Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #264

সে ও নর্তকী

Rate this book
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
স্বাতী ভেবে রেখেছিল সে তার জন্মদিনে লিলিকে ব্যাপারটা বলবে। ভয়ংকর অন্যায় যে সে করেছে সে-ব্যাপারটা। লিলি আতঙ্কে শাদা হয়ে যাবে। পরপর কয়েকবার বলবে, এখন কী হবে রে।
নিজের আতঙ্ক অন্যের ভেতর দেখলে নিজের আতঙ্ক খানিকটা কমে। স্বাতী খানিকটা স্বস্তি পাবে। এবং কিছুটা সাহসও পাবে। সেই সাহসটা পাবার পর স্বাতী ব্যাপারটা তার মা’কে বলতে পারবে।

108 pages, Hardcover

First published February 1, 1995

11 people are currently reading
284 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,959 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
127 (16%)
4 stars
267 (35%)
3 stars
272 (36%)
2 stars
64 (8%)
1 star
24 (3%)
Displaying 1 - 30 of 39 reviews
Profile Image for Dystopian.
458 reviews246 followers
December 6, 2023
বিষন্নতার একটা আবেশ পুরো গল্পে যেন শীতকালের কুয়াশার মত ছড়িয়ে আছে।
তবে চরিত্র গুলোর সাথে উপন্যাসের মূল স্টোরি লাইনের সম্পর্ক যেন কেমন এলোমেলো৷ আলাদা আলাদা ভাবে তারা সুন্দর। একত্রে তারা অনেকটাই বিশৃঙ্খল।
December 27, 2022
সে ও নর্তকী,বইটা অসম্ভব রকমের ভালো লেগেছে।আমাদের জীবনটা অদ্ভুত, যে যেই অবস্থানে আছি,সেই অবস্থান নিয়ে সুখী না।
স্বাতী আর লিলি দুই বান্ধবী কিন্তু স্বভাব চরিত্রের দিক দিয়ে উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু।
স্বাতী স্বাধীনচেতা ও খামখেয়ালি মেয়ে অন্যদিকে লিলি মুখচোরা অসম্ভব ভালো মেয়ে।
হুমায়ূন দুটি ভিন্নধর্মী চরিত্রের মাধ্যমে আমাদের মানবচরিত্রের দিকগুলো তুলে ধরেছেন।
কেন জানি খুব ভালো লেগেছে...
শেষটা অসমাপ্ত রেখে লেখক চরিত্রগুলোর ভবিষ্যৎ আমাদের নিজেদের মত ভাবার সুযোগ করে দিয়েছেন।
জাহিন,মেয়েটিকে ভালো লেগেছে।সব চরিত্রগুলো ছিল অসাধারণ কোন কিছু অতিরঞ্জিত লাগেনি।
যারা পড়তে চান,তারা দ্বিধাহীন মনে পড়েই ফেলুন। 😄
#যায় হোক,বছরটা একটা ভালো বই দিয়ে শেষ হলো ।এই বইয়ের ভালো লাগা কিছু লাইন-
"মানুষের পুরো জীবনটাই হলো এক গাদা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপূর্ণ তৃষ্ণার সমষ্টি। A collection of unfulfilled desires."
Profile Image for Nu Jahat Jabin.
149 reviews244 followers
November 24, 2016
ক্লাস ৯-১০ এ থাকতে বোধহয় একটা ব্যাখ্যা শেখা লাগত ছোট গল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল "শেষ হইয়াও হইল না শেষ "
হুমায়ূন আহমেদের ছোট গল্প বড় গল্প উপন্যাস সব কিছুর জন্যই ওই উপরের কথাটা খেটে যায়!!
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
263 reviews77 followers
March 11, 2025
গল্পটি মূলত তিনটি মূল চরিত্র নিয়ে গড়া:

স্বাতী:
স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে স্বাতী। বাইরে থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর এবং ভালোবাসাময় একটি পরিবার দেখা গেলেও স্বাতীর বাবা-মার মাঝে ভালোবাসার বিচ্ছেদ এক মিহি সুতো দিয়ে বিভক্ত ছিলো। সেই সুতোর জের ধরে স্বাতীর বাবা-মার ঝগড়া থেকে পাওয়া একটা ট্রমা স্বাতী বয়ে বেড়ায় আজীবনের জন্য এবং এর পরিণতি হয় ভয়াবহ।

