বিশ্বনাথ-অঞ্জলির ছেলে মালব্য, মেয়ে অনন্যা। অনন্যা অফিসে চাকরি করে, মালব্য অধ্যাপক। অনন্যা শান্ত, বুদ্ধিমতী। অফিস-বাড়ি দুটোই সামাল দেয়। তার একটি প্রেমিকও আছে। মালব্য লেখাপড়া ছাড়া কিছু বোঝেনা। বিশ্বনাথের ছেলেকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই। ভালবাসা তীব্র। এই ভালবাসা কোনও কোনও সময় স্বাভাবিকতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। অঞ্জলি সংসার নিয়ে সদা ব্যস্ত। চরিত্রে খানিকটা রাগী। এই পরিবারে হঠাৎ এক কিশোরীর আগমন ঘটল। নাম দোপাটি। লেখাপড়ায় দুর্দান্ত অথচ ভিতরে অপরাধীমনের অস্তিত্ব। ভালমানুষকে খারাপ করা তার খেলা। তার মন কখনও আলোতে থাকে, কখনও অন্ধকারে। গোটা বাড়ি যেন লন্ডভন্ড হয়ে গেল। একদিন বাড়ি ফেরবার পথে খুন হল মালব্য। কাহিনি মোড় নিল অন্যপথে। প্রচেত গুপ্তর‘ হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে’ এমন এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনি যা পাঠককে প্রশ্নের মুখোমুখি করে। দোপাটি কি তবে নিয়তি? যে আমাদের মাথার মধ্যে থাকে, কখনও আলোয় আসে, কখনও অন্ধকারে সরে যায়?
Prachet Gupta(alternative spelling Procheto Gupta or Prachet Gupta or Procheta Gupta; Bengali: প্রচেত গুপ্ত, porocheto gupto) born 14 October 1962) is a Bengali writer and journalist. In 2007, his work Chander Bari has been adapted into a Bengali film by director Tarun Majumdar. In 2011, director Sekhar Das made film on Gupta's story Chor-er bou ("Wife of a thief"), the film was named Necklace. One of the front runners in contemporary Begali literature, few of his stories have been translated into Hindi, Oriya and Marathi language. He is a key writer of the magazine Unish-Kuri, Sananda, Desh.
Early Life: Gupta spent his childhood in Bangur Avenue and studied in Bangur Boys school. He started writing from his childhood. His first story was published in Anandamela when he was only 12 years old. Later his literary works were published in many more magazines. He completed his graduation from Scottish Church College, Kolkata.
Awards: Bangla Academy's Sutapa Roychowdhury Smarak Puraskar (2007) Shailajananda Smarak Samman (2009) Sera Sahityik Puraskar by Akash Bangla(2209) Ashapurna Devi Birth Centinary Literature Award (2009) Gajendra Kumar Mitra O Sumathanath Ghosh Smarak Samman (2010) Barna Parichay Sharad Sahitya Samman(2010) Most Promising Writer Award By Publishers and Bookseller's Guild (Kolkata Book Fair)-2011
লেখক মহাশয় উনবিংশ শতাব্দীর বটতলা-মার্কা চটি বইয়ের পৃষ্ঠার বাইরে কোনো বাস্তবের রক্তমাংসের টিন এজার মেয়েকে আদৌ কাছ থেকে কখনও দেখেছেন কিনা, বইটা পড়ার পর এই বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ হচ্ছে ।
