Bibhutibhushan Bandyopadhyay (Bangla: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bangali author and one of the leading writers of modern Bangla literature. His best known work is the autobiographical novel, Pather Panchali: Song of the Road which was later adapted (along with Aparajito, the sequel) into the Apu Trilogy films, directed by Satyajit Ray.
The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.
ধরুন আপনি বেশ কিছুদিন ধরে ঘরে বন্দী হয়ে আছেন, কত্ত দিন গ্রাম দেখেন না। অথচ আপনার মনটা পড়ে থাকতে চাইছে কোনো গাঢ় সবুজ গ্রামে যেখানে ক্ষেতে-বিলে শাপলা ফোটে, সুশীতল হাওয়া কানে শান্তির বার্তা দিয়ে যায়। নিঃসন্দেহে মেঘমল্লারে ডুব দিতে পারেন। এমন অসাধারণ রূপ বর্ণনা শুধুমাত্র বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেই পাওয়া সম্ভব।
প্রতিটি বর্ণনার স্বকীয়তা যেন বলে দেয়,'এই যে শুনছেন!আমাদের স্রষ্টা হলেন বিভূতি বাবু। বড় ভালো মানুষ,খুব যত্ন নেয়।'
এই ১০ টি গল্প নিয়েই মেঘমল্লার। এখানে যেমন প্রকৃতি আছে, আছে মায়া-মমতা আর প্রাণের বন্ধন তেমনি পাবেন অশরীরী আর দর্শনের ছোঁয়া।
আমি বলি কি নাম গল্প মেঘমল্লারটা সবার শেষেই ধরুন। সবচেয়ে ভালো হয় শুনলে। ইউটিউবে হঠাৎ মেঘমল্লার অডিও বুকটা সামনে আসে, রেডিও মিলানের এত্ত সুন্দর পরিবেশনায় আমি মুগ্ধ। সম্মোহিতের মতো শুনতে শুনতে কখন যে ১ ঘণ্টা চলে গেছে বুঝতেই পারি নি। এখানে শুনতে পারেন মেঘমল্লার গল্পের অডিও বুক
মন কেমন করলে আমি বিভূতিভূষণের ছোটোগল্প পড়ি। যাবতীয় অবসাদ আর জাবর-কাটা দিনযাপন সরে গিয়ে চোখের সামনে ফুটে ওঠে বাংলা— তার প্রকৃতি আর সন্তানদের নিয়ে। তেমন কিছু গল্পের সঙ্গে যখন পাই 'মেঘমল্লার'-কে, তখন সেই বই নিয়ে কিছু বলা নিতান্তই বাতুলতা নয় কি? আচ্ছা, 'মেঘমল্লার'-এর মতো গল্প বিশ্বসাহিত্যে ক'টা আছে বলুন তো? অথচ এমন একটা গল্পকে ঠিকঠাক অনুবাদ করে কেউ বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পেশ করে না! গল্পসমগ্র নয়, বিশেষ করে মিত্র-ঘোষ থেকে প্রকাশিত এই ছোট্ট বইটা পারলে আলাদা করে পড়ে দেখুন একবার।
কেবল 'উমারাণী'র জন্যেই পাঁচ তারা দিয়ে দিতাম। সেই সাথে যখন আছে 'পুঁই মাচা' ও 'মেঘমল্লার'-এর মতো অসাধারণ-অনবদ্য-হৃদয়গ্রাহী-মায়াভরা একটা গল্প এবং 'খুকীর কাণ্ড', 'ঠেলাগাড়ি', 'উপেক্ষিতা'র মতো অসাধারণ আরও কিছু গল্প, তখন পাঁচ তারার চেয়ে কম দিই কী করে? বিভূতিভূষণ, আপনি একটা মায়া! জীবনসুধার সর্বশেষ বিন্দুটাও বোধহয় আপনি তাড়িয়ে-তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন; নইলে এতসব মায়াভরা অসাধারণ সৃষ্টি রেখে যেতেন কী করে?
