পাকিস্তান আমলের কথা। মাসুদ রানা চলেছে করাচী। সমুদ্রের ধারে পরিচয় হলো স্বর্ণমৃগের সাথে, খেলার ছলে। উপরি পাওনা হিসেবে রানার জীবনে এলো জিনাত সুলতানা।
এক অভিনব পন্থায় সোনা চোরাচালান হচ্ছে বাংলাদেশে (তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে)। রানার সাথে হলো প্রচণ্ড সংঘর্ষ। জীবনে এই প্রথম উপলব্ধি করল রানা, শক্তির দ্বন্দ্বে ওয়ালী আহমেদের ক্ষমতার কাছে সে একটি দুগ্ধপোষ্য শিশু-মাত্র।
কিন্তু পিছিয়ে এলো না রানা, আহ্বান করল নিশ্চিত মৃত্যুকে।
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
হিংস্র এক সোনা চোরাচালানকারীর উদয় হয়েছে পাকিস্তানে। মাঠে নেমেই সকল প্রতিযোগীকে খেদিয়ে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করেছে সে। এবার তার খোঁজেই পশ্চিম পাকিস্তানে পাঠানো হলো রানাকে। সুন্দরী জিনাতকে আত্নহত্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে অপ্রত্যাশিত সাহায্য পাওয়া গেলো তার বাবার কাছ থেকে। বেরিয়ে পড়ল কালপ্রিটের আসল চেহারা। এই গল্পটা মোটামুটি এক টানেই পড়ে ফেলেছি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনাটা ভালোই ছিল। তবে এটার মূল সমস্যা ছিল ফিনিশিং এ। উপন্যাস শেষ করার আগে প্রতিটি চরিত্রের ভবিষ্যৎ কি হবে তার একটু ইঙ্গিত দেয়া থাকে। তা থেকে দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে মোটামুটি সকল চরিত্রের ভবিষ্যৎ অনুমান করা যায়। কিন্তু এখানে সেই ইঙ্গিত গুলো পরিষ্কার ছিল না। শেষ দৃশ্যে জিনাতের পরিনতি কি হলো তা ভালোভাবে বোঝা যায় নি। তাই তার বিষয়টা বেশ ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অনুমান করতে হয়েছে।
বিশ বছর পর আবার মাসুদ রানা সিরিজ পড়া ধরলাম। সিরিজের প্রথম তিনটা টানা পড়ে ফেলেছি। সেই কৈশোরে আমেজ পাচ্ছি। স্বর্ণমৃগ তিন নাম্বার। টান টান থ্রিলার, একশনে ভরপুর। কিন্তু শুরুতেই আসল ভিলেন কে সেটা রিভিল্ড হয়ে যাওয়ায় যাওয়ায় চমক কিছুটা কমে যেতে পারে। অভারঅল দারুন।
রানার দুর্বল বইগুলো যে শুধুমাত্র সিরিজের শেষের দিকে প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যেই পাওয়া যায় এই ধারণাটা ভেঙে গেলো।
প্লটটা ওভারঅল ভালোই ছিলো কিন্তু প্লট বিল্ডিং, স্টোরি টেলিং, ডায়ালগ সবকিছুই অনেক দুর্বল এবং সস্তা টাইপ।
বিশেষ করে জিনাতের বাবা যেমনে মেয়ের ডিপ্রেশন এর চিকিৎসা না করিয়ে এক কথায় তিন কোটি টাকা যৌতুকের লোভ দেখায়ে রানাকে প্রেম করার করার আকুল আবেদন করছিলো ছলো ছলো চোখে! এদিকে নাকি ট্রাইবাল চিফ খান সাহেব রানার ব্যক্তিত্ব এবং তার ইতিহাস সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন ভালো মতো!
কাজীদা বা অন্য যেই লিখুন, লেখক সম্ভবত শেষ সময়ে কোনমতে তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছেন। নাইলে এতো ক্রিঞ্জি সব ডায়ালগ আর স্টোরিটেলিং থাকতো না।
বইটা নতুন করে ভালো কোনো লেখককে দিয়ে লেখালে বেশ জমজমাট একটা থ্রিলার পাওয়া যেতে পারে, তাছাড়া এই ধরনের প্লটের ওপর ভিত্তি করে মাসুদ রানার আরো অনেক দুর্দান্ত ও উপভোগ্য সব বই আছে।
Conversations between the characters are unrealistic as hell. And, bad. Real bad. Sometimes it felt like I'm reading a script of Bangla Cinema. Besides that, it was thrilling as usual. There were some gratuitous nudity, but, who cares?
Fun fact, it got itself banned in the sixties for the adult contents. Which, well, on per today's standard, is not explicit at all.
Best book! Thoroughly enjoyed it. Deserves more than 5 stars. Never thought it would be this much thrilling. Couldn't move without finishing the story A very good read.
রানা এবার করাচী গিয়েছে স্বর্ণমৃগের সন্ধানে। করাচীতে রয়েছে লাস্যময়ী জিনাত, আরও রয়েছে সাত ফুটি লম্বা দানব গুংগা। রহস্যময় চরিত্রের অধিকারী ওয়ালী আহমেদ। জুয়াতে মেয়েদের হারিয়ে লোকটা কী প্রমাণ করতে চায়? মাসুদ রানার শুরুর দিকের আরও একটি চমৎকার বই।