Jump to ratings and reviews
Rate this book

কলাবতী #2

কলাবতীর দেখা শোনা

Rate this book

112 pages, Hardcover

First published January 1, 1994

24 people want to read

About the author

Moti Nandi

86 books67 followers
Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.

In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
12 (20%)
4 stars
25 (42%)
3 stars
17 (28%)
2 stars
5 (8%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Tamoghna Biswas.
364 reviews149 followers
July 4, 2023
With each passing day, I fail further to appreciate Moti Nandi's literary choices and the way he constructs a basic tale. But it is still a decent, entertaining read. The characters are well realised, and the man knows his sports.
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
285 reviews22 followers
November 18, 2025
কলাবতীর অনেক দিনেরই বাসনা সে খবরের কাগজের খেলার রিপোর্টার হবে। সে ভাল ক্রিকেট খেলে। বাংলা দলের হয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়ানশিপে খেলেছে। সাংবাদিকরা পৃথিবীর কত জায়গায় গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, এশিয়ান গেমস, অলিম্পিকস রিপোর্ট করে। সেইসব বিবরণ পড়তে—পড়তে সে মনে—মনে সেইসব খেলার মাঠে চলে যেত। রিপোর্টাররা কত বড়—বড় খেলোয়াড়ের খেলা কত জায়গায় দেখেছে ভাবলে তার গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। মনে—মনে সে বলত, ''আহহ আমি যদি তখন ওখানে থাকতাম! টিভি—তে দেখা আর মাঠে বসে দেখায় অনেক তফাত।''

সে জানে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড বা আমেরিকায় গিয়ে খেলা দেখার খরচটা প্রচুর। দাদু বা কাকার কাছ থেকে তার শখ মেটাবার জন্য অত টাকা চাওয়া উচিত নয়। অবশ্য এটাও সে জানে, আটঘরার প্রাক্তন জমিদার তার ঠাকুর্দা রাজশেখর বা অবিবাহিত ব্যারিস্টার কাকা সত্যশেখর মাতৃহীন কলাবতীর কোনও সাধই অপূর্ণ রাখবেন না। কলাবতীর বাবা দিব্যশেখর স্ত্রী মা*রা যাওয়ার পর সন্ন্যাস নিয়ে সংসার ত্যাগ করে চলে গেছেন, তখন দু'বছর মাত্র তার মেয়ের বয়স। পুনেয় মাসির কাছে দশ বছর বয়স পর্যন্ত কাটিয়ে কলাবতী ফিরে আসে পৈতৃক বাড়িতে।

যে রিপোর্টার হতে চায় তাকে একাই সবকিছু সামাল দিতে হয়। সাংবাদিকতা হল ক্রিজে দাঁড়িয়ে ব্যাট করার মতো। এগারোজন লোক তোমাকে হারাতে চায়... এগারোটা কাগজের লোক শেয়ালের মতো ঘুরছে ছোঁ মে*রে খবর তুলে নেওয়ার জন্য। কখন গুগলিটা তোমাকে ব্যাট—প্যাড ক্যাচ তোলাবে, শর্ট লেগ সেজন্য অপেক্ষা করে আছে। টাফ ওয়ার্ল্ড, ভেরি কম্পিটিটিভ এই নিউজপেপার ওয়ার্ল্ড। তার ওপর স্পোর্টস রিপোর্টিংটা একেবারেই পুরুষদের জগৎ।

তবুও কলাবতী হাল ছাড়তে নারাজ। তাই খাবার টেবিলে দাদু আর কাকাকে নিজের ইচ্ছের কথা বলেই ফেললো। শুনে প্রথমে দাদু আর কাকা দুজনেই আপত্তি করলেন। কিন্তু কলাবতী বুদ্ধি করে যখন চির প্রতিদ্বন্দ্বীর মেয়ে মুখার্জি বাড়ির মেয়ে মলয়ার প্রসঙ্গ তুললো যে সেও স্কুলে আপত্তি করেছিল স্পোর্টস রিপোর্টার নিয়ে তখন দাদু কাকা যেন হুঙ্কার দিয়ে উল্টোটা বলে উঠলেন যে কলাবতী অবশ্যই পারবে রিপোর্টার হতে। এবং কলাবতীর জন্য দাদু রাজশেখর সাথে সাথে চিঠি লিখে ফেললেন দৈনিক বঙ্গবানীর এডিটরকে যাতে কলাবতী ওখানে গিয়ে কাজ শিখতে পারে।

শুরু হয়ে গেল সাংবাদিক হিসেবে কলাবতীর কাজ শেখা। কীভাবে রিপোর্ট লিখতে হবে, খবর সংগ্রহ করতে হবে সবকিছুর তালিম নিবে সে বঙ্গবানীর অফিসে ‌ রিপোর্টার হিসেবে কলাবতীর এই নতুন যাত্রা কেমন হয় শেষমেশ দেখা যাক ‌

------------পাঠ প্রতিক্রিয়া-----------

মতি নন্দীর লেখা "কলাবতীর দেখাশোনা" শেষ করে আসলে বাকি বইগুলোর মতো অতটা মজা পেলাম না। মিডিয়াম লাগলো। এখানে আসলে কলাবতীর নতুন অভিজ্ঞতা বঙ্গবানীর অফিসে, খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ঘটে। এবং মোটামুটি খেলার মাঠ চষে বেড়াচ্ছে এই গল্পে কলাবতী। আমি জানি না কেন তবে এই বইটা অন্যান্য বইয়ের প্লটের তুলনায় একটু ধীর গতিতে এগিয়েছে।

মাঝখানে টুকরো টুকরো ঘটনায় কিছু চরিত্র সাময়িক সময়ের জন্য এলেও মোটামুটি তা নিয়ে আসলে মন ভরলো না। কলাবতী সিরিজের যে কয়টি এখন পর্যন্ত পড়েছি তার মধ্যে এই বইটি একটু পিছিয়ে থাকবে আমার বিচারে। হয়তোবা কলাবতীর বয়সের তুলনায় আরো কিছু এখানে আশা করা যায় না। তবে আমার পরিমল বাবুকে ভালো লেগেছে। ওনার সততা, ওনার ন্যায় নীতি হয়তোবা ধনীদের থেকেও বেশি ভালো। কারণ খ্যাতির জন্য বড় বড় ধনীরা মিথ্যের ফুলঝুড়ি ছোটাতে পছন্দ করেন।

মতি নন্দীর লেখা সবসময় ভালো লাগে আমার। আমি আসলে বলবো না বইটি খারাপ। তবে অন্যান্য বইয়ের সাথে তুলনা করলে এই সিরিজের এই বইটি উনিশ বিশ হবে একটু। তবুও শেষ করে ভালো লাগার রেশ ছিল কিছু কিছু জায়গায়। মনে পড়ছিল টুকরো টুকরো ঘটনায় কীভাবে ক্লাব ক্রিকেটে তৎকালীন সময়ের দূরাবস্থা তুলে ধরেছেন লেখক।

🍂বইয়ের নাম: "কলাবতীর দেখাশোনা"
🍂 লেখক: মতি নন্দী
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.