পড়ে শেষ করলাম প্রচেত বাবুর লেখা হত্যাকান্ডের আগে ও পরে। মানুষের সাথে মানুষের নিবিড় যোগাযোগ আর তার মধ্যে যে কঠিন মারপ্যাঁচ তা নিয়ে এই বই। অনন্যা-র প্রেম ও প্রেমিক কে বুঝতে শেখা এই বই। আপাত কুটিল মস্তিস্কের তলায় লুকিয়ে থাকা বেদনা ও মায়ের অবজ্ঞা-র সাথে জুঝতে থাকা এক মেয়ের এই বই। বিশ্বনাথ বাবুর নিজের সাথে লড়াই ও একজন পারিবারিক কাঠামোতে নিজের চিন্তাকে খাপ খাওয়ানোর প্রচেষ্টা এই বই। এই বই ভাবায় সম্পর্ক-r বাঁধন নিয়ে। ভাবায় আমাদের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে।
আর হত্যাকান্ড? ও হ্যাঁ আছে, মানে শেষের দিকে তিন পিস পাঁপড়ের মতন আছে।
আর তার জাল ছাড়ানো? ওটা নেতিয়ে যাওয়া পানের মত আছে। কিছু লোক মুখে পুরবে, আর বেশিরভাগ লোক পকেটে রেখে ভুলে যাবে যতদিন না পকেট এ রঙ লেগে যাচ্ছে।
এটা যদি রহস্য গল্প হয় তাহলে বলতে হবে এই গল্পের মধ্যে একটাই রহস্য, সেটি হল গিয়ে "এই বই এ রহস্যের পার্ট খুজে বের করা" এই বই এ একজন-ই কাল্প্রিট, রহস্য। একজন-ই ডিটেক্টিভ, পাঠক। সারা বইতে ডিটেক্টিভ পাঠক খুঁজে বেড়াবে কাল্প্রিট রহস্য কে, কিন্ত গাইতে হবে তাকে "তোমার দেখা নাই রে"। রহস্যকে খুঁজতে খুঁজতে যখন পাঠক ক্লান্ত, সে জানতে পারবে কত কথা। মালব্য কে মন দিতে এসে প্যাভিলিয়নে ফেরত গেছে। কে সিগারেটের ধোঁওয়াতে কেশেছে। এরম আরও অনেক গভীর ব্যাপারস্যাপার সে জানতে পারবে আর বুঝতে শিখবে। আর লাস্টে যখন রহস্যকে পাকড়াও করবে পাঠক, সে বুঝতে পারবে যে সে নেমেছিল যদিও আশা করে যে গব্বর সিং কে ধরবে, কিন্ত শেষমেশ হাতে এল পাড়ার পাঁচু মস্তান।
তাও, নাই গব্বর এর থেকে কানা পাঁচু বেটার। প্রচেত বাবু এইটুকুও যে দিয়েছেন তাই বা কজন দেন।
বইটির নাম প্রচেত বাবু, "হত্যাকান্ডের আগে পুরোটা পরে দু ফোঁটা " রাখতে পারতেন। বেটার মানাতো।
বি:দ্র: এত কিছুর মধ্যে একটা মস্ত পাওয়া, কেস সমাধান করার জন্য লেখক কোনও বৌদি, মামি, কাকি, জেঠা, খুড়ো বা ইস্কুলের খোকাকে আমদানি করেননি। পুলিশ দিয়েই কাজটি করিয়েছেন। এও বড় পাওনা।
In my reading list, হত্যাকান্ডের আগে ও পরে is a memorable addition. Though on surface it may seem the writer is going to write a thriller, mystery or detective novel, actually he has focused more on the belief of our inner perspective and consequences of its murder. Again, if you explore the contents of the book, the nature of the multifaceted characters and their intention to "kill" each other could also be the reason to name the book in this way. I want to conclude my perspective by a quote, "Both the angel or the devil lies in human heart, however, the decision is upon us - what we would want to be"
