কাকাবাবুর সঙ্গে সন্তু এবার এসেছে হিমালয়ে। ওরা আপাতত আছে পাথরের পুরোনো একটা গম্বুজে। খুব সম্ভবত কোনও সাহেব এখানে বসে এভারেস্টের দৃশ্য দেখবার জন্য এটা বানিয়েছিল। একটু এগোলেই এভারেস্ট-চুড়া স্পষ্ট দেখা যায়। তার বয়েসি আর কোনো বাঙালির ছেলে বোধহয় এভারেস্টকে এত কাছ থেকে দেখেনি, ও ভাবে। কিন্তু এখানে থাকার পেছনে কাকাবাবুর যে কী উদ্দেশ্য, তা সন্তু এখনও কিছুই বুঝতে পারছে না। ওদের সঙ্গের দুজন শেরপা সঙ্গীও অস্থির হয়ে উঠছে। এতদূর যেহেতু এসেছেন, কাজেই কাকাবাবুরা যে এভারেস্টে উঠবেন, ওদের এমনই ধারণা। কিন্তু ওদের সংশয় কাটে না। এমনকি সন্তুও সন্দিহান। ক্র্যাচ নিয়ে কি এভারেস্টে ওঠা সম্ভব?
Sunil Gangopadhyay (Bengali: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়) was a famous Indian poet and novelist. Born in Faridpur, Bangladesh, Gangopadhyay obtained his Master's degree in Bengali from the University of Calcutta, In 1953 he started a Bengali poetry magazine Krittibas. Later he wrote for many different publications.
Ganguly created the Bengali fictional character Kakababu and wrote a series of novels on this character which became significant in Indian children's literature. He received Sahitya Academy award in 1985 for his novel Those Days (সেই সময়). Gangopadhyay used the pen names Nil Lohit, Sanatan Pathak, and Nil Upadhyay.
Works: Author of well over 200 books, Sunil was a prolific writer who has excelled in different genres but declares poetry to be his "first love". His Nikhilesh and Neera series of poems (some of which have been translated as For You, Neera and Murmur in the Woods) have been extremely popular.
As in poetry, Sunil was known for his unique style in prose. His first novel was Atmaprakash (আত্মপ্রকাশ) and it was also the first writing from a new comer in literature published in the prestigious magazine- Desh (1965).The novel had inspiration from ' On the road' by Jack Kerouac. His historical fiction Sei Somoy (translated into English by Aruna Chakravorty as Those Days) received the Indian Sahitya Academy award in 1985. Shei Somoy continues to be a best seller more than two decade after its first publication. The same is true for Prothom Alo (প্রথম আলো, also translated recently by Aruna Chakravorty as First Light), another best selling historical fiction and Purbo-Paschim (পূর্ব-পশ্চিম, translated as East-West) a raw depiction of the partition and its aftermath seen through the eyes of three generations of Bengalis in West Bengal, Bangladesh and elsewhere. He is also the winner of the Bankim Puraskar (1982), and the Ananda Puraskar (twice, in 1972 and 1989).
Sunil wrote in many other genres including travelogues, children's fiction, short stories, features, and essays. Though he wrote all types of children's fiction, one character created by him that stands out above the rest, was Kakababu, the crippled adventurer, accompanied by his Teenager nephew Santu, and his friend Jojo. Since 1974, Sunil Gangopadhyay wrote over 35 novels of this wildly popular series.
Death: Sunil Gangopadhyay died at 2:05 AM on 23 October 2012 at his South Kolkata residence, following a heart attack. He was suffering from prostate cancer for some time and went to Mumbai for treatment. Gangopadhyay's body was cremated on 25 October at Keoratola crematorium, Kolkata.
Awards & Honours: He was honored with Ananda Award (1972, 1979) and Sahitya Academy Award (1984).
