What do you think?


জাল
120 pages, Unknown Binding
First published January 1, 1985
About the author
Shirshendu Mukhopadhyay
413 books965 followersশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
August 1, 2023
প্রায় প্রত্যক পড়ুয়ার ই,পুরনো বইয়ের প্রতি একটা আকর্ষন কাজ করে। আমার ও সেই বাতিক আছে। এক সময় প্রচুর পুরনো বই আমি সংগ্রহ করতাম,অনলাইন শপ,নুপুর মার্কেট,রাস্তার দোকান,যেখানে যা পেতাম কিনে নেয়ার চেষ্টা করতাম। কিন্তু মুশকিলটা ছিল,তখন আমি সবে পড়াটা শুরু করেছি,নাম জানতাম গুটিকয় লেখকের,তাদের বই মানেই অন্যরকম একটা কিছু মনে হতো। এর ফলাফল যেটা দাঁড়িয়েছে, আমার কাছে অনেক রেয়ার বই যেমন এসেছে,তেমনি কিছু অকাজের বই ও এসে জুটেছে! তাই বলে এই না যে বইগুলো ফেলে রেখেছি। পড়ি,প্রায় সময় পড়ি সেখান থেকে একটা দুইটা করে এবং বইটা পড়ে শেষ করার পর কুণ্ঠিত হয়ে যাই এই ভেবে যে,এত চমৎকার একটা বই অনাদরে,অবহেলায় রেখে দিয়েছিলাম!
আমার সেই পুরনো বইয়ের গাঁটরি খুলে,সেদিনও একটা বই পড়েছি। খুবই পাতলা আর পিচ্চি একটা বই। নাম "জাল"। লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
নাম দেখে ভেবেছিলাম থ্রিলার হবে,শীর্ষেন্দু বাবুর থ্রিলার গুলো স্বাদ হয় অন্যরকম। পড়তে ভালোই লাগে,যদিও থ্রিলার আমার পছন্দের জনরা না।
পড়া শেষে বুঝলাম,জাল আসলে থ্রিলার নয়। একটা নভেলা। যেখানে কানু নামে এক লোক থাকে,যার শৈশব ছিল দারিদ্র্যের কাঁটাতারে আবদ্ধ এবং আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। এই কানু যখন যৌবনে আসে তখনও তার দারিদ্র্য ঘোচানোর কোন লক্ষণ সে দেখে না। অঙ্কের অনার্স থাকা স্বত্তেও পায় না কোন চাকরি। এসব হতাশা দূরাশার দোলাচলে সে জুটে যায় একটা স্থানীয় বখাটে ছেলেদের দলে। এরপর ঘটনা ক্রমান্বয়ে এগোতে থাকে।
কিছুদূর যাওয়ার পর দেখা যায়,সতীশ ঘোষ নামের এক স্কুল মাস্টারের,যাকে নিজের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দিতে চাচ্ছে প্রমোটাররা,কারণ তারা সেখানে বানাতে চায় একটা হাইরাইজডড বিল্ডিং। কিন্তু তারা জায়গা টা কোন রকম হস্তগত করতে না পেরে,সাহায্য নেয় কানুর। সেখানেই মূলত ঘটনা অন্য একটা রূপ ধারণ করে।
শীর্ষেন্দু বাবুর এই নভেলাগুলো অনেকটা অগোচরে থেকে যায়,তাঁর বড় বইগুলোর তুলনায়। অথচ এগুলো একেকটা মাস্টারপিস। যেমন জাল।
আমার সেই পুরনো বইয়ের গাঁটরি খুলে,সেদিনও একটা বই পড়েছি। খুবই পাতলা আর পিচ্চি একটা বই। নাম "জাল"। লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।
নাম দেখে ভেবেছিলাম থ্রিলার হবে,শীর্ষেন্দু বাবুর থ্রিলার গুলো স্বাদ হয় অন্যরকম। পড়তে ভালোই লাগে,যদিও থ্রিলার আমার পছন্দের জনরা না।
পড়া শেষে বুঝলাম,জাল আসলে থ্রিলার নয়। একটা নভেলা। যেখানে কানু নামে এক লোক থাকে,যার শৈশব ছিল দারিদ্র্যের কাঁটাতারে আবদ্ধ এবং আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। এই কানু যখন যৌবনে আসে তখনও তার দারিদ্র্য ঘোচানোর কোন লক্ষণ সে দেখে না। অঙ্কের অনার্স থাকা স্বত্তেও পায় না কোন চাকরি। এসব হতাশা দূরাশার দোলাচলে সে জুটে যায় একটা স্থানীয় বখাটে ছেলেদের দলে। এরপর ঘটনা ক্রমান্বয়ে এগোতে থাকে।
কিছুদূর যাওয়ার পর দেখা যায়,সতীশ ঘোষ নামের এক স্কুল মাস্টারের,যাকে নিজের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দিতে চাচ্ছে প্রমোটাররা,কারণ তারা সেখানে বানাতে চায় একটা হাইরাইজডড বিল্ডিং। কিন্তু তারা জায়গা টা কোন রকম হস্তগত করতে না পেরে,সাহায্য নেয় কানুর। সেখানেই মূলত ঘটনা অন্য একটা রূপ ধারণ করে।
শীর্ষেন্দু বাবুর এই নভেলাগুলো অনেকটা অগোচরে থেকে যায়,তাঁর বড় বইগুলোর তুলনায়। অথচ এগুলো একেকটা মাস্টারপিস। যেমন জাল।
March 27, 2023
শীর্ষেন্দুর ছাইয়ের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা একখানি আন্ডাররেটেড রত্ম।
রেটিং:✨🌟⭐🌠.২৫
২৭/০৩/২৩
রেটিং:✨🌟⭐🌠.২৫
২৭/০৩/২৩
June 28, 2024
বইটা আগেও পড়েছি, আবারও পড়লাম, বলতে গেলে বেশিরভাগ অংশই ভুলিনি। শীর্শেন্দুর লেখা সবসময়ই ভালো লাগে আমার। প্রবল একাডেমিক চাপেই "আউট বই" পড়া চালিয়ে যাচ্ছি কেবল।
November 7, 2021
পড়তে পড়তে কখন শেষ হয়ে গেলো টের পেলাম না। মনে হলো শেষটায় এমন দীর্ঘশ্বাস কবে এসেছিল? খুব ভালো লেগেছে।
October 5, 2021
"মনশ্চক্ষে দেখতে পাই সেন্ট্রাল রোডের মস্ত জলা জমিতে পুপুদের আর্থমুভার নেমে পড়েছে। নেমেছে বুলডোজার। তাদের মুখে মুখে উড়ে যাচ্ছে কচুবন পগার শাকের ক্ষেত, নারকোল গাছ, মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে সতীশ মাস্টারের বাড়ি। বাজারের চেয়ে অনেক বেশি দর পেয়ে উঠে গেছে তাঁর পরিবার। শুরু হচ্ছে নতুন পৃথিবীর নির্মাণ। বিক্রমপুর গুড়িয়ে যাচ্ছে চাকার তলায়। শ্রমিক ও কামিন, সারভেয়ার ও ওভারশিয়ার, ইঞ্জিনিয়ার ও মেকানিক মিলে হাজারটা মানুষ নেমে পড়েছে জলাভূমিতে। বদলে দিচ্ছে কলকাতার রূপ।"
শীর্ষেন্দু বাবুর খুব বড় ভক্ত এখনো হয়ে উঠতে পারিনি। কে জানে হয়ত সেজন্যই সেই জুলাইতে শুরু করে এই অক্টোবরে এসে শেষ হল ১২০ পাতার ডায়েরি সাইজের এই ছোট্ট বইটা! তবে তা বইয়ের দোষ না, সম্পূর্ণ আমার দোষ। নাহলে এ সংক্ষিপ্ত কলেবরেই আছে নানান ঘাত-প্রতিঘাত, হাসি-কান্না, বিশ্বাস-অবিশ্বাস, আনন্দ-বেদনার গল্প। জায়গায় জায়গায় কাহিনীর দিকবদল (প্লট টুইস্ট)-গুলোও সমান বাহবা পাবার যোগ্য!
গত মার্চের অস্থির সময়ে সিলেট বাতিঘর থেকে কিনে দিয়েছিল আপু।
শীর্ষেন্দু বাবুর খুব বড় ভক্ত এখনো হয়ে উঠতে পারিনি। কে জানে হয়ত সেজন্যই সেই জুলাইতে শুরু করে এই অক্টোবরে এসে শেষ হল ১২০ পাতার ডায়েরি সাইজের এই ছোট্ট বইটা! তবে তা বইয়ের দোষ না, সম্পূর্ণ আমার দোষ। নাহলে এ সংক্ষিপ্ত কলেবরেই আছে নানান ঘাত-প্রতিঘাত, হাসি-কান্না, বিশ্বাস-অবিশ্বাস, আনন্দ-বেদনার গল্প। জায়গায় জায়গায় কাহিনীর দিকবদল (প্লট টুইস্ট)-গুলোও সমান বাহবা পাবার যোগ্য!
গত মার্চের অস্থির সময়ে সিলেট বাতিঘর থেকে কিনে দিয়েছিল আপু।
April 29, 2014
যে লোকটা ঘুষ খায়না সে হয়ত হাজার অবধি সৎ। দশ হাজারে দোনোমোনো। লাখ টাকায় কাৎ। অবশ্য যদি ইহজন্মে তাকে লাখ টাকা অফার করার মত কোন ঘটনা না ঘটে তাহলে লোকটা ঘুষ না খেয়েই মানমজন্মটা কায়ক্লেশে কাটিয়ে দেবে। সেই হিসেবে লোকটা সৎ থেকে যাবে বটে কিন্তু সেটা সিলিং বাঁধা সততা।
অসাধারণ।
অসাধারণ।
Read
July 18, 2025শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আমার খুবই পছন্দের একজন লেখক। তার বই পড়ে হতাশ হওয়াটা আমার জন্য খুবই অস্বাভাবিক। এই বইটিও বেশ ভালো ছিল। এখানে সাধারণভাবেই সাধারণ মানুষের গল্প বলা হয়েছে তবে সেটা খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকে।
May 11, 2026
“…আমি জানি, দুনিয়ায় সত ও অসতের মধ্যে তফাৎ কেবল ডিগ্রির।আগাপাশতলা সৎ, নির্ভেজাল সাধু, হান্ড্রেড পারসেন্ট নীতিনিষ্ঠ মানুষ আজও কোনো মায়ের পেটে জন্মায়নি।যে লোকটা ঘুষ খায় না সে হয়তো হাজার টাকা অবধি সৎ।দশ হাজারে দোনোমোনো।লাখ টাকায় কাৎ।অবশ্য যদি ইহজন্মে তাকে লাখ টাকার অফার করার মতো ঘটনা না ঘটে তাহলে লোকটা ঘুষ না খেয়েই মানবজন্মটা কায়ক্লেশে কাটিয়ে দেবে।সেই হিসেবে লোকটা সৎ থেকে যাবে বটে, কিন্তু সেটা সিলিং—বাঁধা সততা…”
একটা ছোট বই কিন্তু ভেবে দেখতে গেলে গভীরতা অনেক।জিমের কথা পড়তে গিয়ে চক্রর সেই বাস্তুসাপটার কথা মনে পরে গেলো।একটা চরিত্র কুকুর হোক কিংবা সাপ, গল্পে কতটা গভীর ছাপ ফেলবে, কতটা শক্তিশালী হয়ে পাঠকের মনে বেঁচে থাকবে—তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে লেখকের কলমের ডগায়।এই বিষয়ে শীর্ষেন্দুবাবু কখনোই উনার নৈপুণ্য দেখাতে ভুলেন না। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের তুলনা উনি নিজেই।
একটা ছোট বই কিন্তু ভেবে দেখতে গেলে গভীরতা অনেক।জিমের কথা পড়তে গিয়ে চক্রর সেই বাস্তুসাপটার কথা মনে পরে গেলো।একটা চরিত্র কুকুর হোক কিংবা সাপ, গল্পে কতটা গভীর ছাপ ফেলবে, কতটা শক্তিশালী হয়ে পাঠকের মনে বেঁচে থাকবে—তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে লেখকের কলমের ডগায়।এই বিষয়ে শীর্ষেন্দুবাবু কখনোই উনার নৈপুণ্য দেখাতে ভুলেন না। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের তুলনা উনি নিজেই।
