ডুবসাঁতার দিয়ে সারফেসের কাছাকাছি পৌছুতেই বরফে ঠুকে গেল রানার মাথা। বিস্মিত হয়ে উপরে তাকাল ও, পরক্ষণে আঁতকে উঠল আতঙ্কে ভয়াবহ তুষার ঝড় জমিয়ে দিয়েছে জলাশয়ের উপরিভাগ— অন্তত চার ইঞ্চি পুরু হয়ে জমেছে বরফের আস্তর! ভেসে ওঠার কোনও উপায় নেই। আর্কটিকের পানিতে ডুবে মরতে চলেছে ও। আর তখুনি অনেক নীচে কী যেন একটা নড়ে উঠল ভুরু কুঁচকে সেদিকে তাকাল রানা। সাদাটে তিনটে আকৃতি… একটা ডুবোগুহা থেকে তীরবেগে বেরিয়ে এসেছে। পানির মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসছে অপরদিকে কে লক্ষ্য করে। রাক্ষুসে তিন গ্রেন্ডেল! হাঁ করা মুখের ভিতর চকচক করছে ধারালো দাঁতের সারি! ভয় পেল না রানা, চমকেও উঠল না, অদ্ভুত এক নির্বিকার ভাব ভর করেছে ওর মধ্যে। শান্ত ভঙ্গিতে মেনে নিল ভাগ্যকে। তাহলে ডুবে মরা কপালে নেই আর!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
ডেফনেটলি শুভ্র পিঞ্জর ২ এর প্রথম পর্ব থেকে বেশি ভালো লেগেছে৷ একটা সিঙ্গেল সেকেন্ড ছিল না যেখানে সাসপেন্স, একশান নেই। কিন্তু ননসেন্স একশন না, জেমস রোলিন্স একশান৷ হান্ট এর থেকে এডাপ্টেশনে অনেক টা চেঞ্জ আনা টা পুরোপুরি স্বার্থক ছিল। নতুন করে যেন মৌলিকের মত ক্যারেক্টার বিল্ডিং চোখে পড়েছে৷ আর শেষ অংশ তো এক কথা পিওর সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার৷