সতর্কবার্তাঃ তিন বছরের কম বয়সীদের এই লেখা পড়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এক গোপন মারফতে জানা যায়, ইউক্লিড নাকি উদ্ভাস উন্মেসে দুই বছর কোচিং করেও যখন 'কাংখিত' গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন তখন নাকি তিনি ঘরে বসে ইউটিউবে চমক হাসানের গনিতের রঙ্গে হাসি খুশি গনিতের ভিডিওগুলো দেখে জ্যামিতির প্রেমে পরেন আর তাঁর পর নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেন আর ভর্তি হন প্লেটোর কোচিং সেন্টারে। প্লেটোর কোচিং সেন্টারে নানান রকম দার্শনিকের সাথে পরিচিত হয়ে অনেক কিছু শেখেন আর নীলক্ষেত থেকে সস্তায় তেরো খণ্ডে এলিমেন্টস বের করেন। কিন্তু এতো বড় বই পড়ে তো পরীক্ষায় কমন পাওয়া যাবেনা তাই 'চুঞ্জেরি' প্রকাশনী সিদ্ধান্ত নিলো
এই তেরো খণ্ড থেকে পরীক্ষায় কমন পাওয়া যাবে এমন উপপাদ্য তারা প্রিন্ট করে বাচ্চাদের হাতে তুলে দেবে। বাচ্চারা সেই উপপাদ্য গুলো, "উমম...উমম...যেকোনো যেকোনো...ত্রিভুজের বৃহত্তর...উমম...উমম বাহু বাহুর বিপরীত কোন বৃহত্তর..." এভাবে মুখস্ত করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পাশের বাড়ির আন্টির হাত থেকে মায়ের কপালের ঘাম রক্ষা করে চলেছে।
একটি ব্যাপারে সন্দেহ থেকে যায় তা হল, ইউক্লিড নাকি কম্পাসকে জ্যামিতি চর্চার অন্যতম একটা পারফেক্ট হাতিয়ার মনে করতেন। কিন্তু তিনি কি জানতেন না যে,
স্কুলের টিফিন পিরিয়ডে 'পারফেক্ট হাতিয়ার' কে নানান বিকল্প হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার হয়? উদাহরণ স্বরূপঃ আমার মা আম কুচি দিয়েছিলেন টিফিন বাটিতে কিন্তু কাঁটা চামচ দিতে বেমালুম ভুলে গিয়েছিলেন, আমি যে ঐশীর ব্যাগ থেকে কম্পাস বের করে সেটাকে আহার্য সম্পাদনে নিখুঁতভাবে ব্যাবহার করলাম, এই যে কম্পাসের মৌলিক ব্যাবহার; সে সম্পর্কে ইউক্লিড কি বলবেন?
তিনি যদি কম্পাসের বিকল্প ব্যাবহার নিয়ে উপপাদ্য দেন তাহলে আমি রেটিং আরেকটা বাড়িয়ে দেবো।