Jump to ratings and reviews
Rate this book

বিচারক

Rate this book
A small town judge has to deliver justice which he insists must be divine in an exceptionally hard homicide case.

76 pages, Hardcover

First published January 1, 1957

2 people are currently reading
131 people want to read

About the author

Tarashankar Bandyopadhyay

130 books289 followers
Tarashankar Bandyopadhyay (Bangla: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়) was born at his ancestral home at Labhpur village in Birbhum district, Bengal Province, British India (now West Bengal, India). He wrote 65 novels, 53 story-books, 12 plays, 4 essay-books, 4 autobiographies and 2 travel stories. For his novel Arogyaniketan, he received the Rabindra Puraskar in 1955 and the Sahitya Akademi Award in 1956. In 1966, he received the Jnanpith Award for his novel গণদেবতা. He was honoured with the Padma Shri in 1962 and the Padma Bhushan in 1969.

Tarasankar is one of those writers of the third decades of the twentieth centuries who broke the poetic tradition in novels but took to writing prose with the world around them adding romance to human relationship breaking the indifference of the so called conservative people of the society who dare to call a spade a spade. Tarasankar’s novels, so to say, do not look back to the realism in rejection, but accepted it in a new way allowing the reader to breathe the truth of human relationship restricted so far by the conservative and hypocrisy of the then society.

He learned to see the world from various angles. He seldom rose above the matter soil and his Birbhum exists only in time and place. He had never been a worshipper of eternity. Tarasankar’s chief contribution to Bengal literature is that he dared writing unbiased. He wrote what he believed. He wrote what he observed.

His novels are rich in material and potentials. He preferred sensation to thought. He was ceaselessly productive and his novels are long, seemed unending and characters belonged to the various classes of people from zaminder down to pauper. Tarasankar experimented in his novels with the relationships, even so called illegal, of either sexes. He proved that sexual relation between man and women sometimes dominate to such an extent that it can take an upperhand over the prevailing laws and instructions of society. His novel ‘Radha’ can be set for an example in this context.

His historical novel ‘Ganna Begum’ is an attempt worth mentioning for its traditional values. Tarasankar ventured into all walks of Bengali life and it’s experience with the happenings of socio-political milieu. Tarasankar will be remembered for his potential to work with the vast panorama of life where life is observed with care and the judgment is offered to the reader. and long ones, then any other author. He is a region novelist, his country being the same Birbhum. He mainly flourished during the war years, having produced in that period a large number of novels and short stories.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
33 (38%)
4 stars
27 (31%)
3 stars
22 (25%)
2 stars
3 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews239 followers
July 15, 2021
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের একটা বই পড়তে যেয়ে উত্তমকুমারের একটা মুভি আবিষ্কার করি। নাম-বিচারক। মুভি দেখতে যেয়ে দেখি ওরেব্বাপ্স! তারাশংকরের বই দেখি! আমার বইটা ছিল, পিডিএফ। কিন্তু পড়া হয়নি পড়ছি, পড়ব করে করে। আর এই বিচারক যে সেই বিচারক সেটাও বুঝিনি প্রথমে। সিনেমা দেখা শেষ করেই শুরু করলাম বইটা। (পার্সোনালি বইটা অনেক বেশি ভালো করে বর্ণনা করা, সিনেমায় কিছু ব্যাপার বুঝা যায়নি অতোটা, কিন্তু সিনেমাটাও জোস!)

যাকগা! জ্ঞানেন্দ্র একজন বিচারক। বেশ কঠিন বিচারক বলা চলে। ভগবানে বিশ্বাস নেই কিন্তু তার বিচার সবসময় ডিভাইন জাস্টিস। স্বল্পভাষী, গম্ভীর প্রকৃতির এই মানুষটার আদালতে এক অদ্ভুত আসামী এসে হাজির হয়। আসামী পক্ষের আর বিপক্ষের উকিলের সওয়াল-জওয়াব শুনতে শুনতে বিচারক জ্ঞানেন্দ্র চলে যান ফ্ল্যাশব্যাকে।

চিত্র বিচিত্র মানব মন আর তাদের জটিলতা-সরলতা নিয়ে তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসাধারণ একটা উপন্যাস।
Profile Image for Angira Datta Dandapat.
28 reviews5 followers
January 17, 2023
তারাশঙ্কর রচনাবলীর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা হল যখন তখন আমি যেই খণ্ডটা হোক খুলে পড়তে শুরু করে দিই, আসলে পড়না, ছবি দেখি, শুষে নিই ভাষা মনন বোধ.. আজ সন্ধ্যাতে আবার পড়লাম 'বিচারক', সেই সম্পর্কে দু চার কথা...

বিচারপতি জ্ঞানেন্দ্রনাথ, মুন্সেফ থেকে আজ দায়রা আদলতের বিচারক, সূক্ষ্মতম তার বিচারবোধ, এক চুলও এদিক ওদিক হয়না তার বিচার। Devine Justice এ তিনি বিশ্বাসী, তার বিচারের ওপরে আর কারওই কলম চলে না।
এ হেন বিচারকের সামনে হাজির হয় এক খুনের মামলা, নৌকাডুবিতে মারা যায় এক ব্যক্তি কিন্তু অপর ব্যক্তি বেঁচে যায়। যিনি সাঁতর জানেন তার বাঁচারই কথা, কিন্তু যিনি সাঁতার জানতেন না তার কি বাঁচার ইচ্ছে ছিল না? তাকে কি বাঁচানো যেত না? তার বাঁচার ইচ্ছে কে গলাটিপে মেরে তার আপন ভাইয়ের নিজেকে বাঁচানো খুন নয়?
জটীল এই কেসটির বিচার করতে বসে বিচারক তলিয়ে যান নিজের অতীতে, তিনিও কি কারোর বাঁচার ইচ্ছের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন? সুখ স্বপ্নের ঘোরে ঠেলে দিয়েছিলেন অগ্নি উত্তাপে? বিচারক নিজেই হয়ে যান নিজের কাছে বিচার প্রার্থী, দ্বন্দ্বে ভুগতে থাকেন। খুনের মালমার সওয়াল জবাবের সাথে সাথে ভেতরে চলতে থাকে সওয়াল জবাব। অতীত তাড়া করে বেড়ায়, ডিভাইন জাস্টিস প্রদানকারী বিচারক খুঁজতে থাকেন যুক্তি..
সুমতিকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। আদালতের মুন্সেফ ছিল সে। কিন্তু তাঁর স্যার আদালতের জজের কন্যা সুরমার আবির্ভাবেই যত সমস্যার সৃষ্টি । সুমতি ও সুরমা জ্ঞাতি বোন, সেই সূত্রে সুরমার জামাইবাবু জ্ঞানেন্দ্র। ঠাট্টা তামাশার সম্পর্ক ছেড়ে জ্ঞানেন্দ্র আকৃষ্ট হল রুচিশীলা শ্যালিকার প্রতি। সুমতি ঈর্ষার আগুনে জ্বলতে লাগলো, পুড়েই মরল সে। তাকে কি বাঁচানো যেত না? তার কি বাঁচার ইচ্ছে ছিল না? জ্ঞানেন্দ্র কি দায় এডাতে পারেন?
কে দায়ী সুরমার মৃত্যুতে, আর কে ই বা দায়ী এজলাসে আসা খুনের মামলায়? সাঁতার জানা ব্যক্তি নিজ প্রাণ বাঁচানোর জন্য সাঁতার না জানা ব্যক্তিকে গলাটিপে হত্যা করে। তাকে কি খুনি বলা যায়? নাকি বাঁচতে চাওয়া একজনের বাঁচার ইচ্ছে টাকে গলা টিপে মারার জন্য সেই শাস্তিযোগ্য?
গল্পটি বৈঠকি চালে শুরু হলেও ধীরে ধীরে পাঠককে আবিষ্ট করে, স্তরের পর স্তর, সূক্ষ্ম বোধ, যুক্তি.. সবশেষে... থাক সাসপেন্সটুকু থাক। তারাশঙ্করকে চিনতে, লেখকের গভীর অন্তর্দৃষ্টি বুঝতে 'বিচারক' উপন্যাসটি পড়তেই হবে।
গল্পটি নিয়ে বাংলাতে সিনেমাও হয়েছে, প্রভাত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় সিনেমটিতে উত্তম কুমার অভিনয় করেছিলেন জ্ঞানেন্দ্র চরিত্রটি। সিনেমাটি ইউ টিউবে আছে। তবে সিনেমার থেকেও প্রকৃত রস পেতে মূল টেক্সটটা পড়ুন, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা সম্পদ 'বিচারক'।
Profile Image for Nasrin Shila.
267 reviews88 followers
January 4, 2019
"আত্মরক্ষা যেমন সহজ প্রবৃত্তি, সাধারণ ধর্ম-তেমনি আত্মত্যাগ, পরার্থে আত্ম বিসর্জনও মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি, মহত্তর ধর্ম"
"মা যদি সন্তানকে হত্যা করে নিজের প্রাণের জন্য, পিতা যদি পুত্র হত্যা করে নিজের প্রাণের জন্য, বড় ভাই যদি অসহায় দুর্বল ছোট ভাইকে হত্যা করে নিজের প্রাণ রক্ষা করে মহত্তর মানবধর্ম বিসর্জন দেয়, সবল যদি দুর্বলকে রক্ষা না করে, তবে এই মানুষের সমাজ আর পশুর সমাজে প্রভেদ কোথায়?"
অসাধারণ লেখনী, অসাধারণ কাহিনী। এমন কিছু বই নতুন করে ভাবতে শেখায়।
ইদানীং ফেসবুকে "be kind" সংক্রান্ত অনেক উক্তি পাওয়া যায়। এখন মানুষ একটু ভাল ব্যবহার করেই ভাবে যে, বিরাট দয়া দেখায় ফেললাম, আমি অনেক মহৎ৷ কিন্ত আমরা ভুলে গেছি যে, এটাই আসলে স্বাভাবিক। মানুষ যদি মহৎ না হয় তো কে হবে? কাউকে সাহায্য করে সেটা নিয়ে গর্ব করার বা বলে বেড়ানোর কিছু নেই, বরং এটাই প্রকৃতির নিয়ম! না করাটাই লজ্জাজনক, করাটা আহামরি কিছু নয়!
আশা করি আমার নিজেরও এখন থেকে এটা মনে থাকবে। বই পড়ে যদি নিজেকে আরো ভাল মানুষে পরিণত করতে নাই পারি তবে কি লাভ শুধুই এত কাহিনী পড়ে!
Profile Image for Abdur Razzak.
1 review64 followers
Read
April 7, 2020
ভালবাসা দেওয়ার নয়, নেওয়ার বস্তু। কেউ কাউকে ভালবেসে পাগল হওয়ার কথা শুনা যায়, দেখা যায়। সেখানে আসল মহিমা যে ভালবাসা তা নয়; যাকে ভালবাসে মহিমা তার। মানুষ আগে ভালবাসে মহিমাকে তারপর সেই মানুষকে। কোথাও মহিমা রূপের ,কোথাও গুনের।