কতদিন পর বিভূতিভূষণ পড়লাম! শেষ পড়েছিলাম, 'আম আঁটির ভেপু'। সত্যজিৎ রায় বিভূতিবাবুর বর্ণনাগুনে মুগ্ধ হয়েই 'পথের পাঁচালী' বানিয়েছিলেন, এ তো সবার জানা। মাঝে মাঝে ভাবি, বিভূতিভূষণের চোখ যেমন ছিল, তিনি চাইলেই খুব সুন্দর সিনেমা বানাতে পারতেন। কারন, এক কণা শিশির থেকে শুরু করে পথের ধারে পড়ে থাকা আগাছাও তার বর্ণনায় এক অকল্পনীয় রূপ পায়। তাঁর চোখে দেখবার পর আমরা প্রকৃতিকে আরো নিবিড়ভাবে দেখতে শিখি।
বইটিতে দশটি গল্প আছে এবং প্রথম গল্প 'মেঘমল্লার'। দশটি গল্পে আধ্যাত্মিক, লৌকিক, আলৌকিক বিষয় থেকে শুরু করে লেখক সেই গ্রাম-বাংলার যাপিত জীবনকেও ঠাই দিয়েছেন। প্রথম দুটি (দ্বিতীয় গল্প, নাস্তিক) গল্প পড়ে মনে হচ্ছিল, একটি আরেকটির বিপরীত, আবার 'উমারানী' এবং 'উপেক্ষিতা' এ দুটি গল্পে ভাই-বোনের সম্পর্কের যেই চিত্র উনি তুলে ধরেছেন, তাতে মিল থাকলেও কখনো মন থেকে অভিযোগ আসে না যে কেন বার বার বিভূতি ভাইবোনের সম্পর্কে ফিরে যান। বরং, উপন্যাস এবং বাস্তবজীবনেও লুপ্ত হয়ে যাওয়া এমন সম্পর্কের গল্প পড়ে মন ভালো হয়ে যায়। কোন গল্পটা বেশি পছন্দের, তা নিয়ে আমি এখনো দ্বিধায় আছি, কারন লেখনী বা বিষয়, কোন ক্ষেত্রেই কোন গল্পে ফাঁকি নেই। সবচেয়ে মজা পেয়েছি 'খুকীর কাণ্ড' পড়ে। আর 'পুঁই মাচা' পড়ে 'পথের পাঁচালী' এর দুর্গার কথা মনে পড়েছে। মনে হয়েছে, দুর্গা যদি ওভাবে না মরতো, তাহলে হয়তো বিয়ে দিলে এমন একটা পরিণতি হতো।
খুব সাহস করে বিভূতিভূষণের বই নিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম। তাঁর জগত উষ্ণতায় মোড়ানো। তিনি বারবার মনে করিয়ে দেন প্রকৃতির বিশালতা এবং প্রকৃতির সন্তান হয়ে তাতে মিশে যাওয়ার অনিবার্যতাঁর কথা। তাঁর লেখা পড়ে সবার মতো আমারও 'ইটের পাঁজরে লোহার খাঁচায়' বড় হওয়া নিয়ে আক্ষেপ হয়। মনে হয়, শহুরে ছাইপাঁশ জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য থাকলেও যেন প্রাণ নেই।
'মেঘ মল্লার' বিভূতি বাবুর প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে।
গ্রন্থের শেষের গল্পটি 'উপেক্ষিতা' বিভূতি বাবুর প্রথম মুদ্রিত রচনা। গল্পটি মাঘ ১৩২৮ এ প্রবাসী তে প্রথম প্রকাশিত হয়। 'উপেক্ষিতা' গল্পটি পত্রিকায় প্রকাশের পর যখন গ্রন্থে সংকলিত হয় তখন শেষের একটি অংশ বাদ দেওয়া হয়।
এই গ্রন্থে মোট ১০ টা ছোটগল্প সংকলিত হয়েছে, এর ভেতর আমার ৪ টা গল্প অনেক ভাল লেগেছে। 'মেঘ মল্লার', 'উমারাণী', 'প��ঁই মাচা' ও 'উপেক্ষিতা'।
'পুঁই মাচা' বিভূতি বাবুর অনেক পরিচিত আর আলোচিত গল্প। 'মেঘ মল্লার' নিয়েও আলোচনা হয়। তবে, এই গল্প দুটিকে ছাড়িয়ে 'উমারাণী' আর 'উপেক্ষিতা' আমার মনে গাঢ় দাগ কেটেছে।
এই দুটি গল্পের বিষয়বস্তু প্রায় সেইম। ভাই-বোনের সম্পর্কের গল্প। না, রক্তের সম্পর্কের ভাই বোন না। তাতে কিবা এসে যায়! সম্পর্কের গভীরতা রক্তের বন্ধন দ্বারা নয়, বরং পরিমাপিত হয় পরস্পর ভালবাসা, শ্রদ্ধা, সন্মান, দ্বায়িত্ব আর নিজেদের ব্যবহার দিয়ে।
