Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
ভূমিকা
ঈদ সংখ্যা বিচিত্রায় এই লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গ্রন্থবদ্ধ করার আগে বেশকিছু রদবদল করা হয়েছে। আমার ইচ্ছা ছিল প্রখর সূর্যালোকে জোছনার গল্প বলব। চেষ্টা করেছি প্রাণপণ। কতটা পারলাম বুঝতে পারছি না।
হুমায়ূন আহমেদ
নিউ এলিফেন্ট রোড, ঢাকা।
১লা বৈশাখ ১৪০০ সাল

78 pages, Hardcover

First published January 1, 1993

Loading...
Loading...

About the author

Humayun Ahmed

454 books3,102 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
93 (13%)
4 stars
235 (33%)
3 stars
265 (38%)
2 stars
83 (11%)
1 star
17 (2%)
Displaying 1 - 30 of 51 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,148 reviews1,215 followers
February 4, 2020
উপন্যাসের থেকে ছোট উপন্যাসিকাই বলা যায়। আবার হুমায়ুন আহমেদের খুব বেশি ভালো লাগার বই গুলোর মতো নয়। ছোট একটা বই পড়তে তেমন সময়ই লাগেনি। শুরু আর শেষ করেছি মনে হলো। মোটামোটি ভালোই লেগেছে। খুব বেশি প্রিয় বা মনে দাগ কেটে থাকার মতো কিছু নেই। গল্প পড়েছি বুঝেছি আর ভুলে গেছি এরকম টাইপের গল্প । কোন রকম ঘোর লাগা বা চমকে যাওয়ার মতো কিছু পাই নি। তবে ঝামেলার সময় কিছুটা ভয় পেয়েছি ।

মনজুর আর রেবেকা স্বামী স্ত্রী। তাদের একটি কন্যা সন্তান আছে নাম নীতু। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ততটা ভালো নয়। তবে সেটা বুঝার উপয় নেই। ভেতর দিককার কিছু দন্ধ তাদের, যা বাইরে প্রকাশিত হয় নি । যাই হোক নীতুর বাবা ব্যস্ত থাকেন কাজ নিয়ে, নীতুর মা আর নীতু প্রায় সময়ই বাইরে বেরাতে যায়। সে ব্যপারে তাদের সঙ্গী হয় মনজুরের বন্ধু জহির। জহির বিপত্নীক। দ্বিতীয় বার বিয়ে তা করেন নি। ভ্রমন করাই এখন তার নেশায় পরিনত হয়েছে। খুব ভোর সকালে শব্দ শুনে মনজুর জেগে উঠলেন। কিছু সময় পার হয়ে যাওয়ার পর টের পেলেন, নীতুদের আজ কোথায় জানি ঘুরতে যাওয়ার কথা। রাত থাকতে রেবেকা কে রেডি হতে দেখলেন তিনি । আজ তারা রামসাগর দেখতে যাবে। তিনি তাদের সাথে যাবেন না। এ কারনেই নীতুর মন খারাপ। শেষ মুহূর্তে নীতুর কথা ভেবেই মনজুর রাজি হয়ে গেলেন। বাবা যাবে জেনে নীতুও বেশ খুশি হলো। ভোর বেলায় তারা রওনা দিলেন।

