Jump to ratings and reviews

শূন্য খাম

Sitting naked immersed in her own shame and sorrow Basudeb Chowdhury sat facing her a little lost in his reverie Did she represent his sin or was this the destiny he created for himself

142 pages, Hardcover

First published January 1, 2010

Loading...
Loading...

About the author

Prachet Gupta

105 books66 followers
Prachet Gupta(alternative spelling Procheto Gupta or Prachet Gupta or Procheta Gupta; Bengali: প্রচেত গুপ্ত, porocheto gupto) born 14 October 1962) is a Bengali writer and journalist. In 2007, his work Chander Bari has been adapted into a Bengali film by director Tarun Majumdar. In 2011, director Sekhar Das made film on Gupta's story Chor-er bou ("Wife of a thief"), the film was named Necklace. One of the front runners in contemporary Begali literature, few of his stories have been translated into Hindi, Oriya and Marathi language. He is a key writer of the magazine Unish-Kuri, Sananda, Desh.

Early Life:
Gupta spent his childhood in Bangur Avenue and studied in Bangur Boys school. He started writing from his childhood. His first story was published in Anandamela when he was only 12 years old. Later his literary works were published in many more magazines. He completed his graduation from Scottish Church College, Kolkata.

Family:
Spouse: Mitra Gupta
Children: Samudra Gupta
Parents: Kshetra Gupta (father), author Jyotsna Gupta (mother).

Awards:
Bangla Academy's Sutapa Roychowdhury Smarak Puraskar (2007)
Shailajananda Smarak Samman (2009)
Sera Sahityik Puraskar by Akash Bangla(2209)
Ashapurna Devi Birth Centinary Literature Award (2009)
Gajendra Kumar Mitra O Sumathanath Ghosh Smarak Samman (2010)
Barna Parichay Sharad Sahitya Samman(2010)
Most Promising Writer Award By Publishers and Bookseller's Guild (Kolkata Book Fair)-2011

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
12 (27%)
4 stars
9 (20%)
3 stars
18 (40%)
2 stars
3 (6%)
1 star
2 (4%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Ësrât .
521 reviews95 followers
September 2, 2020
আজ থেকে প্রায় অর্ধ যুগ আগে যখন প্রযুক্তি এতটা উন্নত হয়নি,লোকে মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ ইমো সহ আরো নানা যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর টুং টাং শব্দের সাথে পরিচিত হননি কিংবা কাউকে সশরীরে দেখার অদম‍্য ইচ্ছে নিমিষেই এক ভিডিও কলে মিটিয়ে ফেলতে ছিল অপারগ তখন একমাত্র ভরসা ছিল খামে ভরা নানা কথার পশরা সাজানো সাদাকালো অক্ষরে মনের কোণে জমে থাকা কথাগুলো দুশব্দের "চিঠি"দিয়ে লিখে ফেলার এক প্রতীক্ষিত মূহুর্ত.

এ যুগে তো আমরা যখন তখন চাইলেই মুঠোফোন তুলে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি প্রিয়জনের সাথে কিংবা কাজের জায়গাতে.কিন্ত সে শাসনভরা রক্ষনশীল পরিবারের শিব রাত্রির সলতের বলতে ল‍্যান্ডফোনের দিনগুলোতে? কিংবা পথের কোনে চোখাচোখি হওয়া কোনো কপোত কপোতীর মনের গুলতানিগুলো কথায় রূপান্তরিত করতে বইয়ের ভাঁজে লুকানো চিঠি গুলোর আকর্ষন ছিলো এখনকার চিরায়ত যোগাযোগের মাধ্যম থেকে ঢের বেশি নিখাদ আনন্দের,খামে ভরা সে চিঠিগুলো যেন চিঠি না আকাশের চাঁদ আর তার ভাষাগুলো ছিল ঝকমক করা তারা

