Jump to ratings and reviews
Rate this book

মহাশ্বেতা দেবীর ছোট গল্প সংকলন

Rate this book
মহাশ্বেতা দেবীর স্বনির্বাচিত গল্প নিয়ে এই সংকলন।

গল্পঃ
বান
বিছন
দ্রৌপদী
রং নাম্বার
শিকার সাঁঝ-সকালের মা
বাঁয়েন
বেহুলা
মৌল অধিকার ও ভিখারী দুসাদ

132 pages, Hardcover

14 people are currently reading
183 people want to read

About the author

Mahasweta Devi

195 books317 followers
Mahasweta Devi was an Indian social activist and writer. She was born in 1926 in Dhaka, to literary parents in a Hindu Brahmin family. Her father Manish Ghatak was a well-known poet and novelist of the Kallol era, who used the pseudonym Jubanashwa. Mahasweta's mother Dharitri Devi was also a writer and a social worker.

She joined the Rabindranath Tagore-founded Vishvabharati University in Santiniketan and completed a B.A. (Hons) in English, and then finished an M.A. in English at Calcutta University as well. She later married renowned playwright Bijon Bhattacharya who was one of the founding fathers of the IPTA movement. In 1948, she gave birth to Nabarun Bhattacharya, currently one of Bengal's and India's leading novelist whose works are noted for their intellectual vigour and philosophical flavour. She got divorced from Bijon Bhattacharya in 1959.

In 1964, she began teaching at Bijoygarh College (an affiliated college of the University of Calcutta system). During those days, Bijoygarh College was an institution for working class women students. During that period she also worked as a journalist and as a creative writer. Recently, she is more famous for her work related to the study of the Lodhas and Shabars, the tribal communities of West Bengal, women and dalits. She is also an activist who is dedicated to the struggles of tribal people in Bihar, Madhya Pradesh and Chhattisgarh. In her elaborate Bengali fiction, she often depicts the brutal oppression of tribal peoples and the untouchables by potent, authoritarian upper-caste landlords, lenders, and venal government officials.

Major awards:
1979: Sahitya Akademi Award (Bengali): – Aranyer Adhikar (novel)
1986: Padma Shri[2]
1996: Jnanpith Award - the highest literary award from the Bharatiya Jnanpith
1997: Ramon Magsaysay Award - Journalism, Literature, and the Creative Communication Arts
1999: Honoris causa - Indira Gandhi National Open University (IGNOU)
2006: Padma Vibhushan - the second highest civilian award from the Government of India
2010:Yashwantrao Chavan National Award
2011: Bangabibhushan - the highest civilian award from the Government of West Bengal
2012: Hall of Fame Lifetime Achievement Sahityabramha - the first Lifetime Achievement award in Bengali Literature from 4thScreen-IFJW.

মহাশ্বেতা দেবী একটি মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তাঁর পিতা মনীশ ঘটক ছিলেন কল্লোল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক এবং তাঁর কাকা ছিলেন বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋত্বিক ঘটক। মা ধরিত্রী দেবীও ছিলেন সাহিত্যিক ও সমাজসেবী। মহাশ্বেতা দেবী বিখ্যাত নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের একমাত্র পুত্র, প্রয়াত নবারুণ ভট্টাচার্য স্মরণীয় কবিতার পঙ্‌ক্তি ‘এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়’ এবং হারবার্ট উপন্যাস লিখে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী স্বাক্ষর রেখে গেছেন।

তাঁর শৈশব ও কৈশোরে স্কুলের পড়াশোনা ঢাকায়। দেশভাগের পর চলে আসেন কলকাতায়। এরপর শা‌ন্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

১৯৬৪ খ্রীষ্টাব্দে তিনি বিজয়গড় কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন । এই সময়েই তিনি একজন সাংবাদিক এবং লেখিকা হিসাবে কাজ করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিখ্যাত হন মূলত পশ্চিমবাংলার উপজাতি এবং নারীদের ওপর তাঁর কাজের জন্য । তিনি বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে বিভিন্ন উপজাতি এবং মেয়েদের উপর শোষণ এবং বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন। সাম্প্রতিক কালে মহাশ্বেতা দেবী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্পনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন । সরকার কর্তৃক বিপুল পরিমাণে কৃষিজমি অধিগ্রহণ এবং স্বল্পমূল্যে তা শিল্পপতিদের কাছে বিতরণের নীতির তিনি কড়া সমালোচক । এছাড়া তিনি শান্তিনিকেতনে প্রোমোটারি ব্যবসার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছেন ।

তাঁর লেখা শতাধিক বইয়ের মধ্যে হাজার চুরাশির মা অন্যতম। তাঁকে পদ্মবিভূষণ (ভারত সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক পুরস্কার,২০০৬), রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৯৭), জ্ঞানপীঠ পুরস্কার (সাহিত্য একাডেমির সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান), সার্ক সাহিত্য পুরস্কার (২০০৭) প্রভৃতি পদকে ভূষিত করা হয়।

২০১৬ সালের ২৮ জুলাই, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ১৬ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।


जन्म : 1926, ढाका।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
15 (40%)
4 stars
12 (32%)
3 stars
6 (16%)
2 stars
4 (10%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
11 reviews51 followers
December 3, 2014
কোন এককালে বানের জল এসেছিল, দরিদ্র অচ্ছ্যুত সব গ্রামবাসী সেই বানের জলের সুবাদে সেবার আচার্য্য বাড়িতে স্থান পায়, আরো পায় চিড়ে, মুড়ি, বাতাসা, আনাজপাতি, মাছ এমনকি পরনের কাপড় পর্যন্ত। সেবার বানের জল যেন আচার্য্যদের দেবতা বানিয়ে দেয়! রূপকথার মত সেই বানের গল্প শুনতে শুনতে বড় হওয়া চিনিবাস এবারে শুনতে পায় নতুন বানের কথা। সন্ন্যাসী গৌরাঙ্গের আগমন উপলক্ষে আচার্য্যদের বাড়ীতে ভোজের আয়োজন। অচ্ছ্যুত চিনিবাসও আচার্য্যদের বাড়ীর উঠোনে উঠতে পারবে আজ, সন্ন্যাসীর সামনে অজাত-কুজাত-সুজাত সব একই স্থান পাবে। কিন্তু গৌরাঙ্গের অনাগমনে চিনিবাসদের সকল আশা দুরাশায় পরিণত হয়, আর ভোজ!? সে তো দূর কি বাত! চিনিবাসের মনে বড় দুঃখ! এর চেয়ে সেই আগেকার বান বরং ভাল, চিনিবাসের পেটেও দুটো দানা পড়তে পারত তখন।

