অদ্ভুতুড়ে'র অন্যান্য বইয়ের থেকে একটু আলাদা এটা। থ্রিল, অ্যাকশনে, অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ এই বই। গত ছয় মাস ধরে রতন লক্ষ্য করছে, সেযেখানেই বক্সিং ম্যাচে অংশ করুক না কেন, দুজন মানুষ সবসময় সেখানে থাকে। তারা যে বক্সিং নিয়ে খুব বেশি আগ্রহী তা নয়, কারন রতন ছাড়া আর কারো বক্সিং তারা দেখে না। জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তারা রতন কে বলে তারা রতনকে আমেরিকা নিয়ে যেতে চায়। রতন একদিকে যেমন খুশি হয়, আবার বাবার কথা ভেবে চিন্তিত হয়। তখন তারা বলে ��তন চাইলে তার বাবাকেও তারা আমেরিকা নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাবে।
রতনের বাবা বিজ্ঞানী, বেশ বড় মাপের বিজ্ঞানী। উনি গবেষনা করছিলেন হিটঅ্যামপ্লিকিশন নামে একটি যন্ত্র নিয়ে। এই যন্ত্র দিয়ে একটি মোমবাতির তাপ দিয়ে পুরো কলকাতা শহরের শক্তির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। কিন্তু যন্ত্রের কাজ শেষ হওয়ার কিছু আগে হঠাৎ পাগল হয়ে যায় সে।
এদিকে রতনের বাবার ল্যাবে একদিন আগমন হলো দুই মূর্তির। একজন খাটো, একজন লম্বা। পরের দিন নিরুদ্দেশ রতনের বাবা।
যা বলছিলাম, অদ্ভুতুড়ে'র অন্যান্য গল্পের মতো না গল্পটা, পুরো গল্পে টানটান উত্তেজনা, শেষে একশনও ছিল অনেক। এই বই থেকে বেশ ভালো মুভি বানানো যাবে, গল্পটা একটু ফিল্মি ধরনের। পিচ্চি এই গল্পটা বেশ ভালো লেগেছে।