কাকাবাবু-সন্তু জুটির তৃতীয় অভিযান। মনে পড়ে, কম বয়সে পড়াকালীন, উপন্যাসটির গতি ও ব্যাপ্তি, আমার মনে খুব একটা দাগ কাটতে পারে নি। এরপর, ২০১৭ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের অমন মধ্যমানের ছবিখানা দেখে এ বইয়ের প্রতি ভালোবাসা কমে, বই বাড়েনি। আজকের এই এত্ত দিন বাদে, আরো একবার গোরখশেপ ভ্রমনে তাই দুটো কথা উপলব্ধি করলাম।
এক, এর চাইতেও আরো অনেক ভালো অভিযানে কাকাবাবুরা অহরহ গিয়ে থাকেন। দুই, বইটির মেরিট পুরোটাই বিদ্যমান লেখকের শক্তিশালী গদ্য গুণে।
মোবাইল, ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া সর্বস্ব একটি যুগ শুরুর প্রাকমুহূর্তে রচিত এই লেখাটি, একাধারে ভীষণ সিনেমাটিক। আবার শুরুর দিকের কাহিনী হওয়াতে, লেখকের কলমে সিরিজকেন্দ্রিক একঘেয়েমির প্রচ্ছন্ন অভাব। ঘরে বসে পাঠকের হাতে, অকপটভাবে তুলে দিতে চেয়েছেন, এক তুষারাবৃত অভিযানের রোমাঞ্চকর স্বাদ!
এই ধরনের বই গুলো যদি নতুন জেনারেশন কে মোবাইল দেয়ার আগে দেয়া যেত তাহলে বই পড়ার জন্য আর বলতে হতো না। বই-ই পাঠক তৈরি করে নিতো, আমাদের চারপাশ টা ভিন্ন রকম হতে পারত। পিচ্চি কালে পড়লে আরু অনেক বেশি মজা পেতাম 😴
আমার পড়া প্রথম কাকাবাবু-মিশর রহস্য পড়ে মনে প্রশ্ন জেগেছিলো,এই কাকাবাবু লোকটার বিশেষত্ব কী? উত্তরটা অনেক খানি পাহাড়চূড়ায় পেয়ে গেলাম। কাকাবাবুর বুকের সাহস,মনের জোর,মানবিকতা-ই তাকে অনন্য করে তোলে।
তাবুর মধ্যে টর্চ জ্বেলে বসে বসে বই পড়ছি। বাইরে কনকনে ঠান্ডা। হাত পা বের হলেই বরফের মত জমে যাচ্ছে। ঠিক এমনি একটা অনুভূতি হচ্ছে। লেপের নিচে মোবাইল এর লাইট নিয়ে পড়ার। বাইরে সত্যিই অনেক ঠান্ডা। আর বইয়ের পাতা গুলোও যেন জীবন্ত হয়ে উঠছে এতটাই সুন্দর বর্ণনা আর ভয়ংকর সুন্দর এডভেঞ্চারগুলো।
কাকাবাবুর এক পা খোঁড়া হলেও যে পরিমাণ সাহস আর মনের জোর এই মানুষটার কাছে আছে সেটা দিয়েই এভারেস্টে উঠা যাবে দশবার আসলে। কিন্তু এবারের লক্ষ্য কিন্তু এভারেস্ট ছিলো না। বাকি সবাই তাই জানতো। কিন্তু মেইনলি বিরাট একটা দাঁত নিয়ে কাকাবাবু মেতে উঠেছিলেন অন্য একটা অভিযানে। সন্তু এবারেরটায় খুব বিরাট একটা রোল প্লে করেছে। ফেলুদাতে ফেলুদা নিজেই খুব স্ট্রং হওয়ায় তোপসের রোলটা একটু কমই। এখানে সন্তুর কাজটা অনেকটা কাকাবাবুকে প্রাণেই বাঁচিয়েছে বলা যায়! স্কুলের ছুটিতে এমন অদ্ভুত আরেকটা এডভেঞ্চারে সন্তু আর কাকাবাবুর সঙ্গী হওয়া গেলো!
ইয়েতি সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। সেই বিষয়ে এখানে একটু ধারণা আছে। নেপাল দেখার আগ্রহ বেড়ে গেলো কয়েকগুণ।
কাকাবাবু পড়তে গেলেই মনে হয় অ্যাডভেঞ্চার আর ভ্রমণের জন্য বয়সের কোন সীমারেখা নেই আসলে। সে এভারেস্টই হোক বা সুন্দরবন কি মিশর! সাহস বাড়ে। মানুষ যে চাইলেই সব কিছু করতে পারে মনের জোরে তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ তো কাকাবাবুই। জীবনে কিছুই করলাম না টাইপ আফসোস আসতে গিয়েও পিছিয়ে যায়। যাই হোক চলছে পড়া আবার।
কাকাবাবু আর সন্তুর সাথে এভারেস্টে ওঠার মিশন আমারো খারাপ হয়নি। আগেও পড়েছি, আবার পড়লাম। সেই ছোট আমার যেমন থ্রিলিং, এক্সাইটিং লেগেছিলো বড় (বুড়ো) আমারো তাইই লাগলো।
ইদানীং একটু একটু করে কাকাবাবু পড়ছি, আগে খুব বেশি পড়িনি তবে রেশটুকু রয়ে গিয়েছিল বলে ঠিক করেছি সবগুলোই পড়ে ফেলবো। প্রতিবার পড়ি আর ভাবি, সন্তু যেন বইপড়ুয়াদের স্বপ্নের জীবন পেয়েছে!