গল্প দুটিতেই একজন তার মৃত ভাই বা মৃত বোনকে অপর জনের ভেতর খুঁজে পেয়েছেন। এই বিষয়টা হয়ত বিভূতি বাবুর ব্যক্তিগত পরিস্থিতির বহিঃপ্রকাশ। কারণ, গল্পের রচনাকালের সময়ে বিভূতিবাবুর স্ত্রী মারা যায়। অন্যের ভেতর নিজের মৃত ভাই বা বোনকে খোঁজার ভেতর হয়ত বিভূতিবাবুও নিজের প্রিয়জনকে খুঁজে পাবার আকাঙ্খার বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছেন।
বিভূতিভূষণের সেরা গল্পগুলোর সংকলন করতে গেলে সবচেয়ে বেশী গল্প মেঘমল্লার থেকেই বাছাই করাটাই স্বাভাবিক। মেঘমল্লার, উপেক্ষিতা, অভিশপ্ত, পুঁইমাচা, উমারাণী— এগুলো বাংলা সাহিত্যের সেরা ছোটগল্পের উল্লেখযোগ্য। পুঁইমাচা , উপেক্ষিতা, উমারাণী লেখকের স্বাভাবিক গল্প যেমন পরিবার ও তুচ্ছ সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে ঠিক তেমন। বিভূতিভূষণ তুচ্ছ ঘটনায় অমৃতের সন্ধান করেন; আর পাঠককেও সেই অমৃতে সিক্ত করেন। গল্পগুলোর প্লট অতি বিচিত্র। মেঘমল্লার মধ্যযুগের অসাধারণ ফ্যান্টাসি, নব-বৃন্দাবনও অনেকটা ওরকম, নাস্তিক গল্পটা আর্যাবর্তের এক অজ্ঞেয়বাদীর, অভিশপ্ত আর বউ-চণ্ডীর মাঠ অলৌকিক কাহিনি। কেন জানি না বিভূতিভূষণ মানুষের খারাপ দিকগুলো এড়িয়ে যান তার সাহিত্য। এই ধরুন এখানে যে উপেক্ষিতা আর উমারাণী গল্প লেখার জন্য বিভূতিভূষণ ভিলেজ-পলিটিক্সের ভিক্টিম হন। চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন; চরিত্রহননের চেষ্টা করে গ্ৰামের লোকজন। তার অপরাধ ছিল সে মাস্টারি করত যে গ্রামে সেখানকার এক অনাত্মীয়া বৌ তাকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করত। উপেক্ষিতা আর উমারাণী এই সময় লেখা আর তার কাহিনীও এরকম রক্তের সম্পর্কহীন ভাইবোনের পবিত্র সম্পর্কের। কিন্তু গ্রামের বৌয়ের কেচ্চা ইনিয়ে-বিনিয়ে পত্রিকায় ছপানোর জন্য অপমানিত হতে হয় ওই গ্ৰামে। যাইহোক প্রদ্যুম্নের বাঁশিতে মেঘমল্লার শুনব বলে প্রথম পড়ার অনেক বছর পর শুনলাম মীরের ঠেকে। দুইতিনটা বাদ ছিল এই গল্পগ্রন্থটার। সেগুলো কমপ্লিট হয়ে গেল। খুকীর কাণ্ড খানিকটা পড়ে মনে পড়ল খুব ছোটবেলায় ছোটদের কোনো এক সংকলনে এটা পড়েছিলাম। কী মিষ্টি একটা গল্প ছিল এটা।
বিভূতি যেন প্রকৃতির সন্তান। সন্তান যেমন মায়ের গন্ধ চিনে,স্বরূপ জানে,তেমনি বিভূতি বাবু চিনতেন,অনুভব করতেন বাংলার প্রকৃতিকে। না চিনলে,না জানলে বইয়ের পাতায় প্রকৃতিকে জীবন্ত করা চাট্টিখানি কথা নয়। এ শুধু বিভূতিভূষণ ই পারেন। পথের পাঁচালি'র পর "মেঘমল্লার " পড়ে মোহগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। বিভূতি বাবু'র লেখা যেন কুহক,কি এক মায়া ডোরে বেঁধে রাখে আর প্রতি পরতে মুগ্ধতা ছড়াতে থাকে। এই মুগ্ধতা কাটবার নয়,এর লোভেই বার বার আমি ফিরে আসবো পথের পাঁচালি'র বিভূতিভূষণের কাছে......
অনেকদিন (/মাস / বছর) বাদে কারো থেকে চেয়ে চিন্তে একটা বই 'উপহার' নিলাম ...
বিভূতির প্রতি একটা বায়াস আছে - সেটা ছোটবেলার মুগ্ধতার বায়াস। তাই পড়তে গিয়ে সেই রয়ে যাওয়া ভালো লাগার বিপরীতে কিছু প্রশ্ন তুললাম - এখনও কি ভালো লাগবে ?
