Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.
In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.
এই কাহিনীতে বলা হয়েছে দুটি মানুষের কথা। তাঁদের একজন পুরুষ ও অন্যজন মেয়ে। পুরুষটির বয়স ষাটের কাছাকাছি। মেয়েটির বয়স প্রায় কুড়ি।
প্রথমে পুরুষটির কথা বলি। বলরাম গড়গড়ি অধমের নাম। তার দৈহিক উচ্চতা পাঁচ ফুট। দেহের পেশিগুলো একটু ভারী। ঘাড় ও গলা ছোট হওয়ায় তাকে ঘাড়ে—গর্দানে দেখায়। মনে হয় অল্প বয়সে ব্যায়াম করেছেন এবং হয়তো এখনও চর্চাটা রেখেছেন। গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যাম। চোখে পড়ার মতো বিশেষ কিছুই ওনার চেহারায় নেই, শুধু উচ্চতাটুকু ছাড়া। তবে বেঁটে মানুষ আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ আছে, সুতরাং এটা কোনও বিশেষত্ব হিসেবে গণ্য হতে পারে না। ওনার যে মসৃণ টাকটি, সেটাও বহু লক্ষ লোকের মাথায় দেখা যায়। তবে মাথার খুলির গড়ন গোলাকার হওয়ায় টাকটি দু’নম্বর ফুটবলের কথা মনে পড়ায়।
এই লোকটির বিশেষত্ব বলে যদি কিছু থাকে তা হলো ওনার হাঁটা। হাঁটেন অতি দ্রুত। সাধারণ মানুষ জগিং করে যে গতিতে, ইনি হাঁটেন সেই গতিতে। ওনার উচ্চতার সঙ্গে হাঁটার বেগ, দুটো মিলিয়ে দাঁড়ায় একটা বেমানান দৃশ্য। যেটা হাসি পাইয়ে দেওয়ার জন্য খুবই কার্যকর হয়। যারা ওনাকে প্রথম দেখে, তারা আড়ালে হাসাহাসি করে। তবে প্রতিদিন দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার পর তারা আর হাসে না।
বিদ্যানগরের আগের স্টেশন ঠাকুরপাড়ায় ট্রেন পৌঁছবার আগেই বিদ্যানগরে নামার যাত্রীরা দরজার দিকে এগোতে থাকে। ট্রেন থামলেই হুড়মুড়িয়ে নামতে হবে, নয়তো দুড়দাড়িয়ে ওঠা বিপরীত স্রোতের বিরুদ্ধে ট্রেন থেকে নামাটা প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে যায়। বলরাম গড়গড়ি আজ চিন্তার মধ্যে ডুবে গিয়ে দরজার দিকে এগিয়ে যাওয়ার কাজটা ভুলে গেলেন। যখন খেয়াল হল তখন কয়েক সেকেন্ড দেরি হয়ে গেছে। ট্রেনের বাইরে সবে পা রাখতে যাবেন তখন কাঁধে একটা জোর ঠেলা খেয়ে প্ল্যাটফর্মে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গড়াগড়ি গেলেন।
তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়াচ্ছেন, তখন আর একটা ধাক্কায় আবার পড়ো পড়ো হয়ে তিনি পেছন থেকে দু’হাতে প্রায় জড়িয়ে ধরলেন যাকে, সে একটি মেয়ে। হলুদ সালোয়ার ও খয়েরি—সবুজ নকশার কামিজ পরা মেয়েটি চমকে ঘুরে দাঁড়াল। সারা মুখ ক্লান্তিতে শুকনো, দুই গাল বসে গিয়েছে। ছিপছিপে লম্বা, কিন্তু দৃঢ় শরীর। শরীর ঘিরে কঠিন জীবনের ছাপ। কোনও প্রসাধন নেই, গহনা বলতে শুধু কানে নকল দুটি সাদা পাথরের ফুল আর হাতে রিস্টওয়াচ। মেয়েটির রং, বোঝা যায় একসময় গৌরই ছিল, এখন রোদে পোড়া, তামাটে। ওর বগলে যে ব্যাগটা, দেখতে চামড়ার মতো হলেও ওটা কমদামি নকল চামড়ার। হাতে ধরা সাইকেলটা খুবই পুরনো, কেরিয়ারে পাকিয়ে রাখা আছে একটা বাজারের থলি। একজন বয়স্ক লোককে কাঁচুমাচু হয়ে হাতজোড় করতে দেখে সে সঙ্গে সঙ্গে মুখে হাসি ফুটিয়ে, বলরামকে আশ্বস্ত করে ভিড়ের সঙ্গে চলতে শুরু করে দিলো।