এমনিতে এমন কাহিনী আর টানে না, যেইখানে মূল চরিত্রকে অমানবীয় ক্ষমতা দিয়ে দেয়া হয়। টুইস্টও ধরে ফেলি। তারপরও যখন একটা বই পড়তে পড়তে ঢাকাশহরে জ্যাম আর প্রচন্ড গরম ভুলে মনের চোখে এভারেস্ট দেখবেন, আর যাই হোক সেইটা আর অপছন্দ করা যায় না। তবে আমার মনে হয় যে, এই বইগুলি একটু বড় হলে বেশি জমে। চরিত্র নিয়ে বেশি বলবো না, মাত্র শুরুর দিকেই আছি - সামনে হয়ত বলা যেতে পারে, আগে শেষ করে নেই।
এই গল্প অবলম্বনে তৈরি সিনেমাটা দেখেছিলাম বহু আগে। তবুও পড়তে গিয়ে একদমই মনে হয়নি পুরোনো কিছু। সিনেমা দেখার পরেও, পড়তে গিয়ে নিজের মনে নতুন করে দৃশ্যগুলো সাজাতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে ভালো লাগার অনুভূতি।
বর্ণনার প্রশংসা করতেই হয়! একদম তৃপ্তি পেলাম যেনো লেখাটা পড়ে। লেখনশৈলীর জন্য খুব সহজেই পড়ে ফেলা গেলো।
কোনো একদিন কাকাবাবুর সাথে এই পথটা আরেকবার পাড়ি দেয়ার ইচ্ছা আছে। বাকিটা দেখা যাক।
বরফের রাজ্যে ইয়েতি নিয়ে অনেক গল্প আছে, কাকাবাবু সিরিজ এর এই গল্পে রোমাঞ্চকর কিছু ঘটনা খুব সুন্দর ভাবে বর্নিত হয়েছে। পরাশক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে বার বার বিপদের মুখোমুখি হয়েছেন,এক কথায় গল্পটি অসাধারণ।
Perhaps I'm grown up too much for this book. Storyline is predictable, a silly melodramatic endeavor by one of the greatest Bengali storyteller. Enough of this spy-foreign conspiracy tales played by a spicy south indian style gimp and the oversmart lad. Not just ubiquitous holes retain here, it's totally porous. I find no one by the height of Manikda, his wonderfully woven sleuth. This type of story is only swallowable for the under 13 kids. Completed the whole story in one sitting, after a huge pressure exam. Expected a reviving noir. mejaj kharap.
