Jump to ratings and reviews
Rate this book

লাডলী বেগম

Rate this book

118 pages, Hardcover

First published January 1, 1986

2 people are currently reading
107 people want to read

About the author

Narayan Sanyal

153 books205 followers
Narayan Sanyal (bn: নারায়ণ সান্যাল) was a well-known & versatile writer of modern Bengali literature. He received several awards for literature including Rabindra Puraskar for Aporupa Ajanta (Bangla: অপরূপা অজন্তা) in 1969, Bankim Puraskar for Rupmonjori (Bangla: রূপমঞ্জরী) in 2000, and Narasingha Dutta Award. Many of his books were filmed and he won the Best Film Story Writer Award for Shotyokam (Bangla: সত্যকাম) by Bengal Film Journalists.

Sanyal wrote numerous books that dealt with many topics, such as children, science, art and architecture, travels, psychiatry, technology, refugee problems, history, biographical pieces, encyclopedia of animals, social novel and Devadasi-related. He also wrote a series of detective fiction called the Kanta (Thorn) series, the framework of which was borrowed from the Perry Mason series of novels by Erle Stanley Gardner. Some of the stories were inspired from popular Agatha Christie novels like Mousetrap, ABC Murders, etc.

Interestingly, this talented author also preferred writing books on deep shadow of many world famous works. One of the most popular Sci-Fictions Nakshatraloker Debatatma (Bangla: নক্ষত্রলোকের দেবাত্মা) is based on the transformation of human race from primitive creature to civilized intelligent species controlling the whole earth. Then it deals with Jupiter exploration and a super intelligent Computer HAL. The three parted book is a clear shadow of 2001: A Space Odyssey by Arthur C. Clarke. In his book, NS renamed HAL as 'Jantra-Na.' In his mother tongue Bangla, it means 'Not a Machine'.

His most popular work is Biswasghatak (Bangla: বিশ্বাসঘাতক) written about the Manhattan project that developed the first US Atom Bomb. This book is based on the shadow of Brighter than a Thousand Suns: A Personal History of the Atomic Scientists (1970), by Austrian Robert Jungk. Not a shadow, but almost translation in some parts. Few of the illustrations in this book have been taken from few Russian school level books.

Another book Timi Timingil (Bangla: তিমি তিমিঙ্গিল) is on Whales. This stands on an article published in Readers Digest. But while NS accepted this for Timi Timingil, he never mentioned or thanked authors of 2001 or Brighter.

Most of the "Kanta" series stories were copied or heavily inspired from Perry Mason novels. For example, "Ristedar-er Kanta" was copied from The case of the beautiful beggar, "Abhipurbak Ni-Dhatu Au-er Kanta" was inspired from The case of the restless redhead. Some of the stories were inspired from Agatha Christie stories. For example, "Dress Rehearsal-er Kanta" was inspired from Three Act Tragedy. NS acknowledged his inspirations in his first few "Kanta" series books, but forgot to do so for the latter ones.

Thousands of NS fans feel sorry of this as a man of his talent could have developed something even better instead of just 'Copying' and retouching others works while he had indeed produced some excellent works himself.

But it is undoubtedly accepted by all that NS was one of the finest authors in Bengali and he was a class apart from the flock of contemporary Bengali writers those who too dependent on sentiment and emotional overdose in their writings and too dependent on monopolist Bengali media/publication groups in commercial front.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
47 (56%)
4 stars
22 (26%)
3 stars
13 (15%)
2 stars
1 (1%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews239 followers
November 11, 2020
বোধহয় মুঘল ইতিহাসের সবচেয়ে উপেক্ষিত চরিত্র এই লাডলী বেগম। প্রবলপ্রতাপশালী নূরজাহানের প্রথম পক্ষের কন্যা। যিনি পরবর্তীতে হয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের কনিষ্ঠ পুত্র শাহরিয়ারের বিবি।

