"মার খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে। যন্ত্রণাকে বোঝ, ওটাকে কাজে লাগাতে শেখ, ওটাকে হারিয়ে দে।…কাম অন কোনি, জোর লাগা, আরো জোরে–
…ট্রেনিং করে করে নিজেকে বাড়াতে হবে কোনি। যন্ত্রণাকে তুই বল, ‘দেখে নেব আমাকে কাঁদাতে পারিস কিনা, আমাকে ভয় দেখাতে পারিস কিনা’"
'ক্ষিতীশ' যিনি কিনা 'কোনি' নামক এক মেয়েকে সাঁতারু বানাতে, তাকে সাঁতার শিখাতে উঠেপড়ে লাগে...
নিজের যে ইচ্ছে, নিজের যে রাগ সেটার যেন প্রতিফলন দেখেন কোনি নামের দরিদ্র মেয়েটির মধ্যে।। যে ক্লাবে উনি আছেন সেখানে সাঁতারুদের মধ্যে জিত, বড় কিছু হওয়ার স্পৃহা যেন দেখতেন না ক্ষিতীশ। সেই ক্লাবের প্রায় সাঁতারু এর নালিশ হলো, ক্ষিদ্দা তাদের খুব পরিশ্রম করায়। কিন্তু জিততে হলে, বড় কিছু হতে হলে, সেরাদের সেরা হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঐ সেরাদের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হবে, যদি তারা ১০মিনিট প্রেকটিস করে আপনাকে করতে হবে ২০মিনিট।। তাই আমাদের চোখে অনেক সময় ক্ষিদ্দাকে কঠোর, হৃদয়হীন, অমানুষ মনে হবে।। কিন্তু বাস্তবিকভাবে চিন্তা করতে ক্ষিদ্দা ই ঠিক। জীবনযুদ্ধে জিততে হলে আপনাকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হবে, লড়ে যেতে হবে।।
এই এক শিক্ষকের গল্প যিনি কিনা শত রাজনীতি, উনার বিরুদ্ধে শত ষড়যন্ত্রের পরেও ধমে যান না।। কোনিকে নিয়ে স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যান।। আর এটি হলো কোনির সাঁতারু হয়ে উঠার গল্প, যে কিনা দোকানে কাজ করার পাশাপাশি সাতার শিখে
"যন্ত্রণা আর সময় তোর অপোনেন্ট। ও দুটোকে আলাদা করা য়ায় না। যন্ত্রণাকে হারালে সময়কেও হারাতে পারবি। সময়কে হারালে পারবি যন্ত্রণাকে হারাতে"
মতি নন্দী এবারো আমাকে নিরাশ করেনি।।
he is absolutely brilliant......
খেলাধুলা নিয়ে উনার জ্ঞান মুগ্ধ করার মতো!!
উনি এই বইয়ে একজন athleteএর খাবার কেমন হওয়া উচিত, এই দেশের খাবার তৈরির প্রক্রিয়া যে athlete এর জন্য ঠিক নয় সেসবও বলেছেন।।
কিন্তু উনার লেখাতে অন্যরকম একটা মেজাজ আছে।। খেলাধুলা নিয়ে একটা উপন্যাসের মেজাজ/পরিবেশ যেমন হওয়া উচিত, যেমন inspirational কিছু বাক্য পাঠকের দিকে ছুড়ে দেওয়া উচিত সেসবে উনি বরাবরই অতুলনীয়