চার্লি চ্যাপলিন- চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অতুলনীয় নাম। শাহাদুজ্জামানের এই বইতে চ্যাপলিন নিয়ে বিশ্লেষণ আছে বেশ, তবে সবচেয়ে বেশি যেটা আছে সেটা হচ্ছে চ্যাপলিনকে নিয়ে লেখকের অপরিসীম মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।
Shahaduz Zaman (Bangla: শাহাদুজ্জামান) is a Medical Anthropologist, currently working with Newcastle University, UK. He writes short stories, novels, and non-fiction. He has published 25 books, and his debut collection ‘Koyekti Bihbol Galpa’ won the Mowla Brothers Literary Award in 1996. He also won Bangla Academy Literary Award in 2016.
"লোকের চোখের আড়ালে থাকাই শ্রেয়, এটা শুনতে হয়তো খারাপ লাগবে। কেননা নিজেকে জাহির করা, নিজেকে প্রচার করার অদম্য বাসনা তোমাকে গ্রাস করবে। হিসেব করে পা ফেলো। নিজেকে বাঁচিয়ে রাখাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় ব্যাপার। সবাই তোমাকে ডাকবে, নেমতন্ন করবে, নানান জিনিস উদ্বোধন করতে বলবে। সাবধান,সব জায়গায় যেয়ো না!.... আসলে দুনিয়াকে পুরো দেখতে হলে দুনিয়ার বাইরে দাঁড়িয়েই দেখতে হয়, ভেতর থেকে দেখলে সবটুকু নজরে পড়ে না।"
ওপরের লাইনগুলো চার্লি চ্যাপলিন তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন। সারাজীবন চ্যাপলিন বোধহয় ওপরের লাইনগুলোকেই অনুসরণ করতেন যার প্রতিফলন তাঁর জীবনপথে দেখি।
একই বছর লন্ডনে আর অস্ট্রিয়ায় জন্ম নেয় দুটি শিশু। এই দুটি শিশুই বড় হয়ে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছিল।
লন্ডনে জন্মছিলেন সর্বকালের সেরা অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন (যদিও চার্লিকে শুধু অভিনেতার ক্যাটেগরিতে ফেলা অসম্ভব), আর অস্ট্রিয়ায় জন্ম নেয়া মানুষটি আডলফ হিটলার।
আমরা সবচেয়ে বেশি শিখি বোধকরি জীবন থেকে, যাকে লাইফ লেসন্স বলে। চ্যাপলিনের ভাষায়,
"তারপর ভীষণ রাগে,ঘেন্নায়,দুঃখে,লজ্জায়,ক্রোধে,ক্ষোভে জ্বলতে জ্বলতে, পুড়তে পুড়তে পাগলের মতো, মরীয়ার মতো, উদভ্রান্তের মতো যেদিকে দু'চোখ যায় ছুটতে লাগলাম।" যেসময়ের কথা লিখেছেন চ্যাপলিন, সেসময়ে বাসায় তার খাবার নেই, মা তার পাগল,বাবার খবর নেই। ঠিক সময়ে তিনি বুঝতে শিখেছেন ক্ষুধার ভয়ানক জ্বালা। সেই শিক্ষা, সেই অভিজ্ঞতা আমৃত্যু মনে রেখেছেন। সৎ মায়ের নির্যাতন কিংবা কৈশোরে মদ খেতে খেতে বাবার মৃত্যু কিছুই ভোলেন নি তিনি।
প্রথমবার যখন স্টেজে উঠলেন, চ্যাপলিন হলেন সুপার ফ্লপ। কিন্তু তাতে থেমে থাকেন নি, আশা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন বলেই তিনি আজ "চার্লি চ্যাপলিন "।
সবাই তখন টকি(সবাক চলচ্চিত্র) নিয়ে ব্যস্ত। তখন তিনি নির্মাণ করলেন নির্বাক সিটি লাইট। বুক ধুকধুক করছে, গ্রহণ করবে তো দর্শক? না,চার্লিকে ফিরে তাকাতে হয় নি।
নির্মাণ করলেন মঁসিয়ে ভার্দু আর ভার্দুর মুখ দিয়ে বলালেন,"One murder makes a villain... Millions a hero. "
