Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #244

চক্ষে আমার তৃষ্ণা

Rate this book
চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো, তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।
আমি বৃষ্টি বিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে
ঝড় উঠছে তপ্ত হাওয়ায় মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়-
অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে
যে ফুল কানন করত আলো
কালো হয়ে সে শুকালো।
ঝরনারে কে দিল বাধা-নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা
দুঃখের শিখরচূড়ে।

95 pages, Hardcover

First published February 1, 2009

64 people are currently reading
1283 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

450 books2,950 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
155 (18%)
4 stars
261 (30%)
3 stars
302 (35%)
2 stars
88 (10%)
1 star
38 (4%)
Displaying 1 - 30 of 60 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,123 reviews1,108 followers
December 23, 2020
প্রথমেই বলে রাখি, প্রচ্ছদের হলুদ রংয়ের দারুণ প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। এবার মূল কথায় আসি ।সত্যি বলতে মানুষ এক আশ্চর্য সৃষ্টি পরম করুণাময় স্রষ্টার, এই সৃষ্টির মধ্যে কিছু কিছু মানুষের দুনিয়ায় আগমন ঘটে নয়ন ভরা তৃষ্ণা নিয়ে।সে এক আশ্চর্য রহস্যময়ী সত্ত্বা তার চোখ ভরা রহস্য,রূপ ভরা মায়া, যেন মায়ার জাদুতে সব কিছুকে মোহিত করে ফেলবে।

তেমনি এক সত্ত্বা,এক তরুণী,নাম তরু।পুরো নাম শামসুন নাহার।এই মেয়েটি আর দশটা মেয়ের মত না, তার চোখ মুখে যেন এক সোনালী আভা খেলা করে, সব কিছু আলাদা দৃষ্টিকোণ দিয়ে সে বিচার করে। এই মেয়েটির জগৎ তার বাবা কে নিয়ে, সাথে ওসমান সাহেব, সনজু,শাহেদ খান, আনিস এবং আরো কিছু মানুষ।তরু প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের সম্পর্ক খোঁজে, তাদের পেছনের কথা জানতে চায়, তার জীবনে কে কেন এবং কিভাবে জড়িয়ে আছে সেই রহস্য গুলো সে খুঁজে বের করতে চায় চোখ ভরা তৃষ্ণা নিয়ে, এমন কিছু হয়তো ভেবে ফেলে যা কিনা কেউ কখনো ভাবতে পারেনা।শেষ পর্যন্ত এই তরুর কি হয় যার চোখ থেকে রহস্য নিভে ভালোবাসার অমূল্য এক তৃষ্ণায় ছেয়ে যায়?

স্যারের শেষটা ছিল দারুণ। " আমি কিছুই জিজ্ঞেস করি নি। যে তরু প্রশ্ন করতো,সে নেই। আমি অন্য তরু। ভালোবাসায় ডুবে থাকার তৃষ্ণা। ডুব দিতে হয় চোখ বন্ধ করে। আমি চোখ বন্ধ করেছি।"
Profile Image for Rifat.
502 reviews329 followers
March 14, 2022
উপন্যাসের নায়িকা তরু, তাদের বাসার ছাদের ঘরে থাকা ওসমান চাচা ডাকেন মিস ট্রি। নাকি মিস্ট্রি?? কে জানে🙄 চাচা জানেন। মিস ট্রি এর মা মারা যায় ছোট বেলায়, পরে ওর বাবা খালেক সাহেব তার বড় শ্যালিকাকে বিয়ে করেন এবং এই ভদ্রমহিলাও ইনার বোনের মতো একই ভাবে দুনিয়া ত্যাগ করেন। তরুদের বাসায় একটা ভাড়াটে পরিবার আছে- কিশোর সঞ্জু, তার আপা আর দুলাভাই। এই হল তরুর বাসার হালহকিকত।

বিনা কাহিনীর উপন্যাস। মিস ট্রি একটি উপন্যাস লিখা শুরু করেছিল এই গল্পে এবং ওসমান চাচা তার খানিকটা পড়ে বলেছিল মাঝিহীন নৌকা অর্থাৎ প্লটলেস। হুমায়ূন আহমেদের এই চক্ষে আমার তৃষ্ণা বইটাও তার আর সকল ভয়ংকর রকমের সুন্দরী নায়িকাদের নিয়ে লিখিত উপন্যাসের মতো প্লটলেস🐸




