Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #107

পেন্সিলে আঁকা পরী

Rate this book
Bengali

128 pages, Hardcover

First published June 1, 1995

17 people are currently reading
292 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,933 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
179 (19%)
4 stars
334 (37%)
3 stars
297 (33%)
2 stars
66 (7%)
1 star
20 (2%)
Displaying 1 - 30 of 57 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,091 followers
August 17, 2019
ভালবাসা খুব অদ্ভুত তাই না? যেমন অদ্ভুত জীবন! কোথাও এর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেছে, কোথাও খুব ভীষণ ভাবে প্রয়োজন!! সমাজের সবচে অস্পৃশ্য যে চরিত্র, সেও হয়তো স্বপ্ন দেখে দুচোখ ভরে, সেও হয়তো কাউকে ভালবাসে সবটা উজাড় করে!!! এমনি এক উপাখ্যান আঁকা হয়েছে 'পেন্সিলে আঁকা পরী'তে।

মোবারক সাহেব, জাহাজের ব্যবসায়ী। কোটিপতিরর উপরে যদি কিছু থাকে তাহলে তিনি সেই পতি।অটেল ধনসম্পদ থাকাসত্বে ও একটা জিনিসের বড়ই অভাব তার, জিনিসটা হল সুখ। মোবারক সাহেবকে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি পীড়া দেয় সেটা হল তার বিস্মিত হবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।তিনি বিস্মিত হবার জন্য আর কিছটা আনন্দের জন্যে কিছু নিম্নস্তরের কাজ করে থাকেন। তার জীবনের বৈচিত্র্য এর জন্য টেপীর মতো মেয়েদের তিনি মাঝে মাঝে নিয়ে আসেন।

টেপী, উপন্যাস এর দ্বিতীয় কেন্দীয় চরিত্র, সে উপন্যাস এ তিনটি চরিত্র এ আছে, প্রথমে সে টেপী যার কাজ মোবারক সাহেবদের মতো ধনীব্যক্তির রাতের সঙ্গী হওয়া, দ্বিতীয় সে রেশমা যে ফিল্মের এক্সট্রা হিসাবে কাজ করে।আর সব শেষ সে মিতু যে ছোট বোন ও মা কে নিয়ে ভাড়া বাসয় থাকে।বহু কষ্টে তাদের সংসার চলছে। জীবনের জটিল মারপ্যাঁচ, ভয়ানহ বাস্তবতা, সংসার টানার ঘানি এইসব এক সময়ের মিতুকে কিভাবে রেশমা আর টেপীতে রুপান্তরিত করে তারই এক রুপচিত্র হলো এ উপন্যাস।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews18 followers
August 3, 2023
এমন লেখা অনন্তকাল ধরে চললেও পড়ে ফেলা যায়। অনবদ্য।
Profile Image for Ësrât .
516 reviews85 followers
September 20, 2021
পেন্সিলে আঁকা পরীদের জীবনে প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে অযাচিত আক্ষেপের আবেদনেই কি হুমায়ূন সাগর সেচে সুখের সাথে যুক্তি করে বিষাদসিন্ধু তে বারবার তাদের বন্দী করে রাখেন?!

রেটিং:⭐🌟🌠
২০/০৯/২১
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
April 10, 2023
#bookreview
টেপী, রেশমা, মিতু একটি মেয়ের তিনটি নাম তিনটি চরিত্র। পারিবারিক নাম মিতু, যখন এফডিসিতে এক্সট্রা আর্টিস্টের কাজ করে সেখানে রেশমা নামটি ব্যবহার করে।
মিতুর ছোটবোন ঝুমুর, মা শাহেদা আর ভাই রফিক। খুনের দায়ের রফিক জেল খাটছে। তিনজনের সংসার চালায় মিতু। আর তাদের বাসায় নিয়মিত আসাযাওয়া করা যুবক মবিন। মিতু এবং মবিন একে অপরকে পছন্দ করে।
কিন্তু টেপী নামটি কখন ব্যবহার করে মিতু?

বিরাট ব্যবসায়ী মোবারক সাহেব। মাঝে মাঝে সময় কাটানো জন্য টাকার বিনিময়ে মেয়েদেরকে বাসায় আনে। পারিবারিক জীবনে উদাসীন। টাকার মাধ্যমে যেকোনো কাজ করার ক্ষমতা রাখে।

উপন্যাসের দুইটা দিক, এক, মিতুর আর্থিক কষ্টে কাটানো পরিবার। দুই, অঢেল সম্পত্তির মালিক মোবারক সাহেব।

একটি ভিডিওতে দেখলাম বাদল সৈয়দ স্যারের অন্যতম পছন্দের বইয়ের তালিকায় এ বইটি আছে। তাই ভাবলাম পড়ে দেখি। পড়লাম ভালো লেগেছে। মিতুর স্ট্রাগল আর শেষের ফিনিশিংটাও দারুণ।

কিন্তু মিতুর ভাই রফিক, কাকে খুন করেছিল এব্যাপারে লেখক কিছু বলেনি!!
জানতে পারলে ভালো লাগত
___

পেন্সিলে আঁকা পরী
হুমায়ূন আহমেদ
পৃষ্ঠা : ১২৮
পার্সোনাল রেটিং : ৮.৫/১০
Profile Image for Saim Uddin.
35 reviews13 followers
January 29, 2024
৩.৫/৫
হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ার এই সমস্যা- আগেও এই বই পড়েছি কিন্তু টাইটেল ভুলে গিয়েছিলাম। যাহোক রিরিড ভালোই লেগেছে।সবসময় দারুণ কিছু না দিলেও ব্যস্ত দিনগুলোতে লেখকের বইগুলো স্বস্তি দেয়, ভালো বোধ করায়। এইই বেশ।
Profile Image for Salman Hasan.
17 reviews1 follower
November 2, 2022
সুখ কি? উত্তরটা আপেক্ষিক। সাধারনভাবে এই প্রশ্নটা করা হলে, একেকজন একেকরকম উত্তর দেবে। প্রত্যেকের উত্তর আলাদা হলেও দু'জায়গায় মিল খুঁজে পাওয়া যায়। এক দল মনে করে, প্রচুর অর্থবিত্ত মানেই হলো গিয়ে সুখ! আরেকদল মনে করে, সুখের সাথে টাকাপয়সার আসলে কোনো সম্পর্ক নেই! এই-যে সুখের সংজ্ঞায়ন নিয়ে এই দ্বিধা, এই দ্বিধাকে উপজীব্য করেই এই গল্প; ‘পেন্সিলে আঁকা পরী’
.
মূলগল্পে মিতু এবং মোবারক হোসেন নামে দু'টি প্রধান চরিত্র রয়েছে।

মিতু : একজন অভাবি মেয়ে। বাবা নেই, মা এবং এক ছোটবোন আছে। বড়ভাই খুনের দায়ে জেলে। ভালও বাসে নিজের মতো একজন অভাবিকে। সংসার চালানোর জন্যে সিনেমায় ‘এক্সট্রা’ হিশেবে কাজ করে। সেই জগতে তার নাম রেশমা। তার নিজের আরেকটা জগত আছে। সেই জগতে তার নাম টেপী! মিতুর জীবন চলার পরতে পরতে দুঃখ-দুর্দশা, দুঃখে মুড়ানো সংসার, মা-বোন এবং একজন ভালোবাসার মানুষ– এইসব থাকলেও টেপীর এমন কিছুই নেই! টেপীর জগৎ আলাদা। সে জগতে সে যন্ত্রের মতো।

বেঁচে থাকার জন্যে দেহ যার অন্যতম অবলম্বন– এমন চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে লেখকেরা তাদের লেখায় অনেক কদর্য ব্যাপার নিয়ে আসেন। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি এক্ষেত্রে এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন। তিনি যতদুর সম্ভব ওইসব কদর্যতাকে পাশ কাটিয়ে এই গল্পের মিতু চরিত্রটির সাংসারিক টানাপোড়েন, অপ্রাপ্তি, আশা-আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসাকে অত্যন্ত নির্মোহভাবে তুলে ধরেছেন।
.
মোবারক হোসেন : একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। মানুষের সব আশা পূরণ হওয়ার পর তার মন-মগজের অবস্থা কেমন হয়? তা বুঝার জন্যে মোবারক হোসেনের চরিত্রটি অসাধারণ। অঢেল সম্পদ, প্রাচুর্য, অর্থবিত্তের বলয় একজন মানুষের কাছ থেকে কিভাবে সুখ উধাও করে নেয় এবং কিভাবে এইসব বৈষয়িক বিষয়সমূহ তার উপর একাকীত্ব চাপিয়ে দেয়– তা এই চরিত্রের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এই গল্প পড়তে পড়তে বারবার মনে হবে, টাকাপয়সাকে উপেক্ষা করে এবং সর্বস্ব ধরে নিলেই সুখ পাওয়া যায় না। সুখ কোনো-না কোনভাবে একটা নির্দিষ্ট মাত্রার প্রাচুর্যের সাথে জুড়ে আছে। যাকে উপেক্ষা করার সুযোগ আমাদের নেই। পাশাপাশি, সীমাহীন প্রাচুর্যের মধ্যেই সুখ, এমন ধারণাও একটা ভ্রান্তি।

বই থেকে নেওয়া লাইন :

পৃথিবীতে সবচে’ সুন্দর করে মিথ্যা কারা বলে– অভাবী মানুষেরা। সবচে’ সুন্দর অভিনয় কারা করে? অভাবী মানুষেরাই করে। সারাক্ষণ তাদের অভিনয় করতে হয়।
.
আমার ধৈর্য আমার দুর্ভাগ্যের মতোই সীমাহীন।
.
মানুষ একা থাকতে পারে না। মানুষের সবচে’ বড় শাস্তি মৃত্যুদণ্ড না– সলিটারি কনফাইনমেন্ট। নিঃসঙ্গ নির্বাসন।
.
পৃথিবীর সবচে’ অসুন্দর দৃশ্য হল লোভে চকচক করা চোখ। আর সবচে’ সুন্দর দৃশ্য গভীর মমতায় আর্দ্র প্রেমিকার চোখ।
.
লোভী মানুষদের একটা ভালো দিক আছে। কোনো লোভী মানুষই আত্মহত্যার কথা ভাবে না। লোভ তাদের বাঁচিয়ে রাখার প্রেরণা জোগায়।
.
পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই সুখে থাকে। অল্প কিছু লোক থাকে অসুখী– তারা শুধু সুখী মানুষ খুঁজে বেড়ায়।
.
কোনো দু’জন রূপবতী মেয়ের ভেতর তুলনা চলে না। একেক জনের সৌন্দর্য একেক রকম। কেউ নদীর মতো, কেউ অরণ্যের মতো, আবার কেউ আকাশের মতো।
.
��ারা কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে তারা শুধু যে ভাগ্যের জোরে সেটা করে তা কিন্তু না। ভাগ্য থাকে তাদের হাতের মুঠোয়, ভাগ্য নিয়ে তারা খেলা করে। পৃথিবীতে যারা বিলিওনিয়ার আছে তারা কোনো কারণ ছাড়াই বিলিওনিয়ার হয় নি।
.
এই পৃথিবীতে সবচে’ খারাপ জায়গা হল পায়খানা। মানুষের মুখ সেই পায়খানার চেয়েও খারাপ। পায়খানার দরজা বন্ধ করা যায়, তালা দেওয়া যায়— মানুষের মুখ বন্ধ করা যায় না।
Profile Image for Aman.
45 reviews9 followers
January 14, 2023
গল্প শেষে অনেকগুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা হলো মোবারক সাহেবের কি হলো ? জীবনে বেঁচে থাকার কোনো অনুপ্রেরণা কি তিনি পেয়েছিলেন ?
নাকি বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা এক ব্যক্তিকে বাঁচিয়ে রেখে বাকি জীবনটা পার করতে দেয়ার কোনো প্রয়োজন বোধ করেননি লেখক !?
Profile Image for Easir Al Saief.
78 reviews6 followers
July 14, 2024
৪.২৫/৫

মধ্যবিত্ত জীবনের গল্প হুমায়ূন আহমেদ অনেক ভাবে, অনেক উপন্যাসেই তুলে ধরেছেন। এ গল্পটা মিতুর, অথবা রেশমার, অথবা টেপীর। একই ব্যক্তি, তবে ভিন্ন তিন নাম। ভিন্ন নামের পেছনে আছে মিতুর ভিন্ন তিনটি জীবন। তিনটি জীবনই কষ্টের, দুঃখের, টানাপোড়নের।
10 reviews7 followers
March 26, 2023
বই নিয়ে বলার কিছু নেই, যদি আমাকে বলা হয় হুমায়ূন আহমেদের সেরা দশটি বইয়ের নাম বলো তাহলে সেই তালিকার প্রথম সারিতে এই বইটি অবশ্যই থাকবে।

যারা হুমায়ূন প্রেমী আছেন তাদের অবশ্যই একটি বারের জন্য হলেও এই বইটির কিছু পৃষ্ঠা পড়ে দেখতে বলবো।
Profile Image for Atiq Ishraq Emon.
21 reviews22 followers
December 30, 2020
পেন্সিলে আঁকা পরী, অন্যরকম সুন্দর। যদিও যেখানে শেষ করেছেন লেখক তাতে মনেহয়েছিল তাঁর বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তারপর মনেহলো, নাহ ঠিকই আছে, তিনি একটু আবছা ধারনা দিয়ে গেছেন শেষের পরে কি হবে, বাকিটুকু পাঠকের কল্পনা।
পেন্সিলে আঁকা পরীটা কে? টেপী, যাকে টাকার জন্য বাইরে রাত কাটাতে হয়, নাকি রেশমা, যে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকে সিনেমায় এক্সট্রা হিসেবে একটা শট দেয়ার জন্য, নাকি মিতু, যার মাঝে বাস করে এক মায়াবতী? আলাদাভাবে কেউ না, কারন টেপী, রেশমা আর মিতু আসলে একজনাই। গল্পে ফুঁটে উঠেছে তার হাহাকার, তার আশপাশের মানুষগুলোর পাওয়া না পাওয়ার কথা। ফুঁটে উঠেছে মবিনের কথা, যার আয় বলতে প্রাইভেট টিউশনি, কাজ ইন্টার্ভিউ দেয়া, যাকে নিয়ে মিতু স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার। আছে মিতুর বোন ঝুমার কথা, যে ভবিষ্যতের সুখের স্বপ্ন দেখে। আর আছেন মোবারক সাহেব, যিনি অবাক হতে ভুলে গেছেন, ভুলে গেছেন জীবনটাকে উপভোগ করতে। তিনি জীবনকে আকর্ষণীয় করতে চান মিতুর মাধ্যমে, অথবা বলা যায় রেশমা বা টেপীর মাধ্যমে। কিন্তু আসলে কি হয় তাদের? মীতু, মবিন বা মোবারক সাহেবের? যা চায় তারা কি পায় তা, না জীবনের কাছে পরাজিত হতে হয়?
56 reviews75 followers
February 22, 2017
গল্পের নায়কের মতো এক বুক বিশুদ্ধ ভালোবাসা নিয়ে, কাউকে ভালোবাসতে খুব ইচ্ছে করে। টেপি, রেশমা,মিতু তিন নামধারী এক নারীর মতো মেয়েকে কিভাবে এত ভালোবাসা সম্ভব!
যদি না সেটা বিশুদ্ধ ভালোবাসা হয়ে থাকে!
Profile Image for Nabila Progya.
48 reviews20 followers
September 16, 2024
হুমায়ুন আহমেদের লেখায় কেমন যেন এক মন খারাপ কাজ করে। এই বইও তার ভিন্ন নয়। ছোট্ট একটা বই। একদিন বা এক বসায় শেষ করার মতো একটা বই।

গল্পের কথায় আসি। তিন নাম,এক মেয়ে,তিন চরিত্র ব্যাপারটা কেমন না!?হ্যাঁ, গল্পের মেইন চরিত্র যে মেয়েটি তার তিন নাম যা জায়গা বিশেষে একেক নাম ব্যবহৃত হয় একেকভাবে। এই মেয়েটি ফিল্মে কাজ করতো এক্সট্রা গার্ল হিসেবে। ঐ কাজটা সমাজে কেমনভাবে দেখে তাও হুমায়ুন আহমেদ খুব ভালোভাবে তুলে ধরেছে। মেয়েটির আবার আর্থিক অস্বচ্ছলতা। ওর প্রেমিক মবিন সেও যে কিনা খুব কষ্টে দিন পার করে। মেয়েটির পরিচয় হয় এক ধনী ব্যবসায়ী মোবারক সাহেবের সাথে। মোবারক সাহেব যার টাকা-পয়সা হিসাবের বাহিরে। সেই থেকে মেয়েটির জীবনে কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে।

গল্পে হুমায়ুন আহমেদ নিম্নবিত্তদের জীবন যেমন তুলে ধরেছে তেমনি স্ট্রিটগার্ল,এক্সট্রা গার্ল ওদের কেমন দৃষ্টিতে দেখা হয় তাও দেখিয়েছে। গল্পের শেষটা হয়তো একেকজনে মতামতে একেকরকম ধরা যাবে। কেউ হয়তো শেষটাকে খুব আবেগ-ভালোবাসার চোখে দেখবে আবার কেউ হয়তো ভিন্নমত পোষণ করবে।
হয়তো লেখক পাঠকদের উপর ছেড়ে দিয়েছে কে কেমনভাবে নেয়।

গল্পটা বেশ ভালোই। পড়েও মজা পাওয়া যাবে। আমার মাঝে এক মন খারাপ কাজ করেছে পুরো গল্পজুড়ে।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
June 4, 2024
আমি ভেবেছিলাম এটা ওনার আত্মজীবনী টাইপ কোনো বই হবে। পড়তে নিয়ে দেখি এমন কিছু না। অনেক মাস যাবত আমি রিডিং ব্লকে আছি, এমন একটা বইয়ের দরকার ছিলো যা পড়লে মন ভালো হয়ে যাবে। আবারও পড়ার আগ্রহ আসবে। বইটা সম্পর্কে না জেনে শুরু করে ভালোই করেছি। শেষটা চোখের কোণে পানি চলে এসেছে। হুমায়ূন আহমেদের সব বই কিন্তু চোখে পানি আসার মতো না। কিছু সংখ্যক বই আছে, যা বারবার পড়লেও খারাপ লাগবে না। একশো বার পড়লেও বইটার প্রতি আবেগ একই থাকবে। এই বইটা আমি আবারও কোনো একসময় পড়বো।

মবিন মিতু নিশ্চয় সুখে আছে। ঝুমুরেরও কোনো ভালো ছেলে দেখে বিয়ে হয়েছে। মোবারক সাহেবও নিশ্চয় আত্মহত্যা করেন নি, এ নিয়ে আর চিন্তাই করেন নি। এমনটা নিজে নিজে ভেবে ফেলেছি। ভাবতে তো ক্ষতি নেই!
Profile Image for Aatrolita George.
49 reviews13 followers
August 14, 2022
হুমায়ুন আহমেদের গল্পে একজন পতিতা থাকবে, তার দুঃখের কাহিনী থাকবে।
এই এক জিনিস বার বার ভালো লাগেনা।
Profile Image for Uzzal Orpheus.
64 reviews8 followers
April 11, 2022
বাড়ির নাম মিতু, এফডিসি যেখানে সে বিভিন্ন সিনেমায় এক্সট্রার চরিত্রে নাচগান করে সেখানে তার নাম রেশমা আর রাতের জগতে নাম টেপী। মিতুর বোন ঝুমুর, ভাই জেলে, বাবা মৃত, মা সাহেদা, সংসারে তীব্র অভাব। মিতুর প্রেমিক মবিন। এছাড়া অন্যতম একটা চরিত্র মোবারক সাহেব, বিশাল ধনী, আত্মহত্যা প্রবণতা আছে, মিতুর রাতের সংগী। গল্পের শেষে মিতু মোবারক সাহেব কে বলবে মবিনের জন্য একটা ভালো চাকরী যোগাড় করতে এবং মবিন কে তার রাতের জগতের কথাও জানাবে এবং মবিনের সুখী জীবনের আশাবাদ ব্যক্ত করে চলে যাবার উদ্যোগ নিবে। তারপর মবিন গিয়ে মিতু��� হাত ধরবে এবং পাঠক কনফিউজড হয়ে যাবে এই ভেবে যে, 'মিল কি হলো শেষমেষ নায়কনায়িকার'? তবে এই গল্পে আমার প্রিয় ক্যারেক্টার ছিল ঝুমুর।
Profile Image for Swarna.
136 reviews2 followers
March 7, 2020
হুমায়ূন আহমেদের মত মধ্যবিত্ত জীবনকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে কম লেখককেই দেখেছি। সর্বোচ্চ রকমের প্রতিকূলতার মাঝেও কেমন করে নার্ভ শক্ত করে রাখতে হয় তা মিতুর কাছে আরেকবার শিখেছি। মিতু-মবিনের ভালোবাসা সত্যিই অভিভূত করেছে। টিকে থাকার লড়াইয়ে দুজনেই বিধ্বস্ত তবুও কে কাকে বেশি সাহায্য করবে তা নিয়ে যে প্রতিযোগীতা এমন বাস্তবে আসলেই হয় কিনা জানতে ইচ্ছে করে! মোবারক সাহেবের মাধ্যমে দেখিয়েছেন অর্থ থাকলেও একটা মানুষ কতটা অসুখী। সেই যে যার জীবনে কোন ইচ্ছে অপূর্ণ থাকে না সে মানুষ বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই হারিয়ে ফেলে-এ ত্বত্তের সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে মোবারক সাহেবের জীবনে। ঝুমুরের জন্যও অনেক মায়া লাগছিল। কিশোর বয়সী একটা মেয়ের স্বপ্নালু চোখে দারিদ্য কতটা বিভীষিকাময়! বাস্তব জীবনের কষ্টকে সে ভুলিয়ে রাখে কল্পনা দিয়ে। তাই তো কখনো সে রাজকুমারী কিংবা কখনো বিরাট ধনীর কন্যা! সর্বোপরি শেষটা ভালো লেগেছে যদিও আমি ভেবেছিলাম অন্যরকম হবে।
বইটা অনেক দিন আগে পড়তে গিয়েও পড়া হয়নি। তখন শুরুটা ভালো লেগেনি তাই ভেবেছিলাম পরে পড়ব। সেই পরে টা অবশেষে প্রায় কয়েক বছর পরে এল। হয়তো ভালই হয়েছে তখন পড়লে যতটা ভাল লাগত এখন মনে হচ্ছে আরো বেশি ভাল লাগলো।
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews136 followers
August 4, 2016
জীবনের নির্মম বাস্তবতা আর চারপাশের সমাজ নামের বিষাক্ত স্বত্তার নিঃশ্বাসের মাঝেও কিছু মানুষ তাঁর স্বপ্নকে আগলে রাখে। বেঁচে থাকার তাগিদে ধরতে হয় ভিন্ন ভিন্ন রূপ । বেঁচে থাকার জন্য কখনো লালসার থাবার নিচে হতো হয় বেশ্যা, কখনো নিজের চোখে নিজেকে হারিয়ে হতো হয় আধার আমাবস্যা। কখনো টেপী হতে হয়, কখনো রেশমা হতে হয় আবার কখনো নিজের আপন পৃথিবীতে মিতু হয়ে ফিরে আসতে হয়। তবুও বাঁচতে ইচ্ছে করে, ভালোবাসা পেতে ইচ্ছা করে। মানুষ তো। জীবন যতই নির্মম হোক তবুক মানুষকে তাঁর আবেগ, স্বপ্নগুলো পশু হতে দেয় না। মানুষ করে রাখে। আর সেই সংগ্রামের আকাশে কোন একদিন সৌভাগ্যের চাঁদ ঝিমমিক করে। আর এই ব হুরূপী বেঁচে থাকার গল্পটা বেশ নিপুণভাবে উপস্থাপন করেছে লেখক।

খামখেয়ালী চিন্তা আর বাস্তবতার প্রহারের এক অদ্ভুত যুগলবন্দী করেছেন লেখক বইটিতে আর লেখকের আর পাঁচটি হতে লেখাটিকে আলাদা করেছে :)


Profile Image for Dystopian.
440 reviews238 followers
September 30, 2022
বই এর শেষে কি গল্প কখনো শেষ হয়? হয়তো হয়, কিন্তু পেন্সিলে আকা পরী শেষ হয়নি, শুধু পেন্সিলের হাত টা পরিবর্তন হয়েছে। গল্প চলবে আপনার মনের ভেতরে, আপনার আবেগ আর বাস্তবতার সাপেক্ষে। হতে পারে তা বহু মুখী, হতে পারে তা বাস্তবহীন ফ্যান্টাসির জগৎ।
3 reviews
September 18, 2021
damsel in distress story. good build up.happy ending but could traumatize you for life.
Profile Image for Ferdous Ahammed.
17 reviews
February 16, 2023
দারুন একটা বই।সমাজের যাপিত জীবন নিয়ে লেখা গুড কালেকশন! এক বসাতেই পড়ার মতো বই।আমাদের সমাজে হাজার ঢেপি বাস করে যাদের পরিবারের সবাই মিতু নামেই জানে।
Profile Image for Sababa  Tasnim Kabbo.
5 reviews14 followers
Read
August 21, 2023
সুখের সংজ্ঞা আসলে কী? একটা মানুষ কখন নিজেকে সুখী দাবী করতে পারে? জীবনে পুরোপুরি ভাবে সুখী হওয়া কি সম্ভব আদৌ? কতটা সফল হলে একজনকে সুখী মানুষ বলা যায়?

