Jump to ratings and reviews
Rate this book

দেশভাগ ##৪

ঈশ্বরের বাগান

Rate this book
দেশভাগ নিয়ে ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' সিরিজের চারটি পর্ব। প্রথম পর্ব ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে', দ্বিতীয় পর্ব ‘মানুষের ঘরবাড়ি’, তৃতীয় পর্ব ‘অলৌকিক জলযান’, চতুর্থ পর্ব ‘ঈশ্বরের বাগান'। কিংবদন্তী তুল্য উপন্যাস ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে’ সম্পর্কে অগ্রজ সাহিত্যিক বিমল কর লিখেছেন, ‘অতীনের সেরা লেখা, এর মধ্যে অতীনের সত্তা ডুবে আছে, আমরা যাকে বলি ভর পাওয়া লেখা । ‘পুতুলনাচের ইতিকথার পর এতটা আর অভিভূত হইনি'—অশোক মিত্র। ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে এই সময়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস'—শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়। ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে এই সময়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস’–সমরেশ মজুমদার। সমকালের আর এক বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ লিখেছিলেন—দুই বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের ঐক্যে বিশ্বাসী বলে আমার জানাতে দ্বিধা নেই যে, অতীনের এই রচনা এযাবৎকালের নজিরের বাইরে। ভাবতে গর্ব অনুভব করছি যে, আমার সমকালে এই তাজা তেজস্বী খাঁটি লেখকের আবির্ভাব ঘটেছে। আজ হয়ত তিনি নিঃসঙ্গ যাত্রী। কিন্তু বিশ্বাস করি, একদা আমাদের বংশধরগণ তাঁর নিঃসঙ্গ যন্ত্ৰণা অনুভব করে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে তিরস্কার বর্ষণ করবে। ‘পথের পাঁচালীর' পর এই হচ্ছে দ্বিতীয় উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যের মূল সুরকে অনুসরণ করেছে।' পাঠিকা ঝর্ণা নাগ শিবপুর থেকে লিখেছিলেন—‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' পড়ে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ঈশ্বরের সৃষ্ট সুন্দর পৃথিবী দেখে মুগ্ধ হয়ে যেমন তার সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে কৌতুক বিস্ময় জাগে এও তেমনি।' এমন অজস্র চিঠি এবং সাহিত্যঋণের কথা স্বীকার করা হয়েছে অন্য তিনটি পর্ব ‘মানুষের ঘরবাড়ি’, ‘অলৌকিক জলযান’ এবং ‘ঈশ্বরের বাগান' সম্পর্কেও। বিদগ্ধ এবং গুণী ব্যক্তিরা লিখেছেন, ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' যদি মহৎ উপন্যাস, ‘অলৌকিক জলযান' তবে মহাকাব্য বিশেষ—আর ‘মানুষের ঘরবাড়ি সোনার কিশোর জীবনের অবিনাশী আখ্যান। শেষ পর্ব ‘ঈশ্বরের বাগান’–এতে আছে দেশভাগ জনিত উদ্বাস্তু পরিবারটির সংগ্রামী বিষয়, অভিনব চরিতমালা এবং পটভূমি সহ জীবনের রোমাঞ্চকর অভিযানের লৌকিক-অলৌকিক উপলব্ধি পুষ্টি খণ্ডিত বঙ্গের অখণ্ড বর্ণমালা।

728 pages, Hardcover

First published October 1, 2000

6 people are currently reading
215 people want to read

About the author

Atin Bandyopadhyay

83 books27 followers
Atin Bandyopadhyay (Bangla: অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়; anglicised spelling of surname: Banerjee) is a noted writer of Bengali literature. He was born in 1934 in Rainadi, Dhaka.

He spent his childhood in a joint family set-up in the then East Bengal of undivided India and studied in Sonar Gaon Panam School. After the Partition, migrated to India. He earned his undergraduate degree in commerce in 1956 and subsequently earned a teacher's training degree, all from the University of Calcutta. He took various jobs as a sailor, truck-cleaner, primary school teacher. Also became headmaster of a senior basic school. Settled permanently in Kolkata in 1963. Here also he took on various jobs like factory manager, publication advisor and lastly journalist.

