Jump to ratings and reviews
Rate this book

কে

Rate this book

Unknown Binding

First published January 1, 2008

Loading...
Loading...

About the author

Imdadul Haq Milon

213 books60 followers
ইমদাদুল হক মিলন-এর জন্ম ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫, ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। পৈতৃক গ্রাম— লৌহজং থানার ‘পয়শা’। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাইস্কুল থেকে এস এস সি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অনার্সসহ অর্থনীতিতে স্নাতক।প্রথম রচনা, ছোটদের গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে। প্রথম উপন্যাস যাবজ্জীবন। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে। প্রথম গ্রন্থ ভালবাসার গল্প (১৯৭৭) থেকেই তিনি বিপুলভাবে সংবর্ধিত, পাঠকপ্রিয়। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার। এ ছাড়া পেয়েছেন বিশ্ব জ্যোতিষ সমিতি পুরস্কার(১৯৮৬), ইকো সাহিত্য পুরস্কার(১৯৮৭), হুমায়ূন কাদির সাহিত্য পুরস্কার(১৯৯২), নাট্যসভা পুরস্কার(১৯৯৩), পূরবী পদক(১৯৯৩), বিজয় পদক(১৯৯৪), মনু থিয়েটার পদক(১৯৯৫), যায় যায় দিন পত্রিকা পুরস্কার (১৯৯৫)। ২০১১ সালে ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (14%)
4 stars
3 (10%)
3 stars
10 (35%)
2 stars
8 (28%)
1 star
3 (10%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Amit.
778 reviews3 followers
July 10, 2023
এটা দারুন ছিলো। মানুষের আবেগ, বেদনা, ভালোবাসার একটা পরিপূর্ণ মিশেল ছিলো বইটাতে। সত্যি কথা বলতে গল্পটা পড়ে কখন যে নিজেই আবেগপ্রবণ হয়ে পরেছিলাম বুঝতে পারিনি। বইটার সারাংশ নিম্নরুপঃ

ফুলপুর হাইস্কুলের ইংরেজির টিচার মতিউর রহমান সাহেবের ক্লাস সিক্সে পড়া মেয়ে কুসুম আগুনে পুড়ে মারা যায় সাত বছর আগে। মেয়ের শােকে মতিউর রহমান যান পাগল হয়ে। এখন সবাই তাকে বলে পাগলা মাস্টার। রবিনের মেজোফুফুর খামারবাড়ি ফুলপুরে। খামারবাড়ির ভিতরেই ছােট্ট একটি বাড়িতে থাকে হায়দার আলীর পরিবার। হায়দার আলীর বড় মেয়েটির নামও কুসুম। সাত বছর আগে মারা যাওয়া পাগলা মাস্টারের মেয়ে কুসুমের বয়সী সে। কিন্তু এই কুসুম এক রহস্যময়ী কিশােরী। সে ঘর থেকে বেরােয় না, তার মুখ কেউ দেখতে পায় না। সবাই মনে করে এই কুসুমের সঙ্গে জ্বিন আছে । অন্যদিকে পাগলা মাস্টার প্রায়ই এসে বসে থাকেন হায়দার আলীর বাড়ির সামনে। তাঁর একমাত্র আকাঙখা কুসুমের মুখটা তিনি একবার মাত্র দেখবেন। কিন্তু কুসুম কিছুতেই তাঁর সামনে আসে না। মেজো ফুফুর সঙ্গে খামারবাড়িতে এসে এসব ঘটনা জানতে পারে রবিন। এক বিকেলে ফণা। তােলা বিষাক্ত সাপের ছােবল থেকে তাকে বাঁচায় কালাে ওড়নায় মুখ ঢাকা কুসুমের বয়সী এক কিশােরী। পরদিন সেই মেয়েই নিজের ছবি আঁকাতে আসে রবিনের কাছে। ওড়নায় মুখ ঢাকা, শুধু চোখ দুটো দেখা যায়। ওটুকু দেখেই কুসুমের ছবি আঁকে রবিন। দেখা যায় রবিনের আঁকা ছবিটি হচ্ছে পাগলা মাস্টারের সাত বছর আগে আগুনে পুড়ে মরে যাওয়া মেয়ে কুসুমের ছবি। সব মিলিয়ে ‘কে’ এক রহস্যে ভরা উপন্যাস। শিশু কিশাের পাঠকদের সঙ্গে বড়রাও সমান মজা পাবেন এই উপন্যাস পড়ে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 of 1 review