আমার চিঠি প্রীতি বরাবরই খুবই বেশি,আমাকে কেউ দুছত্র লিখলে তাকে কম করে হলেও দুপাতার চিঠি তো তাকে দিতামই,ঈদ বড় কোনো উৎসব কিংবা ছেড়ে আসা বন্ধুদের কিছু না কিছু লিখে পাঠানোর জন্য অনুরোধে ডালি নিয়ে বাবাকে দিয়ে আনতাম নানা রঙের খাম. আমার বাবা-মায়ের বিয়ের আগে চুটিয়ে চারটি বছরের প্রেমের যে একমাত্র বাহন ছিল ঐ খামে ভরা চিঠিগুলো,যা লুকিয়ে লুকিয়ে যে কত অগুনতি বার পড়েছি আর অবাক হয়েছি এত সুন্দর করে মনের কথাগুলো কয়েক লাইনে সাজিয়ে গুছিয়ে বলা যায়!এত প্রাঞ্জল অথচ ছন্দময় হয় চিঠি?সে হিসেবে জন্মসূত্রে যে আমি এরকমটা না হয়ে অন্য রকম হলে ব‍্যাপারটা আমারই গোলমেলে ঠেকতো স্বর্নর মত , আমি আদৈও তাদের ঔরসজাত আত্মজা তো?

প্রচেতগুপ্তর এই নিয়ে মোট চারটে লেখা পড়লাম,দেরি হয়ে গেছে আর তিন নম্বর চিঠির পড়ে তো মেজাজ যারপরনাই চটে গিয়েছিল,আগডুম বাগডুম লেখার ও তো একটা সীমা থাকার দরকার! বিশেষ করে যখন দেখলাম সাগর চরিত্র কে উনি দিবি‍্য হুমায়ূন আহমেদের হিমুটাকেই একটু পালিশ করে নাম বদলে নতুন বোতলে পুরনো সুরা মত পেশ করেছেন তখন মনে হচ্ছিল উনাকে পেলে আমি যদি হঠাৎ বাক‍্যবানে জর্জরিত করে তুলি তবে তা একদমই ন‍্যায়সঙ্গত
কাঞ্চন গড়ের কোকিল স‍্যার হালকা রসে আমার আগ্নেয়গিরি কে ঠান্ডা করলেও এই বইটা তিক্ততা কে মুগ্ধতায় বদলে দিয়েছে.
বাসুদেব চৌধুরী পরপর পেয়েই যাচ্ছেন শূন্য খাম, ভালোবেসে বিয়ে করা সন্তানদানে অক্ষম উন্মাদিনী স্ত্রী ভারতী, চারপাশে গড়ে তোলা একচ্ছত্র রাজত্ব,আর চরম উদাসীন শীতল অভিব্যক্তি সম্পন্ন পুত্র স্বর্ণ কে নিয়ে ভেবে যখন তার ফুসরত নেই দম ফেলার তখন কে করছে এই মোটা দাগের রসিকতা?এক কাপড়ে মায়ের হাত ধরে এই কলকাতা শহরে এসে কিভাবেই বা গড়ে তুললেন এই সাম্রাজ্য?চুরি?ডাকাতি বুদ্ধিমত্তা না কি কাউকে ঠকিয়ে?কনক আর দুলাল মাইতির ভূমিকাই বা কি এই পুরো গল্পে? ওহ্ মিনিট ভারতী তো বন্ধ‍্যা তবে স্বর্ণ এলে কোথা থেকে?কেই বা দিনের পর দিন স্বর্ণ কে জানাচ্ছে তার বাবার অতীত? স্বর্ণ ই বা কেন তার বাবার প্রাচুর্যের প্রতি এত অনীহ?
কি হবে শেষ পর্যন্ত এই শুন‍্য খামের মত ভেতরে থাকা অনুভূতি শূন্য সম্পর্ক গুলোর?রঙিন পালকের মতো তা কি ডানা মেলবে না ভো কাটা ঘুড়ির মতো মাটিতে পড়ে যাবে? জানতে চাইলে পড়তে পারেন বইটি, খুবই সাদামাটা গল্প কিন্তু কথাগুলো একদম মনে গেঁথে গেছে,প্রচেত বাবুর প্রচেষ্টা সফল এবার উইথ ফ্লাইং কালারস