এসব বই রেটিং করা আসলে মুডের উপর নির্ভর করে। দেখবেন বিকালে পড়ে প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হয়েছে আবার দুই তিনদিন পরে এই বই পড়েই আপনি হাসছেন। দুইটা জ্বলজ্বল করা তারা।

~১৪ মার্চ, ২০২২
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
263 reviews76 followers
December 8, 2023
৩.৭৫/৫

শেষটা সুন্দর হয়েছে। এক বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুহলী তরুণীর নারী হওয়ার গল্প এটি। সব মানুষের জীবনে কিছু কঠিন সত্য থাকে, যে সত্যর মুখোমুখি হতে সে নিজেই সব সময় ভয় পায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা আমাদের খুব কাছের মানুষের সেইসব কঠিন সত্য জানতে পারি না, যখনই জানতে পারি, তখনই আমাদের যন্ত্রণা হয়। সে যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন।
এর সমাধান কী? কাছের মানুষদের জীবনের কঠিন সত্যকে খুঁটে খুঁটে বের না করা অথবা বের করলেও ভুলে যাওয়া।

বইয়ের ভালো লাগা লাইন:
জ্ঞানী মানুষ সবারই শিক্ষক।
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books326 followers
February 5, 2015

"আমি কিছুই জিজ্ঞেস করি নি। যে তরু প্রশ্ন করতো সে নেই। আমি অন্য তরু। আমার চক্ষে তৃষ্ণা। ভালোবাসায় ডুবে থাকার তৃষ্ণা। ডুব দিতে হয় চোখ বন্ধ করে। আমি চোখ বন্ধ করেছি।"

আচমকা দৈবাৎ হিরে খুঁজে পাবার মতো ভাবেই খুঁজে পেয়েছি "চক্ষে আমার তৃষ্ণা" বইটা। বিদেশে যেখানে বাংলা বইয়ের দেখা পাওয়াই অন্যতম আশ্চর্য ব্যাপার সেখানে এই বই আমার হাতে এসেছে হুট করেই। বন্ধুর বাসায় বেড়াতে এসে আবিষ্কার করেছি, তবে তাৎক্ষনিক পড়তে বসতে পারিনি। কেননা তার আগে "শুধুই গল্প দ্বিতীয় সংকলন" বইটা পড়ে শেষ করা জরুরি ছিল।

অগত্যা আজ সকালেই হাতে নিলাম এই বই। বইটি হুমায়ূন আহমেদের এবং বলাই বাহুল্য যে লেখকের হিমু সিরিজের বাইরে গিয়ে আমি অধিকাংশ উপন্যাসই পড়িনি, হু কিছু পরেছি যেমন এই শুভ্র এই, আজ আমি কথাও যাবো না, দেবী, কে কথা কয়, কবি, লীলাবতী, স্বনির্বাচিত উপন্যাস সংকলন, এই ধরণের কিছু বই। তবে সব মিলিয়ে তার কাজের দশ ভাগের দুই ভাগও পরেছি কিনা সন্দেহ। এর পেছনে একটা কারণ প্রবল, কেননা হুমায়ূন আহমেদের লেখা ভালো হলেও ওনার অধিকাংশ গল্পের একটি অসমাপ্ত পরিণতি রেখে দেবার বিষয়টা ব্যক্তিগত ভাবে আমার অত্যান্ত অপছন্দের। ব্যাপারটা হিমু সিরিজে মেনে নেওয়া যায় কিছুটা, কারণ সেটা একটা সিরিজ এবং সরাসরি ধারাবাহিকতা না থাকলেও কেবল চরিত্রগুলোকে ফিরে পাবার লোভে অনেকিছুই মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু একক উপন্যাসে এই বিষয় আমার চূড়ান্ত অপছন্দের, আমি উপন্যাস পড়ি কাহিনীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জানার জন্য, নানাবিধ পরিণতির আবরণে আপাদমস্তক জড়িয়ে ঝুলে থাকার জন্য নয়।