র্যাণ্ডমলি অভিশপ্ত গল্পটা দিয়ে শুরু করেছিলাম। গল্পটা এ বইয়ের অন্য গল্পগুলোর এভারেজের তুলনায় কম লেগেছে আমার কাছে। তখন মনে অনেক প্রশ্ন উঠছিলঃ যে সময়ে বিভূতির গল্প ভালো লাগত, সে সময়টা কি পেরিয়ে এলাম? তখন তো স্কুল কলেজের টেক্সটবইগুলোর সুবাদে তাঁদের লেখা গুলোর সাথে হরহামেশাই মোলাকাত হত - তাই কাছের মনে হত। অপরিচিতের তুলনায় পরিচিতের একটা তুলনামূলক advantage সবসময়ই থাকে । এখন তো এদের সাথে অনেক বছর দেখা সাক্ষাৎ হয় না - এখন কি ভালো লাগবে ? মনে হল, আমি তো আগাগোড়া এগল্পগুলোর তুলনায় ভিন্ন সময়ে, সমান্তরালে চলা ভিন্ন সংস্কৃতিতে মানুষ। আর কি রিলেট করতে পারবো? তারপর প্রকৃতির সাথেও তো সংযোগ নেই বহু বছর -
এত এতগুলো প্রশ্ন নিয়ে বইটা এবারে শুরু থেকে শুরু করলাম । আহ আবারও মুগ্ধ হলাম ! এত প্রশ্নের পরেও, এত পার্থক্যের পরেও বিভূতির লেখা কি চমৎকার engage করে ফেলল গল্পের মধ্যে। এর কোন ব্যাখ্যা নেই আমার কাছে - এ বোধহয় লোকটারই হাতের জাদু !
খুবই কোমল, শান্ত আর মায়াময় একটি গল্প। বিভূতিভূষণের লেখার সহজ সৌন্দর্য এই গল্পটিকে আরও জীবন্ত করে তোলে। প্রকৃতি, মানুষের অনুভূতি আর নরম বিষণ্নতা—সব মিলিয়ে “মেঘমল্লার” পড়ে মনে এক ধরনের নিঃশব্দ ভালো লাগা তৈরি হয়।
ছোট হলেও গল্পটি হৃদয়ে রয়ে যায়। যারা সহজ, সুন্দর আর মন ছুঁয়ে যাওয়া গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটা নিঃসন্দেহে একটি মাস্ট রিড।
বইটার শেষের গল্প 'উপেক্ষিতা' পড়ে মনটা কেমন জানি হয়ে গেছে। কি লিখবো ভেবে পাচ্ছি না।অবশ্য বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের বইয়ের রিভিউয়ে কিছু লেখার প্রয়োজনও নেই।বইয়ের প্রত্যেকটা গল্পই অসাধারণ।সবচেয়ে ভালো লেগেছে 'উপেক্ষিতা' আর 'উমারনী' গল্প দুইটা।আরো অনেক কিছুই বলার ছিলো কিন্তু এমুহূর্তে কিছুই মাথায় আসছে না।
Thanks Rifat apu for recommending such a wonderful book.Speechless... 💙
লেখাটা নিয়ে কী বলব আর কীভাবে বলব সেই এক প্রশ্ন হয়ে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এত মায়াময় বর্ণনা আর কী কেউ কখোনো দিতে পেরেছে! একদম হৃদয় ছুঁয়ে গেল বইয়ের নামের মতন। পড়তে গিয়ে যেন মেঘমল্লার রাগের বন্দিস শুনছিলাম তন্ময় হয়ে। শেষটায় এত মন খারাপ হয়ে গেল যেন সত্যিই শুনিয়ে গেল “অনন্ত আকাশে দিকহারা কোনো পথিক তারার গান”। বিভূতিভূষণ নিজেই একজন মায়া।
ছোট্ট একটা বই হলেও সম্মোহিত হয়ে পড়া ছাড়া পাঠকের যেহেতু গতি ছিলোনা তাই ৫ তারা। সুযোগ থাকলে আরো বাড়িয়ে দিতাম। তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে যারা পড়তে চান তাদের ভীষণ ভাল লাগবে। নিঃসন্দেহে লেখকের সেরা বই আমার মতে।
১৯৩১এ প্রকাশিত হয় ��িভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের প্রথম গল্পগ্রন্থ "মেঘমল্লার"। সেই সংকলনের প্রথম গল্প, একই নামে। বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ এই যে আমি এখানে যে পাঠ-প্রতিক্রিয়া লিখছি সেটা শুধু ঐ ছোটগল্পটির, সমগ্র বইটির নয়।
শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ‘মেঘমল্লার’ বিভূতিভূষণের শ্রেষ্ঠ গল্প। এই দাবির সত্যতা/অসত্যতা প্রমাণের জন্য যে ব্যাপ্তিতে বিভূতিভূষণকে পড়া দরকার, সে অধ্যয়ন আমার নেই। কোনও তুলনায় না গিয়ে এটুকু বলতে পারি, গল্পটি অসাধারণ। শুধু বিষয়বস্তু বা প্রেক্ষিতে নয়, রচনাশৈলীতেও। ছোটগল্প মধুরেণ সমাপয়েতের আদর্শ ফরম্যাট নয়, করুণরস এই ফরম্যাটে অনেক বেশি কার্যকরী বলে আমার বিশ্বাস। এখানেও গল্পটা যেভাবে শেষ করেছেন লেখক, তাতে গল্পের অভিঘাত পাঠকমনে অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গল্পটাকে অসম্ভব সুন্দর করেছে দেবী সরস্বতীকে লেখক যেভাবে একজন মানবীরূপে উপস্থাপিত করেছেন। তার ভয়, তার বিপদ, তার দুর্দশা আটপৌরে পাঠকের কাছে নিজের বাড়ির মেয়ের ভয়-বিপদ-দুর্দশা হয়ে উঠেছে সহজেই। আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে এরকম অনেক গল্পই লেখা হতো, লেখা যেতো। অন্ততঃ বাংলায়। কারণ এই মাটিতে দেবী সততই মৃন্ময়ী, দেবতা দোষেগুণে মানবিক। সমস্ত বিপদের ঊর্ধ্বে সর্বশক্তিমান কদাচ নন। আজ ২০২৪এ কি মেঘমল্লারের মতো সাহিত্যরচনা সম্ভব? এখনও সম্ভব হলেও বইটার একশো বছর হবে যে ২০৩১এ, ততদিনে?
এই বইটা ঘাটশিলায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি গৌরী কুঞ্জের বিপণন কেন্দ্র থেকে কিনেছিলাম। অপূর্ব প্রচ্ছদ আর নাম দেখে এড়িয়ে যেতে পারিনি যদিও গোটা বিভূতি সমগ্র ছিল বাড়িতে। এই বইতে ছোট বড় মিলিয়ে ১০টি গল্প আছে। দুটি গল্প বাদে বাকি সব গল্পের পরিণতি বিষাদময়। যদিও গল্পগুলো নৈরাশ্য সৃষ্টি করেনি বরং দুঃখ নিয়েই জীবনের এগিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাকি যা আমরা সকলেই জানি। বিভূতিভূষণ মানেই পরিবেশ ও মানব চরিত্রের অসাধারণ ডিটেলিং। অপূর্ব সব লেখায় দারুন ভাবে সেকালের সমাজচিত্র ফুটে ওঠে। অনেকটা ব্যথা আর কিছু আনন্দের গল্পের এই বই পড়ে মন কিছুক্ষন অবশ হয়ে থাকে। এক মধুর বিষাদ পাঠককে আচ্ছন্ন করে রাখে।
লেখকের লেখার মধ্যে যে সৌন্দর্য ও নিজস্বতা থাকে তা সব লেখাতে সব খানে প্রকাশ পায়। লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর গল্পগ্রন্থ "মেঘ মল্লার" তাঁর উপন্যাসের মতই সমান শিল্পমন্ডিত। লেখকা ধরন, বর্ণনা, শব্দ ও বাক্যগঠণ, চরিত্র সৃষ্টি ও প্রকৃতির বর্ণনা প্রতিটা গল্পে সনান ভাবে বিদ্যমান। ১০ টি গল্পের মধ্যে প্রথম নাম গল্প 'মেঘ মল্লার', বাকি নয়টা গল্পে কাহিনির বৈচিত্র্য থাকলেও লেখকের লেখার মাধুর্য এতটুকু মলিন হয়নি।
আমার সীমিত শব্দজ্ঞান নিয়ে এই মহান সৃষ্টির তুলনা করা অসম্ভব । শব্দের নিখুঁত বিন্যাস, প্রকৃতির অপরূপ বর্ণনা, চরিত্রের পূর্ণ বিকাশ কোনো কিছুরই কমতি ছিল না এই গল্পে। আমি মুগ্ধ, আমি বিহ্বল, আমি ধন্য!!
🧃মেঘ-মল্লার: গল্পটা প্রদ্যুম্নের। গল্পটা সুরকারের বেশে এক কুটিল তান্ত্রিকের। গল্পটা মেঘমল্লার রাগের। এই রাগরাগিনী কিন্তু বাদ্যযন্ত্রে তুলতে হয়। এবং তাতেই মিলবে সফলতা। কী সেটা?