রেটিং :🌠🌠🌠🌠
November 28, 2022
পাঠকপ্রতিক্রিয়াঃ শূণ্য খাম শব্দবন্ধকে বিত্তবানদের জীবনের রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাইরে থেকে রঙিন খামটা দেখতে অত্যন্ত সুন্দর কিন্তু ভেতরে পুরোটা ফাঁপা। অর্থোপার্জন করা, বিত্তবান হওয়া খারাপ নয় কিন্তু কিছু উপার্জনের আগে সেই বস্তু ব্যবহার এবং প্রয়োগের ক্ষমতা বা দক্ষতা একজন মানুষের থাকা চাই। নইলে অর্থ একটা পর্যায়ে অনেক বেশি হয়ে গেলে সেটা সামাল দিতে গিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন উচ্ছন্নে চলে যায়। মানুষ অনেক সময় পশুর চেয়েও খারাপ হয়ে যায়।শূণ্য খাম আমাকে শিখিয়েছে স্বল্পে তুষ্ট থাকতে এবং নিজের খামতিগুলোকে সাবলিলভাবে গ্রহণ করতে।আর্থিকভাবে ভাবে সফল অথচ জীবন্মৃত,আমরা কেউই বাসুদেব চৌধুরীর মতো শূণ্যখাম জীবন চাই না।-সপ্তর্ষি
Profile Image for Swarnali Karar.
662 reviews25 followers
April 25, 2024
গল্প এক শূন্য খাম নিয়ে। গল্পের প্রধান চরিত্র, বাসুদেব চৌধুরীর কাছে আসে এক শূন্য খাম এবং সেই দিয়েই গল্প শুরু। তারপর এক এক করে বাসুদেব চৌধুরী এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যদের, কর্মচারীদের পরিস্কারভাবে পরিচয় করানো হয়। গল্পের আরো দুই প্রধান চরিত্র - বাসুদেব চৌধুরীর স্ত্রী ভারতী যিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত। এবং তাঁর ছেলে স্বর্ণ যে তার পরিবার থেকে সবসময় আলাদা থাকতেই পছন্দ করে আর তার বাবাকে সে একদমই পছন্দ করেনা, কারণ তাকে ছোটোবেলা থেকেই তার মায়ের কাছে যেতে দেওয়া হতোনা।

বাসুদেব চৌধুরীর চরিত্র আমার শুরু থেকেই খুব অদ্ভুত লেগেছে। কখনো মনে হয়েছে তিনি ভারতী দেবীকে খুব ভালোবাসেন, যা করেন ওনার জন্যই করেন আবার মনে হয়েছে তিনি খুবই লোভী এবং অসৎ প্রকৃতির মানুষ। হয়তো জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসই টাকা। কীভাবে এবং কোন ভিত্তিতে গড়ে ওঠে তাঁর এত বড়ো ব্যবসা? কে এবং কেন পাঠায় শূন্য খাম? গল্পের বাকি চরিত্রদের ভূমিকা কী? আস্তে আস্তে সব রহস্যের সমাধান হয় খল্পে। মনে হয়েছে তিনি শুধু তাঁর ছেলে স্বর্ণকেই খুব স্নেহ করতেন। কিন্তু গল্পের শেষে বাসুদেব চৌধুরীর সিদ্ধান্ত আমায় অবাক করেছে।

গল্পে আছে রহস্য রোমাঞ্চ, প্রেম-ঘৃণা, সত্য-মিথ্যা, নৈকট্য-দুরত্ব। গল্পের ধারা ছিল ঠিকঠাকই। আমি একবার বসেই গল্পটা শেষ করে ফেলেছি। আর শেষটা ছিল খুবই অপ্রত্যাশিত। সেটা ভালো কিনা খারাপ বলা সম্ভব না, কিন্তু বাসুদেব চৌধুরীর দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত। কারণটা গল্প পড়লেই বোঝা যাবে।

"কোনও কোনও জীবন হয়তো তোর ওই খামের মতোই। লম্বা পথ পার হয়ে যখন হাতে আসে তখন খুলে দেখা যায়, কিছুই নেই। সব শূন্য? সেটাই তার কথা। কেউ পড়তে পারে, কারও পড়তে সময় লাগে।"
Profile Image for Kinshuk Majumder.
205 reviews13 followers
June 16, 2024
"শূণ্য খাম" - প্রচেত গুপ্ত
পত্রভারতী

পিতৃহারা বাসুদেব চৌধুরীর বাল্যকাল কাটে তার মার সঙ্গে খুব আর্থিক দুরাবস্থার মধ্যে। সান্ধ্য কলেজের সহপাঠী দুলালের বাবার সাহায্যে ব্যাবসায় প্রবেশ করে। পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান বাসুদেব চৌধুরী ব্যবসায়ে দ্রুত উন্নতি করতে থাকে। এক বারবণিতা খুন করে পালিয়ে যায় দুলাল। দুলালের বাবা তার মেয়ে কনকের সাথে বাসুদেব চৌধুরীর বিয়ে দেন ও সব সম্পত্তিও বাসুদেব চৌধুরীকে দিয়ে যান। কিন্তু কনক দেখতে অসুন্দরী হওয়াতে বাসুদেব চৌধুরী তাকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চান না। দেড় বছরের মাথায় তাদের সন্তান হয় - স্বর্ণ। এরপর কনকের সাথে বাসুদেব চৌধুরীর সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়, বাসুদেব চৌধুরীর নতুন সম্পর্ক তৈরি হয় সুন্দরী ভারতীর সাথে। স্বর্ণকে হোস্টেলে রেখে পড়াশোনা করানো হয়। কয়েক বছর পর হঠাৎই ভারতী অসুস্থ হয়ে পড়েন, মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বাসুদেব চৌধুরী ভারতীকে খুবই ভালোবাসতেন, তাকে সুস্থ করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন, রাধাকে রাখেন ভারতীর দেখভালের জন্য। সবার চেষ্টায় ভারতী আংশিক সুস্থ হয়ে উঠতে থাকেন। স্বর্ণ কোনদিনই বাসুদেব চৌধুরীকে সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনি, মাঝে মাঝে চিঠিহীন শূণ্য খাম পাঠাতেন বাসুদেব চৌধুরীকে। বেশ কয়েক বছর পর দুলাল আবার ফিরে আসে, চেষ্টা করে স্বর্ণকে তার জন্মবৃত্তান্ত বলে বাসুদেব চৌধুরীর কাছ থেকে তাকে সরিয়ে দিতে। কিন্তু স্বর্ণ ভারতী ও বাসুদেব চৌধুরীর থেকে সব জেনে যান। সব কিছু সেটেল করে দিয়ে ব্যবসার কাজ দেখিয়ে মুম্বাইতে গিয়ে আত্মহত্যা করেন বাসুদেব চৌধুরী। এই থ্রিলার উপন্যাসের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে মানুষের বিশ্বাস ভালোবাসা ও পাপের সংমিশ্রণের কাহিনী।
Profile Image for Diptanu Chowdhury.
63 reviews
July 11, 2026
গল্প শুরু হয় বাসুদেব চৌধুরীর হাতে একটা খাম এসে পড়ার মধ্য দিয়ে। খামটা খালি। কোনো চিঠি নেই, কোনো লেখা নেই- শুধু শূন্যতা। তারপর আসতে থাকে আরও খাম, প্রত্যেকটাই খালি। এই খালি খামগুলো বাসুদেবের জীবনের সবকিছুকে কাঁপিয়ে দেয় – তার ব্যবসা, পরিবার, সম্পর্ক, অতীতের পাপ-পুণ্য, সবকিছু। লেখক এখানে খুব সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন যে, কখনো কখনো সবচেয়ে বড় আঘাত আসে- না কোনো কথা বা অভিযোগ থেকে, আসে একটা নীরব প্রশ্নচিহ্ন থেকে। “কে পাঠাচ্ছে? কেন পাঠাচ্ছে?” – এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেয়েও বেশি আঘাত করে খামগুলোর শূন্যতা নিজেই।

বাসুদেব চৌধুরী চরিত্রটি খুবই জীবন্ত। একদিকে ধনী, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী – অন্যদিকে তার ভিতরে একটা অস্থিরতা, একটা অপরাধবোধ যা সে নিজেও পুরোপুরি বুঝতে পারে না। তার পরিবারের সদস্যরা (বিশেষ করে ছেলে স্বর্ণ আর অন্যান্যরা) গল্পে খুব সূক্ষ্মভাবে এঁকে দেওয়া। প্রত্যেকের জীবনেই যেন একটা করে শূন্য খাম পড়ে আছে – কারোটা দৃশ্যমান, কারোটা অদৃশ্য। লেখক টাকা-পয়সা, সম্পদ আর মানুষের সম্পর্কের মধ্যে যে ফাঁক তৈরি হয়, সেটা খুব সত্যি করে দেখিয়েছেন। এক জায়গায় যখন বলা হয় – “কোনও কোনও জীবন হয়তো তোর ওই খামের মতোই। লম্বা পথ পার হয়ে যখন হাতে আসে তখন খুলে দেখা যায়, কিছুই নেই” – তখন বুকের ভিতরটা কেঁপে ওঠে।

