রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
অনেকদিন বাদে তিন গোয়েন্দা পড়লাম... সত্যি বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর প্রতি আবেদন এতটুকুও কমেনি। বরং কৈশোরের রোমাঞ্চ অনুভব করেছি বইটি পড়তে গিয়ে। এই ভলিউমের সবগুলো গল্পই ভালো লেগেছে তবে "হারানো উপত্যকা" বেশি ভালো লেগেছে। ব্যক্তিগত রেটিং : ৪/৫ Happy Reading 📖
হারানো কুকুরদের খুঁজে বের করতে গিয়ে তিন গোয়েন্দা জড়িয়ে পড়ে ড্রাগন রহস্যের সাথে। তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সামনে উন্মোচিত হয় এক বিরাট বড় ষড়যন্ত্রের জাল। মোটামুটি লেগেছে গল্পটা। তবে ক্লাইম্যাক্সটা প্রেডিক্টেবল হলেও অন্যান্য গল্পের তুলনায় একটু ভিন্ন হওয়ায় ভালো লেগেছে।
২.হারানো উপত্যকা:৫/৫
অসাধারণ একটা গল্প। পুরো গল্প জুড়েই একটা টানটান উত্তেজনা বজায় ছিল। সেই সাথে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এতে বিদ্যমান হরর আবহ গল্পটাকে আরো উপভোগ্য করে তুলেছে। খুব ভালো লেগেছে গল্পটা।
৩.গুহামানব: ৪/৫
চমৎকার একটা গল্প! গুহা থেকে আবিষ্কার হওয়া প্রাগৈতিহাসিক মানুষের হাড় চুরি থেকেই রহস্যের সূত্রপাত। অবধারিতভাবে এই রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়ে তিন গোয়েন্দা। অত্যন্ত সাদামাটাভাবে শুরু হলেও ক্লাইম্যাক্সে যেভাবে রহস্যের সমাধান হয়েছে তা বেশ চিত্তাকর্ষক ছিলো। আমার মতে,ভলিউমের সেরা দ্বিতীয় গল্প এটাই।