What do you think?


এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে
* রহস্যের ঝাঁপি
* নুনের মতন ভালবাসা
* চিনি শুধু মিষ্টি নয়
* আগুন! আগুন!
* ফেলনা থেকে খেলনা
* আটকে গেল দম !
* ঘড়ি চলে টিক টিক
* সময় মাপার কাহিনী
* দুধ-ভাত খাওয়া ঘড়ি
* হাড় কাঁপানো শীতে
* ঠাণ্ডা লেগে কাবু
* মেঘে মেঘে টক্কর
* আয় বৃষ্টি ঝেঁপে
* টলমল পদভরে
* এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে
* নুনের মতন ভালবাসা
* চিনি শুধু মিষ্টি নয়
* আগুন! আগুন!
* ফেলনা থেকে খেলনা
* আটকে গেল দম !
* ঘড়ি চলে টিক টিক
* সময় মাপার কাহিনী
* দুধ-ভাত খাওয়া ঘড়ি
* হাড় কাঁপানো শীতে
* ঠাণ্ডা লেগে কাবু
* মেঘে মেঘে টক্কর
* আয় বৃষ্টি ঝেঁপে
* টলমল পদভরে
* এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে
- GenresScience
86 pages, Hardcover
About the author
Abdullah Al-Muti
34 books29 followersAbdullah Al Muti Sharfuddin (Bengali: আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন) was a Bangladeshi educationist and popular science writer. He gained Kalinga Award of UNESCO in 1969.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
April 11, 2022
গল্পে গল্পে বিজ্ঞানের বিভিন্ন মজার বিষয়বস্তু শেখানোর ওস্তাদ ছিলেন আব্দুল্লাহ আল-মুতী।
নুন,চিনি, প্লাস্টিক, আগুন, বাতাস, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, তাপমাত্রা, বিবর্তন, বজ্রপাত, বৃষ্টি, ভূমিকম্প - এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগ্রহ-উদ্দীপক গল্প বলেছেন এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে বইটিতে। শুধুমাত্র বিজ্ঞানের কথা কিন্তু না, আছে ইতিহাসের টুকরো টুকরো মজার গল্প, বিজ্ঞান না জানা মানুষদের হাজার বছরের পুরাতন বিশ্বাস ও সংস্কারের কথা।
ইতিহাস আর মানুষের বিশ্বাসের অংশটা বিজ্ঞানের থেকে কম মজার না। দুই-একটা উল্লেখ করি এখানে।
গ্রিক মিথোলজি অনুসারে ভূমিকম্পের কারণ কি জানেন? পৃথিবী রয়েছে হারকিউলিসের কাঁধের উপর, হারকিউলিস যখন এক কাঁধ থেকে আরেক কাঁধে পৃথিবী কে বদলি করে তখনই হয় ভূমিকম্প।
কলা গাছের উপর বজ্রপাত হলে সেই কলাগাছ খুঁড়লে তার নিচে সোনা পাওয়া যায়। এটা মনে হয় অলস বাঙালিদের বিশ্বাস ছিল! তারা কি একটুও মাটি খুঁড়ে সোনার খনি আবিষ্কারের প্রয়োজন মনে করেনি?
ইতিহাসের গল্পও উল্লেখ করেছেন কিছু জানার মতো। একটা বলছি-
আগের দিনে মিশর দেশে অবাধ্য গোলামদের শাস্তি হিসেবে তাদের লবণ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হতো। আলুনি খাবার খেয়ে ক কয়েকদিনের মধ্যেই লোকগুলো একেবারে নির্জীব হয়ে যেত। তারা আর মালিকের অবাধ্য হবার সাহস করতো না।
আচ্ছা লবণ না খেলে মানুষ নির্জীব হয়ে যায় কেন? শরীরে ইলেকট্রোলাইটের অভাব দেখা দেয়? ব্লাড প্রেশার কমে যায়?
এমন প্রশ্ন যখন মনে আসে তখন বিজ্ঞান বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং হয়ে ওঠে।
এখন রমযান মাস চলছে, সারাদিন রোজা রেখে ক্লান্তি নিয়ে ইফতারে যখন আমরা একগ্লাস ঠাণ্ডা গুড়ের শরবত খাই, তখন শরীরে একটা চাঙ্গা ভাব আসে না? নিমেষেই এনার্জি! আবার বেশি বেশি চিনি খেলে কিন্তু মানুষ মোটা হয়ে যায়, সবাই তো আর জানেনা যে 1 কেজি আলুতে যেখানে ক্যালরির পরিমাণ 900, সেখানে 1 কেজি চিনিতে ক্যালরির পরিমাণ 3900!
