আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে রানা। ইস্তাম্বুলের সাধারণ বিচারকক্ষে বিচার হচ্ছে ওর। খুনের আসামী সে। RCD শিপ বিল্ডিং করপোরেশনের প্রথম জাহাজ এম ভি রুস্তম এবং রাশিয়ার নব আবিষ্কৃত আণবিক অস্ত্র Lenin M-315 কে ঘিরে সৃষ্টি হলো এক ভয়ঙ্কর ঘটনাচক্রের আবর্ত। তুফান উঠল ভূমধ্যসাগরে। রাশিয়ার KGB-এজেন্ট কর্নেল নিকিতা ম্যাখারভ, ইস্তাম্বুলের মাফিয়া-চীফ ইয়াকুব বে এবং পাকিস্তান কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের মাসুদ রানা জড়িয়ে পড়ল এক প্রচন্ড প্রাণঘাতী সংঘর্ষে। কে জয়ী হবে কে জানে!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
রানার সেরা কয়েকটা বইয়ের একটা এটা। দুর্দান্ত শুরুর পর কোথাও থামা থামি নেই। কাহিনি রকেট গতিতে এগিয়ে চলেছে। ফিনিশিং টা যথারীতি অনবদ্য।
কেবল একটা বিষয়ই খানিকটা খটকা লেগেছে। কমোডোর জুলফিকার এর কথা, আচরণ কিছুটা শিশুসুলভ লেগেছে। নেভির কমোডোর হিসাবে তাকে আরেকটু ম্যাচিউর্ড দেখানোর দরকার ছিলো।