মাসুদ রানার বাহুতে রিমোট-কন্ট্রোলড্ বোমা প্ল্যাণ্ট করে নির্দেশ দেয়া হয়েছে : আমাদের কাজটা করে দাও, বাছা ; নইলে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে। কারও সাধ্য নেই যে তোমাকে রক্ষা করে। হুমকিটা মিথ্যে নয়-প্রমাণ পেয়েছে ও। আতাসী, মার্সিয়া, ফায়জা ও মিশ্রী খানকে নিয়ে কাজে নেমে গেছে মাসুদ রানা। সঙ্গে অতিথি শিল্পীর মত অংশ নিল সোহেল ও গিলটি মিয়া। কিন্তু একদিকে বোমা, ও প্রতিপক্ষের তাগিদ ; অন্যদিকে ধরা পড়ার ভয়- সব মিলিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও। এতকিছু সামলে আস্ত একটা দেশ হজম করতে হবে ওকে। করতেই হবে। নইলে নিশ্চিত মৃত্যু !
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
রানাকে কিডন্যাপ করে তার হাতে রিমোট কন্ট্রোলড এক বিস্ফোরক বসিয়ে দেয় তার পুরোনো এক শত্রু। উদ্দেশ্য - এক দেশের সরকার পতন ঘটিয়ে নেবে মাসুদ রানাকে দিয়ে, বসাবে নিজের পুতুল শাসক! যে তাকে অনুমতি দেবে অই দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করার"! এভাবেই গল্পের শুরু হয়। রানা সরকার পতন ঘটায় তবে অই দেশের পরিস্থিতি বদলের জন্য।
গল্পটা বেশ এঙ্গেজিং। রানার নিয়মিত পাঠকদের ভালো লাগবে। সময় কাটানোর জন্য আদর্শ বই।
মিশ্রি খানের মৃত্যুতে কষ্ট পেয়েছি কিছুটা। সব মিলিয়ে রানা সিরিজের বইগুলোর মধ্যে ভালো একটা বই।
This entire review has been hidden because of spoilers.