What do you think?


Masud Rana #8,9
সাগর সঙ্গম
তাসের টেবিলে বাধল গোল। সেই থেকে শুরু। সংক্রামক রোগের মত বিস্তার লাভ করল ভয়ানক চক্রান্ত - ঢাকা থেকে চিটাগাং - সেখান থেকে কক্সবাজার।
চিটাগাং-এর সাগর-সঙ্গমে রক্তলোভী হাঙ্গর আর বিদেশী সাবমেরিন, আন্দরকিল্লায় তিনটে ঘরভর্তি জালনোট, কক্সবাজারের হোটেল ড্রীমে অগ্নিকান্ড- সব মিলিয়ে জটলা পাকিয়ে যাচ্ছে না?
চিটাগাং-এর সাগর-সঙ্গমে রক্তলোভী হাঙ্গর আর বিদেশী সাবমেরিন, আন্দরকিল্লায় তিনটে ঘরভর্তি জালনোট, কক্সবাজারের হোটেল ড্রীমে অগ্নিকান্ড- সব মিলিয়ে জটলা পাকিয়ে যাচ্ছে না?
152 pages, Paperback
First published November 1, 1967
About the author
Qazi Anwar Hussain
599 books379 followersকাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
September 21, 2016
মাসুদ রানা সিরিয়াল অনুযায়ি পড়ছি । প্রথম প্রথম মাসুদ রানা খারাপ লাগত । তাই তেমন পড়া হয়ই নি । কিন্তু হটাৎ করেই ভালো লাগতে শুরু করল । এত লম্বা একটা সিরিজ । স্পাই, থ্রিলার ভরপুর দেশিয় ঘরনায় আর কোন সিরিজ পাব???? হউক না , সেটা বিদেশি কাহিনী এডাপ্ট ...। হ্যাঁ, মাসুদ রানা এখন থেকে লাগাতার পড়া হবে :D
বই লাভার্স গ্রুপে মাঝে মাঝে গিলটি মিয়া কে নিয়ে পোষ্ট হত ।। আর সেই গিলটি মিয়াকে পেলাম মাসুদ রানা ০১,০২,০৩,০৪,০৫,০৬,০৭, পড়ে ০৮ ও ০৯ এর মধ্যে :D । গিলটি মিয়াকে অসম্ভব ভালো লাগল :) ...
আর কাহিনী আমার কাছে ভালো লেগেছে । তবে ফিনিশিং এর একটা জায়গা আমার পছন্দ হয়নি ...।। :D
বই লাভার্স গ্রুপে মাঝে মাঝে গিলটি মিয়া কে নিয়ে পোষ্ট হত ।। আর সেই গিলটি মিয়াকে পেলাম মাসুদ রানা ০১,০২,০৩,০৪,০৫,০৬,০৭, পড়ে ০৮ ও ০৯ এর মধ্যে :D । গিলটি মিয়াকে অসম্ভব ভালো লাগল :) ...
আর কাহিনী আমার কাছে ভালো লেগেছে । তবে ফিনিশিং এর একটা জায়গা আমার পছন্দ হয়নি ...।। :D
May 19, 2016
কাহিনি দুর্বল লাগল।
August 4, 2024
⭐৩.৪/৫
বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একজন জনপ্রিয় সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ধনকুবের শিল্পপতি গোলাম হায়দার। কোটি কোটি টাকা ও সম্পদ রয়েছে তার, কিন্তু তারপরও নাকি সে রমনা ক্লাবে হাই স্টেকে তাস খেলতে গিয়ে জোচ্চুরি করে এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পি.সি.আই প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খানের ব্যক্তিগত অনুরোধে মাসুদ রানা নেমে পড়ে অভিযোগটি সত্য কী-না জানার জন্যে। এখন প্রশ্ন হলো, অভিযোগটি সত্য হলে শিল্পপতি গোলাম হায়দারের মতো সমাজসেবী ধনকুবের কেন সামান্য তাস খেলতে গিয়ে জোচ্চুরি করবে? আর অভিযোগটি মিথ্যা হলে একজন সমাজসেবী ধনকুবেরের নামে এমন একটি জঘন্য অভিযোগ থাকার কারণ কী? আর এদিকে চট্টগ্রামে পি.সি.আই এজেন্ট আবদুল হাইয়ের শরীরের কিছু টুকরো গেল সাগর সঙ্গমে। তদন্তে জানা গেল, আবদুল হাইকে নাকি হাঙ্গর আক্রমণ করেছিল, কিন্তু চট্টগ্রামের সাগর সঙ্গমে হাঙ্গর এলো কোথা থেকে? এছাড়া আবদুল হাইয়ের শরীরের টুকরো যেখানে পাওয়া গেল, তার কয়েক গজের মধ্যে স্পিডবোট, নৌকা, লঞ্চসহ কোনো রকম জলযান নেই, একমাত্র শিল্পপতি গোলাম হায়দারের বিলাসবহুল ইয়ট ছাড়া। এটা কি সম্পূর্ণ কাকতালীয়? নাকি এর মধ্যে রয়েছে কোনো সংযোগ? রহস্য উদঘাটনে নেমে পড়ল পি.সি.আই এর দুর্ধর্ষ স্পাই-এজেন্ট মাসুদ রানা। সে কি পারবে এই রহস্য উদঘাটন করতে?