কোন কারণে কাকাবাবুর বইগুলো খুব একটা ভালো লাগে না, হয়ত ফেলুদা ব্যোমকেশ পড়ে স্ট্যান্ডার্ড অনেক উপরে উঠে গেসে। কাহিনী সেই একি, বিদেশি স্পাইরা বিভিন্ন "যন্ত্র" বসিয়েছে, বোধহয় কম্পিউটার। কাকাবাবু একাই একশ সব্বাই কে লেজে খেলালেন। গল্পের গভীরতার আরেকটু দরকার ছিল।
ইয়েতি বিষয়ে আমার জ্ঞান অনেক কম। কিছুই জানি না। ওরা পাহাড়ে থাকে। বরফের পাহাড়ে। হিমালয় বা তিব্বতের দিকে। মাঝে মাঝে বোধ হয় তিব্বত থেকে হিমালয়ের দিকে ছুটে আসে ওরা। তখন অনেক বিপদ ঘটে। ওরা মানুষ মারে। মেরে অদৃশ্য হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের ভয় করে। কেউ কেউ ভক্তিও।
কাকাবাবু স্থানীয় নন। তিনি ইয়েতি তে বিশ্বাস করেন না। তাই ভয় বা ভক্তির কোনোটাই তার মনে নেই। তবে তিনি মনে করেন ওরা রাক্ষস জাতীয় কোনো এক প্রকার প্রাণী। হয়তোবা মাঝে মাঝে বের হয়ে আসে। সরকারের জানা মতে তিনি সেই ইয়েতির খোঁজেই এতদূর তার ভাইপোকে নিয়ে আস্তানা গেড়েছেন।
কিন্তু কাকাবাবু বাস্তবিক তার খোঁজে আসেন নি। ইয়েতি নামক প্রাণীটির তিনটে দাঁতের খোঁজ পাওয়া যায় ইতিহাসে। কোয়েনিংসওয়াল্ড এর আবিষ্কৃত সেই তিনটি দাঁতের একটি মিউওজিয়াম, একটি তার বন্ধু মাইকেল শিপটন আর একটি চোরের হাতে গিয়েছিল শেষ পর্যন্ত। চুরির হাতে যেটা পড়েছিল সেটাই হাতে এসেছিল কাকাবাবুর।
মাইকেল শিপটনের হাত থেকে সেই দাঁত টি যায় তার দুঃসাহসিক পুত্র কেইন শিপটনের কাছে। যার কাছে সেটি ছিল সৌভাগ্যের প্রতীক। এই সৌভাগ্যের প্রতীক নিয়েই ত্রিশ - বত্রিশ বছর বয়েসে হিমালয়ে হারিয়ে যায় কেইন শিপটন।
সেই শিপটনই কাকাবাবুর লক্ষ্য। অল্প বয়স থেকেই বড়লোক হওয়ার শখের অধিকারী শিপটন হিমালয়ে আস্তানা গাড়ে গুপ্তচর হিসেবে। তৎকালীন চীন,ভারত আর রাশিয়া এই তিন দেশের মাঝখানে থাকে নেপালে।
মূল ঘটনা এটুকুই। তারপর কাকাবাবু,সন্তু আর বাকী সব মিলে তাকে ধরে ফেললো আর কী। তবে কাকাবাবু সিরিজের প্রকৃত ‘এডভেঞ্চার’ বোধ হয় এখান থেকেই শুরু।
এবারের অভিযানে সন্তু গেলো নেপাল, এভারেস্ট ক্যাম্পে কাকাবাবুর সাথে। সন্তুর সাথে সাথে এই ঈদের ছুটিতে বেরাতে এসে আরাম করতে করতে আমারো নেপাল ভ্রমণ হয়ে গেলো। এবয়সে এসে কৈশোর থ্রিলার পড়া তেমন যুৎসই হয় না। উদ্বেগ টা ঠিকঠাক হলেও কোনো গল্পের শেষটা তেমন পছন্দ হচ্ছেনা আমার। তবে পড়তে বেশ ভালো লাগছে। বইগুলো পড়ছি আর আফসোস করছি, কেনো কৈশোরে কাকাবাবু পড়লাম না! আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আমার সবসময়ই প্রিয় লেখক।
Such a thrilling ride this story was. Kept me at the edge of my seat from start to finish. Only complain is why are they are always so lucky that they always managed to get saved even when odds are stacked high up against them.
কাকাবাবু সিরিজের *ওয়ান অফ দা বেস্ট"। সন্তু কাকাবাবুর নেপালে ভ্রমণ নিয়ে লেখা এই গল্প। সবসময় প্রিয় হয়ে থাকবে। ধন্যবাদ লেখককে এরকম প্লট তৈরি করার জন্য। মিংমার মতো চরিত্রও হয়তো বেশি একটা দেখা যাবে না।
শেষ দিকটা দ্রুত শেষ করে ফেলা হয়েছে বলে মনে হল। অত বড় দাঁতটা কিসের, তা শেষে স্পষ্ট হলনা। ইয়েটির ঘটনা বানানো হলেও, দাঁত গুলো চায়নাতে পাওয়া যায়, কার্বনডেটিং করে বোঝা গিয়েছিল তা বেশ আগের এবং বিজ্ঞানীদের নিশ্চই জানা ছিল দাঁত গুলো আসল। ওগুলো ছিল কার?
তবে বাকী গল্পটা বেশ সুন্দর।
This entire review has been hidden because of spoilers.