তবে এটা শুধু পুষ্টিবিজ্ঞানের বই না, কয়েক চিমটি রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, ভূগোল- সব মিহি করে মেশানো হয়েছে এখানে। ইতিহাস আর ফোকলোর তো আছেই। আর নওরোজ কিতাবিস্তানের ছাপানো এই বইটাতে আছে সুন্দর সুন্দর হাতে আঁকানো ছবি।
আমার রেটিং চার তারাও হতে পারতো, কিন্তু সুন্দর ছবিগুলোর জন্য শিল্পীকে বিশেষ করে একটা তারা বখশিশ দিচ্ছি। 😉
নুন,চিনি, প্লাস্টিক, আগুন, বাতাস, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, তাপমাত্রা, বিবর্তন, বজ্রপাত, বৃষ্টি, ভূমিকম্প - এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগ্রহ-উদ্দীপক গল্প বলেছেন এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে বইটিতে। শুধুমাত্র বিজ্ঞানের কথা কিন্তু না, আছে ইতিহাসের টুকরো টুকরো মজার গল্প, বিজ্ঞান না জানা মানুষদের হাজার বছরের পুরাতন বিশ্বাস ও সংস্কারের কথা।
ইতিহাস আর মানুষের বিশ্বাসের অংশটা বিজ্ঞানের থেকে কম মজার না। দুই-একটা উল্লেখ করি এখানে।
গ্রিক মিথোলজি অনুসারে ভূমিকম্পের কারণ কি জানেন? পৃথিবী রয়েছে হারকিউলিসের কাঁধের উপর, হারকিউলিস যখন এক কাঁধ থেকে আরেক কাঁধে পৃথিবী কে বদলি করে তখনই হয় ভূমিকম্প।
কলা গাছের উপর বজ্রপাত হলে সেই কলাগাছ খুঁড়লে তার নিচে সোনা পাওয়া যায়। এটা মনে হয় অলস বাঙালিদের বিশ্বাস ছিল! তারা কি একটুও মাটি খুঁড়ে সোনার খনি আবিষ্কারের প্রয়োজন মনে করেনি?
ইতিহাসের গল্পও উল্লেখ করেছেন কিছু জানার মতো। একটা বলছি-
আগের দিনে মিশর দেশে অবাধ্য গোলামদের শাস্তি হিসেবে তাদের লবণ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হতো। আলুনি খাবার খেয়ে ক কয়েকদিনের মধ্যেই লোকগুলো একেবারে নির্জীব হয়ে যেত। তারা আর মালিকের অবাধ্য হবার সাহস করতো না।
আচ্ছা লবণ না খেলে মানুষ নির্জীব হয়ে যায় কেন? শরীরে ইলেকট্রোলাইটের অভাব দেখা দেয়? ব্লাড প্রেশার কমে যায়?
এমন প্রশ্ন যখন মনে আসে তখন বিজ্ঞান বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং হয়ে ওঠে।
এখন রমযান মাস চলছে, সারাদিন রোজা রেখে ক্লান্তি নিয়ে ইফতারে যখন আমরা একগ্লাস ঠাণ্ডা গুড়ের শরবত খাই, তখন শরীরে একটা চাঙ্গা ভাব আসে না? নিমেষেই এনার্জি! আবার বেশি বেশি চিনি খেলে কিন্তু মানুষ মোটা হয়ে যায়, সবাই তো আর জানেনা যে 1 কেজি আলুতে যেখানে ক্যালরির পরিমাণ 900, সেখানে 1 কেজি চিনিতে ক্যালরির পরিমাণ 3900!
তবে এটা শুধু পুষ্টিবিজ্ঞানের বই না, কয়েক চিমটি রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, ভূগোল- সব মিহি করে মেশানো হয়েছে এখানে। ইতিহাস আর ফোকলোর তো আছেই। আর নওরোজ কিতাবিস্তানের ছাপানো এই বইটাতে আছে সুন্দর সুন্দর হাতে আঁকানো ছবি।
আমার রেটিং চার তারাও হতে পারতো, কিন্তু সুন্দর ছবিগুলোর জন্য শিল্পীকে বিশেষ করে একটা তারা বখশিশ দিচ্ছি। 😉
March 1, 2020
এই বইটি সবার পড়া উচিৎ। আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া অনেক ব্যাপার যা আমরা দেখেও দেখিনা বা আমরা সব সময় ব্যবহার করি এমন অনেক জিনিস নিয়ে বইটি লেখা হয়েছে। যেমন: আগুন, পানি, লবন, চিনি। আমি নিশ্চিত এই বইয়ে এগুলো সম্পর্কে যা আছে সব আপনি জানেন না। আমি পড়ে অবাক হয়েছি আগুন, পানি , লবনের কাহিনী। মাধ্যমিক পর্যায়ে যারা পড়ছে তাদের হাতে এই বইটি তুলে দিলে বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা বাড়বে এবং অনেক অজানাকে জানতে পারবে।
January 10, 2022
বইটা শেষ করার পর যখন দেখলাম, ১৯৫৫ সালে এই বই প্রকাশিত হয়েছিলো, তখনই মাথা ঘুরে যাবার মত ব্যাপার হলো! সেই সময়ও বইটা ছোটদের বিজ্ঞানে আগ্রহী করার জন্য যতখানি প্রাসঙ্গিক, আজকেও ঠিক তাই। ছোটদের জন্য এত সুন্দর করে লেখা বিজ্ঞানের বই বোধহয় বাংলা ভাষায় আর নেই।
হয়ত বইটা ছোটবেলায় পড়লে আরও অনেক বেশি আনন্দ পেতাম, কিন্তু এখনও যে কম পেয়েছি এমন নয়। ভালো বই যে সবসময়েই ভালো লাগে, তার একটা অন্যতম উদাহরণ এই বইটি!