তাই মা-বাবা হিসেবে পৃথিবীর সকল বাবা-মার উচিত যাই করুক না কেনো, সন্তানের সম্মুখে যেন ঝগড়া না করেন।


লিলি:
লিলি স্বাতীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। অভাবসর্বস্ব পরিবারের এক বিচক্ষণ এবং বুদ্ধিমতি মেয়ে, নিজের সম্পর্কে যার বিশ্লেষণ গভীর। লিলি নিজের সীমা সম্পর্ক বেশ ওয়াকিবহাল। লিলিদের একান্নবর্তী পরিবারে সারাক্ষণ বিশৃংখলা লেগেই আছে। পরিবারের একেকজন একেকরকম। কড়া শাসনে চলে পরিবারের সব কিছু। এই পরিবারে ভালোবাসা গৌণ; শাসন এবং নিয়ম মুখ্য। স্বাতীর পরিবারে যেমন ভালোবাসাটা মুখ্য (বাহ্যিক দিক দিয়ে) ছিলো কিন্তু নিয়মটা গৌণ ছিলো। এরকম বিশৃংখল একটা পরিবার যেখানে লিলির বাবা তার মাকে গায়ে হাত তুলে শাসনও করেন, সেখানেও লিলি পরম ভালোবাসায় বড়ো হয়। মেকী ভালোবাসা কি জিনিস লিলি তা জানে না। ফলে জীবনের উপলব্ধি তার কাছে প্রবল।

হাসনাত:
একজন শিল্পীর কাছে জীবনের সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু থাকে তার শিল্পে। তার শিল্পকে ঘিরে সে তার জীবনের সবকিছুকে তৈরি করে। ব্যক্তিগত জীবন থেকে ভালোবাসার জীবন সব কিছু।

আমরা সকলেই কিছুটা হাসনাত সাহেবের মতোই। শিল্পীর জীবনের কেন্দ্রবিন্দু যেমন থাকে তার সৃষ্টিকর্ম, তেমনি লোভী মানুষের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে লোভ, ভোগী মানুষের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে ভোগ, জ্ঞানপিপাসু মানুষের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে জ্ঞানার্জন, প্রেমিকের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে প্রেমিকা।
Profile Image for Ësrât .
517 reviews86 followers
February 8, 2020
খাপছাড়া কাহিনী, এরকম ঘটনা আর চরিত্রের মধ্যে কোনো পারম্পারিকতা না থাকলে পড়েও যেমন আরাম নেই, তেমনি পড়ার পরেও শান্তি লাগে না,শাখের করাতের মত অবস্থা হয়ে যায় আর কি
Profile Image for Owlseer.
223 reviews31 followers
February 26, 2025
আমি সম্প্রতি হুমায়ূন আহমেদের সে ও নর্তকী উপন্যাসটি পড়েছি এবং এর আবেগপ্রবণতা এবং জটিল কাহিনী দ্বারা মুগ্ধ হয়েছি। গল্পটি দুই যুবতী নারী, স্বাতী এবং লিলির জীবনকে ঘিরে, যারা তাদের নিজস্ব জটিল পারিবারিক পরিস্থিতি এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের মুখোমুখি হয়।

স্বাতী, একটি বড়লোক পরিবারের মেয়ে, বিশ্বাস করে তার বাবা-মা সবসময় ভালোবাসার অভিনয় করে এসেছে, কিন্তু বাস্তবে তারা একে অপরকে সহ্য করতে পারে না। তার বাবা সারাদিন নিজেকে তুচ্ছ কাজে ব্যস্ত রাখেন আর তার মা রান্নাবান্নায় নিজেকে নিমগ্ন রাখেন। তবে তারা দুজনেই স্বাতীকে অনেক ভালোবাসেন। স্বাতী হাসনাত সাহেব নামে একজন চিত্রশিল্পীর প্রেমে পড়ে এবং তার মেয়ে জাহিনকেও খুব পছন্দ করে। জাহিনের মা তাদের ছেড়ে চলে গেছে, তাই জাহিন মায়ের পরিচয় দিতে লজ্জা পায় এবং সবসময় বলে তার মা মারা গেছে।