** মানুষের আবেগ অনুভূতি সাময়িক। যে মানুষ পত্নীবিয়োগের বিরহে মহাকাব্য লিখে, সেই মানুষ কয়েক বৎসর পর বিবাহ করে নূতন প্রেমের কবিতা লিখে।

** শুধু বন্ধুত্ব কেন সুরমা, প্রেম , সেও বিবাহের কাটা খালের মধ্যে বয় না। বিবাহ হলেই প্রেম হয় না সুরমা। বিবাহের দায়িত্ব শুধু কর্তব্যের, শপথ পালনের। সুমতিকে বিবাহ করেও তোমাকে আমি যে নিয়মে ভালবেসেছিলাম সে নিয়ম অমোঘ, সেই নিয়ম প্রকৃতির অতি বিচিত্র নিয়ম। তার উপর কোন ন্যায় বা নীতিশাস্ত্রের অধিকার নাই। যে অধিকার আছে সেই অধিকার আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করছিলাম। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে এসেছিল ভালবাসা, তাকে আমি সংযমের সাথে বাধে বেধেছিলাম। প্রকশ করিনি । তোমার কাছে ও না, সুমতির কাছে ও না। অ্যার তোমার কথা। তোমার বিচার তো অ্যারও সোজা। তুমি ছিলে কুমারী। অন্যের কাছে তোমার দেহমনের বিন্ধুমাত্র বাধা ছিল না। শুধু সুমতির স্বামী বলে আমাকে তোমরা ছিনিয়ে নেবার অধিকার ছিল না, কিন্তু ভালবাসার অবাধ অধিকার লখ বার ছিল তোমার। --করোনা ভাইরাসের এই সময়ে বাসায় বসে বসে যখন কিছু করার ছিল না ,তখন শুরু করলাম তারাসংকরের কবি, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, রাইকমল এবং সবার শেসে বিচারক। প্রতিটি উপন্যাস আমাকে ভাবায়। এক জাদুর টানে, নেশাগ্রস্তের মত ছুটে যাই, জীবন সম্পর্কে আমাকে পুন্ররবার ভাবায়। প্রতিটি উপন্যাস আমাকে মুগ্ধ করে। যাদের ই জীবন সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে করে, আমার মনে হয় এই বই গুলো পড়লে জীবন সম্পর্কে ধারণা পাল্টে ��াবে এবং পজিটিভ ধারণা।
26 reviews
July 16, 2025
গল্পটি সত্যিই চমৎকার। নিজের বিবেক যখন অতীতের ভুলের বিচার করতে শুরু করে, তখন সেই বিচার অনেক সময় বাহ্যিক শাস্তির চেয়েও বেশি তীব্র হয়ে ওঠে। এই গল্পে সেই অন্তর্দ্বন্দ্ব ও মানসিক অনুশোচনার অনুভূতিটাই খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে।
Profile Image for Borhan Hosan.
8 reviews
December 29, 2025
বই : বিচারক
লেখক : তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়