এই মেয়েটা এই গল্পের দ্বিতীয় চরিত্র। তুলসী রায় নাম তার। এবং এই আচমকা পরিচয় যে এই দুই মানুষের মধ্যে অন্যরকম একটা সময়ক্রম তৈরি করবে বোধহয় এরা দুজনের কেউ ভাবেনি। বলরাম এবং তুলসী দুইজন দুই ক্ষেত্রেই জীবনযু*দ্ধে লড়াই করছে। দুজনের এক জায়গায় খুব মিল। দুজনে খেলাধুলার সাথে আছে। এবং তুলসী যেখানে সংসারের অবস্থা ফেরাতে খুঁজছে চাকরি, বলরাম কীভাবে তাকে সেখানে সাহায্য করবেন দেখা যাক। এই গল্পটা দুজন দুই বয়সের মানুষের কিন্তু গল্পে তারা মিলিত হয়েছে অন্যরকম লড়াইয়ে।
~~~~~~~~পাঠ প্রতিক্রিয়া:
স্পোর্টস ফিকশনে মতি নন্দীর লেখাগুলো বেশ ভালো লাগে। এর আগেও পড়েছিলাম এবং বেশিরভাগ বই দারুন লেগেছে। এখনো যেমন স্ট্রাইকারের প্রসুনকে মনে করতে পারি তেমনি নতুন করে আরেকটি বই পড়লাম স্পোর্টস ফিকশনে মতি নন্দীর লেখা "তুলসী"
দুই বয়সের দুজন আলাদা আলাদা মানুষ। এদের চিন্তাধারা, এদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা শুরু থেকেই পড়তে বেশ লাগছিল। বিশেষ করে বললাম গড়গড়ির চরিত্র দারুন। এত প্রাণশক্তিতে ভরপুর মানুষটি যে ওনার স্বতঃস্ফূর্ত চিন্তাগুলো বড়ই ভালো লেগেছে।বয়স নিছক সংখ্যা মাত্র কথাটা শুনেছিলাম তবে এই বইয়ে বললাম গড়গড়ির কাজকর্ম সেটা প্রমাণ করে দেখিয়েছে। এবং এটা এই বইয়ের বেশ পজিটিভ ভাইব দেবে শুরু থেকেই।
তুলসীর ক্ষেত্রে কিছু জায়গায় লেখক তাকে কতকটা খামখেয়ালি হিসেবে তুলে ধরেছেন। এতটা আবার দরকার ছিলো না। তবে তুলসীর মধ্যেও আত্মবিশ্বাস রয়েছে যেটা হয়তো পরিস্থিতির চাপে পড়ে বারবার দমে যাচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আরেকটু যদি স্পেস দেয়া হতো ওকে! আড়ষ্টতা ভেবেছিলাম বলরাম বাবুর সংস্পর্শে কাটবে তবে সেটা কী শেষমেশ গল্পের গতি স্লো করে দিলো?
ট্রায়থলন হলো একটি ত্রি-হুমকিপূর্ণ খেলা, যেখানে সাঁতার, সাইক্লিং এবং ধৈর্যের চূড়ান্ত পরীক্ষায় দৌড়ানোকে একত্রিত করা হয় । অলিম্পিক ট্রায়থলনে ১.৫ কিমি সাঁতার, ৪০ কিমি সাইকেল চালানো এবং ১০ কিমি দৌড় সহ একক দৌড়ের ধরণ রয়েছে, যা দ্রুততম সময়ে শেষ করা প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়। এই জিনিসটা ইন্টারেস্টিং লাগলো সাথে দেখলাম কত পরিশ্রমের কাজও।
অন্যান্য বইয়ের তুলনায় মোটামুটি লেগেছে। খুব ভালো নয় আবার খারাপও না। কারণ আমি আরো কিছু সেরা বই পড়েছি অলরেডি মতি নন্দীর স্পোর্টস ফিকশনের। পড়তে খারাপ লাগেনি অনেকটা ভেবেছিলাম কোনির মতো হবে। তবে কোনি আসলেই নিজের জায়গায় সেরা। তুলসী অতটা ছুঁতে পারলো না কেন জানি। তবে বইটা থেকে অবশ্যই কিছু শিখতে পারলাম।
আমাদের জীবনে বার্ধক্য আসে সময়ের সাথে সাথে। বয়স বাড়ে ঠিকই, মানুষ তার জীবনের একটা পর্যায়ে পেরিয়ে আসে। মনের এক বিশাল পরিবর্তন ঘটে। মানুষ তার বার্ধক্যে শখ, আহ্লাদ, পুরোনো স্বপ্ন সব বিসর্জন দেয়। শরীর ও মনের যে যোগসাজশ থাকে, তাতে মানুষ হারিয়ে ফেলে উন্মাদনা। আমাদের শরীরের এই বয়সের বেড়ে ওঠার প্রতি আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। কিন্তু চাইলেই কিন্তু আমরা মনের তারুণ্য ধরে রাখতে পারে। মনের চাওয়াটাই সব। তাই মনের জোরে যদি বয়সকে ঠেকিয়ে রাখা যায়, তবে নিজের জীবনকে উপভোগ করা সম্ভব।