স্বাতী হাসনাত সাহেবের প্রেমে মগ্ন হয়ে দুটো বড় ভুল করে ফেলে,এক. হাসনাত সাহেবকে দিয়ে নিজের একটি নুড ছবি আঁকানো, দুই. অবাধ সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হওয়া। বিয়ের চিন্তা করলেও স্বাতী বুঝতে পারে বিয়ের পরে কোন এক সময়ে সে বলবে
তখন আমার আবেগ কাজ করছিল,বিবেগ কাজ করে নাই।
যার ফলে তার অনাগত সন্তানের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে আর তাই সে সাময়িক আবেগের ভিত্তিতে বিয়ে না করর সিদ্ধান্ত নেয় এবং তার অনাগত সন্তানকে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে মানুষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরকম করার অন্যতম একটি কারণ স্বাতীর মা বিয়ের আগে একটি গর্ভপাত করিয়েছিলেন, যা তার বাবা-মায়ের মধ্যে অনেক ঝগড়ার কারণ হয়েছিল।

অপরদিকে, লিলির জীবন যৌথ পরিবারে কাটে, যেখানে সে সবসময় সমস্যা দেখে এসেছে। বড় চাচার তুচ্ছ কাজ থেকে শুরু করে মায়ের অজানা কারণে ছোট বোনদের মারধর, সবকিছুই লিলির জীবনের অংশ। তার বাবা বদমেজাজী এবং বান্ধবীদের সাথে ঘোরাফেরা পছন্দ করেন না। একদিন স্বাতী তাদের বাসায় থেকে যায়, কিন্তু রাতে ছাদে ধূমপান করার সময় ধরা পড়ে। এতে লিলির বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং সে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় হাসনাত সাহেবের কাছে। হাসনাত সাহেবের সাথে তার পরিচয় স্বাতীর মাধ্যমে হয়। লিলি ধীরে ধীরে হাসনাত সাহেব এবং জাহিনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং তাদের প্রতি মায়া জন্মায়।

কিন্তু একসময় তার বিয়ের কথাও পাকা হয় অন্য এক ছেলের সাথে, আর অন্যদিকে জাহিনের মা তাকে নিয়ে যায়। একা হয়ে থাকে শুধু হাসনাত সাহেব। তিনি হয়তো শুধু তার চিত্রকলায় মানুষক�� ধরে রাখতে পারেন, বাস্তবে সবাই তাকে ছেড়ে চলে যায়।

গল্পের শেষটুকু ছিল খুব আবেগপ্রবণ, জাহিন তার বাবার কাছ থেকে একটি ছবি উপহার পায়, যেখানে একটি ছোট মেয়ে স্কুল ইউনিফর্মে কাঁদতে কাঁদতে তার বাবার দিকে দৌড়াচ্ছে আর পুরো প্রকৃতি যেন তাদের পুনর্মিলন দেখতে উদগ্রীব। এই চিত্রকর্মটি জীবন্ত মনে হয়, কারণ এটি জাহিন এবং তার বাবার একটি বাস্তব ঘটনা থেকে আঁকা হয়েছে।

সে ও নর্তকী আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। হুমায়ূন আহমেদ চমৎকারভাবে দেখিয়েছেন যে প্রত্যেকের জীবনে নিজস্ব সমস্যা থাকে, তা সে যেখানেই থাকুক না কেন। লিলি স্বাতীর সুখী জীবনের মত একটি জীবনের স্বপ্ন দেখে না জেনে যে স্বাতীর নিজস্ব পারিবারিক সমস্যা রয়েছে।

উপন্যাসটি আমাকে
হুম, আপনি কি ভাবতেসেন ভাই আপনার নৌকায় লিক আসে? আমি তো দেখতেসি ভাই আপনার নৌকা ঠিক আসে
লাইটির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যা দেখায় যে আমরা সবাই বিশ্বাস করি আমাদের সমস্যাগুলোই সবচেয়ে বড়। তাছাড়া, হুমায়ূন আহমেদের চরিত্রের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এত গভীর আবেগ সৃষ্টি করার ক্ষমতা প্রশংসনীয়।