August 10, 2016
ভিলেনের (নাকি নায়কের?!) দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা সাধারন এক কাহিনী হয়ে উঠেছে অসাধারন। এক সুযোগসন্ধানী নিম্নমধ্যবিত্ত সাধারন যুবকের জীবনের কাহিনী, আচমকা পাওয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা এবং কাহিনীর এগিয়ে চলা। উত্তমপুরুষে বলা হয়েছে কাহিনীটা। চমকগুলো অসাধারন। শুধুমাত্র গল্প বলার ধরনে এবং আচমকা কাহিনীর মোড় ঘুরে যাওয়া চমকে দেয়। মানুষের মধ্য ভালমন্দের সহবাস অসাধারনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।
May 20, 2026
মানবজীবনের ও মানবপ্রবৃত্তির অন্তর্হিত গূঢ় রহস্য এমন সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত অথচ হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরার মুনসীয়ানা শীর্ষেন্দুর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। "জাল" উপন্যাসটিও এর ব্যতিক্রম নয়।
সমাজের নিম্নস্তরের মানুষের দারিদ্র্যের সাথে নির্মম লড়াই কিভাবে তাদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে লেখক তুলে ধরেছেন অসাধারণ দক্ষতায়।
শীর্ষেন্দুর মানবজমিন,দূরবীন, ও পার্থিবের মতো বৃহৎ কলেবরের বইগুলোর আড়ালে পড়ে যাওয়া আরেকটি রত্ন এই জাল।
সমাজের নিম্নস্তরের মানুষের দারিদ্র্যের সাথে নির্মম লড়াই কিভাবে তাদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে লেখক তুলে ধরেছেন অসাধারণ দক্ষতায়।
শীর্ষেন্দুর মানবজমিন,দূরবীন, ও পার্থিবের মতো বৃহৎ কলেবরের বইগুলোর আড়ালে পড়ে যাওয়া আরেকটি রত্ন এই জাল।
June 9, 2021
শীর্ষেন্দুবাবুর লেখা প্রথম পড়ার সৌভাগ্য হলো। তার নান্দনিক লেখনশৈলীর জাদুবলে সাধারণ এক প্লট অসাধারণ ঠেকেছে। চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বিষয়াদি আর কার্যকালাপ সম্পূর্ণ জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে পাঠকমনে। ভালো-মন্দ, জাগতিক প্রতিপত্তির মোহ আর দুর্দশাগ্রস্ত নিম্নবিত্তের জীবনের অলিগলি কিছুটা হলেও ভ্রমণ করেছি। শেষ দিককার টুইস্ট অভাবনীয় ছিল বটে!
December 25, 2018
সতীশ বাবুর মাঝে জাত্যাভিমান ছিল নাকি ছিল সম্পত্তির প্রতি লোভ তা ঠিক বিচার করতে পারলাম না
গল্পের শেষে সুবীরের উপলব্ধি আসলেই ঠিক, সবাই হারে না, কেউ কেউ মৃত্যু কে বরণ করেও জিতে যায়।
গল্পের শেষে সুবীরের উপলব্ধি আসলেই ঠিক, সবাই হারে না, কেউ কেউ মৃত্যু কে বরণ করেও জিতে যায়।
August 27, 2023
কঠিন বাস্তবতা গদাই ডাক্তারের বাড়ি পাহারা দিতে দিতে বেশ অবলীলায় বলে গেল কানু। জিমের সাথে তার লড়াইটাই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগসে।
January 4, 2017
its about suspense......
Displaying 1 - 14 of 14 reviews