গাড়ি ছুটলো ঢাকা আড়িচা রোড ধরে। কিন্তু পথের মাঝেই ঝামেলা সৃষ্টি হলো। গাড়ি পরলো জ্যামে তা থেকে বের হবার কোন রাস্তা নেই। কিছুটা এগিয়ে গিয়ে জানা গেলো গাড়ি চাপা পরে দুটো শিশু মারা যাওয়ায় কিছু বাজে মানুষ এটাকে ইস্যু করে গন্ডগোল পাকাতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে। রাজনৈতিক কোন্দল শুরু হয় । শুরু হয় গাড়িতে, টায়ারে আগুন লাগানো। একের পর এক ভাঙ্গচুর। এসবের ভীড়ে মনজুরের কাজ ছিলো অবাক করার মতে। এই ঝামেলার মাঝেই নীতু তার মা আর বাবার অবস্থানটা সচ্ছ চোখে দেখতে পায়। এতে যে জহির এবং তার মৃত স্ত্রীর কিছুটা সম্পর্ক আছে তাও সে আন্দাজ করতে পারে। যাই হোক কি ছিলো তাদের সকলের এই দূর্ঘটনার শেষ পরিনতি!অবশ্যই পড়তে হবে। 😍
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
266 reviews86 followers
August 5, 2025
প্রতিটা মানুষের ভিতরই আরেকটা মানুষ থাকে, সেই মানুষটাকে আমরা কজনই বা দেখতে পারি?
Profile Image for Tasnima Oishee.
143 reviews38 followers
October 2, 2021
কাহিনি জমতে জমতেই কাহিনী শেষ! :)
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
494 reviews89 followers
November 10, 2024
লেখকের বুঝি খুব তাড়া ছিল। অন্য কোন বড় উপন্যাসিকা হয়ত লিখছিলেন, ব্রেক টাইমটায় রেস্ট না নিয়ে এই বইটা লিখে ফেলছেন!
উপন্যাসের শুরুটা মোটামুটি ছিল, এরপর একটা পরিবেশ সৃস্টি করেন, যখনই সবকিছু জমজমাট তখনই উপন্যাসের ইতি টেনে দিলেন কারণ তার ব্রেক টাইম শেষ, অন্যটা লিখতে হবে। 🤦‍♂️
Profile Image for Shanzana Shaharin Zaman.
25 reviews6 followers
March 4, 2018
'আগামীকাল রাত ঠিক একটার সময় তুমি যেখানেই থাকো আকাশের চাদেঁর দিকে তাকাবে। '
'কেন?'
'ঐ সময়ে আমিও রামসাগর থেকে চাঁদের দিকে তাকাবো। এবং মনে মনে ভাববো তুমিও তাকাচ্ছো। মনে থাকবে বাবা?'
Profile Image for Dystopian.
526 reviews297 followers
December 15, 2025
পড়লে প্রথমেই লাগে, গল্পটা একধরনের নরম মায়ার মধ্যে বাঁধা। চরিত্রগুলো যেন জীবন্ত, তাদের ভালোবাসা, কষ্ট আর আশা পাঠকের সঙ্গে সহজে জড়িয়ে পড়ে। হুমায়ুন আহমেদ এই উপন্যাসে সম্পর্ক আর আবেগকে খুব প্রাকৃতিকভাবে দেখিয়েছেন—কোনো বাড়তি নাটকীয়তা নেই, কিন্তু অনুভূতি তীব্র।

বইয়ের গতিও দারুণ স্বাভাবিক; কখনো মন হুট করে থমকে যায়, কখনো ধীরে ধীরে এগোতে থাকে। শেষটা নাটকীয় না হলেও, সেই শান্ত বাস্তবতা বইটিকে আরও সুন্দর করে তোলে।
Profile Image for Zubayer Ahmed.
111 reviews5 followers
February 15, 2026
বাসে বসে পড়া বই। কাহিনীর গতিময়তা কম মনে হয়েছে। ফোকাস টিপিক্যাল। তবে এ বইয়ের চরিত্রগুলো স্ট্রং। এ দিকটা বেশ ভালো।
Profile Image for Anika Tabassum .
89 reviews31 followers
November 1, 2025
এটা হুমায়ূন আহমেদের ভালো উপন্যাস বলা যায়! কোনো লুতুপুতু ভবঘুরে পুরুষের বর্ণনা নেই, এর জন্যই বোধহয় ভালো লাগলো। অবশ্য শেষের দিকে মব জাস্টিস কে জাস্টিফাই করা হয়েছে:)
Profile Image for Sadiya Siddika.
14 reviews6 followers
November 10, 2020
জল জোছনা
হুমায়ূন আহমেদ
পার্ল পাবলিকেশন্স

সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনাঃ
রেবেকা তার আঠারো বছরের মেয়ে আর স্বামী মনজুরের স্কুলের বন্ধু জহিরের সাথে বেড়াতে যাবেন বলে ঠিক করলেন। অতি ব্যস্ত মনজুর যাবে না যাবে না বলেও শেষ পর্যন্ত একমাত্র মেয়ের কথায় ব্যাগ গোছাতে রাজী হলেন।
স্কুলের বন্ধু জহির ঠিক করলেন তারা জোছনা দেখবে। গাড়ি নিয়ে বের হতেই এক সময় জটিল পরিস্থিতিতে পড়েন মনজুর সাহেবের পরিবার। দুটো বাচ্চা রোড এক্সিডেন্ট করে মারা যাওয়ায় রাস্তা ব্লক করে রেখেছে। এই অবস্থায় ঢাকা ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোন রাস্তা যখন পাচ্ছিলো না ঠিক তখন রেবেকা মনজুরকে এক অদ্ভুত সিদ্ধান্তের কথা জানান। কিন্তু স্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত ঠিক স্বাভাবিকভাবে নিতে না পারলেও দেখলেন আসলেই তার ভুল ছিল। করে রেখেছে। এই অবস্থায় ঢাকা ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোন রাস্তা যখন পাচ্ছিলো না ঠিক তখন রেবেকা মনজুরকে এক অদ্ভুত সিদ্ধান্তের কথা জানান। কিন্তু স্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত ঠিক স্বাভাবিকভাবে নিতে না পারলেও দেখলেন আসলেই তার ভুল ছিল।
জহির নামের সেই বন্ধু, যার স্ত্রী মারা গিয়েছে আজ থেকে আরো বছর কয়েক আগে। কিন্তু কোন এক কারণে রেবেকা সন্দেহ করছেন মনজুর জহিরের স্ত্রীকে পছন্দ করতেন। কিন্তু কেন তার এই ভাবনা এলো সে কথা এক সময় মনজুুর নিজেই স্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এদিকে রোড ব্লক হওয়ার পর পরিস্থিতি এতোটাই বিগড়ে যায় যে মনজুর পদক্ষেপ নেন তিনি কাজটা সত্যিই করবেন। এতো গণ্ডগোলের মধ্যেও যেনো রেবেকা রোবটের মতো এক যন্ত্রমানবকে চমৎকার একটি মানুষের ছায়া দেখতে পান। কে জানে পৃথিবীর নিয়মই হয়তো এমন!

হুমায়ূন আহমেদের এই অত্যন্ত ছোট পরিসরে লেখা উপন্যাসটি ছোট হলেও শেষ পর্যন্ত একটা গল্প রেখে যায়, যে গল্পটি রবীন্দ্রনাথের কথার মতোই, "শেষ হইয়াও হইলো না শেষ!" আমি এতো ছোট বইয়েও এতো অদ্ভুত সুন্দর গল্প উঠে আসবে ভাবিনি। খুব সাদামাটা মনে হলেও একটা বিষাদের ছাপ ফেলে দিয়ে যাবে।
Profile Image for Raihan Ferdous  Bappy.
312 reviews24 followers
July 24, 2026
শেষ করলাম জল জোছনা। হুমায়ূন আহমেদের আর পাঁচটা নভেলার আবহের মতো আবহ দিয়েই শুরু হয় এই বই। ছোট বই। এক বসাতেই চাইলে শেষ করে ফেলতে পারবেন।

উপন্যাসিকার কেন্দ্রে আছে মনজুর নামের একজন ধনী ব্যবসায়ী। সে তার কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত যে নিজের পরিবারকে তেমন সময় দিতে পারেন না। এই নিয়ে স্ত্রী রেবেকা তার প্রতি যারপরনাই বিরক্ত ও নাখোশ। ফলে তাদের দাম্পত্য জীবনে একটা দূরত্ব তৈরি হয়।
মনজুরের বন্ধু জহির রেবেকা ও মনজুরের মেয়ে নিতুকে প্রায়সময়ই ঘুরতে যায়। তবে এইবার তাদেত সাথে মনজুরও যাবে বলে ঠিক হয়। এই ভ্রমণই উপন্যাসিকার মোড় অন্যদিকে ঘুরে দেয়। তারপর কি হয় জানতে হলে পড়ে ফেলুন বইটা।

হুমায়ূন আহমেদের যেকোনো বইয়ের সবচাইতে শক্তিশালী দিক হলো লেখনী। সহব ভাষাতেই তিনি সবকিছু খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে লিখেন। এই বইয়ের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। একদম চমৎকার।

তবে বইটার প্লট আমার কাছে বিশেষ কিছু মনে হয়নি। সাদামাটা গোছের প্লট। মনে দাগ কাটার মতো বিশেষ কিছু না।

সবমিলিয়ে, জল জোছনা নিয়ে খুব বেশি আশা না রেখে পড়বেন। ভালো লাগতেও পারে। অনেকের কাছেই ভালো লেগেছে। আমার কাছে যে খারাপ লেগেছে, তা না। তবে আরো বেশি আশা ছিলো। একবার পড়ার জন্য ঠিক আছে।
Profile Image for Imtiaj Ahmed.
49 reviews
December 29, 2022
শুরুটা খুব ভালো ছিল। চারশ-পাঁচশ পেজের বইয়ে এরকম শুরু সাধারণত থাকে। কিন্তু এই বইটা ৭৮ পেইজে এসে শেষ হয়ে গেছে! বইটা শুধু শুরু হতে চলেছিল! অনেক গুলো জটিলতা একসাথে এগোচ্ছিল কিন্তু শেষে এসে বাংলা সিনেমার মতো কাহিনী শেষ! শীর্ষেন্দু হলে এই জটিলতা মাখন হতো। হুমায়ূন আহমেদ এর বই বলে শুধু গল্প বলে যাওয়া। সহজ ভাষায়। উপন্যাস বলে মনে হয়নি। বড় গল্পের কাহিনী মনে হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যেমন বলেছিলেন, "শেষ হয়েও হইলোনা শেষ!" অনেক গুলো এপিগ্রাম রয়েছে। নতুন শব্দ পেয়েছি কয়েকটা! "Bon Voyage" চারলাইন এর ইংরেজি কবিতা!
"A bag of flower
Spider full of can
Truth is meaningless
To a Gypsy man."
গল্পের ও সব চরিত্রকে(জহিরের কোলে আবির অসমাপ্ত ছিল) টেনে এনে সমাপ্তির জন্য তিন স্টার। এক্সট্রা শব্দ ও কবিতার জন্য একস্টার।🤍
Profile Image for Minhaz .
298 reviews12 followers
January 27, 2023
আরো একটু বড় করে লিখলে কি কোনো ক্ষতি হতো?
Profile Image for Owlseer.
247 reviews17 followers
March 2, 2026
হুমায়ূনের কিছু বই আছে যেখানে তিনি গল্পের চরম মুহূর্তে গল্প ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এটাও সেরকম একটা বই।
Profile Image for Zarin Refa.
3 reviews
March 5, 2019
"রেবেকা, আমার হাত ছাড়। আমাকে যেতে হবে।"
রেবেকা বললেন, "না।"
নীতু বলল, "মা, বাবাকে ছেড়ে দাও।বাবা যাক।"
মনজুর এগুচ্ছেন। নীতু তার মা'কে জড়িয়ে ধরে আছে। নীতু বলল,"আমি যে আমার বাবাকে কতটা ভালবাসি তা কি তুমি জান মা?"
রেবকা বললেন, "জানি।"
রেবেকার চোখ ঝাপসা। তিনি সেই ঝাপসা দৃষ্টিতে দেখছেন - যন্ত্রের মত একজন মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে যন্ত্র নয়। অসম্ভব সুন্দর একজন মানুষ যে লুকিয়ে থাকে যন্ত্রের আড়ালে। হঠাৎ হঠাৎ বের হয়ে আসে।
Profile Image for Shamik.
221 reviews8 followers
November 22, 2020
আমার মনে হয়েছে এই উপন্যাসে লেখক কয়েকটি চরিত্র তৈরী করেছেন। বলা যায় একটি পরিবার, সুখী পরিবার নয়, অসুখী পরিবার। বিত্তের অভাব নেই কিন্তু সম্পর্ক গুলো ছাড়াছাড়া। এবার এই চরিত্রগুলিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এক সম্পূর্ণ অচেনা, আনকমফর্টেবল এক পরিবেশে। সেই পরিবেশে তাদের নিজেদের সম্পর্ক গুলো এক অন্যরকম ইকুয়েশনের মধ্যে দিয়ে যায়। নতুন করে চেনা হয় আগের দেখা চরিত্রগুলো।

বেশ অন্যরকম একটি উপন্যাস। বেশ বোরিং হবে মনে হচ্ছিলো, কিন্তু লেখক অ্যাজ ইউজুয়াল চমকে দিয়েছেন।
4 reviews
June 20, 2022
প্রেক্ষাপট
স্বামী-স্ত্রীর দূরে সরে যাবার গল্প যা সড়ক দুর্ঘটনা এবং এ নিয়ে তৈরি উত্তেজনার মাঝে উন্মুক্ত হয়।