যাই হোক, এই বইয়ের কথায় আসি। বইটি স্বভাবতই গতানুগতিক হুমায়ূন ধারার উপন্যাস। এবং ওনার শেষ দিকের উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি। সুতরাং গল্পের প্লটে বরাবর একটা উড়নচণ্ডী ভাব লক্ষণীয়। তবে গল্পের চরিত্রগুলো অত্যান্ত প্রাঞ্জল। গল্পটি এগিয়ে চলেছে একটি বিচক্ষন কিন্তু পাগলাটে মেয়ে কে কেন্দ্র করে। তার চারপাশের মানুষগুলোকে প্রাথমিকভাবে সাদাসিধে মনে হলেও তারা হয়তো আদতে তা নয়। তাছাড়াও যেহেতু মেয়েটা বেপরোয়া, পাগলাটে তাই তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েও স্বাভাবিকভাবেই অন্য চরিত্র গুলোও কদাচিৎ নিজেদের খোলসের বাইরে যেতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।

এভাবেই গড়িয়ে চলে কাহিনী, খোলামেলা খাপছাড়া, সাদামাটা মানুষের জীবনকে ঢেকে রাখা দুঃসহ সমস্যাগুলো অনেক সময় তাদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। মানুষ মন্দ জেনেও সেই কাজ বহুবার করে, ভালো জেনেও কিছু কিছু কাজ করতে একবারে সাহস করে উঠতে পারেনা। আর সব কিছু জেনে বুঝেও চুপচাপ দেখে যাওয়াটাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়মের মধ্যে পড়ে।

তরুর বহুমাত্রিক চরিত্রের মধ্যে দিয়ে লেখক অনেক সমস্যাকেই সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন, সেসবের কখনো সমাধান হয়েছে, কখনওবা হয়নি। কিন্তু সেসব নীরবে পাঠকের স্বত্বাকে ছুঁয়ে যাবার জন্য যথেষ্ট।

গল্পটি আমার যথেষ্ট ভালো লেগেছে, তাছাড়া এই গল্পে পরিপূর্ণ সমাপ্তি নেই বললেও কিছুটা ভুলই বলা হবে, গল্পটি যেখানে সমাপ্ত হয়েছে সেটাই যৌক্তিক, কারণ লেবু বেশি কচলান ভালো নয়, আমরা সবাই সেটা জানি, কিন্তু মানতে পারিনা। লেখকে বিষয়টা মাথায় রেখেছেন, এবং একটা যথার্থ সমাপ্তি টেনেছেন।

রেটিং ৫/৫, দারুণ বই। :)
Profile Image for Zubayer.
85 reviews3 followers
September 8, 2025
লিখতে হবে বলে লেখা উপন্যাস।
Profile Image for পটের দুধের কমরেড.
212 reviews25 followers
March 14, 2022
' আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন
সন্তাপে প্রাণ যায়, যায় যে পুড়ে
চক্ষে আমার তৃষ্ণা '

গল্পের চরিত্রের বেশি ভীড় নেই৷ দোতালা বাড়ির ভাড়াটে জামান সাহেব আর নীলার সাথে তার ভাই সনজু থাকে৷ ছাদের উপর চিলেকোঠায় থাকেন পঙ্গু ওসমান সাহেব৷ তরুর মা নেই৷ বিয়ের দুই বছরের মাথায় প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তরুর বাবা আবদুল খালেক দ্বিতীয় বিয়ের করেন৷ তরুর জন্মের এক বছরের মাথায় উনিও মারা যান৷ ওসমান সাহেবের সাথে পরামর্শ করে তরু উপন্যাস লিখতে থাকে৷ ওসমান সাহেব নিজেও সৌখিন মানুষ৷ তবে ওসমান সাহেব আর তরুর গাঢ় সম্পর্কের ব্যাপারে সূক্ষ্ম কুয়াশাবৃত মনস্তাত্ত্বিক একটা রেখা দেখা যায়৷ অন্যদিকে সনজুর দুলাভাই অকারণে তাকে মারধর করে৷ আবার সনজুর বোনকেও অযথাই নির্যাতনের শিকার হতে হয়৷ সনজু অপেক্ষা করতে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার৷ উপন্যাসে পর্যায়ক্রমে আরো কিছু চরিত্রের আগমন হয়৷ তবুও এই কয়েকজন চরিত্রের দিনরাত্রির হিসাবেই গল্প এগোতে থাকে৷