The first story of the author was published in the magazine Abasar of Berhampore. He has penned many works since then, but his masterpiece is a three-part trilogy on the Partition: Nilkantha Pakhir Khonje (নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে), Aloukik Jalajan (অলৌকিক জলযান) and Ishwarer Bagan (ঈশ্বরের বাগান). Another famous writer of Bengal, Syed Mustafa Siraj has compared Nilkantha Pakhir Khonje (নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে) with Greek tragedies and also found it tuned with the core spirit with the Bangla literature like Bibhutibhushan Bandyopadhyay's Pather Panchali.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
13 (36%)
4 stars
14 (38%)
3 stars
4 (11%)
2 stars
4 (11%)
1 star
1 (2%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
38 reviews12 followers
Read
August 15, 2019
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ''নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে'' আমার প্রিয়তম বইসমূহের একটি এবং কাহিনী আবর্তিত হয়েছে --- গড়ে উঠেছে আমার জন্মভূমি নরসিংদীর আশেপাশের এলাকায়। সোনা ট্রিলজি উপন্যাসের দ্বিতীয়টি 'অলৌকিক জলযান'। পড়া শেষ করে মন জ্বলেছে অনেকদিন। শেষেরটি ঈশ্বরের বাগান-- যা পড়ে শেষ করলাম। মাঝে "মানুষের ঘরবাড়ি" পড়ে ভেবেছিলাম এটা বোধহয় ত্রয়ীরই অংশ। পরে ভুল ভেঙ্গেছে । তবে সম্পৃক্ততা রয়েছে ভীষণভাবে।
উপন্যাসিক অবশ্য একবার মানুষের ঘরবাড়িকে যোগ করে চারটি খন্ড বলেছেন, কখনো মানুষের ঘরবাড়ি বাদ দিয়ে তিন খন্ড বলেছেন। সে যাহোক, নীলকন্ঠ পাখির খোঁজের শেষ অংশে যে জ্বালা ,অলৌকিক জলযানের শেষ অংশে যে জ্বালা--- ঈশ্বরের বাগানেব সমগ্র উপন্যাস জুড়েই সে জ্বালা। যেজন্য উপন্যাসটি পড়া মাঝখানে বন্ধ করে দিয়েছিলাম। নাগরিক জীবনের কষ্টকর আখ্যান। ঈশ্বর --- প্রেতাত্মা --- নগরে নোংরা সামাজিক পরিবেশ------ গ্রাম শহর নির্বিশেষে কর্মক্ষেত্রে বেআইনী লেনদেন ইত্যাদির সাথে অতীশ দীপংকরের জীবনের টানাপোড়েন। পাপ পূণ্যের সমীকরণ করার প্রচেষ্টা। সোনা, ছোটবাবু সবশেষে অতীশ। তবে ছোট বাবুর কথা বার বার পড়তে পড়তে মনে হয়েছিল অলৌকিক জলযানের ছোট বাবু ও বনির অথৈ সমুদ্র থেকে মুক্তির ঘটনাটি বোধহয় জানতে পারবো। উপন্যাসিক তা জানাননি।
রাজবাড়ীর বিভিন্ন চরিত্র, অতীশের কারখানার বিভিন্ন চরিত্র যেনো আমাদের চারপাশের মুখগুলোকে দেখতে পেয়েছি।
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের চারটি উপন্যাস পড়ার পর মনে হলো উনি আর অন্য কিছু না লিখলেও বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকতেন।
Profile Image for Anjum Haz.
285 reviews70 followers
June 25, 2023
পৃথিবীপৃষ্ঠের পাঁচ ভাগের চার ভাগই জল। অলৌকিক জলযানে চড়ে সেই জল, সমুদ্র পেরিয়ে আমাদের ছোটবাবু অবশেষে ভিড়লো সেই একাংশ ভূমিতে, যেন ঈশ্বরের বাগানে।

শৈশবে সোনা, কৈশোরে বিলু, জাহাজী জীবনে সে সোনাবাবু, যৌবনে থিতু হয়ে গেল শেষে এক টুকরো জমিতে, অতীশ দীপঙ্কর পরিচয়ে। এই বাগানের জীবন যুদ্ধে তার নানা ভূমিকা। বাবা-মায়ের মেজ সন্তান, দুই ছেলে মেয়ের পিতা, এক নারীর স্বামী, তাছাড়াও কারখানার ম্যানেজার, এভাবে সে বিভিন্নজনের অবলম্বন।

একটা সময়, যখন সে ছিল ছোটবাবু, বনিকে সমুদ্র পার করে ডাঙ্গায় পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল তার, এখনো মনে হয় চারিদিকে সমুদ্রের মাঝে বোট নিয়ে ডাঙার সন্ধানে হাল ধরে আছে সে, কিন্তু এবার বোটে বনি নেই, এবার ডাঙায় পৌঁছে দিতে হবে মিন্টু, টুটুল, নির্মলাকে। সে জীবনে, জাহাজের কাপ্তান ছিল স্যালি হিগিনস, এখন জাহাজের কাপ্তান সে নিজেই।

উপন্যাসের বিভিন্ন প্লটকে জোড়া দিয়েছে অতীশ । অতীশের সংসার যুদ্ধ দিয়ে আরম্ভ, তারপর এসেছে নীতির যুদ্ধ, কখনো বা ঈশ্বরের সঙ্গে যুদ্ধ। সব যুদ্ধ সামাল দিয়ে অতীশ ফিরে গেছে সুদূর অতীতের স্মৃতিতে, আবার খুলেছে দেওয়া-নেওয়ার সেই জীর্ণ খাতাটা। মিলিয়ে দেখছে ঈশ্বরের এই বাগানে কার কতটুকু অধিকার, কারোই কি হার-জিত হয় এই যুদ্ধে?

জীবিকার নিমিত্তে কলকাতা শহরে কারখানার ম্যানেজারের কাজ নেয় অতীশ। শৈশব কেটেছে যার সোনালি বালির নদীর চরে, অসীম সমুদ্র ও বিস্তৃত আকাশের মাঝে যার যৌবনের প্রাক্কাল, কলকাতা শহরের এই কড়ায়-গণ্ডায় জীবন তার কাছে কোলাহলের মতো লাগে। লেখার মাঝে এই কোলাহল, ফুটপাতের নোংরা আবর্জনা সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ময়লার স্তুপে ঝুপড়ি গেড়ে পাগলের বাস; নগ্ন শ্বেতাঙ্গ নারী-মূর্তি, অয়েল পেইন্টিং এ সাজানো অভিজাত বসবার ঘর — দুয়ের মাঝে শুধু একটা প্রাচীর। দুজনে বেশ আছে দিব্যি। মাঝে মাঝে যখন নর্দমার মাছি সুগন্ধে ভরা অভিজাত ঘরে প্রবেশ করে, তখন দেখা যায় খানিকটা ত্রাস।

জীবনের গতি প্রচন্ড এখানে। ব্যয়ের গতি যদি ছাড়িয়ে যায় আয়ের গতিকে, তবেই গন্ডগোল। এছাড়াও আছে সন্তানকে বড় স্কুলে ভর্তি করার প্রতিযোগিতা। বাইরের ঘরে একটা তক্তপোষ, শোবার ঘরে একটা বড় আয়না- এমনই বেড়েই চলেছে জীবনে অভাবের লিস্টি। কারখানার উপার্জন সীমিত, লেখালিখি থেকে হাতে একটা অংক আসে অতীশের।

দেশভাগের এই চতুর্থ ও শেষ উপন্যাসে লেখক যেন আরো বেশি করে ব্যক্তিসত্তার মধ্যে ডুবে গেছেন। বলে দিতে হয় না এই অতীশ দীপঙ্কর যে অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। উপন্যাসের নায়ক অতীশকে তিনি যতো পরীক্ষার সম্মুখীন করেছেন, সেসব নিজেই পার করে এসেছেন জীবনের বিভিন্ন অংকে।