🧃নাস্তিক: একজন নাস্তিকের আস্তিকতার খোঁজ। হিন্দু মিথলজিক্যাল গল্প। বিস্তারিত লিখলাম না। এটা বরং পছন্দ অনুযায়ী পড়বেন।
🧃ঠেলাগাড়ি: সাত আটবছরের খোকাটি ঠেলাগাড়ি ঠেলে নিয়ে আসে পাড়ায়। সবাইকে ডেকে ডেকে সে তার ঠেলাগাড়িতে চড়ায় কিন্তু বেচারা নিজে যখন ওঠে কেউ ঠেলতে চায় না কেন?
🧃পুঁইমাচা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গল্পে, তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র, বিশেষ করে গ্রাম বাংলার দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারের জীবনযাত্রা, এবং কন্যাদায়গ্রস্থ পিতার মানসিক অবস্থা ও অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্র সহায়হরি চাটুজ্যে, যিনি অভাবের তাড়নায় কন্যার বিবাহের জন্য পাত্রপক্ষের অত্যাচার সহ্য করেন। এই গল্প ব্রাহ্মণ পরিবারে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতার দুরবস্থা এবং সমাজের চাপ মোকাবেলা করার চিত্র তুলে ধরে
🧃উমারাণী: বোনের মৃ*ত্যুর পর বোনের শোক ভুলতে না ভুলতে একসময় বোন জামাই আবার বিয়ে করে। মেয়েটির নাম "উমারাণী"। বড় কোমল স্বভাবের মেয়েটিকে দেখে যেন মনে পড়ে হারানো বোনের মুখ। উমাও যেন দাদা বলতে অজ্ঞান। কিন্তু এই বন্ধনে আবার কোনো ফাটল ধরবে না তো?
🧃বউ-চণ্ডীর মাঠ: সার্ভেয়ারদের কাজের সূত্রে আসতে হলো বউ-চন্ডীর মাঠে। সেখানেই তাদের তাঁবু পড়েছে। এই মাঠটাকে বউ-চন্ডীর মাঠ বলা হয় কেন কৌতুহলবশত জানতে স্থানীয় এক বয়জেষ্ঠ্য ব্যক্তিকে আনা হয়। তিনি শোনালেন এক ইতিহাস। যেমন চমকপ্রদ তেমনি অবিশ্বাস্য। তবে স্থানীয় মানুষের কাছে এই মাঠটির আলাদা গুরুত্ব আছে।
🧃নব-বৃন্দাবন: কিছুটা হিন্দু মিথলোজির ছাপ আছে। বৃন্দাবন শুনে নিশ্চয়ই বোঝা গেছে আসলে। তাই পুরোটা আর বললাম না। কে করেছে নব-বৃন্দাবন দর্শন রহস্য থাকুক।
🧃খুকীর কাণ্ড: খুকী ভীষণ দুষ্টু। চার বছর বয়সেই সবাইকে নাজেহাল করে ছাড়ে। খুকীর মামা কাজ করেন কোলকাতায়। খুকীর ইচ্ছে মামার সাথে সে কোলকাতায় বেড়াত�� যাবে। মামাও রাজি হয়ে গেলেন। বাসায় অনুমতি নিয়ে মামা চললেন খুকীকে নিয়ে কোলকাতায়। এরপর যা হবে! খুকী কী কান্ড করে দেখা যাক।
🧃অভিশপ্ত: জঙ্গল থেকে ভেসে আসছে একসাথে বহু মানুষের আর্তনাদ। র*ক্ত হিম হয়ে যায় শুনলে। কিন্তু গভীর রাতে এরা জঙ্গলে কী করছে? নাকি আদৌও এরা মানুষ নয়! কেন জায়গাটাকে অভিশপ্ত বলা হয়? বড় প্রাচীন সে ইতিহাস।
🧃উপেক্ষিতা: অজ পাড়াগাঁয়ে মাস্টারি করতে এসে একজনকে বৌদিদি ডেকে বোনের সম্পর্ক তো পাতিয়ে নেয়া হলো। কিন্তু দিদি আরেক বাড়ির বৌ। চাইলেই কী আর ভাইটির সাথে রোজ দেখা হয়। পুকুরঘাটে জল আনতে যতটুকু সুযোগ। পাড়াগাঁয়ের সেই পল্লীবধূ বোনটির সাথে ভাইটির বন্ধন আজীবন থাকবে নাকি অকালে ভাইহারা সেই পল্লীবধূ ভাইয়ের ভালোবাসা থেকে আজীবন থাকবে উপেক্ষিতা?