তৃষ্ণা কি মিটলো? নাহ৷ বইটা আমার কাছে 'দাঁড়কাকের সংসার কিংবা মাঝে মাঝে তব দেখা পাই' এবং ' অপরাহ্ন ' এর মতই বিশেষত্বহীন মনে হয়েছে৷ অসংখ্য ভালো বইয়ের মাঝে দৈনন্দিন জীবনের গল্প নিয়ে লেখকের সাধারণ একটা বই৷ কিছু জায়গায় গল্পের সরলরৈখিকতায় বিরক্তিকর লেগেছিল৷ তবুও হয়ত হুমায়ূন আহমেদের প্রাঞ্জল ও সরল লেখার জন্যই পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উল্টিয়ে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পৌঁছে যাবেন৷ তবে কঠিন হুমায়ূনপ্রেমীদের হয়ত নিজস্ব অন্তর্দৃষ্টিয় বিশ্লেষণের জন্য বইটা ভালো লাগতেও পারে! পড়ে দেখতে পারেন৷
Profile Image for momo ✉️.
35 reviews52 followers
Read
June 10, 2023
আমি শপথ করেতেছি যে হলদে প্রচ্ছদ দেখিয়া এবং হুমায়ূন আহমেদের বই ভাবিয়া আর কোনো বই কিনিব না। কিনিব না‌।
Profile Image for Maria Rahman.
108 reviews28 followers
June 11, 2019
প্রথমে পুরা হুমায়ূন আহমেদ চিরাচরিত নিয়মে চলা বইয়ের মতো লাগছিল এবং ভাবছিলাম এই বইয়ের কাহিনীর কোন সমাপ্তি না করেই বই হঠাৎ করেই শেষ হয়ে যাবে।
কিন্তু না..... কিছু প্রশ্ন রেখে বইটি ঠিক যে জায়গায় শেষ হয়েছে এর থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে না।
সবকিছুতেই প্রশ্ন, প্রশ্নের পর প্রশ্ন, কথার খেলা পছন্দ করা তরুর চরিত্রের এই বৈশিষ্ট্য গুলো ভালো লেগেছে কিন্তু সবারই মনে হয় একটা সময়ে কিছু বৈশিষ্ট্য বাদ দিতে হয়। 😔
বর হিসেবে আনিস চরিত্রটা কিন্তু খারাপ না, পছন্দ হয়েছে 😍
৫/৫ ই দিতাম কিন্তু ১ কাটার কারন আছে। কারন বললে স্পয়লার দিয়া হবে তাই বললাম না.... 😂
Profile Image for Sazzad Hossen.
103 reviews6 followers
April 1, 2023
i don't know which the real genre in this book but it was nice to read and also boring :/
Profile Image for Tiyas.
473 reviews137 followers
May 27, 2022
উদ্ভট চরিত্র, উদ্ভট উপন্যাস। কাহিনী বিহীন কাহিনী। কিছুটা স্ট্রিম অব কনশিয়াসনেস কিছুটা নিখাদ পাগলামো। তরুর কীর্তিকলাপ পড়ে কখনো হাসি পায়, কখনো বিরক্তি। নামকরণে সার্থকতা সেরকম না থাকলেও, 'চক্ষে আমার তৃষ্ণা' গানটি আমার বেজায় প্রিয়।