প্রথমেই বলি, মাসুদ রানার এই গল্পটি বেশ ঝরঝরে ও ফাস্ট পেসড ছিল, যা পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে। এছাড়া গল্পে রানার ধূর্ততা এবং গল্পে তার মস্তিষ্ক ও শরীরের ব্যবহার অনেকটাই বিশ্বাসযোগ্য ও আর্কষণীয় ছিল।
এবারে আসি চরিত্রায়ণে।
মাসুদ রানা
মাসুদ রানার চরিত্রটি সবসময়ই আকর্ষণীয় এবং জটিল। এই উপন্যাসে সে আরও ধূর্ত এবং তার মস্তিষ্ক ও শরীরের অসাধারণ ব্যবহার দেখানো হয়েছে। তার ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা এবং সাহসের পরিচয় পাওয়া যায় তার প্রতিটি পদক্ষেপে। বিশেষ করে, তার এবং শিল্পপতি গোলাম হায়দারের মধ্যে কথোপকথনগুলোতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করার কৌশলগুলো অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক ছিল।
শিল্পপতি গোলাম হায়দার
গোলাম হায়দারের চরিত্রটি অত্যন্ত ধূর্ত ও শক্তিশালী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সমাজসেবী ধনকুবের হওয়া সত্ত্বেও তার নামে জোচ্চুরি এবং হত্যার অভিযোগ গল্পের মধ্যে একটি গভীর রহস্য তৈরি করেছে। তার চরিত্রের দ্বৈততা এবং তার মুখোমুখি হওয়া নৈতিক সংকট উপন্যাসটিতে একটি বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।
গিলটি মিঞা
গিলটি মিঞার চরিত্রটি ছিল উপন্যাসের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক অংশ। তার প্রতিটি উপস্থিতি গল্পের গতি ও মেজাজকে বদলে দিয়েছে। তার চরিত্রটি এতটাই প্রভাবশালী ছিল যে অন্য সব চরিত্রকে তার সামনে মলিন করে দিয়েছিল। গিলটি মিঞার ব্যক্তিত্ব এবং উপস্থিতি উভয়ই উপন্যাসে একটি নতুন শক্তি এনে দিয়েছে।
অন্যান্য চরিত্র
লোবাক, রুমানা প্রভৃতি চরিত্রগুলোও ভালোভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। যদিও তারা প্রধান চরিত্র নয়, তবে তাদের উপস্থিতি গল্পের মধ্যে একটি সুসংগঠিত ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছে। বিশেষ করে, অনিতা গিলবার্টের ক্যামিও উপস্থিতি গল্পে একটি নস্টালজিক অনুভূতি নিয়ে এসেছিল।
উপন্যাসে খুবই সুন্দর কিছু অ্যাকশান দৃশ্যের বর্ণনা ছিল, তার পাশাপাশি দুর্বল কিছু অ্যাকশান দৃশ্যও ছিল যা স্পাই উপন্যাসে খুবই হতাশাজনক একটি বিষয়। তাছাড়া উপন্যাসে থ্রিলটা কেমন জানি বেখাপ্পা ছিল। কখনও কম, কখনও বেশি, কখনও আছে, কখনও নেই। হ্যাঁ, আমি পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, "মাসুদ রানার এই গল্পটি বেশ ঝরঝরে ও ফাস্ট পেসড ছিল যা পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে" কিন্তু পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা আর গল্পে থ্রিলের ভারসাম্য বজায় রাখা এক নয়। এছাড়া উপন্যাসটি পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট টেনশন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
