ভূমিকা যে জাহাজে করে ইউরোপ থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকরা প্রথম আমেরিকা যাত্রা করেন সেই জাহাজটির নাম ‘মে ফ্লাওয়ার।’ এই তথ্য ‘মে ফ্লাওয়ার’ গ্রন্থে উল্লেখ করতে ভুলে গেছি। গ্রন্থটি পাঠক-পাঠিকারা ভালোবাসার সঙ্গে গ্রহন করেছেন। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই মানেই এক গুচ্ছ ভালো লাগা। বইয়ের সবচেয়ে সুন্দর অংশ আমার কাছে মনে হয়েছে ট্রেন ভ্রমণের বর্ণনা। আহা! মৃত্যুর আগে কি একবারও এরকম অপরূপ দৃশ্য দেখে মরতে পারবো!? জীবন কি আমাকে সেই সুযোগ দিবে?
বইয়ে উঠে এসেছে আমেরিকার দূর্বল বা খারাপ দিকগুলো। তা অবশ্যই লেখকের চোখ দিয়ে। অন্য কারো চোখ দিয়ে দেখলে হয়তো ব্যাপারগুলো এমন মনে নাও হতে পারে। সব অসৌন্দর্যের মাঝেও একটা সুপ্ত সৌন্দর্য লুকানো থাকে আবার সব সৌন্দর্যের মাঝেও একটা সুপ্ত অসৌন্দর্য লুকানো থাকে। প্রকৃতি সব সময় এ দুটোর মাঝে ব্যালান্স রাখে বলে আমার ধারণা।
বইয়ের ভালো লাগা দুটো লাইন:
আসছে ১০০ বছরেও এই আমেরিকায় কোনো মহিলা প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট হবে না। অতি সুসভ্য এই দেশ তা হতে দিবে ন। (দেখা যাক উনার এই ধারণা সত্য হয় নাকি, আমার মনে হয় সত্য হবে)
ক্যামেরা থাকে ট্যুরিস্টদের হাতে সুন্দর কোন দৃশ্য দেখলেই চোখের সামনে ক্যামেরা তুলে ধরে। ছবি তোলা মাত্রই তার কাছে দৃশ্যটির আবেদন শেষ হয়ে যায়। যার হাতে ক্যামেরা থাকে না সে জানে এই অপূর্ব দৃশ্য সে ধরে রাখতে পারবে না, সে প্রাণ ভরে দেখার চেষ্টা করে।
আ সুথিং রিড। যদিও পড়ি নি। গল্প কথন by কল্লোলের কল্যাণে অলস বিকালে মশার কামড় খেতে খেতে শোনা। I dunno why Avro isn't working suddenly🙄
Humayun Ahmed had to go to the writers' conference for three months in America. This book is written about that time. Well! The nonfiction of Humayun Ahmed is colorless water. So, please drink it🐸 (No more today. BYE -_-)
হুমায়ুনের আত্মজীবনীমূলক লেখা সবসময়ই ভালো লাগে। মে ফ্লাওয়ারও ভালো লেগেছে তবে অনেক দিন পর পরিণত বয়সে পড়ায় এমন অনেককিছু চোখে পড়েছে, যা আগে পড়েনি। বিদেশ গেলে সবারই দেশকে একটু বেশি মনে পড়ে, দেশের সবই ভালো, বিদেশের সব খারাপ এমন একটা বিষয় দেখা যায়। এখানেও তেমন মনে হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে। এখানে হুমায়ুন বাংলাভাষার বর্ণমালা নিয়ে খুব গর্ব প্রকাশ করেছে। আফ্রিকার অনেক ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই কিন্তু আমাদের আছে। আমাদের রোমান বা ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করে লিখতে হয় না। এ কথাটা আবারও পড়ে মনে হল, হুমায়ুন থাকলে হয়ত এ বইমেলার বিখ্যাত বান্ধবী বই নিয়ে কিছু বলত যেখানে ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করে বাংলা লেখা হয়েছে। সে বই আবার একুশে বইমেলার বেস্টসেলার! আফসোস! এখানে হুমায়ুন সমকামিতাকে ব্যাধি বলেছে এবং এইডসের প্রধান কারণ সমকামিতা, বাংলাদেশ ভালো কারণ সমকামিতা নাই, এ ধরনের কথা বলেছে৷ আমি জানি তখন সমকামিতা নিয়ে খুবই নেতিবাচক ধারণাই ছিল, আমেরিকাতেও, তবুও তার মত বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী মানুষের লেখায় এতটা নাক সিঁটকানো চোখে লেগেছে। সবচেয়ে ভালো লেগেছে ট্রেনের বর্ণনা। আমি আমেরিকার ট্রেনে চড়তে চাই!
ছাপোষা মধ্যবিত্ত বাঙালির ভ্রমনের বিলাসিতা সংসারের সব পাঠ চুকিয়ে যদি থাকে অর্থ সময় শক্তি তবেই আসে ; অবশ্য যদি ইচ্ছেঘুড়ি ততদিনে নাটাই থেকে ছাঁটাই হয়ে যায়,ঘুরতে যাবার গল্পগুলো বাড়ির পাশে দুফোঁটা শিশির বিন্দুর সাথে সিন্ধু দেখার মতো (ভ্রান্তিবিলাস আর কি!) সুখপ্রাপ্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত তাতেই রয়।
সুতরাং অকূলের আশার আলোয় আবেগের এবং সুযোগের একমাত্র মেলবন্ধন বই-যার পাতার পর পাতায় স্মৃতির খাতা খুলে লেখকের সাথে দেশ বিদেশে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে রূপকথা বা উপকথার ঘাট মাড়িয়ে বেরিয়ে আসার সুবর্ন সরল অভাবনীয় উপায়ে সময় এনেছে হাতের মুঠোয়।
সেই সুতোয় হুমায়ূনের সাথে ঘুরে ফিরে ঘরের মেয়ে সন্ধ্যা নামার আগেই আবার মাতৃক্রোড়ে আপননীড়ে থিতু হয়ে ভীষণভাবে কৃতার্থ রঙিন আমেরিকার রূপের সাথে বিবর্ণ বিষন্ন চমকে উঠার মতো তিতকুটে সত্য সামনে আনার জন্য।
প্রযুক্তির প্রকৃষ্ট উন্নয়নের অন্তরালে একা বন্ধন বিহীন বন্ধুর সভ্য মানুষের অভব্যতা যে কতটা নির্মম নিষ্ঠুর নির্লজ্জ নির্লিপ্ত কিছু গল্প লেখক দেখিয়েছেন তাতে আলোর রোশনাই থেকে আঁধারকে চিনেছি আরো বেশি করে।
পুরো যাত্রায় আনন্দের মাত্রা যে বিন্দুমাত্র কমেনি তার অন্যতম কারন হুমায়ূনের সহজাত রসবোধের আবরনে, মুগ্ধতার ভালোবাসার বিশাল আকাশে এক টুকরো চন্দ্রবিন্দুর মতো গুলতেকিনের সঙ্গে প্রশান্তির প্রশস্ত হাসি বিদেশ বিভুঁইয়ে নিরানন্দময় একঘেয়েমি তে যে সুরেলা সোনা রোদের হাসি এনেছিল ;তা অমূল্য জ্ঞানে লিপিবদ্ধ আছে মে ফ্লাওয়ারের শেষের দিকে।
চন্দ্রশীলা স্পর্শ বা অনুজের আমন্ত্রণের নিমন্ত্রণ গ্ৰহন যাই হোক না কেন সমাপ্তিতে আপনার মুখে হরিষেবিষাদে বিষন্নতা বিলীন হয়ে হর্ষ থাকবে ষোল আনা এ নিয়ে আমি একদম নিশ্চিন্ত।
যারা প্রচুর বই পড়েন তাদের জন্য রীডার'স ব্লক জিনিসটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। আমি প্রচুর বই পড়ি না, তবে নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি এবং অত্যন্ত ধীরে স্থিরে, কিন্তু কিছুদিন পর পরই আমি রীডার'স ব্লকে ভুগী! প্রায়ই দেখা যায় একটা বই শুরু করার পর কিছুদূর গিয়ে সেটা আর পড়তে ইচ্ছা করে না, মনে হয় নতুন কিছু পড়ি! আর আমার এই রীডার'স ব্লক কাটানোর ঔষধ হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের বই, যার হাত ধরে আমার বই পড়ার সূচনা! অনেকেই হয়তো ঠোঁট বাঁকা করে হাসবেন কারণ হুমায়ূন স্যারকে ও তাঁর ভক্তদেরকে ব্যঙ্গ করা তো আবার এখন একটা ট্রেন্ডও বটে! যাই হোক, এই “মে ফ্লাওয়ার” বইটিতে লেখক আমেরিকানদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের কথা বলেছেন যা দিয়ে প্রমাণিত হয় আমেরিকা সভ্য দেশ হলেও জাতিগত ভাবে কিছুটা অসভ্য! এর আগেও আমেরিকা কে নিয়ে লেখক অনেক বই লিখেছেন, এমনকি