কাজটা অত্যন্ত কঠিন: বরফ-মোড়া অ্যান্টার্কটিকার উইলকক্স আইস স্টেশনে আটকা পড়া কয়েকজন বাঙালি ও আমেরিকান বিজ্ঞানীকে তুলে নিয়ে তুষার-ঝড়ের ভিতর দিয়ে নয় শ’ মাইল দূরের ম্যাকমার্ডো স্টেশনে পৌছে দিতে হবে। বিসিআই চিফের নির্দেশে সব কাজ ফেলে ছুটল রানা। বস বলে দিয়েছেন: শুনেছি, ওই স্টেশনের নীচে রয়েছে। একটা স্পেসশিপ। সম্ভব হলে ওটার বিষয়ে সমস্ত তথ্য জোগাড় করবে। তবে সাবধান, ভয়ানক বিপদের আশঙ্কা করছি। হোভারক্রাফটে চড়ে দলবল নিয়ে আইস স্টেশনে গিয়ে হাজির হলো সতর্ক রানা। পৌছুতে না পৌছুতেই শুরু হলো হামলা। চোখের সামনে একের পর এক মারা যাচ্ছে ওর। নিজের লোক। রুখে দাঁড়াতে চাইল রানা। কিন্তু ওর জানা নেই, একটি নয়, একাধিক প্রতাপশালী দেশের সেরা কমাণ্ডো ইউনিটগুলো হাজির হয়েছে ওদেরকে খুন করে স্পেসশিপ সরিয়ে নিতে। এই মরণ-ফাঁদ থেকে বাঁচার কোনও উপায় নেই রানার! নাকি আছে?
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
কাজটা অত্যন্ত কঠিন: বরফ-মোড়া অ্যাণ্টার্কটিকার উইলকক্স আইস স্টেশনে আটকা পড়া কয়েকজন বাঙালি ও আমেরিকান বিজ্ঞানীকে তুলে নিয়ে তুষার ঝড়ের ভিতর দিয়ে নয়’শ মাইল দূরের ম্যাকামার্ডো স্টেশনে পৌঁছে দিতে হবে। বিসিআই চিফের নির্দেশে সব কাজ ফেলে ছুটল রানা। বস বলে দিয়েছেন : শুনেছি, ওই স্টেশনের নীচে রয়েছে একটা স্পেশশিপ। সম্ভব হলে ওটার বিষয়ে সমস্ত তথ্য জোগাড় করবে। তবে সাবধান, ভয়ানক বিপদের আশঙ্কা করছি। হোভারক্রাফটে চড়ে দলবল নিয়ে আইস স্টেশনে গিয়ে হাজির হলো সতর্ক রানা।পৌঁছুতে না পৌঁছুতে শুরু হলো হামলা। চোখের সামনে একের পর এক মারা যাচ্ছে ওর নিজের লোক। রুখে দাঁড়াতে চাইল রানা। কিন্তু ওর জানা নেই, একটি নয়,একাদিক প্রতাপশালী দেশের সেরা কমাণ্ডো ইউনিটগুলো হাজির হয়েছে ওদেরকে খুন করে স্পেসশিপ সরিয়ে নিতে । এই মরণ-ফাঁদ থেকে বাঁচার কোনও উপায় নেই রানা! নাকি আছে?
আমার কাছে তো অনেক ভালো লাগছে, আপনারদের কার কেমন লেগছে?