মোবারক হোসেন, একজন অসম্ভব ক্ষমতাবান ব্যবসায়ী। অর্থ, নাম, যশ, খ্যাতি কোনো কিছুরই অভাব নেই তার।
তবুও সুখ নেই মোবারক সাহেবের। কীসের যেন একটা অভাব। সফলতার শীর্ষে থেকেও প্রায়ই তার ইচ্ছে হয় তিন তলা থেকে ঝাঁপ দিতে। সুখের আশায় অনেক নিম্নস্তরের কাজও করেন তিনি।
তার সুখী হওয়ার চেষ্টার এমনই এক উপাদান টেপী নামের এক দেহ ব্যবসায়ীনি ।
অদ্ভুত এক চরিত্র এই টেপী। যে একই সাথে তিন চরিত্রে অভিনয় করছে তার জীবন মঞ্চে। তিনটে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বত্তা বাস করছে মেয়েটার মাঝে।
টেপী ছাড়াও তার বাকী দুটো স্বত্তা রেশমা আর মিতু।
মিতু এক অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে। বাবা মারা গেছে। বড় ভাই খুনের দায়ে জেল খাটছে। মা আর ছোট বোনকে নিয়ে মিতুর সংসার। এত কষ্টের মাঝেও মিতুর বেঁচে থাকার একমাত্র কারণ বড় ভাইয়ের বন্ধু "মবিন ভাই"।
মবিন ভাই নিজেও দরিদ্র। টিউশনি করে জীবন চালান। সেই টিউশনিও প্রায়ই হাতছাড়া হয়ে যায়। তখন দিনের পর না খেয়ে পার করতে হয়। মবিন ভাইয়ের জীবনের একমাত্র স্বপ্ন কোনো এক চা বাগানের ম্যানেজার হওয়ার। কোনো একদিন হয়ত মিতুর সাথে মবিন ভাইয়ের বিয়ে হবে,সুখের সংসার হবে তাদের।
এই মিতুই আবার সংসারের খরচ চালানোর জন্য হয়ে ওঠে সিনেমার এক্সট্রা মেয়ে — রেশমা।
রেশমার সাথে টেপীর কিছুটা ভাব থাকলেও টেপী আর মিতুর পৃথিবী পুরোপুরি আলাদা, কেউ কাউকে চেনে না।
সিনেমার জগৎ থেকে ফিরে প্রায়ই মিতু মবিন ভাইকে টেপীর গল্প বলে। শুধু মিতু তখন ভুলে যায় রেশমার "বান্ধবী" টেপিটা আসলে কে।

মোবারক সাহেবের সুখের সন্ধানে প্রায়ই ডাক পড়ে টেপীর। টেপী নানারকম ফাজলামো করে মোবারক সাহেবের সাথে যা মিতুর পক্ষে অসম্ভব। মোবারকের মত মানুষদের জন্য সে শুধুই টেপী। তার মিতুস্বত্তা একমাত্র মবিন ভাইয়ের জন্য। মিতুর অস্তিত্ব কখনো খুঁজে পাবে না মোবারক সাহেব ;মিতু পেতে দেবে না।
তবুও মিতুর জীবনের অংশ মবিনের জীবনে আসে কিছু নতুন মোড়, শেষ হয় না খেয়ে থাকার দিন।
কিন্তু, কীভাবে? মিতুরই বা শেষ পর্যন্ত কী হবে?
টেপি, রেশমাকে ছাপিয়ে তার "মিতু" জীবনটাই কি একমাত্র সত্যি হিসেবে থাকবে মবিন ভাইয়ের কাছে?
মোবারক সাহেব কি কখনো পাবেন তাঁর সত্যিকারের সুখের সন্ধান?
কে জানে! কিছুই বলা যায় না নিশ্চিতভাবে। কারণ লেখক নিজেই বলেছেন, "এই জগতের কোনো কিছুই নিশ্চিতভাবে নেওয়া ঠিক না। জগতের কোনো কিছুই নিশ্চিত নয় "

আমাদের সমাজের মোটামুটি অচ্ছুৎ অংশ "টেপী" র মত মেয়েরা। আমরা ভুলে যাই তাদেরও হয়ত মিতুর মত একটা জীবন আছে। তারাও কারোর মেয়ে, বোন কিংবা প্রেয়সী। পরিবারের জন্য, প্রিয় মানুষগুলোর জন্য নিজের সর্বোচ্চ ক্ষতি করতেও "টেপী" রা পিছপা হয় না —এ উপন্যাসে লেখক বারবার সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছেন।
মোবারক সাহেবকে আপাতদৃষ্টিতে একজন খারাপ মানুষ মনে হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে শ্রদ্ধা করতে বাধ্য হতে হয়।
এক দেহ ব্যবসায়ীনির জীবনের সংগ্রাম, তার স্বপ্ন আর জীবনের বিভিন্ন মোড় —সব মিলিয়ে অসাধারণ এক উপন্যাস ❤

