Jump to ratings and reviews
Rate this book

অনেকেই একা

Rate this book
এ কাহিনী এক আশ্চর্য মেয়ের অদ্ভুত জীবনকে কেন্দ্র করে। সম্বন্ধ করে সে-মেয়ের বিয়ে হল এমন-এক পাত্রের সঙ্গে, আপাতদৃষ্টিতে যাকে মোটেই ফেলনা বলা যায় না । এম-এ পাশ, বি-এতে অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস নম্বর ছিল, মোটামুটি সচ্ছল ও স্থায়ী চাকুরে, সপ্রতিভ সুন্দর চেহারা, মুখ আর হাসি শিশুর মতো পবিত্র।বিয়ের আগে তেমন খোঁজখবর নেওয়া হয়নি, বিয়ের পর জানা গেল, ছেলেদের পাগলের বংশ। দুই দাদা বদ্ধ পাগল, ভাইটি অবশ্য তখনও সুস্থ, কিন্তু কতদিন?এমনই এক মেয়েকে নিয়ে এই কাহিনী। এত বড় নিষ্ঠুর পৃথিবীতে শিশুর মতো সরল, ছেলেমানুষ স্বামীকে যে কিনা ছেড়ে দিতে চায়নি, জড়িয়ে গিয়েছিল এক অদ্ভুত মায়ায় তেমনই এক মেয়ের ঘাতপ্রতিঘাতময় জীবনের দুরন্ত কাহিনী।

147 pages, Hardcover

First published April 1, 2000

7 people are currently reading
185 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

348 books724 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
10 (10%)
4 stars
24 (25%)
3 stars
42 (43%)
2 stars
15 (15%)
1 star
5 (5%)
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
Profile Image for Zannat.
41 reviews18 followers
April 12, 2020
ধরুন, আপনার স্বামী উন্মাদ।
রাস্তায় একাকী কোন নারীকে দেখলেই, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন। সবসময় সিনেমার নায়িকা রেখা, শ্রীদেবী কিংবা গায়িকা লতা মুঙ্গেশকার-কে বিয়ে করতে চান। আবার ধরুন, একদিন রাস্তা থেকে হুট করে এক কলগার্লকে ধরে এনে আপনার সামনে দাঁড়া করিয়ে বললেন, " বউ, আমি একে বিয়ে করতে চাই" এমতাবস্থায় আপনি কী করবেন?

সমরেশ মজুমদারের লেখা 'অনেকেই একা' উপন্যাসটি মূলত একজন মানসিক ভারসাম্যহীন স্বামী এবং তার স্ত্রীর বয়ানে লেখা। ভাবছেন, স্বামী পাগল হলে আবার তার বয়ান আসবে কীভাবে! কিন্তু এসেছে।

সমস্যাটা বংশগত। বড় দু-ভাই পাগল, ছোট ভাই সুস্থ থাকলেও বিয়ের পর পাগলামি শুরু হয়। কিন্তু পাগলামিটা সারাবছর প্রকট থাকে না। এমনিতে লোকটা সারাদিন বউ, বউ করে চিল্লাপাল্লা করে কিন্তু রাস্তাঘাটে মেয়েদেরকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে মাথা ফাটিয়ে বাড়ি ফেরেন।

দশ বছর ধরে বিবাহিত জীবনে কোন সন্তান নেই তাদের। বিয়ের একবছরের মাথায় এই পাগল স্বামী নিয়ে অল্পবয়সী একটা মেয়ে কীভাবে জীবন-যাপন করে তাই লেখক তুলে ধরেছেন। সংসারে 'প্রেম' 'ভালবাসা' নামক জিনিসটি নেই। তাহলে বউ কেন ডিভোর্স দিচ্ছে না? আছে মায়া আর কর্তব্যবোধ। আসলে মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে গেলে, সে বাঁধন বিচ্ছিন্ন করাও কিন্তু খুব কষ্টের।

কিন্তু পাগলের শারিরীক আর মানসিক অত্যাচার সহ্য করা যায় কতদিন! মেয়েটির নিজের জীবনকে উপভোগ করার সম্পূর্ণ অধিকার থাকা সত্ত্বেও কেন পড়ে থাকবে পাগলের কাছে। পাগল স্বামীকে ছেড়ে গেলে সমাজ ধিক্কার দিবে, না গেলে পাগলামির যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে যাবে মেয়েটি।

উপন্যাসের একপর্যায়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করতেই যেন সৌমেন সেন নামক এক দেবদূত হাজির হন। কিন্তু এতেও কি মেয়েটির সমস্ত কষ্ট লাঘব হয়? মায়ার বাঁধন কি শেষপর্যন্ত কাটাতে পারে?

#পাঠ_প্রতিক্রিয়া:

প্রথম পৃষ্ঠা থেকেই এক পাগলের প্রলাপ পড়তে পড়তে হাঁপিয়ে গেছিলাম। ভাবছি সমরেশ মজুমদার কী ছাইপাঁশ লিখে রেখেছেন। কিন্তু বেশ কিছুদূর এগোনোর পর যখন পাগলের স্ত্রীর বক্তব্য আসলো, তখন থেকেই আর থামতে হয়নি।
পাগল আর পাগলের স্ত্রী সম্বোধন করার কারণ পুরো বই জুড়ে লেখক তাদের নাম উল্লেখ করেননি।

বইটা বেশ ভাবিয়েছে। আসলেই তো, বিয়ের পর যদি একজন সুস্থ মানুষ হঠাৎ পাগল হয়ে যায়, তার পরিবার, সমাজ তাকে কতটুকু টলারেট করতে পারে?সম্পর্কে ভালোবাসা না থাকলে কি আদৌ সে সম্পর্ক টিকে থাকে? মনে হবে, বউ যদি এ অবস্থায় স্বামীটাকে ছেড়ে যায়, তবে স্বামী বেচারার কী হবে? আবার এ-ও মনে হয় মুক্তির স্বাদ তো সকলেই পেতে চায়।
এরকম হাজারটা প্রশ্ন মাথায় উঁকি দেবে। আপনি ভাবতে বাধ্য হবেন। সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করতে বইটা আপনাকে উদ্বুদ্ধ করবে হয়ত।

জীবনের এই কালো দিকটা (মানসিক ভারসাম্যহীনতা) নিয়ে সমরেশ মজুমদার লিখেছেন। যতদূর মনে হয় এরকম প্লট নিয়ে লেখা বই আগে পড়া হয়নি। সমরেশ মজুমদারের অন্য বইগুলোর মতো অতটা ভালো হয়ত লাগেনি তবে সবমিলিয়ে সাড়ে তিন তারা দেওয়া যেতে পারে। প্রেম, ভালোবাসা, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে যেমন লেখালেখি হয় এসব ভিন্ন দিক নিয়েও তো কাউকে লিখতে হয়, হবে।
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books92 followers
March 10, 2018
প্রথম কয়েক পাতা পড়ার পর বেশ বিরক্ত লাগছিলো। ভাবছিলাম, কী এক পাগলের গল্প। সত্যিই গল্পটা একজন মানসিক রোগীকে নিয়ে শুরু হয়েছে এবং তা একেবারে সরলরৈখিক। বেশ খানিকটা এগোনোর পর দ্বিতীয় এবং অন্যতম মূখ্য চরিত্র পাগলের স্ত্রীর নিজ জবানীতে গল্পে প্রবেশ ঘটলো। দৃশ্যপটে এর আগেও তার উপস্থিতি ছিলো, তবে তা পাগলের জবানীতে। ভাবছেন বার বার পাগল আর তার স্ত্রী, এভাবে বলছি কেন! কারণ, পুরো বইতে লেখক তাদের নাম বলেননি। গল্পের মাঝামাঝি পর্যায়ে এসে তৃতীয় আরেকটি চরিত্রের আবির্ভাব হয়। সেনবাবু। এই চরিত্রের নাম দেয়া আছে, কারণ এই চরিত্রের নিজ জবানীতে কোনো বক্তব্য নেই।

গল্পটা বেশ ভাবিয়েছে। সত্যিই কারো কারো জীবনে এমনটা হতে পারে। হতে পারে কী, অহরহ হচ্ছে। সুস্থ্য সবল একজন মানুষ কি তার বিয়ের পর পাগল হয়ে যেতে পারে না? তার দেয়া যন্ত্রণাগুলো কি তার আপনজনদের ভোগ করতে হয় না? কিন্তু, কতদিন? একটা সময় নিশ্চয়ই ক্লান্তি চলে আসে। নিজের অজান্তেই হয়তো তারা পাগলের হাত থেকে মুক্তি চায়। কী অদ্ভুত এই জীবন। এখানে মায়ার সম্পর্কও টেকসই নয়। জীবনের যাঁতাকলে প্রতিনিয়ত পিষ্ট হতে থাকলে স্নেহ আর মায়াতেও জং পড়ে যায়। ভালোবাসার কথা নাহয় বাদই দিলাম। পাগল স্বামীকে ছেড়ে চলে গেলে মেয়েটিকে সমাজ কী বলবে? আবার ছেড়ে না গিয়ে পাশে থেকে প্রতিনিয়ত অত্যাচার সহ্য করেই বা কী লাভ? মানুষের জীবন একটাই। সেই জীবন প্রতিটি মানুষের সমানভাবে বাঁচার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। শুধু সম্পর্ক আর স্নেহ-মায়া-মমতার দোহাই দিয়ে একজনের জন্য আরেকজনের পুরো জীবনটা নষ্ট করে দেয়া অন্যায়। মহা অন্যায়। এ কেবল মহাপুরুষ অথবা মহামানবীর পক্ষেই করা সম্ভব। এই গল্পের কোনো চরিত্রই তা নয়। তারা প্রত্যেকেই সাধারণ মানুষ।