হয়ত বইটা ছোটবেলায় পড়লে আরও অনেক বেশি আনন্দ পেতাম, কিন্তু এখনও যে কম পেয়েছি এমন নয়। ভালো বই যে সবসময়েই ভালো লাগে, তার একটা অন্যতম উদাহরণ এই বইটি!
December 30, 2023
এই বইটি সয়াহক পাঠ্য হিসেবে স্কুলের ছোট ক্লাসগুলোতে থাকলে খুব ভালো হয়। কাজের জিনিস তেমন কিছু লেখা নেই, উদাহরণস্বরূপ লবণ নিয়ে যে অধ্যায় আছে, তাতে শুধুই NaCl নিয়ে বলা আছে, প্রকৃতিতে আরো যে নানান রকমের লবণ আছে, যা আমাদের শরীরের জন্য একান্ত অপরিহার্য্য, যা নাকি শাক - সব্জি, নারকেল, কমলা, বীট প্রভৃতি ফলমুলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে মেলে, যা নাকি ক্র্যাম্প সারায়, আবার এয়ার কন্ডিশন ঘরে, আলো বাতাসহীন কক্ষে বেশিদিন কাটালে নির্দিষ্ট লবণের ঘাটতি দেখা দিয়ে হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়, সেসব কথা লেখক তাঁর সাবলীল লেখনীর সাহায্যে ছোট ছোট মস্তিষ্কে অনায়াসে পৌঁছে দিতে পারতেন। কিন্তু লেখক জোর দিয়েছেন ছেলেদের উদ্ভাবনী শক্তিকে উৎসাহ জোগাতে। আর এতে তিনি শুধু সফলই হন নি, বড়দেরও তিনি এক রূপকথার রাজ্যে নিয়ে যেতে পেরেছেন। লেখক তাই প্রণামস্য।।
July 31, 2023
ষষ্ঠ শ্রেণিতে আবদুল্লাহ আল-মুতীর একটা লেখা ছিল, নাম মনে নেই এখন আর। এটুকু মনে আছে যে সেই লেখাটা যথেষ্ট আকর্ষণীয় ছিল। সেই রেশ পেয়েছি এই বইয়েও। নীলক্ষেতে মাত্র ২০ টাকায় এত সুন্দর একটা বই পেয়ে যাব ভাবিনি। শুধু কন্টেন্টই না, ছবিগুলোও এত সুন্দর! এমন ছবিঅলা কাজ শুধু রাশান কিছু বইয়ে দেখেছিলাম।
সহজবোধ্য ভাষায় লবণ, চিনি, আগুন, ঘড়ি, বৃষ্টি-বজ্রপাত এসব খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। ১৯৫৫ সালে প্রথম প্রকাশ। এত আগে এমন একটা বই সময়ের তুলনায় এগিয়ে থাকারই ইঙ্গিত দেয়।
সহজবোধ্য ভাষায় লবণ, চিনি, আগুন, ঘড়ি, বৃষ্টি-বজ্রপাত এসব খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। ১৯৫৫ সালে প্রথম প্রকাশ। এত আগে এমন একটা বই সময়ের তুলনায় এগিয়ে থাকারই ইঙ্গিত দেয়।
August 8, 2024
আমার মতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওঁনার গ্রন্থগুলো পড়তে দেওয়া উচিত। তারা যাতে বিজ্ঞানকে ভালো ভাবে যানতে পারে।
শুধু বিজ্ঞান কেন আর অনেক বিষয় ধারনা দেওয়া দরকার যেমনঃ দর্শনশাস্ত্র, ইতিহাস, অর্থনীতি ... ... ... ইত্যাদি।
বিভিন্ন ব্যক্তির জীবনী অ তাদের কাজের সম্পর্কে পড়তে দেওয়া উচিত।
শুধু বিজ্ঞান কেন আর অনেক বিষয় ধারনা দেওয়া দরকার যেমনঃ দর্শনশাস্ত্র, ইতিহাস, অর্থনীতি ... ... ... ইত্যাদি।
বিভিন্ন ব্যক্তির জীবনী অ তাদের কাজের সম্পর্কে পড়তে দেওয়া উচিত।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews







