মোশতাক আহমেদ (English: Mustak Ahmed) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭৫ সালে ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী ডিপার্টমেন্ট হতে এম ফার্ম ডিগ্রী অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ হতে এমবিএ এবং ইংল্যান্ডের লেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ক্রিমিনোলোজিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন। কর্ম জীবনে তিনি একজন চাকুরীজীবি। তাঁর লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবন থেকে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে তিনি অধিক আগ্রহী হলেও গোয়েন্দা এবং ভৌতিক ক্ষেত্রেও যথেষ্ট পারদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে- রোবটিজম, ক্লিটি ভাইরাস, নিহির ভালভাসা,অতৃপ্ত আত্না, নীল মৃত্যু, লাল শৈবাল, জকি, মীম, প্রেতাত্মা, রোবো, পাইথিন, শিশিলিন ইত্যাদি। সায়েন্স ফিকশন সিরিজ- রিবিট, কালোমানুষ, রিবিট এবং ওরা, রিবিটের দুঃখ, শান্তিতে রিবিট, হিমালয়ে রিবিট। প্যারাসাইকোলজি- মায়াবী জোছনার বসন্তে, জোছনা রাতরে জোনাকি ইত্যাদি। ভ্রমণ উপন্যাস- বসন্ত বর্ষার দিগন্ত, লাল ডায়েরি, জকি। স্মৃতিকথা- এক ঝলক কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধ- নক্ষত্রের রাজারবাগ, মুক্তিযোদ্ধা রতন। তিনি কালি কলম সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩, ছোটদের মেলা সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪, কৃষ্ণকলি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪ পুরস্কার পেয়েছেন।
জানি না কি বলবো? আসলে এই বইটাই মোস্তাক আহমেদ এর লেখা প্রথম বই। এই বই এ সায়েন্স ফিকেসন হলেও রোমান্টিক গল্প বলা চলে জাই হোক আমার যে কয়েক টা বই একদম মনের গভিরে নারা দিয়েছে তার মাঝে এইটা একটা। বিশেষত শেসের অংশ টি।
মোশতাক স্যারের প্যারাসাইকোলোজিকাল বইগুলোর প্রেমে পাগল ছিলাম_কিন্তু তার সায়েন্স ফিকশনের বইও যে এত প্রবলভাবে হৃদয়ে নাড়া দিবে সত্যিই ভাবি নি।নিহির ভালোবাসা বইটি প্রথম দিকে যতটা কৌতুহল উদ্রেক করেছে,ঠিক ততোটাই শেষ পর্যায়ে নিহির সেই বেদনার নিহিনীর মত তীব্র কষ্টটাকেও ভালোবাসার মাধ্যমে মোহিত করে গেছে❤❤❤❤❤❤
মোশতাক আহমেদ এর এখনকার বইগুলোর চেয়ে প্রথম দিকের বইগুলো বেশি ভাল ছিল। এই বইটাও ভাল। যদিও আমার কাছে সব সায়েন্স ফিকশন এর গল্পগুলোই প্রায় একরকম মনে হয়। [ good book ]
ক্লাস এইটে এই বই পড়ে প্রচন্ড রকম মন খারাপ হয়েছিলো।নিহি নামক মেয়েটির জন্য অদ্ভুত এক মনোকষ্ট নিয়ে রাতভর কেদে বালিশ ভিজিয়েছিলাম আর ভেবেছি এই বইটা আমার প্রিয় বই।