কেবল মাত্র, হুমায়ূন আহমেদের প্রাঞ্জল লেখনীর জন্যেই বইটা একবার পড়া যায়।
May 28, 2022
ট্রেনে আসছিলাম টাংগাইল থেকে রাজশাহী।দীর্ঘ পথ তারউপর একা!!কী করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না, ফোন টা হাতে নিলাম তারপরে মনে হলো অনেক দিন কোন উপন্যাস পড়া হয় না।তাই আমি স্বল্প আকৃতির একটা উপন্যাস খুঁজছিলাম আর অবশেষে খুঁজে পেলাম।উপন্যাসটির নাম,চক্ষে আমার তৃষ্ণা।
বইটি পড়ে খারাপ লাগে নি,একটি তরুণী নাম তরু মূলত তাকে ঘিরে উপন্যাস। তরু কে ঘিরে সৃষ্টি হয়ছে অন্য অন্য চরিত্র গুলো।
তরুর মা নেই, তার বাবা এবং কিছু ভাড়াটিয়া নিয়ে দোতালা বিশিষ্ট একটি বাসায় তার বসবাস। তার ছেলেমানুষী কাজগুলো পাঠক কে হাসাবে আবার তার সিরিয়াস কথপোকথন,চিন্তা-ভাবনা পাঠক কে বাধ্য করবে ভাবতে তার আশেপাশের মানুষদের নিয়ে নতুন করে ভাবতে।তাদের বাসায় ওসমান নামের এক ভদ্রলোক ভাড়া থাকে যাকে তরু চাচা বলে ডাকে।আমার কাছে তরুর পর এই চরিত্র টি রহস্যময় আর বলিষ্ঠ মনে হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের অন্য উপন্যাসের মত এটি পাঠক পড়ে মজা পাবেন বলে আশা করি।তাই যারা পড়তে ইচ্ছুক তারা পড়ে দেখতে পারেন,আশা করি খারাপ লাগবে না।যখন উপন্যাসের দ্বারপ্রান্তে আসবেন তখন শুধু মনে হবে শেষ হয়েও হইলো না তো শেষ। 😌😌
Profile Image for Sababa.
412 reviews55 followers
February 23, 2014
It had a very promising start. But then it's ending was not what I was expecting. I still have questions. Why did she start asking questions? Why did she stop? Did her father know she was not his daughter? Did he really kill her mother? I know it's Humayun Ahmed's writing style to keep things unanswered, but the ending was unsatisfactory.
Profile Image for Wahid Neel.
7 reviews4 followers
March 4, 2018
গল্পটা অনেক মজাদার, কাহিনীগুলা হাস্যকর, চিন্তাতীত এজন্য অনেক ভালো লেগেছে। স্যারের গল্প মানেই এমন কিছু। মা মরা একটি মেয়ে তরু। তার বাবা মেয়েকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। ব্যবসা���়ী বাবা, তার ব্যবসায়ের সকল কিছুতে মেয়ের নাম দিয়ে রেখেছেন। তরুও হুমায়ূন স্যারের আর একটি অদ্ভুত ক্যারেক্টার। তবে গল্পটি অনেক মজাদার।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
358 reviews45 followers
August 18, 2025
আমি এই বইটা এর পূর্বে কয়েকবার পড়া শুরু করেও, কিছুদূর গিয়ে থামিয়ে দিতাম পড়া। কেন জানি ভাল্লাগতো না পড়তে। অনিচ্ছা নিয়ে বেশিক্ষণ বই পড়া যায় না, এটলিস্ট আমি পারি না।

অবশেষে... অবশেষে আজ সবব বাঁধা অতিক্রম করে পড়ে শেষ নামালাম অনেক সুন্দর নামের একটা গরুর গোবর, যার নাম চক্ষে আমার তৃষ্ণা।

এর পূর্বের রিভিউতে লিখেছিলাম, নেভার জাজ আ বুক বাই ইটস নেম, আর জীবনের কী আইরনী, নেক্সট যে বইটা পড়লাম সেটাও আমায় সেম জিনিসই আবার মনে করায় দিল যে, নেভার, এভার এন্ড এভার জাজ আ বুক বাই ইটস নেমমমমমমমম। নাম, প্রচ্ছদ যতই সুন্দর হোক না কেন, কোন গ্যারান্টি নাই যে বস্তুটা কাঁচা গোবর হবে না।