তবে, দুঃখজনকভাবে, তার অনেক লেখাতেই তিনি এই মান ধরে রাখতে পারেননি, এতে বড়ই খারাপ লাগে।
Profile Image for Tawheeda Rufah Nilima.
294 reviews59 followers
August 23, 2021
বইটা নিয়ে পরে কোনোদিন লিখবো। এখন শুধু বলতে চাই, বইটা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। খুব সুন্দর। খুব বেশি সুন্দর। এতোদিন কেনো পড়িনি। হয়তো বইটা আজই পড়ার কথা ছিল তাই। প্রত্যেকটা বই পড়ার ই একটা নির্দিষ্ট সময় হয়তো থাকে। তখন আমরা কোনোরকম না ভেবে হুট করে বইটা হাতে নেই আর পড়ে ফেলি। এতো ভালো লাগে। মনে হয় আজ পড়বো তাইজন্যেই আগে পড়া হয়নি।

এতো সুন্দর একটা! এতো বেশি সুন্দর!
Profile Image for Muniea Akter.
52 reviews2 followers
April 5, 2025
বেশ কয়েক বছর আগে একবার পড়া হয়েছিল। আজকে আবার পড়ে শেষ করলাম। খন্ড খন্ড ঘটনা শেষে এসে কেমন যেন বিষন্ন করে দিল। একটা মন খারাপ ভাব আছে বইটায়।
" হুমায়ূন পড়বো আর মন খারাপ হবে না তা তো সম্ভব না!"
Profile Image for Samiha Kamal.
121 reviews117 followers
June 9, 2022
"মানুষের পুরো জীবনটা হলো এক গাদা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপূর্ণ তৃষ্ণার সমষ্টি।  A collection of unfulfilled desires. অধিকাংশ তৃষ্ণা মেটানো কিন্তু কঠিন না। মেটানো যায়। সাহসের অভাবে আমরা মিটাতে পারি না।"
Profile Image for Rajib Majumder.
141 reviews5 followers
January 15, 2020
অসাধারণ একটি গল্প। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই লেখকের ভাবনার সাথে আমাদের ভাবনা মিললে বেশ ভাল লাগে। হুমায়ুন সাহেবের লেখা এর ঠিক উল্টো। এত বই পড়লাম তবু্ও আমি হয়ত ভাবছি এইবারে এইটা ঘটবে কি কোন একটি চরিত্র হয়তো কিছু একটা করবে- অথচ দেখছি ঠিক উল্টোটা হচ্ছে। অবাক হচ্ছি, হাসছি- ফের বোকা বনলাম। কিন্তু এক সুন্দর অনূভুতি তৈরি হচ্ছে।
Profile Image for Aatrolita George.
49 reviews14 followers
August 14, 2022
এই বইটা পড়েছি ২০১৭ সালে। আমার আর আমার আপুর খুব পছন্দের বই ছিলো।
Profile Image for Sabbir Hossain Abir.
114 reviews40 followers
July 5, 2025
মন খারাপ থাকলে ফিরে আসি হুমায়ূনের কাছে। হুমায়ূন মন আরো খারাপ করে দেয়। মন খারাপ করে দিবে জেনেও ফিরে আসি তার কাছে বার বার।
Profile Image for Fariha Hossain.
122 reviews34 followers
March 31, 2019
একই বইয়ে একসাথে এত ভাল লাগানো আর চোখের পানি ফেলানো মনে হয় শুধু হুমায়ুন আহমেদের পক্ষেই সম্ভব। অল্পকিছু পৃষ্ঠা কিন্তু এত অনুভূতির সমাহার...
Profile Image for Nafisa Anjum.
226 reviews13 followers
April 2, 2024
শেষ হয়েও শেষ হলো না, এটি হুমায়ূন আহমেদের সব বইয়ের জন্যেই প্রযোজ্য মনে হয়। অনেক প্রশ্ন মাথায় রেখেই গল্প শেষ হয়েছে। বিষন্নতার একটা আবেশ পুরো গল্পে যেন শীতকালের কুয়াশার মত ছড়িয়ে আছে।
Profile Image for 🌱.
7 reviews
July 13, 2024
3.2
|| হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা বই খুব সহজে আমার অপছন্দ হয় না। ঊনার বই নিয়ে যখনই বসি, মোটামোটি ধরেই নেই যে ভালো একটা সময় কাটবে। এজন্য না যে ঊনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ লেখকদের একজন বা কিছু; অনেকেরই তার লেখা মনে ধরে না। তবে আমার খুব ভালো লাগে। আমি যেভাবে চারপাশকে অনুভব করি, সে জিনিসটা খুব পরিষ্কারভাবে তিনি বই গল্পে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। ঊনার লেখার রিভিউ কখনোই আমি তিনি লেখক হিসেবে আমার কতটা প্রিয় সে কথা না তুলে লেখিনি। কারণ তার অধিকাংশ লেখাই কিছুটা এক প্রকৃতির। তাই বই নিয়ে আলাদা বলার কিছু থাকে না আমার। কিন্তু তাকে নিয়েও বিশেষ কোনো উৎসাহ যে, তা কিন্তু না। তার লেখাই খালি আমার সমস্ত জগৎকে আচ্ছাদন করে ফেলতে পারে। এই আরকি।