আমাদের এই গল্পের মূল চরিত্র দুইজন। একজন বলরাম, যিনি একজন চাকুরে। বয়স পঞ্চাশোর্ধ। তার আকৃতি এমন, এই নিয়ে অনেকেই তির্যক উপহাস করে। এই যেমন, এলাকার স্কুলের এক হোস্টেল থেকে ভেসে আসে তাকে নিয়ে বানানো অপমানজনক প্যারোডি সঙ্গীত। বয়স তার বেড়েছে, আর এই কারণে তার মনের হীনমন্যতা আছে। ওইসব ছেলেদের সাথে যদি লেগে যায়, তাহলে শক্তি প্রদর্শনের শক্তি কি তার আছে?
আরেকজনের নাম তুলসী। পারিবারিক অস্বচ্ছলতায় যার একটা চাকরি বড্ড প্রয়োজন। কিশোরী এই মেয়েটা সাইকেল চালানো ছাড়া কিছু পারে না। তাও পুরোনো, মান্ধাতার আমলের সেই সাইকেল। একটা চাকরির সুযোগ এসেছে। কিন্তু তার জন্য বিভিন্ন খেলায় পারদর্শী হতে হবে। কিন্তু তুলসীর তো সেই অভিজ্ঞতা নেই। চাকরি তাই হয়ে ওঠে না। তবুও একটা সুযোগ, যে সুযোগ তাকে তার স্বপ্নের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারে।
দুইজন অসমবয়সী চরিত্রের মধ্যে দেখা হয়েছে আচমকাই। চেনাজানা ছাড়া যে আত্মার সম্পর্ক গড়ে ওঠতে পারে, তাদের দেখলে সেটা বোঝা যায়। একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী হয় ওঠা দুজন ভিন্ন ভিন্ন দুই প্রতিযোগিতায় নাম লেখায়।
তুলসীর জন্য সুযোগ বেশি। তার বয়স অনুযায়ী দশ কিলোমিটার যে দৌড় প্রতিযোগিতায় নাম লেখায়, সেখানে জিততেও পারবে সে। যদি সবরকম চেষ্টা করে। আর তাকে পূর্ণ সমর্থন দিতে তো আছেই বলরাম। তুলসীকে দেখে বলরাম অনুপ্রাণিত হয়। তার পুরোনো স্বপ্ন জেগে ওঠে। স্বপ্নটা বড় কিছু না, নিজের এই বার্ধক্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তরুণ মনের ভেলকি দেখানোই হবে সবচেয়ে আসল। সে কারণেই ভোরবেলা বাসায় কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে পরে সাঁতার কাটার উদ্দেশ্যে। সেই ছোটবেলায় সাঁতার প্রতিযোগিতায় একটি পুরস্কার জিতেছিল বলরাম।
তুলসী যখন তার দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে, তখন সাঁতার প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছে বলরাম। তার প্রতিযোগী সবাই বয়সে তরুণ। বয়সের দিক দিয়ে আকাশ পাতাল ব্যবধান। বলরাম জিততে চায় না। সে নিজের মানসিক শক্তির দৃঢ়তা দেখতে চায়। দেখতে চায় তার সেই ক্ষমতা আছে, যেখানে পুরোটা সাঁতার পূর্ণ করে নিজের কাছে বিজয়ী হয়ে উঠবে।
আর ঠিক তারপরই নতুন এক প্রতিযোগিতা — ট্রায়াথলন। যেখানে তিনটি প্রতিযোগিতা একসাথে হবে। শুরুতে সাঁতার, তারপর সাইক্লিং এবং সবশেষে দৌড়। কলকাতায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই খেলাতে দুইজনই অংশ নিবে। বলরাম কোথায় যেন শুনেছে বাহাত্তর বছর বয়সী কেউ একজন সবার শেষে হলেও পুরো প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেছে। বলরাম ঠিক সেটিই চায়। আর তুলসী চায় জিততে। এই জয় তার ভাগ্য খুলে দিতে পারে। চাকরি মিলতে পারে ক্রীড়াবিদ হিসেবে। কিন্তু সবসময় সব চাওয়া পূরণ হয় না। এক সময় গতিপথ ভিন্নও হয়। এখানে কী হবে?