সম্পূর্ণ প্লটহীন তালগোল পাকানো এক গল্পের জন্য এত সুন্দর একটা নাম লেখক কেন রাখলেন এটা তদন্ত করা উচিত। ইসস উনি বেঁচে থাকলে ফোন করে জিগ্যেস করার চেষ্টা করতাম। উনি হয়ত রাগ করে, স্টুপিড ফোন রাখ বলে ফোন কেটে দিতেন, তাতে কী? প্রিয় লেখক আমার, একটু বকা না হয় শুনতামই।


অনেক আগে একটা বই বিভাগীয় বইমেলা থেকে কিনছিলাম। অসম্ভব সুন্দর একটা নাম বইটার, "দাঁড়কাকের সংসার কিংবা মাঝে মাঝে তব দেখা পাই"। এরপর, বিশ্বাস করেন রাষেল ভাই, এই বই পড়ে এতত এতত ট্রিগার খাইছিলাম আমি মন চাচ্ছিল বইটা ছিঁড়ে কুটি কুটি করে বাথরুমে নিয়ে ফ্লাশ করে দি। কারণ এর উত্তম জায়গা ওখানেই। ইচড়ে পাকা এক মেয়ের গল্প লিখেছেন লেখক এই উপন্যাসে যে তার বাবার বয়সী একজনকে ম্যানিপুলেট করে বিয়ে করে আর সেই বিয়েতে হুমায়ূন আহমেদ নিজে আবার কেমিয়ো দিয়েছেন 😩।

এই বইটা পড়তে গিয়ে বারবারই ওই উপন্যাসের কথা মনে আসছিল। গল্পের প্রোটাগনিস্ট তরু। আরেকটা ইঁচড়েপাকা মেয়ে। তবে গল্পের শুরুতে সে তার বাবার হাতে ধরা পড়েছে বিদেশি সিগারেট সহ। গল্পের শুরুতে তরুর বাবা বিশিষ্ট ভদ্রলোক আব্দুল খালেক বিচার বসিয়েছেন। রেগে গেলে উল্টাপাল্টা ইংলিশ বলেন। কিন্তু তরু বাবার দুর্বলতা জানে। তাদের বাসায় ভাড়া থাকা ওসমান চাচা। এই ভদ্রলোককে তার বাবা অনেক সমীহ করে চলেন। ফেরেশতা টাইপের সমীহ যাকে বলে। তরু সেই চাচার ওসিলা দিয়ে বেঁচে যায় সিগারেটের অভিযোগ থেকে, পড়ে সে অবশ্য সিগারেট খাওয়ার পারমিশন ও পেয়ে যায় তার বাবার থেকে মানে WTF -,-

ওসমান চাচা, বয়স পঞ্চাশের। তার বিবাহিত স্ত্রী তার সাথে থাকে না, সে আলাদা থাকে। কেন থাকে কি কারণ তা লেখে নাই লেখক। এই বৃদ্ধকে একবার তরু ফ্লার্ট করে, আবার গল্পের শেষে এই বৃদ্ধকেই আবার নিজের বাবা হওয়ার কথা ভেবে সন্দেহ করে। ওসমান চাচা আবার তরুর সাথে বৃদ্ধদের অনেক সিক্রেট ডিজায়ার ও অনেক কমফোর্টেবল ভাবে সেয়ার করেন। ভাই ট্রাস্ট মি, এই বই আমার চূড়ান্ত পর্যায়ের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছিল।

তরু একটা গল্প লিখবে। সে লেখা শুরু করছে। যা ইচ্ছা তাই। তাকে ওসমান চাচা প্লট প্রোভাইড করে সাহায্য করতেছেন। এর মধ্যে হঠাৎ তার বিয়ের প্রস্তাব হয়। ছেলের নাম আনিস।

ছেলের সাথে সে বানায় বানায় এমন সব অশ্লীল কথা বলছে আর গেস ওয়াট ছেলেকে একবার রিজেক্ট করার পরও, হুট করে একদিন যখন বললো আজই বিয়ে হবে, কাজী অফিসে, আনিস অমনি রাজী হয়ে গেছে। মানে হুমায়ূন আহমেদ ভাবতেন দুনিয়া হয়ত সুন্দরী মেয়েদের চারপাশে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। তাদের পাগলামো তে সবাই সায় দিবে আবার তারা অন্য দের লেজে দড়ি বেঁধে নাচাতেও পারবে।