তার আত্নজীবনীতেও উঠে এসেছে আমেরিকা প্রসঙ্গে অনেক কথা, আমেরিকার পটভূমিতে রচনা করেছেন উপন্যাস! আমেরিকা সম্পর্কে ভালো-খারাপ দুইই বলেছেন! পৃথিবীর ভয়ংকর সব খুনীরা বাস করে এই আমেরিকাতে, এরা সাইকো, খুব ঠান্ডা মাথায় খুন করে এবং বেশিরভাগ সময়েই সেইসব খুনের কোন কারণ থাকে না, যদি নেহায়েৎ কোন কারণ থেকেও থাকে সেটা হলো খুবই ক্ষুদ্র একটা ব্যাপার, হয়তো কোন কারণে কাউকে হিংসা করে সেই কান্ড ঘটায়! আমেরিকানদের সাধারণ জ্ঞানের অবস্থা খুবই খারাপ, এরা কিছুই জানেনা, আমেরিকার বাইরে যে আরো অনেক দেশের অস্তিত্ব এবং সেই দেশগুলোর বেশির ভাগেরই যে তাদের মতো জীবনধারণের ক্ষমতাও নেই, তা শুনলেও তারা আকাশ থেকে পড়ে, এরা সেল্ফ সেন্টারড, নিজেদের ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত, তাদের সুখ-দুঃখ শেয়ার করার কেউ নেই, তাদের সম্পর্ক���ুলো ফরমাল, তারা নিজেদের স্ট্যাটাস যাচাই করে ব্র্যান্ডেড গাড়ি আর ব্র্যান্ডেড কাপড় চোপড় দিয়ে যখন কিনা তাদের ক্রেডিট রেকর্ড থাকে মাইনাসে, কারো সাথে কথা বলতে গেলে আবহাওয়া সম্পর্কে দুই -একটা কথা বলে থেমে যায়, এদের ভালোবাসা হচ্ছে এদের পোষা কুকুর! এমন আরো অনেক কথা! এর আগে লেখকের আমেরিকা সম্পর্কিত বই গুলো পড়েছিলাম আর লেখকের চোখ দিয়ে আমেরিকাকে দেখেছিলাম কিন্তু এই বইটা পড়ার সময় আমি অনেক কিছুই জানি এবং নিজ অভিজ্ঞতা থেকে বলতে হলে একটাই বলবো এখন তারা শুধুমাত্র আবহাওয়ার কথা বলেই কথা শেষ করে না আরোও অনেক কথাই বলে আর বেশির ভাগ সময়েই সেটা হয় পরচর্চা এবং আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে যার সম্পর্কে বলছে সে তার অতি ঘনিষ্ঠ কেউ! লেখক এই বইতে হ্যালোউইনের কথা উল্লেখ করেছেন, ছোট ছোট বাচ্চারা তাদের ঘরের দরজায় এসে বলছে, “ট্রিক অর ট্রিট” এবং তাদের হাতে তিন রঙের প্যাকেট, লাল রঙের প্যাকেটে নেয়া হবে একদম অপরিচিতদের কাছ থেকে যে চকোলেটগুলো নেয়া হবে এবং সেগুলো আগে বাব-মা টেস্ট করে দেখবে তারপর তাদের দেয়া হবে, কখনো কখনো টেস্ট না করেই ফেলে দেয়া হবে! কি ভয়ংকর! আমার প্রশ্ন ছিলো সেই বাবা-মা রা তাদের সন্তানদের অপরিচিতজনদের কাছ থেকে চকোলেট নিতে অনুৎসাহিত করে না কেন?! এই বইটাতে আমেরিকানদের সম্পর্কে অনেক কথা থাকলেও শেষ দিকটা পড়ে বড়ই ভালো লাগলো! শেষটা করেছেন তিনি অত্যন্ত সুন্দর করে! সেই দেশটার আত্না নেই কিন্তু অনেকের আত্নাকে আনন্দে পরিপূর্ণ করে দেয়ার বেলায়ও এদের জুড়ি নেই! সেই জন্যে হলেও আমেরিকা ভালো থাক! বি. দ্র. ঃ হ্যালোউইন এর রাতে অনেকগুলো চকোলেট নিয়ে আমিও রেডী ছিলাম, যদি বাচ্চারা আসে তাহলে খালি হাতে কি করে ফিরাই। আর ওরা তো ট্রিকও করতে চাইবে! যদিও ওদের ট্রিকেএর নমুনা আমার জানা ছিলো কিন্তু অ্যাপার্টমেন্ট এ সাধারণত সেটা প্রয়োগ করা হয়না বলেই জানি, তারপরও! কিন্তু না আমার দুয়ারে কেউই আসেনি! পরে পরিচিত এক আমেরিকানকে এই কথা বলায় সে আমাকে জানিয়েছিলো যে যেহেতু আমি কোন কুমড়া ঘরেরে সামনে রাখিনি তাই হয়তো তারা ধরে নিয়েছে আমি সেলিব্রেট করি না। ব্যাপারটা ভালো। অপরিচিতদের কাছ থেকে চকোলেট নিয়ে ফেলে দেয়ার চেয়ে যারা সেলিব্রেট করে না তাদের কাছে না যাওয়াই তো ভালো, তাই না!?