পরিশেষে, যদিও মাসুদ রানার পূর্ববর্তী উপন্যাসেগুলোতে ছন্দপতন ঘটেছিল, কিন্তু সাগর সঙ্গম এর মাধ্যমে মাসুদ রানা আবারও একটি মজবুত অবস্থানে আসতে পেরেছে অনন্ত আমার জন্য।
বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একজন জনপ্রিয় সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ধনকুবের শিল্পপতি গোলাম হায়দার। কোটি কোটি টাকা ও সম্পদ রয়েছে তার, কিন্তু তারপরও নাকি সে রমনা ক্লাবে হাই স্টেকে তাস খেলতে গিয়ে জোচ্চুরি করে এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পি.সি.আই প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খানের ব্যক্তিগত অনুরোধে মাসুদ রানা নেমে পড়ে অভিযোগটি সত্য কী-না জানার জন্যে। এখন প্রশ্ন হলো, অভিযোগটি সত্য হলে শিল্পপতি গোলাম হায়দারের মতো সমাজসেবী ধনকুবের কেন সামান্য তাস খেলতে গিয়ে জোচ্চুরি করবে? আর অভিযোগটি মিথ্যা হলে একজন সমাজসেবী ধনকুবেরের নামে এমন একটি জঘন্য অভিযোগ থাকার কারণ কী? আর এদিকে চট্টগ্রামে পি.সি.আই এজেন্ট আবদুল হাইয়ের শরীরের কিছু টুকরো গেল সাগর সঙ্গমে। তদন্তে জানা গেল, আবদুল হাইকে নাকি হাঙ্গর আক্রমণ করেছিল, কিন্তু চট্টগ্রামের সাগর সঙ্গমে হাঙ্গর এলো কোথা থেকে? এছাড়া আবদুল হাইয়ের শরীরের টুকরো যেখানে পাওয়া গেল, তার কয়েক গজের মধ্যে স্পিডবোট, নৌকা, লঞ্চসহ কোনো রকম জলযান নেই, একমাত্র শিল্পপতি গোলাম হায়দারের বিলাসবহুল ইয়ট ছাড়া। এটা কি সম্পূর্ণ কাকতালীয়? নাকি এর মধ্যে রয়েছে কোনো সংযোগ? রহস্য উদঘাটনে নেমে পড়ল পি.সি.আই এর দুর্ধর্ষ স্পাই-এজেন্ট মাসুদ রানা। সে কি পারবে এই রহস্য উদঘাটন করতে?
প্রথমেই বলি, মাসুদ রানার এই গল্পটি বেশ ঝরঝরে ও ফাস্ট পেসড ছিল, যা পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে। এছাড়া গল্পে রানার ধূর্ততা এবং গল্পে তার মস্তিষ্ক ও শরীরের ব্যবহার অনেকটাই বিশ্বাসযোগ্য ও আর্কষণীয় ছিল।
এবারে আসি চরিত্রায়ণে।
মাসুদ রানা
মাসুদ রানার চরিত্রটি সবসময়ই আকর্ষণীয় এবং জটিল। এই উপন্যাসে সে আরও ধূর্ত এবং তার মস্তিষ্ক ও শরীরের অসাধারণ ব্যবহার দেখানো হয়েছে। তার ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা এবং সাহসের পরিচয় পাওয়া যায় তার প্রতিটি পদক্ষেপে। বিশেষ করে, তার এবং শিল্পপতি গোলাম হায়দারের মধ্যে কথোপকথনগুলোতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করার কৌশলগুলো অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক ছিল।
শিল্পপতি গোলাম হায়দার
গোলাম হায়দারের চরিত্রটি অত্যন্ত ধূর্ত ও শক্তিশালী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সমাজসেবী ধনকুবের হওয়া সত্ত্বেও তার নামে জোচ্চুরি এবং হত্যার অভিযোগ গল্পের মধ্যে একটি গভীর রহস্য তৈরি করেছে। তার চরিত্রের দ্বৈততা এবং তার মুখোমুখি হওয়া নৈতিক সংকট উপন্যাসটিতে একটি বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।
গিলটি মিঞা