বই : পেন্সিলে আঁকা পরী
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
Profile Image for Tisha.
205 reviews1,121 followers
April 14, 2025
হুমায়ূন আহমেদের লেখা যতগুলো বই আমি এ পর্যন্ত পড়েছি, সেগুলোকে আমি মোটামুটি তিনটা ভাগে ভাগ করতে পারি। ১. ওনার শুরুর দিকের লেখাগুলো, যেগুলোতে মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অভাব অনটন মূল বিষয় হিসেবে উঠে আসতো। ২. মাঝের দিকের বইগুলো, যেগুলোতে অসম প্রেম ভালোবাসার গল্প খুব বেশি প্রাধান্য পেত।৩. একদম শেষের দিকের লেখাগুলো, যেগুলো না লিখলেও চলতো বলে মনে হয় আমার! এই বইটা আমার লিস্টের প্রথম গ্রুপের সদস্য। উত্তরাধিকারসূত্রে আমি বই কিংবা বই পড়ার অভ্যাস কোনটাই পাই নি। বাসায় মানুষ বলতে আমি আমি আর বাবা-মা। তাদের বই পড়ার অভ্যাস না থাকলেও, কিনে দিতে কোনদিন নারাজ হননি।তবে এই বইটার যে প্রায় ছেঁড়া একটা কপি আমার কাছে আছে, সেটা আমি কিনি নি। আমার ছোট মামা অনেক আগে আমাদের বাসায় থাকতেন। তারই কেনা ছিল খুব সম্ভবত। সেই আঠারো উনিশ বছর আগের কথা! মামা অন্য জায়গায় চলে গেলেও এই বইটা থেকে যায় আমাদের বাসায়। তখন সবেমাত্র ডিজনির বইগুলো পড়া শুরু করেছি। এর মাঝে একদিন এই বইটা খুঁজে পাই। দুই পাতা পড়েই আমার মনে হয়, “ইশ! কি বাজে বই! এগুলো মানুষ পড়ে নাকি!” সেই কথা মনে হলে এখনও হাসি পায়। তারপর বড় হলাম একটু। বই পড়ার অভ্যাস হল। বইটা আবার পড়া শুরু করলাম। পড়ে ভালো লাগলো, বেশ ভালো লাগলো। এই বইটা মনে হয় আমি সবচেয়ে বেশিবার পড়েছি! খুব অসাধারণ কোন কাহিনী না বইয়ের, তবুও অনেকবার পড়া। এতবার পড়ার পেছনে অবশ্য একটা কাহিনী আছে। বইয়ের অনেক অংশে খুব সুন্দর করে একদম সাধারণ কিছু খাবারের বর্ণনা দেওয়া আছে। মবিন নামের ছেলেটার মেসে তার ছাত্রীর বাসা থেকে যে খাবার আসতো সেসব খাবারের বর্ণনা। ঐ বয়সে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে বেশ ঝামেলা করতাম আমি! তো যেদিন বাসায় রান্না করা খাবার-দাবার আমার পছন্দ হতো না, ঐদিন আমি খাওয়ার সময় সেসব অংশ বের করে পড়তাম আর খেতাম! ছোটবেলার হাস্যকর কাজকর্ম! :v যাই হোক, এসব ছোটখাটো স্মৃতির জন্যই বইটা পছন্দের। অবশ্য হুমায়ূন আহমেদের পুরনো লেখাগুলো পড়তে খুব একটা খারাপ লাগে নি কখনোই! :)
Profile Image for নীতু.
22 reviews4 followers
February 3, 2024
সমাজের যে কুৎসিত ব্যাপারগুলোকে খুব সহজ দৃষ্টিকোণে চাইলেও দেখা সম্ভব নয় - হুমায়ুন তার লেখনীতে সেই দৃষ্টিকটু ব্যাপারগুলোকেই বরাবরের মতো তুলে আনতে সক্ষম হয়েছেন এই গল্পে। একজন সামান্য সিনেমার এক্সট্রা নায়িকা "রেশমা" চরিত্রকে নিয়ে কাহিনি শুরু হলেও এই একই মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কখনো তার আরেক রূপ "মিতু" কিংবা "টেপী" ' র মাধ্যমে। অন্যদিকে মোবারক নামক চরিত্রের মাধ্যমে লেখক সার্থকভাবেই তুলে ধরেছেন, স্ত্রী, গাড়িবাড়ি কিংবা সম্পদের পাহাড় থাকলেও কি অদ্ভুত ধরণের বিষন্নতায় বসবাস করেন সমাজের মোবারকরা, দিনশেষে টেপীর মতো মানুষের কাছেই সমস্ত কাকুতিমিনতি প্রকাশ পায়।
Profile Image for Gazi  Mohammad  Rudro.
4 reviews
May 29, 2025
So, I just finished this book—Pencile Aka Pori by Humayun Ahmed. And let me tell you, it’s not your typical feel-good story. The main character—Mitu, or Reshma, or Tapie—she’s living a life that’s basically a high-wire act without a net. You know, by day she’s trying to survive, by night… well, let’s just say it’s complicated. And the thing is, you keep wondering, why are we all so desperate just to stay alive? I mean, বেঁচে থাকা তা কি খুব গুরুত্বপূর্ণ? —Is living really that important if you’re just drifting through pain and pretense?