লেখনী
হুমায়ূন আহমেদ এর লেখনী বরাবরের মতই স্বতঃস্ফূর্ত ও সাবলীল। ঘটনার বর্ণনায় তিনি তার সচরাচর দক্ষতা ব্যাবহার করেছেন। তবে গল্পের কোন গভীরতা নেই। সবই আপনাকে ধারণা করে নিতে হবে। বইটি মাত্র ৭৮ পৃষ্ঠার। এর মাঝে দুটি জিনিসকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। একটি একসাথে থকেও স্বামী-স্ত্রীর অপরিচিত হয়ে যাওয়া। আরেকটি সড়ক দুর্ঘটনা ও তা নিয়ে তৈরি উত্তেজনা। তবে কোন ঘটনার বিস্তারিত তেমন কিছু নেই। উপন্যাসটি একটি বড় গল্পের মত।

শুরু
বইটি শুরু হয় একজন পঞ্চাশ বছর বয়সী মানুষ (মনজুর) এর মাঝ রাতে ঘুম ভাঙার মধ্যে দিয়ে। তিনি ব্যাবসায়ী। তার স্ত্রী রেবেকা এবং মেয়ে নিতুর কথাবার্তা ও হেয়ার ড্রেসারের শব্দে তার ঘুম ভাঙে।

কাহিনি সংক্ষেপ
বইয়ের মূল বিষয় স্বামী স্ত্রীর দূরে সরে যাওয়া। যাওয়ার পেছনে খুব বেশি কারণ আমরা দেখতে পাই না। স্বামী মনজুর। স্ত্রী রেবেকা। তাদের একমাত্র মেয়ে নীতু। মনজুর বড় ব্যাবসায়ী। তার হাতে স্ত্রীকে দেবার মত তেমন কোন সময় নেই। তার স্ত্রী কন্যাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় ভ্রমণে যায় তার বন্ধু জহির। জহির লোকটি কেন তাদের সাথে ঘোরে সেটা সম্পূর্ণ পরিস্কার না। তবে সে মনজুরকে অনেক পছন্দ করে সেটা গল্পে দেখানো হয়েছে। মনজুর জহিরের স্ত্রী জোছনার (আসল নাম মীরা। মনজুর তার নাম রেখেছিল জোছনা) প্রেমে পড়েছিল। তবে সেটা সম্ভবত প্রেমে পড়া পর্যন্তই। অন্য কিছুর আভাস পাওয়া যায় না। তবে এটার কারণে রেবেকার কষ্টও আমরা দেখতে পারি। রেবেকা মনজুরের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিলেও বইয়ের শেষ পাতা এই ধারণা দেয় যে সে মনজুরকে ভালবাসে এবং হয়ত ছেড়েও যাবে না।

ভোরবেলা রেবেকা, নীতু ও জহিরের রামসাগরে যাবার কথা ছিল। নীতুর কথায় মনজুরও যেতে রাজি হয়। আরিচা রোডে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ছোট ছোট দু ভাইবোন মারা যায়। গফুর ও জোছনা। সেইজন্য তাদের গাড়ি আটকা পড়ে। তাদের গাড়ির ড্রাইভার ইসমাইল মনজুরকে অনেক শ্রদ্ধা ও ভয় করে। এক সময় ঝামেলা সৃষ্টিকারীদের বুড্ডা নামক একজনের সাথে বাকবিতন্ডায় বুড্ডা ইসমাইলের মাথা ইট দিয়ে গুড়িয়ে ফেলে। মনজুর বুড্ডাকে দুটি গুলি করে পিস্তলটি নিয়ে বুড্ডার সঙ্গী ছোটনের জন্য অপেক্ষা করছে এমন অবস্থায় গল্প শেষ হয়।