লাডলী বেগমের কথা বললে আরেকজন যার কথা চলে আসে, তিনি হলেন তার পিতা, আলী কুলি খান। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি হলেন ইন্ডিয়ান এ্যপোলো। আলী কুলি খানকে নিয়ে এরপর বোধ হয় আর কিছু বলা লাগে না। লাডলী বেগমের মায়ের রূপের-বুদ্ধির তুলনা জগৎজোড়া। মেহেরুন্নিসা, যার অপর নাম পৃথিবীর আলো। তাহলে একবার কল্পনা করে দেখেন লাডলী বেগমের দৈহিক সৌন্দর্য? তবে আর যাই হোক.. ভাগ্যটা মোটেও ভালো ছিলো না লাডলী বেগমের। কথিত আছে, সম্রাট জাহাঙ্গীর নয়, চিকের আড়াল থেকে রাজ্য শাসন করতো সম্রাজ্ঞী নূরজাহান। এ হেন প্রতাপশালী মা থাকা সত্ত্বেও ঐতিহাসিকদের আলোচনার কিছুটা আড়ালেই থেকে যান তিনি। যতোটুকুই আলোচনা হয়েছে সেসব থেকে তথ্য নিয়ে, কল্পনা মিশিয়ে নারায়ণ স্যানাল লিখেছেন এই উপন্যাসটি কিছুটা আত্মজীবনীর ছলে। একটা দমচাপা মন খারাপ করা আবহতে শেষ হয় এই হতভাগিনীর স্মৃতিচারণ। গল্পশেষে বলতেই হয়, আহারে! বেচারি।


বি.দ্র. আমার কাছে বেশ কিছু তথ্য একটু 'ইয়ে' টাইপ মনে হয়েছে। হতেই পারে। এটা তো আর কড়কড়ে ইতিহাস বই না, কেবল ইতিহাসকে আশ্রয় করে লেখা উপন্যাস (হোক না আত্মজীবনী) কাজেই লেখক সেটুকু স্বাধীনতা নিয়েছেন। অল্প কিছু তথ্যে বিভ্রান্ত লেগেছে। থাকগা। ওইটুকু ওভারলুক করাই যায়।


বইয়ের একটা লাইন অসম্ভব ভালো লেগেছে। 'রূপ কী থাকে রূপসীর দেহে? যুগে যুগে তার আধখানা গচ্ছিত থাকে রূপদর্শীর চোখের তারায়।' ❤️
Profile Image for Susmita Basak.
93 reviews13 followers
August 22, 2022
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া


ইতিহাস কাদের কথা বলে? যারা সুদক্ষ শাসক, সম্রাট ছিলেন তাঁদের এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ মানুষদের, বা তাঁদের রাজসভার কিছু ঘনিষ্ঠ মানুষজনদের, এছাড়া যারা রাজসিংহাসন বা ষড়যন্ত্রের সাথে সম্পর্কযুক্ত তাঁদের। কিন্তু যারা এসব থেকে দূরে ছিল, ইতিহাসে তাঁরা অবহেলিত, উপেক্ষিত। ইতিহাস তাঁদের মনে রাখেনি। আজ সেরকম একজনের কাহিনীই পড়লাম। আর পড়ার পর মনটা খুব ভারাক্রান্ত হয়ে গেল।

মেহেরুন্নেসা বা নূরজাহানের কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু তাঁর মেয়ে লাডলীর কথা আমরা‌ কয়জনই বা জানি। হ্যাঁ লাডলী হলো মেহেরুন্নেসার মেয়ে। কিন্তু জাহাঙ্গীর কন্যা সে নয়। মেহেরুন্নেসা এবং তাঁর আগের স্বামী আলিকুলি বেগ ইস্তাজলুর মেয়ে সে। আর আলিকুলি বেগের কন্যা ছিল বলেই জাহাঙ্গীরের নজরে সে ছিল চক্ষুশূল। পিতা আলিকুলি বেগ মারা যাওয়ার পর লাডলী তাঁর মায়ের সাথে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের হারেমে চলে আসে। সাড়ে চার বছর হারেমে থাকার পর মেহেরুন্নেসার বিবাহ হয় জাহাঙ্গীরের সাথে, এরপরই তাঁর নাম হয় নূরজাহান। কিন্তু মেহেরুন্নেসা কি ভালোবেসে ছিলেন জাহাঙ্গীরকে নাকি স্বামী হত্যাকারীকে বিবাহ করার অন্য উদ্দেশ্য ছিল তাঁর?

