চাঁদের আলোয় মজিদ, আলম, মাহিন ৩ বন্ধু ঘুড়ছে। ৩ জনের পরিচয় দেয়া যাক, আলম এর পরিবারের খুব নড়বড়ে অবস্থা। সে টিউশনি করে কিছু টাকা আয় করে, কিন্তু বাসায় অবস্থা অনেক খারাপ। এরপর মজিদ, ফুপা ফুপির সাথে থাকে ছোট থেকে। ফুপার গম-চিনির আরতে থাকে রাতে। সেখানে প্রায় ফুপার বাজে ব্যবহার এর স্বীকার হতে হয়, মজিদ এর একটা স্পেশাল ট্যালেন্ট আছে, সে উলটা করে কথা বলতে পারে । এরপর মাহিন, সে একটু ভালো পরিবারের সন্তান, কিন্তু খুব কৃপণ। ৩ বন্ধু রাতে বের হয়ে হয়েছে ঘুরতে। মজিদ এক সেলুন থেকে ক্ষুর চুরি করে সেই ক্ষুর দিয়ে রাস্তার মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। সেভাবেই একজনকে ভয় দেখাতে গিয়ে পরিচয় হয় মীর্জা সাহেবের সাথে। মীর্জা সাহেব আমেরিকা থাকে, দেশে এসেছেন তার মেয়ে পলিনকে নিয়ে। নিজের দেশ দেখাবেন বলে। মীর্জা সাহেবের সাথে তারা কিছুক্ষণ হাসি তামাশা করে। এরপর তারা আসে করিমের বাসায়। করিমের বাসায় ঢুকতে গিয়ে দেখে করিম তার রুমের বাইরে দাঁড়ানো, চেহারা কাঁদো কাঁদো। সেখান থেকে জানতে পারলো, করিম যাদের জন্য কাজ করে, সেই মালিক এর ছেলে ফুল বিক্রি করে এমন এক বাচ্চা মেয়েকে জোর জবরদস্তি করে নিয়ে এসেছে। তখন মজিদের বলতে থাকে "নখু রেক বোলফে", মানে খুন করে ফেলবো। চাঁদের আলোয় ভ্রম সৃষ্টি হয়, সেই ভ্রমকেই রিয়েলিটি মনে হয়।