জীবনের অন্ধকার একটা দিক নিয়ে লেখা গল্প, যা আমাদের কারো জীবনে নেমে না এলে কখনই অনুধাবন করতে সক্ষম হবো না। শুরুতে ভেবেছিলাম, নামকরা লেখকের ফরমায়েশি লেখা। কোনোমতে পড়ে ১ তারা দিয়ে ছেড়ে দিবো। পুরোটা পড়ার পর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেলো। আর তাই ৪ তারা না দিয়ে পারলাম না।
Profile Image for Arindam Mallick.
Author 2 books10 followers
July 24, 2013
"Jokhon keu aamake paagol boley,
taar protibaad kori aami..
Jokhon tumi aamay paagol bolo -
dhonno j hoy shey paaglaami.."

Aajker shomaaj-er kothaay 'paagol' shobdo-tar maane ki? Nijer ekta duniya'y thaka, jekhane shob rong, shob onubhuti-guloi churantoh? Jekhane kono kaaj kora'r aage ba pore kono kichhu bhaba'r proyojoniyota-e haariye jaay? Jekhane bhogobaan-er shonge kotha bola'r shaadh jaage?

R paagol-er shonge ghor koratai ba kotota duhshadhhyo kaaj? Kotota bhalobasha jaay ekta paagol k? Kotohdiin porjontoh? Bhalaobasha e ki, naki sneho-koruna meshano bhalobasha'r mukhosh pora kichhu? R shetai ba chirokaal thaake ki? Shob kichhu ki mene neowa jaay? Shudhumatro paagol-er prolaap boley?

Erokom-e aaro onek proshne'r jhor tole Samaresh Majumdar-er "Onekei Eka". Uttor o dyay kichhu'r. Opor-opor noy, rokto-maangsho'r, chaowa-paowa'r manush-er hoye.. Onek dukkho mishe aachhe ei boi-er line-gulote. Onek otychaar, onek jontrona, onek raag, onek kaath-gora, onek mene-neowa, onek proshnottor, kichhuta bhoy. Ek-aadh jhilik aanondo. Onekta paaglaami. Ondhokaar shuronge'r sheshe ek chilte aalo, ekta notun kore bancha'r ichhe. Koyekta manush-er doinondin jeebon..

Ek kotha'y boita opurbo.

"Jokhon chokh bheshe jaay chokh-er jol-a, keu aamake dukhi boley -
omni heshe uthe di bujhiye shey obhinoy kotoh daami..
Jokhon tumi aamay dukhi bolo -
bhalo korey kaandi aami.."
Profile Image for Nafisa Anjum.
226 reviews9 followers
November 9, 2023
অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়া এক বাঙালি মেয়ের ঘুরে দাড়ানোর গল্প। জীবনের অন্ধকার একটা দিক নিয়ে লেখা গল্প, যা আমাদের কারো জীবনে নেমে না এলে কখনই অনুধাবন করতে সক্ষম হবো না। গল্পটা বেশ ভাবিয়েছে। সত্যিই কারো কারো জীবনে এমনটা হতে পারে। হতে পারে কী, অহরহ হচ্ছে।

প্রথম কয়েক পাতা পড়ার পর বেশ বিরক্ত লাগছিলো। শেষ অবদি টানা পড়ে যেতে বেগ পেতে হচ্ছিল। গল্পটা একজন মানসিক রোগীকে নিয়ে শুরু হয়েছে এবং তা একেবারে সরলরৈখিক।