এখন বই নিয়ে এট্টু আধটু কিছু বলি। হুমায়ূন এর লেখা বই এর চরিত্রগুলো সবসময়ই খুবই বিচিত্র হয়। আমার দেখা আশেপাশের মানুষজন এভাবে কথা বলেন না। এ বইটির চরিত্রগুলোও ছাড় পায়নি তাদের লেখকের অদ্ভূত দৃষ্টিভঙ্গী থেকে। স্বাতীকে সাধারণভাবেই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে। আমি ভাবিনি এটা হবে, কিন্তু কিভাবে যেন লিলিকেও আমার খুব্বই ভালো লাগলো। হয়তো স্বাতীর চেয়েও বেশি। আর ভালো লেগেছে নেয়ামত সাহেব এবং তার ছোট ভাই জাহেদকে। জাহেদুর রহমান যে শেষমেষ আমেরিকা যাননি, বিষয়টা খুব ভালো লাগলো। জাহিনের বাবার সাথের শেষ মুহূর্তগুলোর কথা পড়ে এট্টু কেঁদেছিও। আর কিছু বলার নেই। সাধারণ, সুন্দর একটি বই। পড়ে দেখলে খারাপ না। আবার না পড়লেও কোনো ক্ষতি হবে না। আমি এতোকিছু লিখেছি কারণ এই বই আমার সবচেয়ে কাছের এক মানুষের দেয়া উপহার। আর, কারণ, আমার হুমায়ূন স্যারের লেখা নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগে। এই শেষ॥
1 review
Read
July 7, 2023
আমাদের সমাজে দুটি মেয়ের বা দুটি ছেলের বন্ধুত্ব কে যত সহজ করা হয়েছে দুটি ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্বকে করা হয়েছে ততটাই কঠিন এটা সমাজের দোষ না, এটাই সৃষ্টি জগতের নিয়ম।
দুটি ছেলেমেয়ের মেলামেশার পথে কাটা বিছিয়ে রাখা হয়, কাটা উপেক্ষা করে যখনই তারা মিলিত হতে যায় তখন পেতে হয় কাঁটার আঁচড়...
সে আঁচড় ধীরে ধীরে শরীরে দৃশ্যমান হতে থাকে
তখন তাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বিয়ে নামক আনুষ্ঠানিকতার দরকার হয়..
এ বিয়ে কি কোনো আনন্দের বিয়ে নাকি শুধুই কাঁটাকে ফুল বানানোর বৃথা চেষ্টা...

বহুবছর আগে এমনই এক অন্যায় কাজ করেছিলেন রওশন আরা বেগম, তবে তিনি কাঁটাকে ফুলে পরিনত করেননি, বরং চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে শরীর থেকে কাঁটা উপড়ে ফেলে দিয়েছেন...