শূন্য খাম আসলে একটা দার্শনিক প্রশ্নের উপন্যাস – আমরা যে সবকিছু গড়ে তুলি (টাকা, সম্পর্ক, খ্যাতি), তার মধ্যে কতটুকু সত্যি অর্থ আছে? আর যখন সব শেষ হয়ে যায়, তখন কী থাকে হাতে? একটা খালি খাম।

মাঝামাঝি অংশে বইটা ড্র্যাগ করে, আগ্রহ কমে যায়। সবমিলিয়ে বইটি আমার মোটামুটি লেগেছে। যারা মানুষের মনের গভীরতা নিয়ে লেখা পছন্দ করেন, তাহলে এটা অবশ্যই পড়বেন।
Profile Image for boikit Jeet.
82 reviews23 followers
July 27, 2025

📩 ধনী ব্যবসায়ী বাসুদেব চৌধুরী কিছুদিন পর পর পাচ্ছেন একটা করে শূন্য খাম। কে পাঠাচ্ছে তাকে এই শূন্য খাম? শুধুই কী মজা করার জন্য না এদিকে লুকিয়ে আছে অন্য কোনও ব্যাপার। প্রাসাদ সম বাড়িতে আছে তার মানসিক ভারসাম্যহীন বউ ভারতী দেবী আর আছে ছেলে স্বর্ণ । বাসুদেব বাবুর ছেলের তার বাবার ব্যবসা, সম্পত্তি এর প্রতি অনীহা কিন্তু কেন? সে খুব সাধারণ জীবনযাপন করে, বাবার পয়সার প্রাচুর্য এর সুযোগ নিতে সে চায় না। ছোটবেলার বোর্ডিং স্কুলের নিঃসঙ্গতা আর পিতৃমাতৃ স্নেহের অভাব তার মনে এক অভিমান তৈরি করেছে। আর আছে বাসুদেব বাবুর এক অতীত, লোভ, পাপ , ভালোবাসা। এই অতীত এর ঘটনা টাই এই গল্পে থ্রিলিং ভাবে পেশ করেছেন লেখক।
👥 তাছাড়া আরও কিছু চরিত্র আছে এই উপন্যাস জুড়ে - দুলাল, কনক, কপিল, প্রীতি, বিকাশ, রাধা। এদেরকে নিয়েই গল্প এগোতে থাকে, যা শেষ অবধি নিয়ে যায় এক আবেগময় সমাপ্তির দিকে।

📖পাঠ প্রতিক্রিয়া-
🔹লেখকের গল্প বলার ধরনের জন্য প্রথম থেকেই বইটি বেশ টানটান । প্রতিটি অধ্যায় তে সাসপেন্স তৈরি হয়েছে ।
🔹তবে শেষের দিকে এসে সব কিছুর হিন্ট যেন আগেই পাওয়া যাচ্ছিল, পাঠক হিসাবে অনেকটাই প্রেডিকটেবেল ছিল।
🔹শেষের অধ্যায় এ এসে বাবা ছেলের সম্পর্ক এর ইমোশন টা দারুণ ফুটে উঠেছে ।
🔹আমার মনেহয় গল্পের নামকরণের জন্যই গল্পটা এখানে শেষ হলো, নাহলে গল্পটা আর একটু এগিয়ে শেষ করাই যেত- কারণ কনক, দুলাল, ভারতী এদের জন্য প্রশ্ন থেকেই যায়।
🔹আমার মোটামুটি লেগেছে, একবার পড়ে দেখা যেতেই পারে। ৩ টে তারা দিতাম, কিন্তু শেষে বইটির নামকরণ এর রহস্য উন্মোচন টার জন্য আরও ১/২ তারা।


⭐️ পার্সোনাল রেটিং - ৩.৫/৫
Displaying 1 - 8 of 8 reviews