ভাই এসব বই পড়ে মনে হবে, বইয়ের পিছে যে টাকা খরচ হল, ওই টাকা দিয়ে যদি বি ষ কিনেও খেতাম সেটা worth it বেশি হতো। আহহহহহহহ ফাস্ট্রেশনের লাস্ট স্টেজে আছি।

হুমায়ূন আহমেদ কেন যে কুয়ালিটির চাইতে কোয়ান্টিটিতে বেশি ফোকাস করছিলেন এই প্রশ্ন আমার মনে সবসময়ই থেকে যাবে। বিগেস্ট ডাউনফল অফ আ স্টার।

আমার সময়টা খারাপ যাচ্ছে খুব! ব্যাক টু ব্যাক দুইটা বই পড়লাম দুটোই চূড়ান্ত পর্যায়ের অখাদ্য। আহারে, নিজের জন্য নিজের মনেই করুণা হচ্ছে।

এনিওয়ে, মুড চরম খারাপ, এখন আগুম গরম এক কাপ চিনি ছাড়া কফি খেয়ে পড়তে বসব, নেক্সট মান্থ ইনকোর্স এক্সাম আমার।
Profile Image for Abid.
137 reviews23 followers
August 27, 2025
এ বইয়ের প্রোটাগনিস্ট নায়িকা চরিত্রটা খুবই কমন এবং পরিচিত। সম্পন্ন পরিবারের আদুরী এবং বুদ্ধিমতী মেয়ে, যে কিনা প্রায় টিপিক্যাল হুমায়ূনীয় উল্টাপাল্টা এবং হুটহাট কথা বলে চমক লাগিয়ে দিতে ওস্তাদ। এই নায়িকাও তাই করে.. বইয়ের শুরুটাও সাদামাটা। কিন্তু এখানে এক 'পঙ্গু চাচা'র প্রেজেন্স বইটাকে কিছুটা আকর্ষণীয় করে তোলে। বইয়ের মাঝ অংশ থেকে একটা সাসপেনশন গড়ে ওঠে। এই ব্যাপার গুলো বইটাকে মোটামুটি উপভোগ্য করে তুলছে। সবমিলিয়ে, আমার পড়তে ভালোই লেগেছে।
Profile Image for Benozir Ahmed.
203 reviews88 followers
July 4, 2023
গল্পটা পড়ে মেজাজ খারাপ হল বেশ।

ছোট গল্পের সংজ্ঞার সার্থকতা পূরণ করতে গিয়ে মূল গল্পের আশু ঘটনা গুলোকে আকস্মিক ভাবে গলা টিপে হত্যা করার ব্যপারটি মেনে নিতে পারছিলাম না। ভাল ভাবেই কাহিনীর বুনুনি এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু লেখককে বোধ হয় আলস্য পেয়ে বসেছিল তাই আর গল্পটা শেষ করতে ইচ্ছা করেননি।
Profile Image for Kamrul islam Arafat .
45 reviews
January 10, 2024
বই নিয়ে বসে দেখি প্লট চেনা চেনা লাগে,
পরে বুঝলাম এটা আসলে আগেই অডিও বুক শুনেছি।।
পরে বই কেনা হয়েছে। মোটামুটি ধরনের।
ছোট্ট বই।
Profile Image for Asfia Niger.
25 reviews14 followers
January 31, 2022
শুরুতে মনে হয়েছিল কোন ভাল কোন এন্ডিং পাব। কিন্তু লেখক কিছু উদ্ভট উদ্ভট ডায়লগ আর উপন্যাসের নায়িকার উদ্ভট কাজকর্ম দিয়ে গোঁজামিল দিয়ে শেষ করে ফেলেছেন৷ একদম সস্তা এন্ডিং যাকে বলে৷ কিছু কিছু ডায়লগ আনন্যাচারাল আর অবাস্তব লেগেছে৷
Profile Image for Propa Zaman.
67 reviews10 followers
February 6, 2022
কিশোরী বেলায় একবার বইটি পড়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। সেই আনন্দের অন্বেশনে এখন আবার পড়া। তরু চরিত্রের বিভিন্ন ডাইমেনশন আর অতি অদ্ভুত কর্মকান্ডে তখনো মুগ্ধ হয়েছিলাম, এখনো হয়েছি।
তবে শেষটা একটু তাড়াহুড়ায় করেছেন বলে মনে হলো।