এই হল এই সংকলনটির প্রথম গল্প ‘বান’। প্রথম গল্পেই নাড়া দিয়ে গেলেন মহাশ্বেতা দেবী। দুই একটি গল্প বাদ দিয়ে প্রায় সবগুলোই আদিবাসীদের জীবন যাপন, সংগ্রাম, সাহস, দুঃখ, পরাজয়ের গল্প। ‘বিছন’, ‘সাঁঝ-সকালের মা’, ‘বাঁয়েন’, ‘বেহুলা’, ‘মৌল অধিকার ও ভিখারী দুসাদ’ যে দুঃখময় জীবনের কথা বলে, তা অসহনীয়, অমানবিক। ‘বিছন’ ও ‘বেহুলা’-য় দেখা যায় ঠিক নিজের খুব কাছের একজন মানুষের উপর যখন আঘাত আসছে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, শিরদাঁড়া ভেঙ্গে দিচ্ছে জোতদারের, সেই জোতদারের প্রশাসন যার টিকিটিও ছুঁতে অক্ষম। ‘সাঁঝ-সকালের মা’ একজন মায়ের ঠাকুরনী হয়ে যাওয়ার গল্প, যাতে করে তার হাবাগোবা ছেলেটির অভুক্ত থাকতে না হয়। ভারতীয় সংবিধান সপ্তম মৌল অধিকার সম্পত্তির (না, হাতি-ঘোড়া নয়, কয়েকটা ছাগলই তার সম্পত্তি) অধিকার ভিখারী দুসাদের জন্য নিশ্চিত করতে না পারলেও, তৃতীয় মৌল অধিকার যে কোন বৃত্তি গ্রহণের (ভিক্ষা-বৃত্তিও এক ধরণের বৃত্তি বটে!) অধিকার সুনিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। ‘বাঁয়েন’ গল্পটিতে ক্ষমতাশীল কোন জোতদারের হাতে কাউকে নির্যাতিত হতে হয় না। তবে কুসংস্কার চালিত সমাজে কোন জোতদারের উপস্থিতির প্রয়োজন হয় না কাউকে একঘরে সমাজচ্যুত করতে। সেখানে “কুসংস্কার” নামের জোতদারটিই যথেষ্ট চণ্ডীদাসীকে বাঁয়েন করে গ্রাম তাড়াতে। তবে অশিক্ষা আর কুসংস্কারের উপস্থিতির দায় রাষ্ট্রের উপরই বর্তায় বটে। এই বইয়ের গল্পে দরিদ্র বঞ্চিত মানুষগুলোর যে জীবনের ছবি দেখা যাচ্ছে, তা আসলে নতুন কিছু নয়। আমাদের চারপাশেই এমন ঘটনা অহরহই ঘটছে। তবুও, কিছু কিছু ঘটনা শিউড়ে ওঠার মত। একটা ঘটনা উল্লেখ না করে পারছি না। বেহুলা গল্প অনুযায়ী, সাপে কাটা মৃত রোগীর সংখ্যা বছরে “মাত্র” বিশ হাজার হওয়ায় কোন ওষুধ কোম্পানী অ্যান্টিসিরাম বাজারজাত করতে রাজী নয়, আবার সরকারীভাবে তা তৈরী করা হলেও কলকাতায় বাক্সবন্দী হয়েই থাকে সারাবছর। গ্রামের “হেলথসেন্টার” থেকে এই অ্যান্টিসিরামের জন্য রিকুইজিশন দিলে পাওয়া যায় জন্ম নিরোধক পিল! ভাবখানা এমন যেন, দারিদ্র্য ও “অজাতে” জন্মের অপরাধ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার হরণের জন্য যথেষ্ট।

‘দ্রৌপদী’ গল্পটি খুব গোছানো মনে হয় নি। তার উপর বেশ একটা খটোমটো ভাব আছে এর লেখনীতে। অন্য গল্পগুলোর ভাষাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশ খটোমটো, তবে ‘দ্রৌপদী’ এক্ষেত্রে আর সবগুলো গল্পকে ছাড়িয়ে গেছে। ‘শিকার’, ‘রং নাম্বার’ ভাল। তবে, অন্য গল্পের ছায়ায় হয়ত অতটা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারে নি। আদিবাসীদের ভাষা কোন কোন গল্পে অনেক বেশি ব্যবহার করেছেন মহাশ্বেতা। নিতান্ত অপিরিচিত বলেই এই শব্দগুলো কখনও কখনও বিপদে ফেলেছে আমাকে, মর্মোদ্ধারে বেগ পেতে হয়েছে।

গল্পগুলোতে ঘুরে ফিরে আদিবাসীদের বঞ্চিত জীবনের কথা এসেছে। পড়তে পড়তে কেবলি মনে পড়ে যাচ্ছিল আমার দেশের আদিবাসীদের কথা। বছর তিনেক আগে টিভি-রিপোর্টে দেখেছিলাম, কোন এক আদিবাসীদের (এই মুহুর্তে তাদের নাম নাম মনে করতে পারছিনা) পানির মত একটি জিনিসের যোগান দেওয়া হচ্ছে না। তারা দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন, নিজ দেশে পরবাসী হওয়ার কষ্ট নিয়ে। পরিসংখ্যান আর ইতিহাস ঘাটতে শুরু করলে দেখা যাবে কত কত মানুষকে এভাবে দেশছাড়া করা হয়েছে, আর কতজন মানুষ বাঙালি নন বলে হয়েছেন গৃহহীন, ভূমিহীন। সবার সমান অধিকারের কথা নিশ্চয়ই বাংলাদেশের সংবিধানেও বলা আছে!
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.