মেহেরুন্নেসা তো জাহাঙ্গীরকে বিবাহ করে ভারতসম্রাজ্ঞী হয়ে যোগ্য স্থান পেয়ে গেলেন। কিন্তু তাঁর মেয়ে, লাডলীর কী হলো? না লাডলী কিন্তু মায়ের মতো সৌভাগ্য পায় নি। হারেমের চার দেওয়ালের মধ্যে কোনো সুখের দর্শন সে কখনই পায় নি।
শুধু ইতিহাসে সে উপেক্ষিতা ছিল না, তাঁর মায়ের কাছেও সে ছিল উপেক্ষিতা। নিজের স্বার্থের জন্য নূরজাহান নিজের ভাইয়ের মেয়ে আর্জুবানু বেগম অর্থাৎ মুমতাজ মহলের বিবাহ দেন শাহজাহানের সাথে। কিন্তু স্বার্থ চরিতার্থ না হওয়ায় সেই একই স্বার্থের জন্য আবার নিজের মেয়েকে তুলে দেন জড় বুদ্ধিসম্পন্ন শাহজাদা শাহরিয়ারের হাতে। কিন্তু সেই বিবাহও স্থায়ী হয় না বেশিদিন। বিয়ের সাত বছরের মাথায় ভাইয়ের প্রতিহিংসার আগুনে প্রাণ দিতে হয় তাঁকে।

ক্ষমতা দখলের লোভ যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, তার উদাহরণই হলো এই বই। জাহাঙ্গীরের সাথে মেহেরুন্নেসার বিবাহের পর তাঁর স্বভাবের পরিবর্তন হতে থাকে। ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে অধীস্থিত থাকার নেশায় সে মেতে ওঠে। তাই চালতে থাকে একের পর এক চাল। কিন্তু কালের নিয়মে তাঁকে ধরাশায়ী হতেই হয়। জীবনে যে কখনো কারোর সামনে মাথা নত করে ভিক্ষা প্রার্থনা করেনি, সেই নূরজাহানকেও মাথা নত করতে হয় একসময় লাডলীর কাছে।

লাডলীর আত্মজীবনীমূলক রচনা হলেও এই বইতে একইসাথে উঠে এসেছে মেহেরুন্নেসা বা নূরজাহানের কাহিনী। এই বই থেকে জানতে পারি মুঘল সাম্রাজ্যের ভেতরের ষড়যন্ত্র, নৃশংসতা, হারেমে নারীদের বিভীষিকাময় জীবন, সম্রাটদের ন্যক্কারজনক কাহিনী ইত্যাদি। এছাড়া বইতে বর্ণিত লাডলীর আজি আম্মা, রুস্তম, খসরৌ, দাড়বক্সের মতো চরিত্রগুলোর পরিণতি চোখের পাতা ভারী করে দেয়।

আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, এই বইটি পড়ার আগে শাহজাহানের সম্পর্কে যে ধারণা আমার ছিল, বইটি পড়ার পর তা পুরোপুরি তিক্ত ধারণাতে পরিণত হলো। পাঠকদের বলবো বইটি একবার পড়ে দেখবেন। আশা করি ভালো লাগবে।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,479 reviews562 followers
April 27, 2024
মেহেরুন্নেসাকে অনেকেই চিনবেন না। শের আফগানের বউ বললে আরও অচেনা ঠেকবে। অথচ সম্রাট জাহাঙ্গীরের পত্নী নূরজাহানকে কে না চেনে! সেই নূরজাহানের পহেলা পক্ষের এবং একমাত্র সন্তান লাডলী বেগম। মোগল অন্তঃপুরে এক জীবনের প্রায় সবটাই কাটিয়ে দেওয়া ইতিহাসবিস্মৃত এক নাম লাডলী বেগম। সুলেখক নারায়ণ সান্যাল মোগল রথী-মহারথীদের ভিড়ে খুঁজে নিয়েছেন এক ধূলায় ধূসরিত রত্নকে। লাডলী বেগমের জবানিতে তৎকালীন ইতিহাস ও মোগল অন্তঃপুরের নানান কাহিনি, কাহিনির পরতে কাহিনি গল্পের ভঙ্গিতে এসেছে।

ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রসঙ্গ উঠলেই শরদিন্দুবাবুকে বাদ দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কথা মনে পড়ে। 'বাদশাহ নামদার'-এর মতো চমৎকার গদ্য ও সেই মধুময় লেখনশৈলী এখানে পাবেন না। লেখককে নিয়ে প্রত্যাশা বেশি ছিল। তা পূরণ হয়নি। আবার, শেষটুকু নাটকীয় করে ফেলেছেন।

