোভাবে উপেক্ষা করা যায় না। কেউ যদি তখনকার সময়ের বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কিত দিনলিপি পড়তে চায় তবে এই বইটি তাদের জন্য না।
সত্যি বলতে খুব আশা নিয়েই বইটি শুরু করেছিলাম তবে আশাহত হয়েছি এজন্য যে তেমন বিশদ তথ্য পায়নি , ঘুরে ফিরে একই লেখা। তবে এই নিয়ে সমালোচনা করা খুবই বিব্রতকর হবে কারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই একটা যুদ্ধকালীন সময়ে বিরাট বিরাট বচন কাগজের পাতায় টুকে রাখার সময় বা মন মানসিকতা না থাকবারই কথা। প্রতিদিনকার অনিশ্চিতয়তা, স্বজনদের চিন্তায় দিশেহারা, প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুখীন- ব্যাপারগুলোকে কোনোভাবে উপেক্ষা করা যায় না। কেউ যদি তখনকার সময়ের বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কিত দিনলিপি পড়তে চায় তবে এই বইটি তাদের জন্য না।
October 11, 2024
খুবই আর্টিফিশিয়াল ঢংয়ে লেখা, মনে হয় ঘটনাবলীর "স্মৃতি রোমন্থনজাত" ব্যপার ঘটে গেছে এই ডায়েরিতে, অর্থাৎ ঠিক রিয়েল-টাইম বর্ণনার উত্তাপ অনুপস্থিত, যেটা আপনি পাবেন জাহনারা ইমামের ডায়েরিটায়; যদি এটা তিনি পরেও লিখে থাকেন তবু দুটো বিচারে এটি অনন্য, সেহেতু পড়ে নিতে পারেন:
১. ডায়েরি–ঘরানার বই আমাদের পুরো লিটারেচারেই হাতেগোনা, তার ওপর এমন অমূল্য সময়ের বিবরণ আপনি পাচ্ছেন বঙ্গদেশের প্রধানতম লেখিকার হাতে—এটা তো প্রিভিলেজ!
২. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন লেখাপত্তরের যেইটা এডভান্টেজ ধরা হয়, অর্থাৎ লেখকদের যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক চেতনা এবং মতাদর্শিক চাপের বায়াসনেসপ্রসূত বর্ণনা ও স্মৃতি অবক্ষয়-জনিত বর্ণনার ঘাটতি–দুটো ত্রুটি থেকেই এই লেখাগুলো তুলনামূলক কম দূষণীয় বলে যে সাধারণ ধারণা, সেটা থেকে অনুমান করছি, এইটাও সেরকম দোষত্রুটি মুক্ত।
১. ডায়েরি–ঘরানার বই আমাদের পুরো লিটারেচারেই হাতেগোনা, তার ওপর এমন অমূল্য সময়ের বিবরণ আপনি পাচ্ছেন বঙ্গদেশের প্রধানতম লেখিকার হাতে—এটা তো প্রিভিলেজ!
২. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন লেখাপত্তরের যেইটা এডভান্টেজ ধরা হয়, অর্থাৎ লেখকদের যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক চেতনা এবং মতাদর্শিক চাপের বায়াসনেসপ্রসূত বর্ণনা ও স্মৃতি অবক্ষয়-জনিত বর্ণনার ঘাটতি–দুটো ত্রুটি থেকেই এই লেখাগুলো তুলনামূলক কম দূষণীয় বলে যে সাধারণ ধারণা, সেটা থেকে অনুমান করছি, এইটাও সেরকম দোষত্রুটি মুক্ত।
July 24, 2020
ছোট ছোট প্যারাতে লেখা ডায়েরীর কাহিনীগুলো আবারো বুঝিয়ে দিলো কি উত্তাল ছিলো মুক্তিযুদ্ধের সময়গুলো। কি অসহায় ছিলো সাধারণ মানুষ।
কবি এবং লেখিকা সুফিয়া কামাল এর সাহসিকতা এবং দৃঢ় ইচ্ছেশক্তির পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর দিনপঞ্জি থেকে। ফাঁকে ফাঁকে কবিতাগুলো আরো বেশি ব্যঞ্জনা যোগ করেছে।
একেবারে শেষে সংযুক্ত জীবনী এবং গ্রন্থপঞ্জি যোগ করাটা হয়েছে দারুণ একটা সংযোজন।
বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের ভূমিকাও সংযুক্ত আছে যা এই বইটির মূল্য আরেকটু বাড়িয়ে দিল।
কবি এবং লেখিকা সুফিয়া কামাল এর সাহসিকতা এবং দৃঢ় ইচ্ছেশক্তির পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর দিনপঞ্জি থেকে। ফাঁকে ফাঁকে কবিতাগুলো আরো বেশি ব্যঞ্জনা যোগ করেছে।
একেবারে শেষে সংযুক্ত জীবনী এবং গ্রন্থপঞ্জি যোগ করাটা হয়েছে দারুণ একটা সংযোজন।
বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের ভূমিকাও সংযুক্ত আছে যা এই বইটির মূল্য আরেকটু বাড়িয়ে দিল।
June 8, 2025
আশা করেছিলাম একাত্তরের দিনগুলির মত হবে, কিন্তু না। তবে এও ভাল অত দুঃখ তো সইতে হবে না। লেখিকার দু-একটি এন্ট্রি পড়ে খুবই হতবুদ্ধি আর হতাশ হয়েছি —এরূপ জাহির করেছেন যে ওরা তো মুসলমান ছিল তা-ও মারলো কেন যেন অমুসলিম হলে মারা ঠিক আছে —আসলে এরকম হবেই —ইনিই তো জিন্নাহর প্রশংসা করে কবিতাও লিখেছিলেন
March 19, 2020
Good
This entire review has been hidden because of spoilers.
February 13, 2024
3.5/5
the book being marketed as it has been was a very unwise decision but if you're interested in sufia kamal and her life you should definitely read it
the book being marketed as it has been was a very unwise decision but if you're interested in sufia kamal and her life you should definitely read it
September 28, 2019
মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি নিয়ে লেখা, মোটামুটি সুন্দর একটি বই
December 15, 2024
Rating : ⭐⭐⭐½
"কিন্তু এই স্বাভাবিকতাই এখন এত অস্বাভাবিক লাগছে। ঝড়ের আগের স্তব্ধতা নয়ত।"
"অন্তর দিয়ে অনুভব করি ধুঁকে ধুঁকে এই বাঁচা
অত্যাচারীর ছুরিকার তলে দিল প্রাণ মোর বাছা
পথের ধুলায় লুটায়ে রহিল।"
"কত মায়ের বুক খালি করে সোনার সংসারকে ধ্বংস করে চলছে এখনও, আর শান্তির কথা বলছে! নির্লজ্জ! এদের আত্মসম্মানও নেই।"
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
