আমাদের জ্যোতিষশাস্ত্র "মালব্যযোগ" বলে একটি বিশেষ যোগের কথা বলে, দশম ঘরে এই যোগটির কল্যাণে সফলতা ও সম্পদ প্রাপ্তি হয়। সম্পদ ও সফলতার আইডিয়া অবশ্য রিলেটিভ । কিন্তু মালব্য চরিত্রটি যদি এই বিশেষ যোগটির দ্বারা একটুও অনুপ্রাণিত হয়, তাহলে চরিত্রটির লেয়ারগুলি আরও প্রাসঙ্গিক লাগে। বাকি চরিত্রগুলি তাদের মতই সুন্দর ও সাধারণ কিন্তু দোপাটির অদ্ভুত নিষ্ঠুর স্যাডিস্ট সাইকোলজি এবং অঘটন-ঘটন পটীয়সী-ত্ব তাকে প্রায় আইকনিক "poison Ivy"/ "femme fatale" বানিয়ে দেয় ।
মালব্যর চড়টা ভীষণ satifactory। কিন্তু শেষ অবধি তার চরিত্রের স্খলন নিয়ে একটা চাপা টেনশন থেকেই যায় । মালব্যর বাবাকে আমার একটু বেশীই "emotional fool" লেগেছে। একটা মেয়ের নামে ভয়ানক সব কথা শোনা যাচ্ছে এবং তা পরিবারের জন্য খারাপ হতে পারে, যে কোন বাবাই আগে ওই রাক্ষুসি কে দূর করত। অনন্যার lovestory নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই ("red flags" সব মেয়েরাই দেখতে পায় কিন্তু ignore করে)।
As usual একটা দারুণ গল্প, perfectly done and dusted.
✨📖উপন্যাসের নাম - হত্যা কাণ্ডের আগে ও পরে📖✨ ✍️লেখক - প্রচেত গুপ্ত 🖨️প্রকাশক - আনন্দ পাবলিশার্স 📃 পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৬৭
🍂🍁বিশ্বনাথ - অঞ্জলির ছেলে মালব্য , মেয়ে অনন্যা । অনন্যা অফিসে চাকরি করে , মালব্য অধ্যাপক । এই পরিবারে হঠাৎ এক কিশোরীর আগমন ঘটল । নাম দোপাটি । লেখাপড়ায় দুর্দান্ত অথচ ভিতরে অপরাধী মনের অস্তিত্ব । একদিন বাড়ি ফেরবার পথে খুন হল মালব্য । প্রচেত গুপ্তর ‘ হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে এমন এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনি যা পাঠককে প্রশ্নের মুখোমুখি করে ।🍁🍂
🍂🍀বিশ্বনাথ - অঞ্জলির ছেলে মালব্য , মেয়ে | অনন্যা । অনন্যা অফিসে চাকরি করে , মালব্য অধ্যাপক । অনন্যা শান্ত , বুদ্ধিমতী । অফিস বাড়ি দুটোই সামাল দেয় । তার একটি প্রেমিকও আছে । মালব্য লেখাপড়া ছাড়া কিছু বোঝে না । বিশ্বনাথের ছেলেকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই । ভালবাসা তীব্র । এই ভালবাসা কোনও কোনও সময় স্বাভাবিকতার সীমা ছাড়িয়ে যায় । অঞ্জলি সংসার নিয়ে সদাব্যস্ত । চরিত্রে খানিকটা রাগী । এই পরিবারে হঠাৎ এক কিশোরীর আগমন ঘটল । নাম দোপাটি । লেখাপড়ায় দুর্দান্ত অথচ ভিতরে অপরাধী মনের অস্তিত্ব । ভালমানুষকে খারাপ করা তার খেলা । তার মন কখনও আলোতে থাকে , কখনও অন্ধকারে । গোটা বাড়ি যেন লন্ডভন্ড হয়ে গেল । একদিন বাড়ি ফেরবার পথে খুন হল মালব্য । কাহিনি মোড় নিল অন্য পথে । প্ৰচেত গুপ্তর ‘ হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ' এমন এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনি যা পাঠককে প্রশ্নের মুখোমুখি করে । দোপাটি কি তবে নিয়তি ? যে আমাদের মাথার মধ্যে থাকে , কখনও আলোয় আসে , কখনও অন্ধকারে সরে যায় ?🍀🍂