উক্তিটা বেশ লেগেছে - "ক্যামেরা থাকে ট্যুরিস্টদের হাতে, সুন্দর কোন দৃশ্য দেখলেই চোখের সামনে ক্যামেরা তুলে ধরে। ছবি তোলা মাত্রই তার কাছে দৃশ্যটির আবেদন শেষ হয়ে যায়। যার হাতে ক্যামেরা থাকে না সে জানে এই অপূর্ব দৃশ্য সে ধরে রাখতে পারবে না, সে প্রাণ ভরে দেখার চেষ্টা করে।"
বইটা পড়েছিলাম হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে। ওনার প্রায় সব ফিকশন পড়া হয়ে গেলেও নন-ফিকশনগুলো এখনো শেষ করা হয়ে ওঠে নি। এই বই পড়ে হুমায়ূন আহমেদ নিয়ে আমার ধারণা বিস্ময়কর একটা বাঁক নিয়েছে। যেহেতু বইয়ের রিভিউ লিখছি তাই ওনার ব্যক্তি জীবন নিয়ে ফিরিস্তি দেয়ার মানে হয় না, সেদিকে যাচ্ছিও না।
মে ফ্লাওয়ার প্রচণ্ড রকমের আমেরিকা বিদ্বেষ প্রকাশ করে। বইয়ের প্রতি পাতায় বাংলাদেশকে বড় করে দেখানো আর আমেরিকাকে ছোট করে দেখানোর একটা চেষ্টা লক্ষ্যনীয়। উনি যা লিখেছেন সেগুলো কী সবই ভুল? না, একদমই না। কিন্তু ওনার প্রকাশভঙ্গী এবং এক পাক্ষিক আলোচনার কারণেই গোলমালটা বাধে। নিজ দেশের সংস্কৃতির সাথে অন্য দেশের সংস্কৃতির তুলনা করে ছোট বড় করে দেখানোটা অস্বাস্থ্যকর একটা চর্চা। একটা উদাহরণ দেই, উনি লিখেছেন আমেরিকার সাইকোপ্যাথদের কথা, বাবা তার সন্তানকে হত্যা করে এমনকি ক্যানিবলিজম এর উদাহরণও টেনেছেন এই সব কিছুর পর উনি বলছেন বাংলাদেশে এমন কোনো বাবা পাওয়া যাবে না যে তার সন্তানকে হত্যা করেছে।
যেহেতু আমেরিকা নিয়ে কমবেশি সবারই খেদ আছে, তাই এমন লেখা নিয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করেও নি। মে ফ্লাওয়ারে হুমায়ূন আহমেদের হোমোফোবিক ভাবনার প্রকাশ-ও প্রথম দেখলাম।
হুমায়ুন আহমেদ এর যেকোনো বই রিডার্স ব্লক কাটানোর বেশ ভালো একটা মাধ্যম। সেরকম অবস্থায় পড়ে 'মে ফ্লাওয়ার' এক বসাতেই শেষ করে ফেলেছি। এ বই কয়েক বছর আগে পড়লে পাঠ-প্রতিক্রিয়া হতো একরকম আর এখন পড়ে আরেকরকম।
'মে ফ্লাওয়ার' ভ্রমণকাহিনীর খন্ডবিশেষ। প্রবাসী জীবনযাপন এর প্রতি অনীহা, তাদের সংস্কৃতি সবকিছুতেই লেখকের বিশাল এক অভক্তি! তবুও বিদেশ ঘুরে কিছু জায়গার প্রতি সামান্য হলেও প্রেম রয়ে যায়। নিজের দেশ রেখে অন্যান্য দেশে ঘোরাঘুরিতে লেখকের না-নেই। তবে চিরদিনের জন্য সেই দেশকে জন্মভূমির মর্যাদা দেওয়ায় লেখক নারাজ।
হুমায়ুন আহমেদকে আজ থেকে জাদুকর মেনে নিলাম। তিনি যাই লিখেন, পড়তে হয়। বই রেখে ওঠা যায় না। লেখার সারবস্তু হয়ত খুবই সামান্য। তাও পড়তে হবে। অনেক জায়গায় গভীর চিন্তার বিষয়ও আছে। আরো আছে তার বিশিষ্ট লেখনীস্টাইল। সব মিলিয়ে হুমায়ুন একজন জাদুকর।
তবে জাদুকর এর সব জাদু যেমন ভাল লাগে না, সব লেখাও ভাল লাগে না। এই যা!
হূমায়ুন আহমেদ দীর্ঘ অনেক বছর পর আবার আমেরিকা যাত্রা করছেন। তার কিছু ভীতি আছে দেশভ্রমণের ক্ষেত্রে। প্রায়শই তিনি ঝামেলায় পড়ে যান। এইবার আমেরিকা যাওয়া হচ্ছে লেখকদের এক সম্মেলনে। তাকে এক প্রকান্ড বাড়িতে রাখা হয়েছে। মে ফ্লাওয়ার হোটেলে রাখার কথা ছিলো কিন্তু লেখকের দেরী করে আসার কারণে তিনি আর সেই হোটেলে থাকতে পারেনি। এই গল্পে লেখক তার আমেরিকা যাত্রার বর্ণনা লিখেছেন। বিভিন্ন সাহিত্যকারদের নানা রকমের বর্ণনা করেছেন। তবে এই বইয়ে সবচেয়ে বেশি রয়েছে পাশ্চত্য দেশের সাথে বাংলাদেশের তুলনা। কিভাবে সে দেশের মানুষ বসবাস করে আর আমরা কিভাবে বসবাস করি, কেনো বাংলাদেশিরা আমেরিকানদের থেকে ভালো। এরকম অনেক চমকপ্রদ বর্ণনা এই বই থেকে পাওয়া যায়। বই এর এক পর্যায়, লেখকের স্ত্রী গুলতেকিন, লেখককে সঙ্গ দেয়ার জন্য আমেরিকা চলে আসে। এই ২ স্বামী স্ত্রী মিলে যৌবন বয়সের মতো ঘুরে ফিরে দেখে আমেরিকা।
হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্ট, এতদিন ফিকশনাল গল্পের মাঝেই হাবুডুবু খেয়েছিলাম। লেখকের আড্ডা নামক এক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের লেখকর পক্ষ হয়ে হুমায়ুন আহমেদ যান, যেখানে বিশ্বের প্রায় দেশের শ্রেষ্ট লেখকরা একত্রিত হন। 'মে ফ্লাওয়ার' নামক এক হোটেলে হুমায়ুনের থাকার কথা,কিন্তু আমেরিকা পৌঁছাতে দেরী হওয়াতে অন্য আরেকটি হোটেলে থাকতে হয���। আড্ডাখানায় বিভিন্ন লেখকদের সহিত কথাবার্তা গুলো এখানে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, প্রথম দিকে।
পরবর্তীতে গুলতেকিন, লেখকের স্ত্রী, আমেরিকায় উপস্থিত হওয়ার পর তাদের দীর্ঘ ভ্রমণ কাহিনী গুলো এবং আমেরিকার মানুষদের সাথে বাংলাদেশের মানুষেদের তুলনা করেন। কিছুক্ষণের জন্য আমেরিকাকে (পশ্চিমা দেশে ভবিষ্যৎ চিন্তাভাবনা) নিয়ে যে পরিকল্পনা লালিত করে আসতেছি, তা বিলীন হতে চেয়েছিল।
সেখানে একটা হোটেলে অবস্থান কালে,যখন লেখক অসুস্থ হয়ে পড়েন, তখন এ বইটি লেখা হয়। ভালোই লাগার মতো এবং আমেরিকাকে পারিবারিক কিছু রীতিনীতি সম্পর্কে জানার মতোই ছিল।
ভোরবেলা দৃশ্যটাই বদলে গেলো। ট্রেন ঢুকল রকি পর্বতমালায়। পাহাড় কেটে কেটে ট্রেন লাইন বসানো হয়েছে। কখনো ট্রেন ঢুকছে সুরঙ্গে কখনো ট্রেন গভীর গিরিপর্বত পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে৷ নিচের দিকে তাকালে মাথা ঘুরে যায়৷ পাহাড়গুলির ই বা কি শোভা! মাথায় বরফের চাদর। পাহারড়র শরীরে পাইন গাছের চাদর।
ট্রেন লাইনের পাশে পাশেই আছে পাহাড়ি কলারাডো নদী। সে দু'শত সত্তর মাইল আমাদের পাশে পাশে রইল। কি স্বচ্ছ তার পানি! ঘন নীল আকাশের ছায়া পড়েছে তার গায়ে। পাহাড় ভেঙে নদী চলেছে আপন গতিতে। আমার কেবলই মনে হতে লাগলো, ইস যদি ঐ পানি ছুঁয়ে দেখতে পারতাম!"