বিভিন্ন নারীকে পরিক্রমণ করে আমাদের এই উপন্যাসের নায়কের জীবন। যৌবনে সেই পরিক্রমণ আরও গভীর। তার সৌম্য চেহারা, নম্র আচরণ আকর্ষণ করে চারপাশের নারীদের। বহু নায়িকা তাই তার এই জীবন নামের উপন্যাসে।

বারবার লেখক নারী-পুরুষের কামপ্রবৃত্তিকে তুলে এনেছেন। আমাদের এই উপমহাদেশে চায়ের টেবিলে আলোচনায় সে প্রসঙ্গ আসে না, অথচ মানুষের শরীরের রন্ধে রন্ধে যে গোপন আকাঙ্ক্ষা সূচ ফুটায় লেখক বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন।
অথচ এত গোপন এই কর্মধারা, জীবনের চলাফেরায় তার কোনো অস্তিত্ব আছে মনে হয় না। কিংবা মুখোশ পরে থাকা সংসারে, আসলে সেই প্রবল ইচ্ছের তাড়নাতেই মানুষের এই ধর্মশাস্ত্র, বীজ বপন এবং আবাদ।

বড় ভালো লেগেছে এই জায়গাটা। হাওয়াকে সৃষ্টি না করলে আদম কি সেই পাপে জড়াত?

কুম্ভবাবুর চরিত্রটা নজর কাড়ে। আমিও যেন সংসারে এমন প্রচুর মানুষ দেখলাম। কর্তাব্যক্তিদের সাথে হে হে করে আলাপ করে যারা পকেটে টাকা গোছাচ্ছে। অত্যন্ত আপনার মতো ব্যবহার, কিন্তু কি, পকেটে টাকা পুরার গ্রিডি আলগরিদম ছাড়া মগজে আর কিছুই নেই।

সংসার, দাম্পত্য ছাড়িয়ে উপন্যাস মোড় পাল্টায়। বিদেশি আলোকচিত্রের একটা প্রদর্শনী। অ আজার বালথাজার। ফরাসি চলচ্চিত্রটির কিছুই অনুধাবন করতে পারে না অতীশ। না পারলেও দর্শকসারিতে খুঁজে পায় অতীতের একটি দরজা। বর্তমানে কি অতীতের প্রশ্নের উত্তর মেলে। নাকি জীবনটাই সেই সিনেমার মতোন, অনুধাবনের অতীত।

অ আজার বালথাজার।

হিন্দুর বাড়িতে মুসলিম এর প্রবেশ বাড়ণ, আবার হিন্দু সম্প্রদায় কে ছাড়তে হলো দেশ। আমরা কি কারো প্রতি সুবিচার করতে পেরেছি? যে ঈশ্বরের জন্য আমরা পরস্পরকে ঘৃণা করেছি, কোথায় পেয়েছি তার সান্নিধ্য... ধর্মভীরু পিতার সন্তান অতীশ। যৌবন ছুঁতেই তার ঈশ্বর বিশ্বাস ফেটে চৌচির। কুম্ভ বাবু আপনার তো ঈশ্বর আছে আমার তাও নেই।
ঈশ্বরকে আমরা নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করি, হয়তো টের পাই না কতো বড় অবলম্বন সে আমাদের বেঁচে থাকার। জীবনের যাবতীয় টেনশন ঈশ্বরের কাঁধে ছেড়ে না দিলে, কতো অসহায় আমরা।
সেই ঈশ্বরই আবার আমাদের যুদ্ধের কারণ।
ঈশ্বর আপনার জন্ম দিয়ে আমরা ঠিক করিনি। আপনি না জন্মালেই পারতেন ঈশ্বর।