বর্তমানের সাথে তুলনা
স্বামী-স্ত্রীর এমন দূরত্ব সৃষ্টি খুবই সাধারণ একটি ঘটনা যা সচরাচরই দেখা যায়। আর সড়ক দুর্ঘটনায় এমন ঝামেলা সৃষ্টিও কম ঘটে এমন না।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Tabassum Maliha.
43 reviews
October 2, 2026
বই রিভিউ আমার সাধ্যি না আমি বরং অন্য কথা বলি।এ'কদিন হুমায়ূনের 'তেঁতুল বনে জোছনা' পড়ছি,পড়ার সময় এবং তীব্র ইচ্ছে কোনোটাই হচ্ছে না বলে ঢিলুম ঢিলুম করে দু' এক পাতা পড়ছি,কাহিনীতে একদমই মন বসাতে পারছিনা।আজ কোনো বই ই পড়ার নিয়ত ছিলনা কারণ একগাদা একাডেমিক পড়ার নিয়ত করেছিলাম।সকালে খাবার তৈরির সময় মনে হচ্ছিল কিছু শুনি বা দেখি,ভাবতে ভাবতো কল্লোল ভাইয়ের চ্যানেলে গেলাম,ছোট্ট একটা গল্প খুঁজতে খুঁজতে পেলাম 'জল জোছনা'।এই প্রথম কল্লোল ভাইয়ের কণ্ঠে কোনো গল্প শুনছি,কী চমৎকার করে পড়ছিলেন! কাহিনীর চেয়ে বোধহয় শোনাটাকেই বেশি ইঞ্জয় করছিলাম।এক পর্ব শুনেই মনে হলো টুকুস করে পড়ে ফেলি..

তো গল্প শুরু হয় সেই একটি পরিবারকে নিয়ে।তারা ঘুরতে যাচ্ছে, শেষ মুহূর্তে যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে যান নীতুর বাবা।যাত্রার মাঝে ব্যাঘাত ঘটে এক সড়ক দুর্ঘটনার জন্য...তারপর কেমন ছিল তাদের যাত্রা!...তা নিয়ে আর বলছিনা।গল্পে আমাদের স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতার একটা স্পষ্ট চিত্র দেখতে পাই।কিভাবে আমরা সবকিছুর উর্ধ্বে নিজেকে নিয়েই ভাবি।কীভাবে সহানুভূতির লেশমাত্র না থেকেও আমি কতটা ভাবলেশহীন।মানুষের তো এমন হওয়ার কথা ছিল না!
গল্পটি মোটেই আহামরি না,আপাতদৃষ্টিতে একদমই মনে রাখার মতো গল্প না।তবে আমার হয়তো মনে থাকবে তার কারণও আমি জানি...
পছন্দের চরিত্র-নীতু

মনজুর জোছনার বিষয়ে যা বলে জাস্টিফাই করতে চেয়েছেন তা মোটেই জাস্টিফায়েড মনে হয়নি।অবশ্য এক্ষেত্রে আমি অনেক খুঁতখুঁতে কীনা! নিজেকে রেবেকার জায়গায় বসালে আমিও নিজেকেই ভিক্টিম বলতাম।জহিরের ভাষায় মনজুর নামক যন্ত্র থেকে মানুষ বের করতে না পারা নিয়ে নিজেকে দোষীও ভাবতাম না।

বই থেকে-
'বেড়াতে বের হবার সময় বয়স ঘরে ফেলে রেখে বের হতে হয়।'
এই দেশে যিনি যত বেশি মানুষের অসুবিধা করবেন-তিনি তত বড় নেতা।'
'যখন কিছুই দেখার নেই-তখন সামান্য জিনিসও দেখতে ভালো লাগে।'
'আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে।সেই দায়িত্ব পালন করতে হয়।'
'পৃথিবীতে খুব অল্পসংখ্যক মানুষ জন্মায় যাদের কাছাকাছি গেলে মনে পবিত্র ভাব হয়।'

"আগামীকাল রাত ঠিক একটার সময় তুমি যেখানেই থাক আকাশের চাঁদের দিকে তাকাবে।
কেন?
ঐ সময় আমিও রামসাগর থেকে চাঁদের দিকে তাকাব। এবং মনে মনে ভাবব তুমিও তাকাচ্ছ। মনে থাকবে বাবা?"

