This slim book has remained a part of my reading because it is intensely thought-provoking, controversial and quite radical. Every time I read the articles included herein, my imagination gets fired up (occasionally flared up as well) into the circumstances that might had resulted into me and millions of Bengalis receiving their surnames of pride, shame or indifference. Recommended.
দারুন হওয়া উচিৎ ছিল, কিন্তু আশাহত। অগোছালো একটা বই। অনেক ইনফো, কিন্তু ছড়ানো ছিটানো। একটা স্ট্রাকচার দার করিয়ে যদি লিখতেন, দারুন হতো। তবে অনেক কিছু জানতে পেরেছিলাম, কিন্তু মাথার মধ্যে সব কেমন তালগোল পাকিয়ে গেছে। তার কারন আগেই বলেছি, গোছানো না।
তবে খুব পছন্দের একটা প্যারার কিছুটা তুলে ধরতে চাই- "বৌদ্ধ যুগের অভিজাতরা হারিয়ে যায় হিন্দু যুগে, হিন্দু যুগের অভিজাতরা মর্যাদা হারায় মুঘোল আমলে। আবার মুঘোল আমলের উচ্চকোটির মুসলমান প্রথম অধ্যায়ে ইংরেজের হাতে বিপর্যস্ত হয়, অভ্যুদয় হয় হিন্দু নগন্যদের। ইংরেজ শাসনের একশ বছর পরেও কোলকাতায় নব্য অভিজাত ও ভদ্রলোকদের মধ্যে জাতিভেদ তেমন স্পষ্ট না। কারন কেউই তারা বনেদী নয় নিতান্তই হঠাৎ ধনী। আর কৌলিন্যও তখন সম্পদকেন্দ্রিক। ক্রমে ভদ্রলোকত্তের পরিচয় হয়ে ওঠে ইংরেজি শিক্ষা, ইংরেজের চাকুরি, ইংরেজের দেওয়া উপাধি"।
সম্প্রতি পড়ে শেষ করলাম। ভালো বই। বাংলাতে ও বাঙালীদের ব্যবহৃত পদবীগুলির ইতিহাস সহজকথায় লিখেছেন লোকেশ্বর বসু। কোন পদবীর উৎপত্তি কীভাবে, কোন শব্দমূল থেকে, তারপর কীভাবে তার পরিবর্তন বা বিকৃতি হয়েছে ও কোন গতিপথে আজকের পদবী-শব্দটিতে এসে হাজির হয়েছে, তার সমৃদ্ধ ও মনোরঞ্জক বর্ণণা আছে।
লেখক প্রসঙ্গক্রমে এসেছেন সমাজচিত্র ও আর্থসামাজিক পরিপ্রেক্ষিতেও। আর্যসমাজের বর্ণাশ্রম ও তার প্রভাবে নির্দিষ্ট বর্ণভুক্ত হয়ে কাজ করতে যাওয়া ও বংশানুক্রমেও সেই কাজের ভাগীদার হওয়া, তা কেমন করে সেই যুগে পরিচিতি সৃষ্টি করেছিল ও তা কীভাবে পদবীতে উন্নীত হয়, তার আলোচনা আছে। বলা যেতে পারে, লেখক পদবী থেকে একপ্রকার investigate করে ও বিভিন্ন সূত্র ধরে তার পূর্বপুরুষদের আর্থসামাজিক স্ট্যাটাস ও আর্থিক সমৃদ্ধির জায়গাটিকে তুলে ধরেছেন।
আলাদা আলাদা করে যেমন রাঢ়ী ব্রাহ্মণ, কনৌজীয় ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, তেলী, তাম্বুলী, কায়স্থ, শুদ্রদের পদবীগুলির আলোচনা আছে তেমনি সেইসময়ের ভৌগোলিক বিভিন্ন অঞ্চল, বিভিন্ন রাজ্যের নিরিখেও সুবিন্যস্ত আলোচনা আছে। আবার, রাজারাজড়াদের উপাধি বা পদবীর সাথে আজকের অপভ্রংশগুলির যোগসূত্র স্থাপনাও করেছেন। আলোচনা করেছেন দক্ষিণ ভারত বা পূর্ববঙ্গীয় বা উত্তর ভারতের বিভিন্ন পদবীগুলির সম্পর্কেও।
যেহেতুর পদবীর বিষয়টি প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে থেকে চলেছে, তাই প্রসঙ্গক্রমে এসে পড়েছে প্রাচীন ইতিহাস, পুরাতত্ত্ব, স্থাপত্য-ভাস্কর্য, সমাজতত্ত্ব, রাষ্ট্রনীতি নৃবিদ্যা, ভাষাতত্ত্বের মত বিভিন্ন নিগূঢ় বিষয়। কিন্তু লেখকের কলমের জৌলুসে সব স্ব-স্ব-শোভা সহকারে একাকার হয়ে পদবীগুলির ইতিহাসাশ্রয়ী মূল আলোচনাকে পুষ্ট করেছে।
Quite an informative book on family titles in the context of bengali culture, even though the author is biased in his opinions.
Not much info on Bangladeshi titles and castes. Most of the info is based on west bengal and the author supposes that almost all of the titles generated and used now had their origin in hindu culture and are based in nearby areas of kolkata. Not much credit is given to arabic titles and arab influences in title's formation. The author had not elaborated much on British colonial influence, and mughal empire, and turkish-afgan & persian cultural influences on titles used today.
But it is to be expected, as the author belongs to the west bengali culture and are influenced by core thoughts on hinduism. We (readers) can't blame him for his subjective expressions and hypotheses.
Overall, if we could ignore the biases, the rest of the book is quite good.
This entire review has been hidden because of spoilers.
বইটি সাদা কালো উপসংহারে উপনীত না হতে পারলেও ভাবনার পরিধি বিস্তারে যথেষ্ট সক্ষম। পদবী, উপাধি, জাতি বা গোত্রগত দম্ভের ইন্ধন খুঁজতে গেলে এই বইতে না আসাই শ্রেয়।
কেন যেন মনে হয়েছে, লেখক তাঁর সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন তুলমূলক কম শব্দ খরচ করে সর্বোচ্চ তথ্য উপস্থাপন করার এবং তাঁর এই বই লেখার "এক ও কেবল মাত্র এক" উদ্দেশ্যই ছিল যেন তথ্যগুলোর উপস্থাপন! এই অল্প কথায় অনেক তথ্যের উপস্থাপনের চেষ্টা বইটাকে অনেকটাই পানসে করে দিয়েছে। যদিও মাঝখানে কিছু জায়গায় লেখক রম্য'র আশ্রয় নিতে চেয়েছেন তত্যগুলো মজার করে উপস্থাপন করতে, তবে তা খুব ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে হয় না।