"ঈশ্বরের মৃত্যু হয় না, বারংবার তাঁর নবজন্ম হয়"
26 reviews
January 31, 2025
সমরেশ মজুমদারের এই উপন্যাসটি একজন মানসিক প্রতিবন্ধী এবং তার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে। কাহিনীটি কিছুটা নিরাশাজনক হলেও লেখনশৈলী ছিল অসাধারণ। লেখক মানসিক প্রতিবন্ধীর নিকটজনদের সংগ্রাম যেমন দেখিয়েছেন, তেমনি তাদের মানসিক জগতের কিছু অংশও প্রকাশ করেছেন। পুরো গল্পটি লেখক মূল চরিত্রদের নাম উহ্য রেখে লিখেছেন, এটাও পাঠক হিসেবে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।
Profile Image for Mila Hossain.
73 reviews2 followers
September 27, 2024
প্রথম কয়েক পাতা পড়ে খুব জোরে জোরে হেসেছি। গ্লপের plot খুব সুন্দর করে লেখক ঘুরিয়ে দিয়েছেন। প্রথম প্রথম মনে হয়েছিল গল্পটা পাগল নায়ককে নিয়ে। কিন্তু পুরো পল্গটাই নাইকার জীবন ঘিরে। একটা পাগলের মায়ায় পয়ায় পড়ার গল্প, মায়া থেকে উঠে আসার গল্প 🍃
Profile Image for Niloy Tanvir.
1 review
May 15, 2022
যখন কেউ আমাকে পাগল বলে
তার প্রতিবাদ করি আমি
যখন তুমি আমায় পাগল বলো
তুমি আমায় পাগল বলো
ধন্য যে হয় সে পাগলামি
ধন্য আমি ধন্য হে
পাগল তোমার জন্য হে
49 reviews
Read
January 13, 2023
মানসিক ভারসাম্যহীন একটা লোক আর তার পাগলামি সব কাজ-কারবার। ওফফফ! যাচ্ছে তাই!

বইটা পড়া আমার সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নাহ!
Profile Image for রি য়ে ন.
170 reviews25 followers
October 1, 2018
অনেকেই_একা দুই ভাই পাগল। বিয়ের পর আমাদের গল্পের নায়কও হয়ে গেলে পাগল। অবশ্য গল্পটা নায়িকাকে নিয়ে। স্বামী পাগল হয়ে যাওয়া পর বাড়ি থেকে বের করে দেয় শাশুড়ি। পাগল হয়ে যাওয়ার পরও স্বামীর অফিস থেকে বেতন দিত। কিন্তু সেটা কতদিন? ডিভোর্স দিতে বলছে সবাই। কিন্তু মায়া হয় তার জন্য। সে ছেড়ে দিলে তো রাস্তার পাগল হয়ে যাবে। খেয়ে না খেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে। এ হতে দিতে পারে না। কিন্তু তার সামনে অন্ধকার। ভালো হবার সম্ভাবনা নেই স্বামী। পড়ে দেখা যাক কি হলো গল্পের শেষ। আমার পড়া সমরেশের ৪ নাম্বার উপন্যাস এটা। সব গুলোই ভালো ছিল। এটাও। বিশেষ করে যখন পাগলের চিন্তা ভাবনা গুলো তিনি লিখেছেন সে গুলো। উপন্যাসটা দুই ভাগে ভাগ করা। একটা হলো পাগলটার চিন্তা ভাবনা আর অন্যটা স্ত্রীর। সামাজিক, রোমান্টিক,রম্য,ইমোশনাল সব কিছু ছিল এতে। আসলেই আমরা অনেকেই একা হই দিন শেষে।
Profile Image for Mahfuj.
2 reviews
February 24, 2019
"জন্মমাত্র বিধাতা বাঙালি মেয়েদের কপালে কিছু লিখে দেন বলে শুনেছি। সেগুলোর চাপে কয়েক প্রজন্ম ধরে দিশেহারা তারা।"
অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়া এক বাঙালি মেয়ের ঘুরে দাড়ানোর গল্প।
এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির জবানিতে শুরু হওয়া বইটা প্রথমদিকে পড়তে বেশ বিরক্তই হচ্ছিলাম। লেখকের অন্যান্য বই পুরো এক ডুবে পড়ে শেষ করবার পর এটা যেন সামান্য হতাশা আনে তার প্রতি। শেষ অবদি টানা পড়ে যেতে বেগ পেতে হচ্ছিল।
একজন পাগল ব্যক্তি নিজের জীবনকে কিভাবে দেখে তার বেশ একটা ধারণা পাওয়া যাবে এতে। সব মিলিয়ে খুব একটা খারাপ বলবো না। আকারে ছোট হওয়ায় চট করেই পড়ে ফেলা যায়। "বিধাতা কাউকেই পরিপূর্ণতা দান করে পাঠান নি" - এই ভাবনাটা মাথায় ঘুরপাক খেতে দিয়েই লেখক ইতি টেনেছেন যেটা বেশ ভাল লেগেছে।
Profile Image for Dipto.
25 reviews1 follower
October 22, 2018
যখন ভাবলাম মি:সেন আর গল্পের নায়িকা বিয়ে করবেন তখন ই বুঝতে পারলাম কেন গল্পের নাম অনেকেই একা😞
আসলে কিছু ক্ষেত্রে একা থাকাই শ্রেয়😒
Profile Image for Avishek.
18 reviews2 followers
March 1, 2019
"ঈশ্বরের মৃত্যু হয় না, বারংবার তাঁর নবজন্ম হয়"
Displaying 1 - 13 of 13 reviews