"রেবেকার চোখ ঝাপসা। তিনি সেই ঝাপাসা দৃষ্টিতে দেখছেন- যন্ত্রের মতো একজন মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে যন্ত্র নয়। অসম্ভব সুন্দর একজন মানুষ যে লুকিয়ে থাকে যন্ত্রের আড়ালে। হঠাৎ হঠাৎ বের হয়ে আসে।"
Profile Image for Galiba Yesmin.
22 reviews3 followers
April 17, 2020
"জল জোছনা" বই সম্পর্কে বলি - "জল জোছনা " আসলে উপন্যাস না, এটা একটা ছোট গল্প । মাত্র ৪টা চরিত্রে তিনি একটা গল্পটা ফুটিয়ে তুলেছেন , চরিত্র গুলো - মনজুর , নীতু , রেবেকা এবং জহির । গল্পটায় দেখা যায় স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে চির ধরা , স্বামী সারাক্ষণ তার অফিস - মিটিং - কাজ নিয়ে বেস্ত থাকায় স্ত্রী তাদের একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সময় কাটাচ্ছে । একটা সময় দু'জন দু'দিকে সুখ খুঁজতে বাধ্য হয় । এর ফলে কিছুটা সুযোগ নেয় তৃতীয় বেক্তি । এভাবেই একদিন সবাই মিলে জোছনা দেখার জন্য ভ্রমনে বেড় হয় , এ শহরের চিরচেনা বেস্তময় রাস্তা দিয়ে তারা গন্তব্যের দিকে এগোতে থাকে কিন্তু ঢাকা ছাড়বার আগেই খুব ঝামেলা বেঁধে যায় । সে অবস্থায় আমাদের দেশের চিরচেনা চিত্র গুলো প্রকাশ পায় । অতিবিপদে পরস্পরের প্রতি সুপ্ত ভালোবাসাও প্রকাশিত হতে থাকে । আমার কাছে "জল জোছনা" দাম্পত্য জীবনের শিক্ষামূলক গল্প মনে হয়েছে। মাত্র ২ ঘন্টা লেগেছে বইটা পড়ে শেষ করতে অর্থাৎ আমার ১দিনে পড়ে শেষ করা চতুর্থ বই "জল জোছনা"।
শেষটা নির্মম , আপনারা বইটা পড়লে বুঝতে পারবেন । তো দেড়ি না করে "জল জোছনা" বইটি সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন।
শুভ হোক আপনার পাঠ্য কার্যক্রম।
Profile Image for Jobayer Rahman.
51 reviews27 followers
February 1, 2022
সময়ের প্রেক্ষিতে অপ্রস্তুত হয়ে কাছে আসা,থেমে থাকা জীবনে পূর্ণরায় সঞ্চার পাওয়া, এক ভিন্ন ঘোরে নিজেদের দেখা পেয়ে সে ঘোর ছেড়ে বেড়িয়ে আবার নিজেদের একাকী করে ফেলা?

বইটি নেওয়া হয়েছিলো বেশ কিছু দিন আগে @nilkhet.co থেকে। ছোট বই। এক বসাতেই পড়ে ফেলার মতোন। বেশি কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না,যেনো বলতে গেলেই স্পোয়েলার হয়ে গেলো!

বাড়ির সবাই দিনাজপুর বেড়াতে যাচ্ছে। মনজুর সাহেব একা বাড়িতে থাকবেন। কিছু সময় পর দেখা যায় তিনি মেয়ের কথায় হুট করে যেতে রাজী হয়ে গেলেন। তবে বইতে তাদের দিনাজপুর অবধি যাওয়া হয়ে ওঠেনি। মাঝরাস্তাতেই বিপত্তি ঘটে,
তবে বই এর যে চমৎকার একটি দৃশ্যের কথা বলা আছে বইটিতে সেটি দেখতে আমারও ইচ্ছে করছে। কোন এক শীতের পরিষ্কার জোছনা রাতে হাজার হাজার পাখি যদি আকাশে এমন করে উড়ে যায় যে সেই পাখির গায়ে পড়ার কারণে জোছনা মাটি ছুঁতে পারছে না! জোছনার ছায়ায় চারদিক অন্ধকার! জোছনা মেখে মেখে পাখিগুলো উড়ে চলছে... কী অদ্ভুত, অলৌকিক সুন্দর দৃশ্য!
বেশ সুখপাঠ্য।
Profile Image for সম্পা  হালদার.
71 reviews14 followers
October 13, 2022
উল্লেকযোগ্য কিছু নাই বিরক্তিকর কিছুও নাই।নিউজফিড স্ক্রল করার বদ অভ্যাস ছাড়ার পর থেকে ঝালমুড়ির পেপার টাও আস্তে আস্তে পড়ে দেখি।সে হিসাবে জল জোছনা খারাপ না।মনজুর সাহেবের ক্যারেক্টার ভাল্লাগছে, ইদানীং আমি এই ধরনের যন্ত্রমানবী হওয়ার চেষ্টায় আছি,কয়েক বছর আগে হলেও আমি এই বইয়ের মীরা চরিত্র হতে চাইতাম যার সঙ্গ পেলে সবাই পালটে যায় কিন্তু এখন আর মীরা হতে চাইনা কারণ আমি জানি মীরা হওয়া সম্ভব না,কেউ কারো সংস্পর্শে পালটে যাবে এধরনের আশা করাও ফ্যান্টাসি দুনিয়ায় থাকার সামিল।
Profile Image for Ishtiyak Fahmi.
150 reviews23 followers
August 9, 2024
মীরার মতো রহস্যময় কিছু চরিত্র আমাদের লাইফকেও বদলে দেয়, হয়তো সেসব কারণেই আমরা তাদের প্রেমে পড়ি কিন্তু সেটার সুন্দর ইতি সাধারণত হয় না!