Profile Image for Ahsan Kabir.
15 reviews1 follower
March 18, 2020
মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা মেয়ে নাম মিতু। তার জীবনের প্রয়োজনের তাগিদে সে কখনো মিতু কখনো রেশমা কখনো বা টেপি নাম ধারণ করে। এক একটা নামের এক একটা চরিত্র।রেশমা ভালোবাসে সিনেমা জগৎকে মিতু ভালোবাসে মবিনকে এবং টেপি মেয়েটা ভালোবাসে এই জগতের সকল পুরুষ কে। তবুও জীবন সংগ্রামে পিছিয়ে না থেকে এগিয়ে গিয়েছে। আর অন্যদিকে মবীন সবকিছু জেনেও তার হাতটা ধরে কান্না মাখা মুখটিকে ঘোমটা দিয়ে ঢেকে তার কল্পনায় পেন্সিল দিয়ে মিতু নাম টি এঁকেছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Mahbuba Ahmed Roje.
4 reviews3 followers
December 18, 2020
বইটা প্রথম পড়েছিলাম কিশোরী বয়সে। রোমান্টিকসিজমে টইটম্বুর মন ছিল। টেপী-রেশমা-মিতুকে ভালো বুঝিনি তখন। ঝুমুরের মতোই আমার কল্পনাপ্রবণ মন মবিনের মতো কাউকে নিয়ে কল্পনা করেছে। যে কখনওই চারদিকের বিপুল অন্ধকারে আমাকে মিশে যেতে দেবে না, ঠিক লজ্জা ভেঙ্গে হাতটা ধরে ফেলবে!
এই বুড়ো বয়সে পড়তে বসে প্রতিটা চরিত্রকে কাছ থেকে দেখলাম। লেখক জাদু জানেন এ বিশ্বাস আমার এখনও বহাল আছে, তীব্রভাবেই আছে। নইলে কেন এখনও অতি সাধারণ এই কাহিনিগুলো এত গভীরভাবে নাড়া দেয়!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books91 followers
September 18, 2021
বইটা অনেক আগে পড়েছিলাম। এবার আবারও পড়ার সময় কাহিনী ভাসা ভাসা মনে পড়ছিলো। যাই হোক, বইয়ের মূল চরিত্র মিতু, যে কিনা চলচ্চিত্রে এক্সট্রা হিসেবে কাজ করে। একজন এক্সট্রার ইনকাম দিয়ে সংসার চলে না, তাই মিতুকে এর বাইরেও অন্য কাজ করতে হয়। সেই সময়গুলোতে সে "টেপী" ছদ্মনাম ধারণ করে। মবিন নামের একটি ছেলে মিতুকে ভালোবাসে, কিন্তু তার এই কর্মকাণ্ডগুলো সম্পর্কে সে কিছু জানে না। মিতুর ভাই রফিক খুনের দায়ে জেল খাটছে। কে, কেন খুন করেছে, বইতে এসব বিস্তারিত বলা নেই।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
339 reviews45 followers
November 21, 2024
হুমায়ূন আহমেদের একটা উপন্যাস পড়েছিলাম "জনম জনম", মজার বিষয় হচ্ছে দুইটা উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের মাঝে দারুণ কিছু মিল রয়েছে। উভয় মধ্য রাএে নিশিকন্যা হয়ে যায় নাম বদলে এবং তারা এক বড়লোকের সঙ্গী হয় এবং ঘটনাক্রমে সেই বড়লোক তার ভাগ্য বদলে দেয়! ট্রাস্ট মি দুইটা উপন্যাসেই একই গল্প।
Profile Image for Saif Khan Pathan.
47 reviews
January 8, 2025
বইটা শেষ করার পর একটা কথাই মুখ দিয়ে বের হইছে। ”শাবাশ হুমায়ূন!!" জানি দেখতে শুনতে খারাপ লাগছে তবুও....
এর আগে টানা তিনটা বই পড়ছি। সবগুলোতে শেষের দিকে ধাক্কা খেয়েছি। অতঃপর হ্যাপি এন্ডিং হলো। মিতু তার মানুষকে নিয়ে থাকুক সেই আশায় থাকি।
Profile Image for Ishtiyak Fahmi.
133 reviews24 followers
March 15, 2025
কিছু বই থাকে যেগুলো পড়লে অনেকক্ষণ মন খারাপ করে বসে থাকা যায়। এটাও তেমনই একটা বই!

কি নেই এই বইয়ে? দারিদ্র্য পরিবার, অভাব-অনটন, কোটিপতি ব্যবসায়ী,প্রেম -ভালোবাসা, মায়া সব!

এই লেখাগুলো একমাত্র হুমায়ূন আহমেদের দ্বারাই সম্ভব, যা অনন্তকাল ধরে চলতে থাকলেও পড়ে ফেলা যায়।
Displaying 1 - 30 of 57 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.