এরপর তার বিয়ে হয়েছে এবং স্বাতী নামক কন্যা সন্তানের জননী হয়েছেন তিনি, কিন্তু পাপ যে কাউকে রেহাই দেয়না, তার কন্যাও তার মতো একই অন্যায় করে ফেললো, তবে না বুঝে নয়, জেনে বুঝে মা কে কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত করতেই তার এই ঘৃন্য কাজ।
সে তার মায়ের মতো নিষ্ঠুরভাবে শরীর থেকে কাঁটা উপড়ে ফেলবে না, যে শিশুটি পৃথিবীতে আসতে চাচ্ছে তাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে, বড় করবে এবং একজন শুদ্ধতম মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।
অশুদ্ধতায় জন্ম নেওয়া শিশুই হবে শুদ্ধতার প্রতীক...

বলছিলাম হুমায়ুন আহমেদ স্যার এর লেখা "সে ও নর্তকী" নিয়ে...
আমার ভিষণ প্রিয় একটা বই, সমাজের একটা কালো অধ্যায়ের চমৎকার প্রতিবাদ দেখানো হয়েছে এ বইতে।
Profile Image for Propa Zaman.
67 reviews10 followers
March 8, 2024
মানুষের পুরো জীবনটাই হলো একগাদা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপূর্ণ তৃষ্ণার সমষ্টি। "সে ও নর্তকী" কিছু অপূর্ণ তৃষ্ণার গল্প।

স্বাতী ও লিলি দুই বান্ধবী, ইউভার্সিটিতে পড়ে। দুজন দুই ভিন্ন সামাজিক অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে। স্বাতীর পরিবার উচ্চবিত্ত, মেয়েকে মাথায় করে রাখেন তার মা-বাবা। অন্যদিকে লিলি মধ্যবিত্ত এক জয়েন্ট ফ্যামিলির মেয়ে। সাধারণ ভাবেই এসব পরিবারে নোংরা ধরণের একশ একটা ঝামেলা বেঁধে থাকে, এসব দেখেই বড় হয়েছে লিলি।

স্বাতী স্বাধীনচেতা এবং খামখেয়ালি ধরণের মেয়ে। সে হাসানত নামের এক বিপত্মীক মানুষের প্রেমে পরে, যার "জাহিন" নামের খুব মিষ্টি একটা মেয়ে আছে। গোপনে বিয়ে করার পরিকল্পনাও করে ফেলে তারা। কিন্তু বিয়ের দিন স্বাতী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। লিলিকে পাঠায় কাজী অফিসে হাসানতকে জানাতে যে সে আসবে না। বড়লোকের বখে যাওয়া খামখেয়ালি এবং অবিবেচক মেয়ের কান্ড। লিলির এসব পছন্দ হয় না তবুও সে স্বাতীর পাশে থাকে।

স্বাতীর এসব কর্মকান্ডের ব্যাখ্যা পাওয়া যায় একদম শেষের দিকে এসে। একদম হুমায়ূন স্টাইলে বোম ফাটানো যাকে বলে। কোন একটা অলস বিকেলে বইটি নিয়ে বসতে পারেন, সময়টা আপনার মন্দ কাটবে না স্বাতী এবং লিলির সাথে।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
364 reviews48 followers
October 14, 2024
ইনস্টাগ্রামে একজন আমাকে এই বইটা রিকমেন্ড করেছিল পড়ার জন্য। আমার কাছে হার্ড কভার ছিল না বিধায় সাহায্য নিলাম কল্লোল ভাইয়ের অডিও বুকের।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা এখন অব্দি আমার সবচেয়ে বেশি পড়া হয়েছে এর পিছে কারণ হচ্ছে, তার লেখনী পড়ার সময় আমি, চরিত্র গুলোকে অনুভব করতে পারি। তাদের সাফারিং, দুঃখ, কষ্ট, অভাব সবটাই নিজের মনে হতে থাকে। উনার অধিকাংশ পারিবারিক ঘরনার উপন্যাস গুলাই আমার সবচেয়ে প্রিয়। তবে ওনার লেখা কিছু উপন্যাস আছে যা পড়ার সময় যথেষ্ট বিরক্ত হই। আবার কিছু উপন্যাস রয়েছে যা পড়ার পর আহামরি লাগে না তবে একবারে অখাদ্য ও লাগে না, এই উপন্যাসটা অনেকটা সেই দলেরই সদস্য।
উপন্যাসে দুই বান্ধবীকে দেখানো হয়েছে যেখানে দুইজনের জীবন দুইরকমের। উপন্যাসে সাথীর ক্যারেক্টার আমার কাছে উদ্ভট লেগেছে। এবং সে তার মায়ের মতন... that doesn't make any sense. অদ্ভুত কাজ কারবার যা একসময় অসহ্য লাগা শুরু করায় মনের মাঝে। অপরদিকে লিলির ক্যারেক্টারটার সাথে কিছুটা মিল পাই আমি নিজের মাঝে, হয়ত ওদের মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি সেজন্যই।