অনেকের মন্তব্য কাহিনীটা এগোতে গিয়েই শেষ হয়ে গেলো। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনি হুমায়ূন আহমেদের ২০-৩০ পেইজের গল্পতেও লেখকের ম্যাসেজটা খুজে পাবেন যদি রেগুলার উনার বই পড়ার অভ্যাস থাকে বা উনার বই পূর্বেও অনেক পড়া হয়েছে এমন
Profile Image for Abdul Ahad.
69 reviews
August 29, 2024
আগে মনে হয় একবার পড়েছিলাম বা অর্ধেক পড়া হয়েছিল, মনে নেই।

একটা পরিবার জ্যোৎস্না দেখার জন্য দিনাজপুর যাচ্ছে।কিন্তু রাস্তায় ঘটলো বিপত্তি, তারা জ্যামে আটকে পড়ল। এই হলো মেইন কাহিনী।

পুরোটাই বলা চলে শুধু সংলাপ, সংলাপের বাইরে লেখক তেমন কিছু বলেননি।

পরিসর আরোএকটু লম্বা হলে ভালো হতো। গল্পের প্রতি কৌতুহল রয়েই গেল। এখানেই হয়তো এই বইটার সার্থকতা।
Profile Image for ন্ল্.
45 reviews
December 18, 2024
the way i love this book and the way i hate the fact humayun ahmed would have gone down the history of literature (as a whole) if he had been a white man writing in english. forget that. can you imagine there are people who need to read these books but they never will because there aren't translations available and even if there is, it's not the same. it is physically painful for me
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
95 reviews9 followers
May 15, 2020
হুমায়ূন আহমেদের অনেক ভালো লেখার মাঝে এটি তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু না হয়ত। রাস্তায় ঘটে যাওয়া এক অ্যাক্সিডেন্টের জেরে ঘুরতে বের হওয়া এক পরিবারের রাস্তায় আটকে পড়া নিয়েও যে রীতিমত একটা লিখে ফেলা যায়- এটা হুমায়ূন আহমেদ ছাড়া আরও পক্ষে সম্ভব না!
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
402 reviews88 followers
February 24, 2020
ঘোর বিপদে কি আসলেই মানুষের মনের অমিল, অমত আর সংশয়গুলো বের হয়ে আসে?
ছোট বই। টানা পড়ে শেষ করে ফেললাম।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews70 followers
December 30, 2020
খুব ছোট্ট হিসেব, ভালোলাগা আর ভালোবাসা এক জিনিস নয়। ভালোলাগলেই যে ভালোবাসতে হবে ব্যাপারটা এমন না!
আর একটা মানুষ বাহিরে কেমন তা দিয়ে মানুষটাকে বিচার করা যায় না। যাই হোক, রেবেকা আর মনজুরের শেষ পর্যন্ত ছাড়াছাড়ি টা হয়তো হবে না।
Profile Image for Monowarul ইসলাম).
Author 35 books202 followers
April 25, 2021
স্টার্টিং ভালো ছিল। কিন্তু একই জায়গায় আটকা রেখে গল্পটা শেষ হয়েছে।
অতটা মনমতো হয়নি।
Displaying 1 - 30 of 51 reviews