ভ্রমণ কাহিনী সবসময়ই আমার কাছে একটি সুখাদ্য। হয়তো এখনো দেশের বাইরে যাওয়া হয়নি বলেই বাইরের দেশ নিয়ে লেখা গল্পগুলি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি।
ভ্রমন কাহিনী হিসেবে 'মে ফ্লাওয়ার' বইটি অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে। দি গ্রেট হুমায়ুন আহমেদ তার গল্প বলার সাবলীলতা আর ইন্টারসেটিং তথ্য দিয়ে বইটিকে করেছেন প্রাণবন্ত।
দেশে থাকার মোটিভেশন দেয়ার জন্য ভালো বই🥲। কিন্তু এখনকার পরিস্হিতির সাথে হয়তো মিলানো যাবে না সব কিছু। দিন দিন আমরা যেভাবে পশ্চিমা সংস্কৃতি আলিঙ্গন করতেছি। "আমাদের দেশে আমেরিকার মতো এইডস নেই, সমকামিতার মতো ব্যাধি আমাদের দেশে নেই। স্যার বেঁচে থাকলে এখনকার এইসব দেখে ভাবতো আমি কি নিয়ে বই লেখলাম। দেশ তো গোল্লায় গেলো।😂
অনেক দিন হিমু, মিসির আলি বা শুভ্র সিরিজের বাহিরে হুমায়ুন আহমেদ এর বই পড়া হয়নি। তাই মে ফ্লাওয়ার পড়ে কিছুটা ভালো লাগছে। মে ফ্লাওয়ার মূলত একটি ভ্রমণ কাহিনী কেন্দ্রিক উপন্যাস। লেখক আমেরিকায় একটি সম্মেলনে যোগদানের সুযোগ পান। সেখানে তাকে প্রায় ২ মাস থাকতে হয়েছিলো। আমেরিকান কালচার, তাদের মানুষজন, তাদের রীতিনীতি মূলত এসব নিয়েই বইটি লেখা। আমেরিকান মানুষজন নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করলেও তারা মানুষ হিসাবে শ্রেষ্ঠ নয় সেসব ব্যাপার তুলে ধরেছেন। তাদের সমাজ ব্যবস্থার আনাচে কানাচে অসংখ্য অপূর্ণতা রয়েছে। বাঙালি সমাজ পশ্চিমাদের মতো ধন- সম্পদে ভরপূর না হলেও আদরমাখা স্পর্শে পরিপূর্ণ। যে ভালোবাসা যে মমতা কখনো পশ্চিমারা পাবেনা। তাদেরই আধুনিক মনমানসিকতা এমন অবস্থার জন্ম দিয়েছে। আমেরিকান কালচার নিয়ে ধ্যান ধারনা নিতে চাইলে পড়ে দেখতে পারেন বইটা।
this is the first book ever that i couldnt bring myself around to finish. it kind of bothers me. however, I cannot continue after someone compares BRUTAL MURDER with Aids and Homosexuality. Does he realise that every Aids patient is not sex crazed and lustful? Does he realise that this disease also affects new born babies who fed from their mother's breast? Also, on what world is two people loving eachother is as repulsive as chopping off your kid and feeding it to the dog? Yes, there are lustful homosexual relationships , but there are also lustful and abusive heterosexual relationships too and many are trapped in them, does he realise? No, i don't want to consider that this is an old writing. NO ONE SHOULD BE RESPECTED WITH THIS INSENSITIVE AND BACKDATED MENTALITY. after this, I don't think i will ever pick up any of his books again.