ঐতিহাসিক উপন্যাস পড়তে চাইলে 'লাডলী বেগম' পড়া চলে। তবে খুব বেশি আশা করবেন না। তাহলে দেখবেন বাবার আদরের মেয়ে, মায়ের অনাদরের সন্তান লাডলী বেগমের সাথে মোগল অন্তঃপুরে সফর আচ্ছা যাবে।
Profile Image for Muhammad .
152 reviews12 followers
September 30, 2013
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর এর বিখ্যাত স্ত্রী নূরজাহান (মেহেরুন্নিসা) এর কন্যা লাডলী বেগম। জীবনের পুরো সময়টাই যিনি কাটিয়েছেন মুঘল হারেমে। রাজকীয় (নাকি সম্রাটীয়) হারেমে একরকম বন্দী হয়ে থাকার সেই সময়ের গল্প নারায়ণ সান্যাল লাডলী বেগমের 'উত্তম নারী'র বয়ানে শুনিয়েছেন এই বইয়ে। লাডলী বেগম বাঙ্গালি ছিলেন। আর ছিলেন ইতিহাসে উপেক্ষিতা। সবজান্তা উইকিপিডিয়ার শরণ নিলে নূরজাহান এর 'তাসবীর' তো মিলবেই, তাঁর জন্ম বৃত্তান্ত, বিয়ে, সন্তানাদির হিসেব মায় কবরের ছবি পর্যন্ত দেখা যাবে। কিন্তু লাডলী বেগমের উইকিপিডিয়ার নিবন্ধনটার ভয়ানক গরীবী হাল। হিন্দুস্তানের মালিক সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর প্রথম ঘরের সন্তান লাডলী বেগমকে নিয়ে ইতিহাসও খুব একটা আগ্রহী নয়। কিন্তু কেন? নারায়ণ সান্যাল এই প্রশ্নে��� উত্তর খুঁজেছেন। উপন্যাসের ঢঙে ইতিহাস বিবৃত করেছেন, তাই পাঠ্যবইয়ে পড়তে গেলে ইতিহাস যেমন ক্যোঁৎ করে গিলে ফেলতে হয় নিতান্ত অনিচ্ছাবসে, এখানে সে ব্যাপারটি একেবারেই ছিলোনা। রীতিমত আয়েশ করে মুঘলী কেতায় শুয়ে বসে নেশার মত পড়েছি 'লাডলী বেগম' বইটি। মুঘলদের অসামান্য রকমের অমিতব্যয়ীতা, লাগামহীন জীবনের কথা কমবেশি সবাইই জানি আমরা। এখানেও বারবার তা এসেছে। হারেমের মেয়ে হারেমের ভেতরের গল্প বলছে, স্বাভাবিকভাবেই এ ব্যাপারটি উঠে আসবে। শাহজাদাদের দিনমানব্যাপী মদের তৃষ্ণা ও যৌনক্ষুধা, ক্ষমতালিপ্সু নূরজাহান এর বিভিন্ন নোংরা কূটচাল, সিংহাসন ধরে রাখার নিমিত্তে আন্তঃপারিবারিক বিয়ে, ভ্রাতৃহত্যা এ সব ঘটনাকে এক সুতোয় পরপর সাজিয়েছেন লেখক। সম্রাট আকবরের শাসনকালের শেষার্ধ থেকে সম্রাট শাহজাহান এর তখতে চড়া, প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কে ধরেছেন তিনি এই বইয়ে। বিস্তর ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়েছে তাঁকে নিশ্চয়ই। কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ এই গবেষণা করে পাঠকদের অনেক অজানা ইতিহাস জানাবার কাজটির জন্য নারায়ণ সান্যাল অনেক বড় প্রশংসার ও কৃতজ্ঞতার দাবী রাখেন। তবে উপন্যাসের কায়দায় লেখা বলেই হয়ত লেখককে কিছু নায়ক ও ভিলেন আমদানী করতে হয়েছে। জাহাঙ্গীরের জ্যেষ্ঠ্য পুত্র খসরৌ এর মাঝে লেখক নায়কসুলভ গুণ দেখেছেন। 'লাডলী বেগম' এর মতে এক বিবাহে বিশ্বাসী, আসামান্য স্ত্রীপ্রেম, হারেম ও সিংহাসন এর প্রতি চরম উদাসীনতা ইত্যাদি গুণ ছিলো খসরৌ এর যা মুঘল সমাজের একেবারেই পরিপন্থী। ইতিহাস এর বই স্রেফ রেকর্ডবই। কাঠখোট্টা, পরিসংখ্যান এর মত। এত সব গুণ মনে রাখতে চায়না হয়ত সে। তাই অন্যান্য ইতিহাস বই পড়লে বা ইন্টারনেট এ খোঁজ করলে খসরৌর সেই একেবারে 'দৈত্যকূলে প্রহ্লাদ' চরিত্রটি পাওয়া যায়না। খসরৌ এরও বিবাহ বহির্ভূত সন্তান ছিল। তিনিও সিংহাসন এর জন্য পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। শাস্তিস্বরূপ জাহাঙ্গীর তাঁকে অন্ধ করে দেন। খসরৌকে তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা খুররম (পরবর্তীতে যিনি সম্রাট