গিলটি মিঞার চরিত্রটি ছিল উপন্যাসের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক অংশ। তার প্রতিটি উপস্থিতি গল্পের গতি ও মেজাজকে বদলে দিয়েছে। তার চরিত্রটি এতটাই প্রভাবশালী ছিল যে অন্য সব চরিত্রকে তার সামনে মলিন করে দিয়েছিল। গিলটি মিঞার ব্যক্তিত্ব এবং উপস্থিতি উভয়ই উপন্যাসে একটি নতুন শক্তি এনে দিয়েছে।
অন্যান্য চরিত্র
লোবাক, রুমানা প্রভৃতি চরিত্রগুলোও ভালোভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। যদিও তারা প্রধান চরিত্র নয়, তবে তাদের উপস্থিতি গল্পের মধ্যে একটি সুসংগঠিত ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছে। বিশেষ করে, অনিতা গিলবার্টের ক্যামিও উপস্থিতি গল্পে একটি নস্টালজিক অনুভূতি নিয়ে এসেছিল।
উপন্যাসে খুবই সুন্দর কিছু অ্যাকশান দৃশ্যের বর্ণনা ছিল, তার পাশাপাশি দুর্বল কিছু অ্যাকশান দৃশ্যও ছিল যা স্পাই উপন্যাসে খুবই হতাশাজনক একটি বিষয়। তাছাড়া উপন্যাসে থ্রিলটা কেমন জানি বেখাপ্পা ছিল। কখনও কম, কখনও বেশি, কখনও আছে, কখনও নেই। হ্যাঁ, আমি পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, "মাসুদ রানার এই গল্পটি বেশ ঝরঝরে ও ফাস্ট পেসড ছিল যা পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে" কিন্তু পাঠককে গল্পের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা আর গল্পে থ্রিলের ভারসাম্য বজায় রাখা এক নয়। এছাড়া উপন্যাসটি পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট টেনশন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়।
পরিশেষে, যদিও মাসুদ রানার পূর্ববর্তী উপন্যাসেগুলোতে ছন্দপতন ঘটেছিল, কিন্তু সাগর সঙ্গম এর মাধ্যমে মাসুদ রানা আবারও একটি মজবুত অবস্থানে আসতে পেরেছে অনন্ত আমার জন্য।
February 16, 2020
সবচেয়ে বেশি সময় লাগল এই পর্ব শেষ করতে, যদিও গল্পটা উপভোগ্য ছিল।
February 7, 2022
ঠিক জমল না, মানে ঠিক-ঠাকই আছে কিন্তু সত্যি বলতে আশা হয়ত একটু বেশিই করেছিলাম, এই যা;
September 20, 2024
স্টোরি ডেভেলপমেন্ট টা যত সুন্দর করে হইসে, পুরো গল্প টা সেই চুম্বক ভাবে টেনে নিতে পারেনাই, মোটেল এর ঘটনা টা একটু এক্সেজেরেটেড লেগেছে, ইয়ট এ ধরে নিয়ে যাওয়ার ব্যপার টাও।
৭/১০
৭/১০
September 3, 2022
গিলটি মিয়াঁর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। হাহা, মাসুদ রানা সিরিজের গিলটি মিয়াঁ চরিত্রটির আত্নপ্রকাশ এই বইটি দিয়ে। একটা সময় ভাবতাম, সাগরসঙ্গমে বুঝি সোহানা আছে, পড়ার পর জানলাম আসলে নেই। :)
June 26, 2017
একটা বিদেশী কাহিনীকে পুরোপুরি দেশীয় বানানো আমার কাছে মনে হয় একটু কঠিনই। অনেক গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা না থাকলে এত সুন্দর করে ইউরোপকে চট্টগ্রাম বানানো সম্ভব নয়। অনেক মজার একটা গল্প। উত্তেজনাকর। গিলটি মিঞার প্রথম পদার্পণ এই বইতে।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews









