Rudra Mohammad Shahidullah (Bengali: রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ) was a Bengali poet. Shahidullah was noted for his revolutionary and romantic poetry. He is considered one of the leading Bengali poets of the 1970s.
Shahidullah was the husband of writer Taslima Nasrin. He died as a result of drug abuse.
In the popular culture of Bangladesh, Shahidullah's most well known contribution is the song Bhalo Achi Bhalo Theko, popular ever since it was written. In 1991, an annual fair called Rudra Mela was started to commemorate the poet.
Awards 1980: Munier Choudhury memorial award 1997: Bangladesh Chalachitra Sangbadik Samity award (posthumous) for the poem Amar Bhitor Bahire Ontore Ontore.
দ্রোহ এবং প্রেমের কাব্যভাষা নির্মানে শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ শুধু কবিতাই রচনা করেননি, লিখেছেন কিছু ছোট গল্প। নিজেকে শব্দ শিল্পী নয় শব্দ-শ্রমিক দাবি করা এই কবি তার গল্পেও রেখেছেন শব্দের নিখুঁত বুনন। তার রচিত গল্প খুব বেশী নয়, আর প্রতিটি গল্প পড়েই মনে হয় এ বুঝি তার নিজের-ই কাহিনী। আবার ব্যক্তি ও সমষ্টিকে অবিভাজ্য করে তোলার অপরিসীম দুর্লভ ক্ষমতা দিয়ে গল্পগুলোকে করে তুলেছেন সবার।
"ইতর" গল্পের প্রধান চরিত্র শরীফা ছেড়ে এসেছে তার স্বামীকে, শরীফার আছে নিজের সাহিত্য সংগঠন, শরীফা গর্বিত বোধ করে তার সাথে দেশের জনপ্রিয়তম লেখক, দুজন গায়ক, টিভির দুজন নায়কের অন্তরঙ্গতায়। গল্পের শেষে রুদ্র শরীফার স্বামী কবি কায়েস রসুলকে শরীফার দৃষ্টিতে দেখিয়েছেন নির্ভেজাল ইতর হিসেবে। পড়তে গেলে কেন যেন রুদ্র আর তসলীমার কথাই মনে আসে।
"সোনালী শিশির" তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প, গল্পের শেষে এসে বক্তা নিবেদিত কন্ঠে আর্জি জানায়, দোস্ত, এই ছবিতে আমার ক্যারেক্টারটা কি আমাকে দিয়ে করানো যায়না? হঠাত করেই শেষ হয়ে যাওয়া গল্পের একটি অসাধারণ সমাপ্তি দিয়েছে এই একটি লাইন, যেখানে বক্তা তার নিজস্ব বাস্তব চরিত্রকেই অভিনয়ের মাধ্যমে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য বন্ধুর কাছে আর্জি জানাচ্ছে।
"উপন্যাসের খসড়া", মাত্র দুই পাতার একটা গল্প; অনেকটাই আত্ম উপলব্ধি মূলক।
মুক্তিবুদ্ধি আর প্রগতির বিপক্ষ শত্রুদের বিপক্ষে জীবনভর লড়াই করে যাওয়া রুদ্র হয়তো নিজের অক্ষমতাকে স্পষ্ট করে দেখানোর জন্যই লিখেছেন "নিজস্ব লড়াই" গল্পটি।
"নিঃসঙ্গতা" - রূপকের মধ্য দিয়ে খুব অল্প কথায় ফুটিয়ে তুলেছেন যুদ্ধের একটি নৃশংস ঘটনাকে, ঘরের দেয়ালের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে একটা টিকটিকি যখন অদ্ভুত সুন্দর একটা নীল প্রজাপতির ধরে গিলতে থাকে, রুদ্র সেখানে দেখতে পায় ইশা কসাইয়ের ভোজালি দিয়ে অনীলকে ফেড়ে ফেলা। হীম হয়ে যাওয়া রক্তের গভীরে শুনতে পায় সমুদ্রের গর্জন কিন্তু তবুও নির্বিকার সমস্ত মানবগোষ্টীর মতোই নির্বিকার রুদ্র তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে থাকে এই নির্মম হত্যাকান্ড।
"কৃষ্ণচূড়ার মৃতদেহে একখানি রঙ্গিন ইনভেলাপ" গল্পে চরিত্র হিসেবে এসেছে রুদ্র নিজেই, এসেছে রুদ্রের আপন ছোট বোন বিথী। রুদ্রের এক সময়কার প্রেমিকা গল্পের শেষে এসে রুদ্রকে এক ভদ্রলোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য বলে, - রুদ্র, ইনি আমার স্বামী শাহজান মাখন
"সিগারেট ও কতিপয় ব্যক্তিগত স্কেচ" গল্পের শেষের কয়েকটা লাইনঃ লাজ সংক্রান্ত সমস্ত স্মৃতিগুলো অতপর একদিন নিজস্ব একটি নীল এলবামে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলাম। একদিন ও তার পুরুষ স্বামীটিকে নিয়ে আমার বাসায় বেড়াতে এলো। পুরুষটি তৃতীয় স্বরে জিজ্ঞেস করলো – “আপনিই কি জনাব রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ?” আমি বললাম – হ্যাঁ ।
This entire review has been hidden because of spoilers.