রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
তিন গোয়েন্দা ভলিউম ৪৩—মিশ্র অনুভূতির একটি সংকলন। প্রথম গল্পটি মোটামুটি মানের, পড়তে খারাপ লাগে না তবে তেমন গভীর ছাপও ফেলতে পারে না। দ্বিতীয় গল্পটি একেবারেই প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ—গল্পের গতি, প্লট বা উত্তেজনা—কিছুই ঠিকমতো জমে ওঠে না। কিন্তু তৃতীয় গল্পটি পুরো বইটাকেই অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রহস্যের এমন জটিল বুনন, যা পাঠককে এক মুহূর্তের জন্যও স্বস্তি দেয় না। একের পর এক নতুন রহস্য, অপ্রত্যাশিত মোড়—সব মিলিয়ে দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ একটি অভিজ্ঞতা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থেকে যায়—রবিন কি একাই পারবে এই জটিল রহস্যের জাল ছিন্ন করে আসল খুনিকে ধরতে?