মতি নন্দী দারুণ লেখেন। বিশেষ করে তার এই জাতীয় খেলার বর্ণনাগুলো একটু বেশিই দারুণ হয়। পড়তে ভালো লাগে। এর মধ্যে যেমন আবেগ থাকে, তেমন খেলার মাঠে পাঠকদের নিয়ে যায়।
“তুলসী” নামের এই বইটি অসাধারণ কিছু, এমন বলব না। কিন্তু সাধারণের মাঝেও কিছু অসাধারণত্ব আছে। এখানে যেমন আর্থিক অস্বচ্ছলতা, একটি পরিবারের সংগ্রামের গল্প লিখেছেন। আবার অন্যদিকে মানুষের প্রতি উপহাস, অবজ্ঞা ও এর পরিণতির প্রতিও আলোকপাত করেছেন। আরেকটা জিনিস ভালো লেগেছে, গুরুজনের প্রতি এক ধরনের সম্মানের ছোটো একটা অংশ দেখানো হয়েছে। খুব মনোযোগ না দিলে হয়তো চোখে পড়বে না।
এই বইয়ের দুটি জিনিস আমার ভালো লেগেছে। প্রথমত, তুলসী ও বলরামের যে সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। সম্মানজনক এই সম্পর্ক অনেক কিছুই উন্মুক্ত করে। অপরিচিত এই দুইজন শেষদিকে যেভাবে একে অপরের ভরসা হয়ে উঠেছিল, এই দিকটা বেশ পছন্দ হয়েছে। দ্বিতীয় যে বিষয়টি ভালো লেগেছে, লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আপনি কোনও কাজ পারবেন কি পারবেন না, সেটা ভেবে আপনার কাজ নেই। সাহস করে ঝাপিয়ে পড়ুন। দেখবেন কোনো না কোনোভাবে সফল হবেন। কিংবা কিছুটা হলেও এগিয়ে যাবেন। যে অবস্থানে আছেন, তারচেয়ে একটুখানি এগিয়ে যাওয়াও সফলতা বটে।
আরেকটা বিষয় ইন্টারেস্টিং লাগল। দারিদ্রতা, দুঃখ কষ্ট বোঝাতে অনেক লেখকই বেশ আবেগের ব্যবহার করেন। পাঠককে আবেগী করে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু মতি নন্দী তার চেষ্টা করেননি। দারিদ্রতা কিংবা যেকোনো প্রকার দুঃখ এই সমাজের খুব স্বাভাবিক বিষয়। এই স্বভাবিকতাকে কঠিন আবেগে মোড়ানোর চেষ্টা করেননি। বরং এই বিষয়টা মেনেই তিনি গল্প লিখেছেন। চরিত্রগুলোও মেনে নিয়েছেন। তাদের কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্নতা ছিল, হতাশা ছিল। কিন্তু তারপরও এর সমাধানের একটা চেষ্টা ছিল। একটা পথ বন্ধ হলে আরেক পথে এগিয়ে যাওয়ার উপায় ছিল। পারিবারিক সাহায্য, সমর্থন যে খুব বেশি কিছু; তার দৃষ্টান্ত এখানে ছিল।
তবে শেষের দিকে একটু হতাশ লেগেছে। যেহেতু মতি নন্দীর খেলার বর্ণনা বেশ দারুণ হয়, শেষ লড়াইয়ে আমি তেমন বর্ণনা প্রত্যাশা করেছিল। হয়তো লেখক চায়নি। যার জন্য এই প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে যে নির্ভার হয়ে যাওয়ার উপলক্ষ্য লেখক তৈরি করেন, তাতেই বোধহয় লেখক তৃপ্তি পেয়েছেন। যেভাবে গল্প তৈরি হয় সফলতা বা ব্যর্থতার। কিন্তু এর সংজ্ঞা হয় ভিন্ন, ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প লেখা হয় জীবনের।