আবারো মোড় নেয় উপন্যাস। এই চূড়ান্ত মোড়ে অতীতের জালে ধরা দেয় অতীশ।
আমি ভুলতে চেয়েছি। দেশের কথা ভাবলেই ক্ষোভে জ্বলে উঠতাম। তোরা আলাদা দেশ দাবি করলি! আমাদের মানুষ মনে করলি না। আমরা কোথায় যাব, কোথায় গিয়ে উঠব ভাবলি না। লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান। বাংলাদেশ, এমন সোনার বাংলা, তাকে পূর্ব-পাকিস্তান বানিয়ে ছাড়লি। ক্ষোভ হবে না! কেন আমাদের চলে আসতে হল। আমরা তোদের পর হয়ে গেলাম। একই জল মাটিতে নিশ্বাস ফেলেছি—বড় হয়ে উঠেছি, দেশান্তরী করে ছাড়লি!

দেশভাগ স্তিমিত ছিল দ্বিতীয় ও তৃতীয় উপন্যাসে। এখানে অতীন বাবু সোনার শৈশবের সেই ভূখণ্ডকে আবার তুলে এনেছেন। এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম। হি���্দুদের তাড়িয়ে কি ভালো ছিল এ দেশ? বাঙালি ও পাকিস্তানি মুসলিমে কি ভাগাভাগি লাগেনি?
এত ভাগাভাগি কেন মিঞা সাব! ভাগের শেষ আছে! যত ভাগ করবেন শরীর তত পঙ্গু হয়ে যাবে না?

প্রায় শেষে চলে এসেছি আমরা। জীবনে শেষকৃত্যের কাছাকাছি হলে, সেই ঈশ্বরকে স্মরণ করি আমরা। সেই একি বানী উচ্চারিত হয় আমাদের মগজে, যাকে পৃথক প্রমাণ করার জন্য আমরা যুদ্ধ চালিয়েছি সারাটা জীবন।

তারপর সর্বতোভাবে ফলন্মোথ অদৃষ্ট বশত প্রথমে জলময় সমুদ্র উৎপন্ন হইল। অতঃপর সেই জলময় সমুদ্র হইতে প্রকাশমান জগতের নির্মাণে সমর্থ ব্রহ্মা আবির্ভূত হইলেন। তিনি যথাক্রমে সূর্য ও চন্দ্র কে সৃষ্টি করলেন — তাহাতে দিন রাত্রি হইতে লাগিল। দিন রাত্রি হওয়ায় সংবৎসর সৃষ্টি হইল। অনন্তর ব্রহ্মা পৃথিবী, আকাশ, স্বর্গ এবং মহঃ প্রভৃতি লোকের সৃষ্টি করিলেন।

কেমন করে তোমরা আল্লাহতে অবিশ্বাস কর, যখন তোমরা ছিলে মৃত আর তিনি করলেন জীবিত? পুনরায় যিনি তোমাদের মৃত্যু দেবেন, আর পুনরায় জীবিত করবেন, তখন ফিরিয়ে আনা হবে তোমাদের তাঁর কাছে।

হাউ হি মাস্ট রিজয়েস ইন অল হিজ ওয়ার্ক। দ্য আর্থ ট্রেমবেলড্ অ্যাট হিজ গ্ল্যান্স। দ্য মাউন্টেনস বার্স্ট ইনটু ফ্লেম অ্যাট হিজ টাচ। ইউ উইল সিঙ টু দ্য লর্ড অ্যাজ লঙ অ্যাজ ইউ লিভ। ইউ উইল প্রেইজ গড টু ইয়োর লাস্ট ব্রেথ।

উপন্যাসের শুরুটা হয় পাগল হাঁকছে দু-ঘরের মাঝে অথৈ সমুদ্দুর। আবার ঠিক শেষে অতীন বাবু আমাদের এই দূরত্বের অংকটা মিলিয়ে দিতে চান।
মা তুমি বড় বৃক্ষ। দাঁড়িয়ে আছ ডালপালা মেলে। ফুল ফোটে। ফল ধরে। হাওয়ায় কে কোথায় সব বীজ উড়িয়ে নিয়ে যায়। জল পড়ে। শস্য দানার মতো তারাও মাটির নিচে শেকড় চালিয়ে দেয়। বড় দূরের হয়ে যায় সব কিছু। সারা পৃথিবী জুড়ে কত গাছপালা, ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে তারও ফুল ধরে ফল হয়। আবার ঝড়ো হাওয়ায় বীজ উড়িয়ে কোন এক সুদূরে নিয়ে যায়। আমরা তোমার সেই বীজ উড়ে গেছি।