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের উত্তাল সময়ে তৈরি করলেন তাঁর শ্রেষ্ঠকর্ম "দি গ্রেট ডিক্টেটর"।সেই চলচ্চিত্রের অন্তিম পর্বে ডিক্টেটররূপী নাপিত যে বক্তব্য দিয়েছিল তা বিশ্বকে নাড়া দেয় তীব্রভাবে।
জন্মছিলেন ব্রিটেনে, আজীবন কাজ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে আর অন্তিম সময় কাটান সুইজারল্যান্ডে। বড় বিচিত্র তাঁর জীবন, ব্যক্তিগত জীবনেও কম সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়নি চারবার বিয়ে করবার জন্য।তুমুল জনপ্রিয়তার জন্য নকল চ্যাপলিনদেরও মুখোমুখি হতে হয়েছিল,লড়তে হয়েছে মামলাও।
আজীবন শান্তির পক্ষে ছিলেন। নেননি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে "কমিউনিস্ট " আখ্যা পেয়ে বিতাড়িত হয়েছিলেন ইউএস থেকে। সেই ইউএসএ তাঁকে ১৯৭২ সালে স্পেশাল অস্কার দিয়ে নিজেদের সম্মানিত করেছে,ব্রিটিশ রানী দিয়েছেন নাইট উপাধি।
বড়ই বৈচিত্র্যময় চার্লি চ্যাপলিনের জীবন।মারা গিয়েছেন বহু আগে, কিন্তু তাঁর চলচ্চিত্রগুলো আজো সমানভাবে আমাদের বিনোদিত করে। আর তাইতো সুস্বাদু গদ্যকার শাহাদুজ্জামানের মতো বলতে হয়,"চ্যাপলিন,আজো চমৎকার"
‘আন্দামান সাগরের এক একলা দ্বীপে এক সাধু যখন একটা পাখির কিচির মিচিরে অতিষ্ঠ হয়ে ভাবছিলো কিভাবে আরো একা হওয়া যায় তখন জাকার্তার জনাকীর্ণ সড়কে হাজার হাজার মানুষের ভিড় ঠেলে একটা লোক একা একা হেঁটে যাচ্ছিলো’
শাহাদুজ্জামান তাঁর সুস্বাদু গদ্যে যেভাবে চ্যাপলিনকে তুলে এনেছেন তাতে আমার চ্যাপলিনকে হাজার হাজার মানুষের ভিড় ঠেলে হেঁটে চলা একা একটা লোক মনে হচ্ছিল। দারিদ্র্য, হতাশা, অর্থ বিত্ত, এতো এতো খ্যাতি, জীবনের এতোসব নাটকীয় মোড় সবকিছু ছাপিয়ে চ্যাপলিন যেন ছিলেন বস্তুত একাই।
বড় বৈচিত্র্যময় চ্যাপলিনের জীবন। জীবনকে দেখতেন ‘নর্দমায় ভেসে যাওয়া একটা গোলাপ’ হিসেবে। তাঁর সমস্ত সৃষ্টিকর্মেই আমরা এই বক্তব্যের প্রতিফলন দেখতে পাই।
জন্মেছিলেন ব্রিটেনে, কাজ করেছেন আমেরিকায় আর জীবনের শেষ সময়টা কাটাতে হয় সুইজারল্যান্ডে।
শৈশবে লড়েছেন দারিদ্র্যের সঙ্গে। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে ফ্লপ হলেও দমে যাননি। লড়ে গেছেন। পরে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। সবাক চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারেও টিকে ছিলেন নির্বাক সিনেমা নির্মাণ করে। হয়ে উঠেছিলেন চলচ্চিত্রের একচ্ছত্র সম্রাট। কিন্তু তাতেই স্বস্তি আসেনি তাঁর জীবনে। পড়তে হয় রাজনীতিবিদদের রোষানলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি ও দলীয় বুদ্ধিজীবিরা 'কমিউনিস্ট' আখ্যা দিয়ে বিতাড়িত করেন আমেরিকা থেকে। সেই একই চ্যাপলিন স্ট্যালিন প্রদত্ত শাষন ব্যাবস্থায় 'সহীহ কমিউনিস্ট' নয় শর্তে বাতিল হয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকেও। একেই বোধহয় বলে জীবনের নির্মম পরিহাস! জীবনের শেষ সময়টা তিনি সুইজারল্যান্ডে কাটান। মৃত্যুর পর সমাধিস্থ করা হয় ওখানেই।
আত্মজীবনীর শেষ পর্বে তিনি উল্লেখ করেন,
‘দুনিয়া আমাকে দু'হাত ভরে দিয়েছে ভালোবাসা। দু'হাত ভরে আবার ছিনিয়েও নিয়েছে। তখন শুধু ঘৃণা আর বিতৃষ্ণা। সবচেয়ে ভালোর স্বাদ যেমন পেয়েছি, সবচেয়ে খারাপের ছোঁয়া থেকেও বাঁচাতে পারিনি। ... ... ... আমার জীবনের হয়তো নিজস্ব কোনো ধাঁচ নেই। দর্শন নেই। কিন্তু সংগ্রাম আছে, কঠোর সংগ্রাম। পাঠক, আপনার অবস্থা যা-ই হোক না কেন, আপনি মূর্খ কী সাধু যাই হোন, লড়াই করুন। জীবনের লড়াই, বাঁচবার জন্য লড়াই। যা আমি সারাজীবন করেছি।
শাহাদুজ্জামানের প্রতি আমি কিছুটা পক্ষপাতদুষ্ট। ভদ্রলোক যাই লিখেন আমার ভালো লাগে। পড়ে আনন্দ পাই। ভাবনার কিছু খোরাক, যা দিয়ে অনায়াসে পার করে দেয়া যায় হেমন্তের অলস দুপুরগুলো। সবশেষে গ্রন্থের একটা জায়গায় ভীষণভাবে একাত্মবোধ করি নিজের সাথে। একাকিত্ব নিয়ে চ্যাপলিনের সেই ভাবনা_
‘আমার একাকিত্ব নিয়ে, আমার নির্জন স্বভাব নিয়ে, অনেকেই অনেককিছু বলে থাকেন। জানি না, হয়তো আরো অনেক বন্ধু হওয়া উচিত ছিলো আমার....বাস্তবে সেটা হওয়ার সুযোগ হয়নি। বন্ধুত্ব জিনিসটা অনেকটা মেজাজের উপর নির্ভরশীল। ঠিক যেমন মেজাজ ভালো থাকলে ভালো লাগে সংগীত।... মাঝে মাঝে লুকিয়ে পড়তে ভালো লাগে। তখন বেপাত্তা। সব ছেড়ে-ছুড়ে আমিও উধাও।’
"I started a joke, which started the whole world crying."
Bee Gees এর গানের এই লাইন টা চ্যাপলিনের সাথে যেন যথার্থভাবেই যায়, একই মুহূর্তে জীবনে আনন্দ আর বিষাদের উদযাপন করে গেছেন যিনি নিরন্তর। মার্ক শ্যাগালের আঁকা চ্যাপলিনের যে ছবিটি বইতে প্রচ্ছদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে তাঁর ভবঘুরে চরিত্রের সেই চিরপরিচিত অবয়বটি ঠিক মুখের জায়গাতে বসানো নেই। চ্যাপলিন তাঁর সৃষ্টি এই ভবঘুরে চরিত্রের সাথে এমন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছেন যে, এই ভবঘুরের মুখটিই হয়ে উঠেছে আমাদের জন্য চ্যাপলিনের অবয়ব। এই ভবঘুরের মুখটি যে একটি অভিনয় চরিত্র, তারই রিমাইন্ডার যেন শ্যাগালের আঁকা ছবিটি। লেখক শাহা���ুজ্জামান এই ভবঘুরে চরিত্রের আড়ালে থাকা মানুষটিকে ঘিরে তার একরাশ মুগ্ধতার অনবদ্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন বইটিতে । খুব দীর্ঘায়িত নয় বরং স্ব���্প পরিসরেই তিনি তুলে ধরেছেন চলচ্চিত্রের চমৎকার এই মানুষটির কথা । চ্যাপলিনের দারিদ্র্য ক্লিষ্ট শৈশব, তাঁর জীবন দর্শন , চলচ্চিত্র সবকিছুই একটু একটু করে উঠে এসেছে বইটিতে। চ্যাপলিনের চলচ্চিত্র যেসময় জনপ্রিয়, তখন আমেরিকায় পুঁজিবাদ তুঙ্গে। চলচ্চিত্রে পুঁজিবাদের অকল্যাণকর দিকটির বিরোধিতা এবং তাঁর বিশ্বনাগরিকতাবোধের জন্য আমেরিকা তাঁকে কমিউনিস্ট আখ্যা দিয়ে তাঁর পেছনে উঠে পড়ে লেগে যায়। আবার স্ট্যালিনের আমলে সোভিয়েত ইউনিয়নেও তাঁর চলচ্চিত্র যথেষ্ট মার্ক্সবাদী নয় এই অভিযোগে তাঁকে আমেরিকার পুঁজিবাদের দোসর হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাঁর চলচ্চিত্র, তাঁর উপর লেখা বইকে বয়কট করা হয়। আবার পরবর্তীতে এই দুই শিবিরই তাঁকে আপন করে কাছে টেনে নিয়েছে, অনেক সম্মাননায় ভূষিত করেছে when it was easier to love him. চ্যাপলিন নিঃসন্দেহে সর্বকালের শ্রেষ্ট চলচ্চিত্রকারদের মধ্যে একজন । তাঁর ব্যাপারে যেন কখনই এ বলা ফুরোবে না যে , " চ্যাপলিন , আজো চমৎকার !"
শাহাদুজ্জামানের নিরীক্ষাধর্মী বইগুলোর সাথে পরিচয় ক্রাচের কর্ণেল, আধো ঘুমে কাস্ট্রোর সঙ্গে, একজন কমলালেবু পাঠের মাধ্যমে। আর "চ্যাপলিন, আজো চমৎকার" বইয়ের ব্যাপারে লেখক বলছেন যে, এই বইটি চ্যাপলিনের জীবন বিষয়ক কোন তথ্যবহুল বর্ণনা নয়, চ্যাপলিনের সব চলচ্চিত্রের গভীর বিশ্লেষণও নয়, এই বই শুধুমাত্র লেখকের চ্যাপলিনকে নিয়ে গভীর বিস্ময়ের প্রকাশ মাত্র। বইয়ের শুরুতেই অবধারিতভাবে উঠে এসেছে লেখকের দ্বারা চ্যাপলিনের বেশ কিছু বিখ্যাত চলচ্চিত্রের মূল্যায়ন। চ্যাপলিনের শৈশব, তাঁর রাজনৈতিক ধ্যান ধারণা, তাঁর বৈপরীত দ্বান্দ্বিক জীবন ইত্যাদির প্রসঙ্গ তুলে ধরে লেখক তুলনা করেছেন চ্যাপলিনের চলচ্চিত্রের সাথে। তৎকালীন হলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাথে চ্যাপলিনের সম্পর্ক কিরূপ ছিল, অন্যান্য পরিচালক, প্রযোজক, নায়ক নায়িকারাও কিভাবে দেখতেন চ্যাপলিনকে- তা উঠে এসেছে শাহাদুজ্জামানের ক্ষুরধার লেখনীতে। এছাড়াও প্রচুর উদ্ধৃতি রয়েছে চ্যাপলিনের বিভিন্ন চলচ্চিত্র থেকে- যা উৎসাহিত করবে চ্যাপলিনের চলচ্চিত্র না দেখে থাকা যেকোন মানুষকে তা দেখতে, রয়েছে অন্যান্য বহু বিখ্যাত রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক(নাট্যজগত, সাহিত্যজগত, চলচ্চিত্রজগত) ব্যক্তিবর্গের চ্যাপলিন বিষয়ক উদ্ধৃতি। সার্বিকভাবে, ব্যক্তি চ্যাপলিনকে একজন গুণমুগ্ধ ভক্তের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জানার জন্যে এই বইটি উল্লেখযোগ্য।
ছোট এই বইটিতে শাহাদুজ্জামান যেন বানভট্ট, চ্যাপলিনকে পরিচয় করিয়ে দিলেন মহারাজাধিরাজ শশাঙ্ক'র গৌড়-ভুজঙ্গ রুপে বিশ্ব চলচ্চিত্রের মহারাজার বেশে। বিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি আবৃত 'মিলেনিয়াল' প্রজন্মের ছোকড়া, আমার কাছে চ্যাপলিন আর শশাঙ্ক দু'ই ইতিহাস।
চার্লি চ্যাপলিনকে সামান্য চিনেছিলাম, যখন আমি বাঁচতে শিখছিলাম অন্যদের সময়ে; দাঁড়াতে শিখছিলাম অন্যদের মতো। নন্দন্তাত্ত্বিক জিজ্ঞাসায় ভরপুর মস্তিস্ক, যা কিছু ভালো তার সবটাই পাওয়ার আকাঙ্খায় মত্ত হৃদয়। তখন সিটি লাইটস আর দ্যা কিড দেখেছিলাম। গতকাল অবধি চ্যাপলিন আমার জন্য ছিলো ওইটুকুই কিন্তু আজ সেই পরিধি গৌড় সাম্রাজ্যের চেয়েও বড়। অনামিক অনুভবে বুঝতে শুরু করলাম ভবঘুড়ে বিশ্ব নাগরিক চ্যাপলিনের পর্বত প্রতীম জনপ্রিয়তার শুভযোগ এবং সমুদ্র সম গভীর জীবন ও শিল্প দর্শন অথচ শিশুর মতো চঞ্চল তার প্রকাশ।
চার্লি চ্যাপলিন- চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অতুলনীয় নাম। শাহাদুজ্জামানের এই বইতে চ্যাপলিন নিয়ে বিশ্লেষণ আছে বেশ, তবে সবচেয়ে বেশি যেটা আছে সেটা হচ্ছে চ্যাপলিনকে নিয়ে লেখকের অপরিসীম মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।