নিজের পক্ষে যুক্তি তৈরি করার মতো সহজ কাজ আর নাই৷ যত থোড়াই যুক্তি হোক না কেন ন্যূনতম পক্ষে গেলেই সেটা আমরা আঁকড়ে ধরি — স্রোতে ভেসে যাওয়া মানুষ যেমন আঁকড়ে ধরে খড়কুটো৷ নিজের বিশ্বাসের উপর আঘাত আসলে দিশেহারা হয়ে যায়৷ নিজেকে সাচাই রাখতে চেষ্টা করতে থাকি অনবরত৷ শাস্ত্র, সামাজিক মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতার মিশেলে বলি, কোনো ভুল করা হয়নি আমার দ্বারা৷ মনের গহীন কোণে তবু থেকে যায় একটা সংশয়৷ অমবস্যার আঁধারে আঁতকে উঠি আবছায়া দেখে৷

আমরা প্রভাবিত হয়৷ প্রভাবিত করি৷ খুব শক্ত যুক্তি দিয়ে লেখা পড়ে মনকে হালকা করি৷ উসখুস আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকে৷ কী এক অসহ্যকর যন্ত্রণা!

জ্ঞানেন্দ্রনাথ, দায়রা জজ৷ মুন্সেফ থেকে নানা চড়াই উতারয় পেরিয়ে আজকের অবস্হানে৷ ছিমছাম এক মফস্বল বেছে নিয়েছেন চাকুরীর জন্য৷ হটাৎ জড়িয়ে পড়েন এক কেসে৷ সেই কেসটাই তাকে উন্মুক্ত করে দেয় সমস্ত বাঁধা থেকে৷ অবরুদ্ধ জলস্রোতে নিজেকে আবদ্ধ রাখলেও কেসটা মোড় ঘুরিয়ে দেয় সবকিছু৷

পাঠপ্রতিক্রিয়া:- প্রথম যখন পড়া শুরু করি তখন সাধারণ এক গল্প হিশেবেই সামনে এগুচ্ছিলাম৷ মাঝ পথে বাগড়া দেয় কেসটা৷ মামুলি এক কেস৷ ধরলে, কিছুটা জটিল ধরা যায়৷ তারপর আবারো ধাক্কা৷ গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে এবং সবশেষে পরিণতি আসে৷ যদিও প্রথম থেকে শেষের আগমূহুর্ত পর্যন্ত লেখকের একপাক্ষিকতা আক্রোশ বাড়িয়েছিলো স্বাভাবিক নিয়মেই৷

সুন্দর শব্দচয়ন, জীবনবোধ আর গল্পের পটভূমি পরিবর্তন সবমিলিয়ে পারফেক্ট লাগছে আর কী৷ আইনের শিক্ষার্থী হিশেবে কেবল বইয়ের নাম দেখেই পড়তে শুরু করা এবং সর্বশেষ মনে হলো, না! সময়ক্ষেপণ হয়নি৷ অপচয় করিনি সময়৷
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books91 followers
January 25, 2019
দুই ভাই, নগেন আর খগেন, নৌকা করে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে নৌকা ডুবে যায়। খগেন সাঁতার না জানায় নগেনকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে নগেন তার ছোট ভাইকে গলা টিপে হত্যা করে। কোর্টে মামলা উঠেছে। বিচারকের আসনে জ্ঞানেন্দ্রনাথ। এই মামলার বিচার করতে গিয়ে তিনি ফিরে গেলেন তার নিজের অতীতে। কী ছিল তার অতীত জীবনে? তিনি কি পারবেন আর সব মামলার মত এই মামলাতেও ডিভাইন জাস্টিস করতে?

বইটা পড়তে গিয়ে মনেই হয়নি বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা লেখক তারাশঙ্করের বই পড়ছি। বরং মনে হচ্ছিল আধুনিক কোন লেখকের বই পড়ছি। যা হোক শুরু থেকে বেশ ভালই লাগছিল। অনেকটা থ্রিলার বইয়ের মত কী হয় কী হয় ভাব। তবে শেষের দিকে গিয়ে বিরক্ত লাগতে শুরু করে। শেষের দিকে গিয়ে মনে হচ্ছিল, লেখক বইটা অহেতুক টানছেন। অন্তত সমাপ্তি পড়ার পর এটাই মনে হয়েছে। আরও বিশ/ত্রিশ পাতা আগেই বইটার সমাপ্তি টানা যেত।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.