কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
ক্যান্ডি থেকে গল, শ্বাসরুদ্ধকর ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া বইটি। খারাপ লাগলো সবিতার জন্য, ঘৃণা জন্মালো রিটার জন্য। আগেও পড়া ছিল, আরেকবার পড়া হলো।
* এই বইটির উপরেই সত্তরের দশকে মাসুদ রানা সিনেমা বানানো হয়েছিলো।
রানা সিরিজের আরেকটি চমৎকার কাহিনী। অনেকদিন বাইরের বই পড়ার গ্যাপের পর, রানা সহজপাঠ্য সিরিজ দিয়ে অভ্যাসটা শুরু করে আবার চালিয়ে নিতে চাওয়া বোধহয় মন্দ নয়।
This book made me fell in love with Masud Rana. Before this book I have read a few Masud Rana randomly here n there out of order and it felt okay but nothing extraordinary. But after finishing this book I ended up reading more than atleast 120 Masud Rana books and among them number 1 to 110 serially.
কাহিনী বর্ণনায় ভিন্টেজ ৮০ এর ভাইব আছে, তবে পরবর্তী সময়ে রানার আপগ্রেডেশন ঘটেছে, সেটা পাশাপাশি রাখলে বোঝা যাবে। রানার পাঠকরা ৭০ দশকে রানার সাথে ৯০ এর রানাকে সহজেই আলাদা করতে পারবেন।
রানার শুরুর দিকের প্রায় সব বই-ই অ্যাকশন আর রোমান্সে ভরপুর। তবে বিস্মরণের প্লট অনেকটাই অন্যরকম লেগেছে। পুরো বইতে অ্যাকশন, রোমান্সের পাশাপাশি থ্রিল, টুইস্ট আর কাহিনীর টান-টান ভাবটা বজায় ছিলো। কাহিনীর বুনন দেখে বিস্মরণ "জেমস হ্যাডলি চেজ"-এর কোনো বইয়ের অ্যাডাপ্টেশন বলে মনে হয়েছে। ওভারঅল কেবল তৎকালীন স্পাই/অ্যাকশন থ্রিলার হিসেবেই নয়, বর্তমান সময়ে এসেও বেশ উপভোগ্য একটি বই।