রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
এই বইটা আমার প্রথম দিকের তি.গো এর একটা। বড় আপুর কাছ থেকে ২০০৯ সালে এটার একটা কপি উপহার পাই পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পাওয়ার উপলক্ষে। কপিটা এখনো আমার কাছে আছে।
অনেক অনেক দিন পর যখন X-Files দেখা শুরু করি তখন দেখতে পাই যে "আরেক ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন" গল্পটা সেখান থেকে নেয়া। গল্প অ্যাডাপ্ট করার বেলায় রকিবদার ভাল রুচি ছিল বলতে হবে। আর স্কালি আর মাল্ডারের মত দুজনকে কিশোর/মুসা/রবিন দিয়ে অনায়াসে প্রতিস্থাপিত করে ফেলেছিলেন- চাট্টিখানি ব্যাপার না এটা।
"মায়াজাল" গল্পটা Chain Letter সিরিজের দ্বিতীয় গল্পের আদলে লেখা। মোটামুটি সত্তর ভাগ ঐ গল্প ফলো করার পর রকিবদা এন্ডিং নিজের মত করে বদলে দিয়ে হ্যাপি এন্ডিং দিয়েছেন। আর মূল বইয়ের সকল টিনেজ রোমান্টিক টানাপোড়েনকে সুকৌশলে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কিশোর-উপযোগী করেছেন। যদিও পরে চেইন লেটার পড়ে আমি মূল গল্পের "edginess" খুব মিস করেছি মায়াজালে।
"সৈকতে সাবধান"+ " ভ্যাম্পায়ারের দ্বীপ" সম্ভবত আমার ভেতরকার ভ্যাম্পায়ার ফিকশনপ্রীতির বীজ বপণ করেছিল। তার উপর মুসা-বেইজড গল্প এটার প্রতি টান ছিল আরো বেশী। আজো জানি না এই গল্পগুলো কোথা থেকে নেয়া।
এই ভলিউম এর মায়াজাল গল্পটা টা ওয়াহ। আমার অন্যতম পছন্দের গল্প সাথে সৈকতে সাবধান ছিল আরেকটা মাস্টারপিস৷ মিসিং দোজ ডেইজ। কি গল্প ছিল আর কিভাবে গোগ্রাসে গিলতাম গল্পগুলো ❤️❤️