শাহজাহান) হত্যা করে সিংহাসন এর রাস্তা পাকা করে নেন। খুররম শাহজাহান হয়ে তখতে চড়বার পর তাঁর আপন ভাই শাহজাদা শাহরিয়ার, ভ্রাতুষ্পুত্র দাওয়ার বখস সহ আরো কয়েকজনকে হত্যা করেন। নারায়ণ সান্যাল বিবৃত করেছেন হত্যার সময় দাওয়ার এর বয়েস ছিল এগার। হত্যার সেই দৃশ্য বেশ আবেগময় ছিলো স্বাভাবিকভাবেই। তবে উইকিপিডিয়া বলছে দাওয়ার এর বয়েস মৃত্যুর সময় ছিলো পঁচিশ। সেক্ষেত্রে বাপারটি বেশি একটা আবেগী হয়না! এ ধরনের ছোটখাট কিছু তথ্যের অসামাঞ্জস্য (যেগুলো সম্পর্কে আমি খুব বেশী জ্ঞাত নই) ছাড়া পুরো বইটি এক কথায় অসাধারণ; খুব ছোট পরিসরে হারেমের ভেতরের অমানবিক জীবন ও সেখানের অধিবাসী 'হুর' দের অনেক দুঃখগাঁথার মোটামুটি একটি সম্যক ধারণা পাবার জন্য যথেষ্ট। ধন্যবাদ নারায়ণ সান্যাল।
Profile Image for Wreet Sarker.
51 reviews49 followers
March 1, 2019
লাডলী বেগম৷ বিশাল মোগল সাম্রাজ্যের বিবেচনার খুবই অপরিচিত একটা নাম৷ আসলে তিনি মোগল ইতিহাসের অংশও হতেন না যদি না তিনি স্বয়ং নূরজাহানের কন্যা হতেন৷ নূরজাহানের প্রথম ঘরের কন্যা তিনি, অর্থাৎ যখন কিনা নূরজাহান- মেহেরুন্নিসা ছিলেন, ছিলেন শের ই আফগান আলি কুলি ইস্তাজুল এর স্ত্রী।
মোগল রক্ত ছিলো না তার শরীরে, তাই মোগল হারেমের অংশ কিংবা মোগল আমলের সবচেয়ে জনপ্রিয় সম্রাজ্ঞীর কন্যা হওয়া সত্ত্বেও তার নাম মোটামুটি অন্ধকারেই থেকে গেছে।
স্বার্থান্বেষী মায়ের ক্ষমতার বলি হয়েছিলেন লাডলী। বিয়ে হয়েছিলো মোগল ইতিহাসের সবচেয়ে অথর্ব শাহজাদা - মির্জা শাহরিয়ারের সাথে। তা সত্ত্বেও খুব একটা আলোয় আসতে পারেননি।
নারায়ণ সান্ন্যাল বেশ গবেষণা করেই লিখেছেন বইটা। ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস হলেও, যেখানে ইতিহাসের ওপর সংশয় জেগেছে সেখানে নিজের যুক্তি উপস্থাপন করতে ভুলেননি। বেশ সুপাঠ্য একটা বই।
Profile Image for Towkir Ahmmed Rigan.
109 reviews18 followers
August 9, 2018
ভালোই লেগেছে! একইসাথে গল্প ছলে মোঘল ইতিহাসটাও একটু ঝালিয়ে নেওয়া গেল আর কি! তবে এই ইতিহাস খাল, কূপ খনন বা রাস্তা সংস্কারের ইতিহাস না! এ ইতিহাস মোঘল সম্রাজ্যের অন্দরমহলের! এ ইতিহাস তাদের নিষ্ঠুরতার!
Profile Image for Klinton Saha.
358 reviews5 followers
October 16, 2023
ইতিহাসের অতলে হারিয়ে যাওয়া এক অনাদৃতা সম্রাজ্ঞী - লাডলী বেগম। সারাজীবন ক্ষমতালিপ্সু ও রুপসী মাতা নূরজাহানের ছায়ায় হারিয়ে গেছেন তিনি। জীবনে যাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছেন তাকেই হারাতে হয়েছিল তাঁর। মোঘল হেরেমের অন্ধকারে দুঃখই ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। প্রেমের নাগাল পাওয়ার আগেই হাত থেকে বারবার ফসকে যায়। মৃত্যুর পর তার সমাধি নিয়ে নিয়তিও খেলতে ভুলে না।

লাডলী বেগমের জীবনালেখ্যের সাথে আলোচিত হয়েছে বেশ কিছু মোঘল সম্রাটের কদর্য রূপ ও মানবিক গুণাবলী। এছাড়া অনেক অজানা বিষয়ও লেখক তুলে ধরেছেন।
বিস্মৃতা নূরজাহান কন্যা "মেহেরুন্নেসার" প্রতি রইল বিশেষ শ্রদ্ধা ও লেখকের প্রতি বরাবরের মতই কুর্নিশ।
Profile Image for Zarifa Nabila.
42 reviews25 followers
March 12, 2019
ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করতে আমার বরাবরই ভাল লাগে...... না জানা অনেক কিছু জানতে পেরেছি বইটা থেকে...... ভাল লেগেছে খুব...
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.