Profile Image for Asif Khan Ullash.
145 reviews8 followers
November 28, 2023
“নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে”-র সত্যিকারের স্যিকুয়েল বলা যেতে পারে এই সিরিজের চতূর্থ বই ঈশ্বরের বাগানকেই। মাঝখানের দুটোকে একই সিরিজের অংশ বলে চালানো- স্রেফ মার্কেটিং স্টান্ট। এই বইয়ে পূর্ব-বাংলা আছে, ফাতিমা আছে, মঞ্জুদি আছে, অমলা-কমলা আছে তবে তারপরেও ‘সোনা’ নেই। এই বইতে সোনা যতটুকু না আছে তার থেকে অনেক বেশি জড়িয়ে আছেন অতীনবাবু নিজে। নিজেকে খোঁজার প্রয়াসেই সম্ভবত এই আখ্যানের রচনা। সোনার চেয়ে এই বইয়ের ‘অতীশ দীপঙ্কর ভৌমিক’ এর মাঝে “অলৌকিক জলযান”-এর ছোটবাবুর ছায়াই বেশি প্রকট।

ডুবে যাওয়া সিউল ব্যাংকের সার্ভাইভার ছোটবাবু যাকে এখনো তাড়া করে বেড়ায় আর্চি ও বনির প্রেতাত্মা, রাজবাড়ির প্রেসে যিনি গন্ধ পান পচা টাকার, চারপাশের সবাই যখন ব্যস্ত নোংরা রাজনীতির প্যাঁচ কষে শুধুই উপরে ওঠার সিঁড়ি খুজতে, সময়টাও তেমনি গোলমেলে- পশ্চিমবঙ্গে চলছে নকশাল আন্দোলন, বাংলাদেশে স্বাধীনতার যুদ্ধ; এই রকম প্রেক্ষাপটে ৭২৮ পৃষ্ঠার বৃহৎ এক উপাখ্যান। বেশ লোভনীয় ব্যাপার মনে হচ্ছে?
আজ্ঞে, না। এত চমৎকার প্রেমাইজ থাকার পরেও অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় উপন্যাসটাকে যেন শেকল দিয়ে বেঁধে রেখেছেন, পাখা মেলতে দেননি। পাতার পর পাতা ভরিয়েছেন তার চিরাচরিত ট্রোপে, এমনকী মূল চরিত্র অতীশও প্রচন্ড ইন-কোহেরেন্ট। এই উপন্যাস, এই চরিত্রগুলোর গল্প হা-বিতং করে সাত’শো পাতা খরচ করে লেখার কোন দরকার ছিল না।
Profile Image for Gain Manik.
352 reviews4 followers
December 10, 2024
I've completed this voluminous book just now after a long term adhesion to this book, almost a week. Though it's the last of the trilogy of 'Nilkantha Pakhir Khoje' but I think it's a work of lamentation. Since its inception or throughout the course of this novel, novelist laments everywhere. What a thrill I have instilled in my mind during journey of Nilkantha Pakhir Khoje. I gave that book 5 out of 5, but here I am giving only 2 out of 5 as it didn't surpass my expectations. Maybe I am a dissenter but I must assert my view - gibberish
Profile Image for Momin আহমেদ .
112 reviews49 followers
April 11, 2020
শুরুটা অনেক ভালো ছিল।এরপর একসময় মানুষের স্বার্থপরতার গল্প পড়তে পড়তে মনে হইছে কোনো অন্ধকার জগৎ এর কাহিনী।ধীরে ধীরে অতীশ ব্যতিত অন্যান্ন চরিত্র গুলা গায়েব হয়ে যায়।
Profile Image for Manas Layek.
5 reviews
October 24, 2015
i liked it. but read in in chronological order as it is a part of the trilogy.
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.