সুখপাঠ্য। লেখক শুধু ভ্রমণের গেলাম-খেলাম-দেখলাম বর্ণনাই করেন না, বরং থেকে থেকে অনুভূতির বয়ানও করেন।
একটি জিনিস ভালো লেগেছে তা হলো লেখক আমেরিকান সমাজকে কাছ থেকে দেখা একজন মানুষ হিসেবে আমেরিকা সম্পর্কে তার মূল্যায়ন পেশ করেছেন এই বইয়ে। প্রাচ্যের চোখে আমেরিকা দেখতে গেলে অনেকের বেলায় যেটা মুগ্ধতায় গিয়ে ঠেকে, লেখকের বর্ণনা সেই মুগ্ধতা অতিক্রম করে সমালোচনা পর্যন্ত পৌঁছেছে। রিকমেন্ডেড।
প্রকাশককে দিতে হবে বলে বেশ দায়সারা ভাবে লিখে ফেলা একটা বই মনে হইছে। প্রথম ত্রিশ পৃষ্ঠার পর লেখা বন্ধ করে দেওয়া যেত হয়তো। অ্যামেরিকান জীবন-যাপন নিয়ে একপেশে জেনারেলাইজড নিন্দা করে নিজের দেশকে বিশাল মহান দেখানোর চেষ্টা এবং "সমকামিতা একটা বিভৎস রোগ", এধরণের মন্তব্য ইগ্নোর করতে পারলে বলা যায় বইটা সুখপাঠ্য।
একজন বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে আমেরিকা নিয়ে তার লেখা ভাল লাগে নি।প্রথমত,আমেরিকান ফ্যামিলি সিস্টেমের হুদাই সমালোচনা হয়েছে,লিভ টুগেদারকে ঘৃণ্য চোখে দেখা হয়েছে, আর সমকামিতাকে একটা ব্যাধিরুপে দেখা হয়েছে আবার এইডসের কারণও নাকি সেটা।উনি জনপ্রিয় লেখক হতে পেরেছেন,জনমানুষের না।
খুবই ইম্যাচিউর চিন্তা আমেরিকা নিয়ে হুমায়ূন ভাইয়ের। সমকামিতাকে হুমায়ূন ভাই ব্যাধি হিসেবে দেখলেন। আবার মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে থাকতে চাইলেন। অপরাধীকে ঘৃণার চোখে দেখলেন।
“আমেরিকানদের অনেক দোষ-ত্রুটি, তবুও তো এরা আমাকে এবং আমার মতো আরো অসংখ্য মানুষকে রোমাঞ্চ ও আবেগে অভিভূত হবার সুযোগ করে দিয়েছে........আমেরিকা আমি পছন্দ করিনা তবু চন্দ্রশিলায় হাত রেখে মনে মনে বললাম-তোমাদের জয় হোক।”
ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। কারো কাছে গণতন্ত্র ও ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রতিমূর্তি, কারো কাছে এক নষ্ট অপশিক্ষা অশ্লীলতায় পূর্ণ সমাজ। কারো কাছে যুদ্ধবাজ ভিলেন, কারো কাছে সন্ত্রাসের যম। আমেরিকা এভাবেই যুগের পর যুগ বিভক্ত করে রেখেছে সমগ্র বিশ্বসমাজকে। হুমায়ূন আহমেদও তার ব্যতিক্রম নন। সারা বইজুড়ে আমেরিকার সমাজব্যবস্থা, পারিবারিক কাঠামো, রুচিহীনতা, নারীবিদ্বেষ, সমকামীতা, পতিতাবৃত্তি ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন তিনি। এই অভিযোগের অনেকগুলোই সম্পূর্ণ সত্যি, যৌক্তিক। বিশেষ করে আমেরিকান পরিবার নিয়ে তাঁর ধারণাগুলো। তবে