যাইহোক, উপন্যাস টা below average লেগেছে আমার কাছে।
Profile Image for Abdullah Wasib.
33 reviews1 follower
August 25, 2022
হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে সাহিত্যের জগতে প্রবেশ। তারপর কেটে গেছে কয়েক বছর। বহু মাস ধরে তার কোনো বই পড়ি নি।

তারপর আজকে শেষ করলাম 'সে ও নর্তকী'! তার প্রথম বইটা শেষ করার পর যেরকম অনুভূতি হচ্ছিলো আজকেও ঠিক সেইরকম অনুভূতি হচ্ছে। তার লেখা আমাকে আকৃষ্ট করে এতো দূর নিয়ে আজও সেই জায়গা থেকে বের হতে পারি নি!
2 reviews
March 20, 2022
this can make anyone cry.the character of this book is excellent. The mind thoughts of the characters and the style of expressing their feelings is fascinating. This book is best and Humayun Ahmed sir will always my favourite writer.
Profile Image for Koly Sheikh.
28 reviews5 followers
November 4, 2023
পুরো উপন্যাস নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই, হুমায়ূন আহমেদের বাকি যেসব 'এভারেজ টাইপের' লিখা আছে সেগুলোর মতোই। কিন্তু এন্ডিং নিয়ে আমার অভিযোগ আছে। মনে হলো খুব জলদি শেষ করে দিলেন। এন্ডিংয়ে আরেকটু সময় এবং যত্ন দিলে অভিযোগটা থাকতো না।
Profile Image for Shaid Zaman.
290 reviews48 followers
October 16, 2025
অক্টোবর মাস। শীত আসবো আসবো করছে। সন্ধ্যার পর থেকে একটা আলতো ভালো লাগা শরীর জড়িয়ে ধরছে। মৃদু বাতাস, ঠান্ডা বাতাস জানান দিচ্ছে, সে আসছে।

বইটা ঠিক এমনই। একটা ভালো লাগার, কিছুটা মন খারাপের অনুভূতি কেমন মৃদু বয়ে গেছে, একটা অন্যরকম কিছু লেপ্টে গেছে মনে।
Profile Image for Faiza Nazim.
55 reviews4 followers
April 3, 2020
You can never feel sleepy reading any of Humayun's books. It is a gifted talent. Those who hone it to perfection will live through their works forever like a blazing star.
Profile Image for অনিরুদ্ধ.
143 reviews22 followers
June 21, 2020
নির্দিষ্ট কাহিনী নেই বলাটা ঠিক হবে না। আছে তবে খন্ড খন্ড। একজনের সাথে আরেকজনের সম্পর্ক.. টুকরো ঘটনা আর জীবনের গল্প। আহা!
Profile Image for Lailatul Propa.
17 reviews1 follower
January 20, 2022
মজার ব্যাপারটা হলো স্বাতী এবং আমার জন্ম তারিখটা একই।
Profile Image for Rifah Tasfia.
5 reviews3 followers
March 1, 2022
Bhalo lagar boi er moddhe akti. Kichu boi er bhalo laga likhe prokash kora jaena. Always want to treasure this book
Profile Image for Riduan Chowdhury.
26 reviews
August 28, 2023
প্রথম দিকেকের চ্যাপ্টার গুলো একটি সাদামাটা ছিল কিন্তু পরবর্তীতে আস্তে আস্তে আরো ইন্টারেস্টিং হয়ে উঠে।
Displaying 1 - 30 of 39 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.