🧃পাঠ প্রতিক্রিয়া🧃
বিভূতির পথের পাঁচালী বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রে রূপদানের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবনের সূচনা করেছিলেন। এ সিনেমাটির নামও ছিল পথের পাঁচালী। এ চলচ্চিত্রটি দেশী-বিদেশী প্রচুর পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছিল। এরপর "অপরাজিত" নামক উপন্যাস রচনা করেন, যেটি "পথের পাঁচালির"ই পরবর্তী অংশ। সত্যজিৎ এ উপন্যাস নিয়েও দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। উভয় উপন্যাসেই তার ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিফলন ঘটেছে। পথের পাঁচালী উপন্যাসটি বিভিন্ন ভারতীয় ভাষা এবং ইংরেজি ও ফরাসি সহ বিভিন্ন পাশ্চাত্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার লেখা চাঁদের পাহাড় একটি অনবদ্য অভিযানমূলক কাহিনী, যার পটভূমি আফ্রিকা। উপন্যাসে যেমন বিভূতিভূষণ সফল হয়েছিলেন তেমনি ছোটগল্পও রয়েছে অসংখ্য ওনার। "মেঘমল্লার" তেমনি বিখ্যাত একটি গল্প সংকলন।
বিভূতির ছোটগল্প সংকলন "মেঘমল্লার" আমার মোটামুটি লেগেছে কারণ এখানে সবগুলো গল্প আবার ভালো লাগেনি। জীবনের নানা দিক আছে। ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতে নিয়ে ঘটনা। ভালো লেগেছে "উপেক্ষিতা" গল্পটি। খুব সুন্দর গল্পের প্লট এবং বেশ সাবলীল আলোচনা।
আবার "পুঁইমাচা" নিয়ে বলতে গেলে মনে দুঃখ এসে যায়। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত যারা তাদের বুঝি পুঁইশাক খাওয়াও বিলাসিতা। আবার আছে তৎকালীন সমাজের যৌতুকপ্রথা এবং বাল্যবিবাহ। ক্ষেন্তীর কথা মনে পড়লো।
আবার মিষ্টি গল্প "উমারাণী" শেষটায় বিভূতি এমন দৃশ্যের সূচনা করলেন যে ট্রাজিক গল্পে পরিণত হয়ে গেল। এমন করেই বেশিরভাগ গল্পে পড়ার শুরুতেই মনে হচ্ছিল আবার কাকে লেখক মে*রে দিলেন! সবকিছুই ভালো শুধু ওই যে আগের আলোচনায় বললাম বিভূতির লেখার একটা দোষ আছে। চরিত্রদের যখন ইচ্ছে মে*রে দিয়েছেন।
দু:খের রূপ যে এত অপার্থিব সুন্দর হতে পারে, বিভূতি ছাড়া আর কে কবে তা ভাবাতে পেরেছেন? প্রকৃতির পাশাপাশি মানবমনের গহীন কোণের সৌন্দর্য আর কলুষতা একইসঙ্গে কত মনোমুগ্ধকর করে উপস্থাপন করতে পারতেন তিনি! প্রথম বর্ষা আর শীতের কুয়াশার রূপরেখা অতীন্দ্রিয় বৈভবে পাঠকের কল্পিত মানসে তুলে ধরতেন। তাঁর বর্ষার যে বর্ণনা, তার তুলনা একমাত্র বোধহয় রবিঠাকুরের গান।
"ভদ্রাবতী নদীর ধারে শাল-পিয়াল-তমাল বনে সেবার ঘনঘোর বর্ষা নামল। সারা আকাশ জুড়ে কোন বিরহিণী পুরসুন্দরীর অযত্নবিন্যস্ত মেঘবরণ চুলের রাশ এলিয়ে দেওয়া, প্রাবৃট রজনীর ঘনান্ধকার তার প্রিয়হীন প্রাণের নিবিড় নির্জনতা, দূর বনের ঝোড়ো হাওয়ায় তার আকুল দীর্ঘশ্বাস, তারই প্রতীক্ষা-শ্রান্ত আঁখি-দুটির অশ্রুভারে ঝরঝর অবিশ্রান্ত বারিবর্ষণ, মেঘমেদুর আকাশের বুকে বিদ্যুৎচমক তার হতাশ প্রাণে ক্ষণিক আশার মেঘদূত!"
এমন অপূর্ব বর্ণনা মেঘমল্লার বইটির প্রথম গল্প- মেঘমল্লারের। দশটি ছোটগল্পের কোনটি ঐতিহাসিক, কোনটি অলৌকিক, কোনটি সামাজিক। কিন্তু প্রতিটি গল্পেই রয়েছে হৃদয়ছোঁয়া প্রাকৃতিক বর্ণনা। আর রয়েছে অপার দু:খ, চোখে জল আসে কিন্তু পড়তে ভালো লাগে। ঠেলাগাড়িতে আট বছরের খোকা কিংবা উমারাণীতে উমারাণী কিংবা উপেক্ষিতাতে সেই আশ্চর্য রমণীয় বৌদিদি কিংবা পুঁইমাচার ক্ষেন্তি। এদের প্রত্যেকেরই আবেদন যেন পথের পাঁচালীর দুর্গার মতো। বড় বেশি ভালোবেসে ফেলে পাঠকেরা অল্প পরিসরের উপস্থিতিতেই, চোখের জল ফেলে একাত্ম হয়ে আর সারাজীবন মনে রেখে দেয়।
বিভূতিভূষণ এক জাদুকর ছিলেন যাঁর লেখায় বুঁদ হয়ে কেটে যায় স্বপ্নের মতো কিছু মুহূর্ত। যতবার পড়ি ততবার।
অনিন্দ্য বিহারে পড়ে। তার বাবা ছিলেন বড় একজন সঙ্গীতশিল্পী।কনসিকুয়েন্টলি তার ও সঙ্গিতের প্রতি একটা ভালোলাগা আছে।সে বাশি বাজাতে পারে খুব সুন্দর,সেইস বাশির অন্যতম একটা সুরের নাম মেঘমোল্লার,যেটায় সে খুব দক্ষ।তার একজন ভালোবাসার মানুষ আছে যার নাম সুনন্দ্যা,বনেদী ঘরের মেয়ে।অনিন্দ্য সর্বদা বাশি নিয়ে ঘুরে,কখন না আবার সুনন্দ্যার সাথে দেখা হয়ে যায়,তখন সে সুনন্দ্যা কে বাশি বাজিয়ে শোনায়।এক তান্ত্রিক তাকে ম্যনুপুলেট করে দেবী স্বরস্বতীর দেখা ও বর পাওয়ার জন্য তাকে এক পুর্নিমা চাদে ডাকে মেঘমোল্লার সুরে বাশি বাজায়ানোর জন্য।সে রাতে সে এক স্বপ্নে দেখে যে দেবী স্বরস্বতী বন্দি সেই তান্ত্রিকের কাছে।সে সব ঘটনা তার বুদ্ধ আচার্যের কাছে বলে।সে পালিয়ে যায় বিহার থেকে প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য।অনেক খোজার পর সে দেবী ও তান্ত্রিকের খোজ পায়।দেবী এখন মনুষ্যরুপে বন্দি,তাহার কিছু মনে নেই আগের কথা।তান্ত্রিক নিজেও তার ভুল বুঝতে পারে,মন্ত্র দিয়ে শরীর বশ করা গেলেও যে মন বশ করা যায়না তা সে বুঝতে পারে।তান্ত্রিক অনিন্দ্য কে বলে একটি উপায়ে দেবীকে আগের রুপে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব কিন্তু যে তা করে সে পাষাণ হয়ে যাবে।অনিন্দ্য তাতেও রাজি হয়,দেবীকে মুক্ত করে,আর সে পাষানের মুর্তি হয়ে যায়। আর তার জন্যে অপেক্ষা করে সুনন্দ্যা....
"Meghmollhar" by Bhibutivushon Bandhupadua is a fantastic story about black magic in the continent. The story about 20 years boy and his sacrifice for the god of arts, Shoroshoti. The boy, biddoynno does a great sin to lock up the god. He does Laborious with a dark magician. Later, he realize his sin and then, he is go out looking for the dark magician. After a while, he find the magician and the god in a hut nearby a fountain. The god Shoroshoti is a human form, she doesn't know her past. Totally, he forget her past. Besides, shoroshoti hasn't any power. Biddyanno is ready to sacrifice his life for the god of arts. So, to lock out the god, he become a statue. His beloved person is waiting for him. As he was a statue, he couldn't go for her. He would reamain statue for infinite time. Overall, the story is really really highly recommended. You can enjoy the every moments of the story. Here, you can see the real image of the continent... To me, it's obtain rating should have 7 out of 10... #bookreview #bookreading #bookreader #books #bangali
Unbeknownst to him, Pradyumna HAD helped the tantrik Gunadhya capture Goddess Sarasvati by playing Raaga Megh Malhar on his flute. When he learned of this from his Guruji, he pledged to free the Goddess. After searching for months, he finally found Gunadhya. Though Gunadhya was remorseful for his wrongdoing, he CONFESSED that he could not liberate the Goddess himself.
To free her, one had to splash spelled water on the Goddess, but WHOEVER DID SO would turn to stone. Without hesitation, Pradyumna STEPPED FORWARD, splashed the water, and freed the Goddess
ঠেলাগাড়ি Khoka loved to carry his friends on his thela gari (pushcart). Every morning, he would go to Tuni's house to give him a ride on his cart and play with him.
One day, one of Khoka's friends broke the cart with a brick. Khoka was disheartened when Tuni refused to say who had broken it.
After that incident, Tuni went to his aunt's wedding and returned home after nine months. Upon his return, he learned that Khoka had died of whooping cough.