বাংলাদেশের মহত্ত্ব নিয়ে তাঁর গর্ব অনেকাংশেই ভুল। এদেশেও হত্যা নির্যাতন গুম খুন হয়। তনু লিজা পূজাদের এদেশের লোকই ধর্ষন করেছে, কোনো আমেরিকান নয়। সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর পোড়ানো, কাটা পা নিয়ে মিছিল, পরকীয়াসক্ত মায়ের হতে সন্তান আর মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে মা খুন- সবই হয়েছে বাংলাদেশে। পরিবারের বিষয়টা বাদ দিলে, বাংলাদেশ আমেরিকার চেয়ে সুপিরিয়র কিছু না।
আমেরিকা ঘৃণ্য কিন্তু ত্যাজ্য নয়। তাই শেষে এসে হুমায়ূন আবার আমেরিকার জয়কামনা করেছেন।
সহজপাঠ্য বই। কোনো লুকোচুরি নেই। গুলতেকিনের সাথে লেখকের মোমেন্টগুলো অনেক রোমান্টিক ছিল। অতিথি চরিত্রে মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ইয়াসমীন হককেও বেশ ভালো লেগেছে।
মে ফ্লাওয়ার - নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ কি ভাবে শুরু করব ঠিক বুঝতে পারছি না। অনেকদিন পরে কোনো বই আক্ষরিক অর্থেই এক বসাই পড়ে শেষ করলাম। বইয়ে হুমায়ূন আহমেদ নিজস্ব ঢঙে তাঁর দ্বিতীয়বার আমেরিকা ভ্রমণের স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন। পাশ্চাত্যের লেখক লেখিকাদের এমন বর্ণনা দিয়েছেন, পড়লে মনে হবে সবাই আমাদের সামনেই হাঁটাচলা করছেন। 'হিউমার' জিনিসটাকেও লেখক ওনার মুন্সিয়ানায় বরাবরের মতোই দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। অনেকাংশেই খুব ভালো হেসেছি। তবে লেখাটা ভ্রমণকাহিনি হিসেবে ঠিক ভালো লাগেনি। স্বাভাবিক ভাবেই মানুষের একটা জায়গায় ঘুরতে গেলে মন মেজাজ সবসময় ভালো থাকে না। আবার মানুষের সব ভ্রমণ নিয়ে বইও লেখা যায় - তেমনটাও তো নয় ৷ হুমায়ূন আহমেদের ভ্রমণের বাই ছিলো না। উনি বরাবরই কম ঘুরাঘুরি পছন্দ করতেন, খুব কম মানুষের সঙ্গে মিশতেন। অন্য জায়গায় তিনি একবার লিখেছিলেন, " বাইরে যাব মরতে? থাকবো আমি গর্তে।" নিজেকে 'গর্তজীবী' বলে সম্বোধন করা হুমায়ূন আহমেদের ঘুরাঘুরি পছন্দ নাই হতে পারে। তবু ওনাকে ভ্রমণ কাহিনি লিখতেই হবে, এটা তো কোনো কথা হতে পারে না। এক্ষেত্রে লেখকে কিছুটা ছার দেয়া বা স্বাধীনতা দেয়া অত্যন্ত দরকারি বলে আমি মনে করি। ইচ্ছে নেই তবুও প্রকাশকের চাপে লেখককে কলম চালিয়ে যেতেই হবে - এ তো ভারি অন্যায়। বইটা পড়ে আমার তো তাই মনে হলো! হতেও পারে মনের ভুল, কে জানে! তবে মে ফ্লাওয়ার আমাকে অতিমাত্রায় হতাশ করেছে। - সপ্তর্ষি ( ১৯/০৭/২০২২)