Bibhutibhushan Bandyopadhyay (Bangla: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bangali author and one of the leading writers of modern Bangla literature. His best known work is the autobiographical novel, Pather Panchali: Song of the Road which was later adapted (along with Aparajito, the sequel) into the Apu Trilogy films, directed by Satyajit Ray.
The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.
আমি যেটা পড়েছি সেটার নাম হচ্ছে কিশোর সমগ্র। এখানে পাচ্ছি না। সেজন্য এটা লগ করলাম।
[বিভূতিভূষণের কিশোর ছোটগল্পের সংকলন। মোট ১১টি গল্পের সংকলন।]
তালনবমী নেপাল আর গোপাল দুভাই। অভাবের সংসার। জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর নিমন্ত্রণ খাবার প্রত্যাশা করলেও শেষকালে তা আর তাদের কপালে জোটে না। মানুষের এই স্বার্থপর, সংকীর্ণ মনোভাব দেখে যারপরনাই আহত হয় ছোট্ট গোপাল। বাংলা সাহিত্যের একটি রত্নতুল্য ছোটগল্প।
রঙ্কিণী দেবীর খড়গ কথক মানভূমের এক পাহাড়ি গ্রামে মাস্টারি করেন। গাঁয়ের পাহাড়ের জঙ্গলে জনৈক লৌকিক দেবী রুক্মিণীর বিগ্রহবিহীন মন্দির। কথিত আছে, গাঁয়ে মড়কের আগে দেবীর খাঁড়ায় রক্ত দেখা যায়।
মেডেল এক গোরাসৈন্যের মেডেল কথকের হস্তগত হয়। তারপর থেকেই তার মনে আত্মহত্যার ইচ্ছে চাঁড়া দিয়ে ওঠে। তার মনে হয় কেউ একজন যেন সবসময় তার সঙ্গে লেগেই রয়েছে।
মসলাভূত গঙ্গায় এক মসলাভর্তি জাহাজডুবির পর উদ্ধারকৃত মসলা নিলাম থেকে কিনে নেয় হাজারি বিশ্বাস। তারপর থেকে রাতের বেলা তার দোকান থেকে অদ্ভুতরকমের শব্দ শোনা যায়।
বামা কথক একবার বিশেষকাজে দূর গাঁয়ে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় ফাঁসুড়ে ডাকাতের ভয় তাই পথিমধ্যে এক ব্রাহ্মণের বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করলেন। সে বাড়ির মেজবৌয়ের নাম বামা।
বামাচরণের গুপ্তধনপ্রাপ্তি জন্মের সময় জ্যোতিষী বলেছিল, বামাচরণ কালে রাজা হবে। কিন্তু অদৃষ্ট তাকে গরীবই করে রাখল। শেষে একদিন গাঁয়ের নদীর ধারে মাছ ধরতে গিয়ে একটি কলসীর সন্ধান পেল সে। কী আাছে তার ভেতরে!
অরণ্যে সিংভূমের ধনঝরি বনে লেখকের পথ হারানোর গল্প সেই সাথে মন ভোলানো পাহাড়ি প্রকৃতির অপূর্ব রূপবর্ণনা।
গঙ্গাধরের বিপদ গঙ্গাধর বড়বাজারের মসলাপোস্তার এক ছোটখাটো ব্যবসায়ী। একবার এক মহাজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফেরার পথে সন্ধ্যার অন্ধকারে জনৈক কোকেন ব্যবসায়ীর সাথে মোলাকাত হয়। কী অদ্ভুত তার আচার-আচরণ!
রাজপুত্র কাঞ্চীর রাজপুত্র দেশভ্রমণে বের হলেন। অন্য রাজ্যের এক গ্রামে যাত্রাবিরতি করলেন। সেখানে শুনলেন, রাজার আদেশে কাপালিকের কাছে নরবলীর জন্য গ্রাম থেকে একজন যুবককে পাঠাতে হবে।
চাউল মানভূমের জঙ্গলে লেখক গিয়েছেন চাকুরির সুবাদে। সেখানে জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে দেখা হলো জনৈক স্থানীয় লোক ও তার পাঁচ বছরের মেয়ে থুপীর সাথে। শেষবিকেলের সেই ক্ষণিকের আলাপ, তারপর দিগন্তরেখা ধরে মেয়েকে কাঁধে নিয়ে বাপের চলে যাওয়া- সে দৃশ্যের কথা কখনো ভুলবার নয়।
This entire review has been hidden because of spoilers.