কিশোরী বেলায় চোখ এড়িয়ে যাওয়া বইয়ের একটি লাইন, এখন নতুন করে তার গুরুত্ব জানান দিচ্ছে,

"যে তরু প্রশ্ন করতো সে নেই। আমি অন্য তরু। আমার চক্ষে তৃষ্ণা। ভালোবাসায় ডুবে থাকার তৃষ্ণা। ডুব দিতে হয় চোখ বন্ধ করে। আ���ি চোখ বন্ধ করেছি।"

মানুষের চোখ বন্ধ করে ভালোবাসায় ডুব দেবার সাহস হোক।
Profile Image for Ishaq Niloy.
16 reviews
June 13, 2023
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী তরু। অসম্ভব রূপবতী। বাবা আব্দুল খালেক খান একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তরুর মা নেই। এখানে বলে রাখা ভালো খালেক সাহেবের প্রথম স্ত্রী তরুর বড় খালা। উনি বিয়ের দুই বছরের মাথায় হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। এরপর খালেক সাহেব বিয়ে করেন তরুর মাকে। উনিও তরুর জন্মের এক বছরের মাথায় মারা যান। খালেক সাহেব তার দুই স্ত্রীর মৃত্যুবার্ষিকীতে কুলখানি, মিলাদ মাহফিল এবং তওবা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তরুদের দোতলা বাসার ছাদে বাস করেন ওসমান সাহেব। ওসমান সাহেব হাঁটাচলা করতে পারেন না। উনার বেশিরভাগ সময় কাটে হুইলচেয়ারে।

হঠাৎ করে একবার তরুকে উপন্যাস লেখার ঝোঁক পেয়ে বসল। ওসমান সাহেব তাকে বুদ্ধি দিলেন একটি ডিটেকটিভ উপন্যাস লেখার। উপন্যাসটির প্লেটটিও তাকে বলে দিলেন। প্লেটটি অনেকটা এরকমঃ এক ভদ্রলোক তার দুই স্ত্রীকে খুন করে এখন তৃতীয় আরেকজনকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখান থেকে গল্পের শুরু। এই প্লটটির সাথে নিজের বাস্তব জীবনের কেমন জানি একটা মিল খুঁজে পেল তরু। নানা ধরনের প্রশ্ন এসে ঘুরপাক খাওয়া শুরু করল তার মনে। তরুর বাবা কেন তার দুই স্ত্রীর মৃত্যুবার্ষিকীতে তওবা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন? কিসের এই তওবা? নিজের পরিবার থাকা সত্ত্বেও এতগুলো বছর ধরে তরুদের বাসার ছাদে কেন একটি নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন ওসমান সাহেব? কী সম্পর্ক তাদের মাঝখানে?
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews7 followers
December 29, 2021
খালেক সাহেব তরুকে জেরা করছে কারণ তার কাছে সিগারেট এর প্যাকেট পাওয়া গেছে। তরু এই জেরা পার করলো ওসমান চাচার নাম নিয়ে। খালেক সাহেবের মতে ওসমান চাচা যাই করে তাই ঠিক। ওসমান সাহেব খালেক সাহেব এর বন্ধু, তরুদের বাসায় ছাদে থাকেন। তিনি প্যারালাইজড। চলতে পারেন না, হুইল চেয়ারে বসে থাকেন। তরুদের বাসায় আরো এক ভাড়াটিয়া থাকে, সনজু তার বোন ও বোনের দুলাভাই। সনজুর দুলাভাই এর প্রধান কাজ সনজু আর তার বোন শায়লাকে মারধোর করা। খালেক সাহেব এর প্রসঙ্গে আসা যাক, ভদ্রলোক ২ জনকে বিয়ে করেছে। প্রথম বউ এর মৃত্যুর পর প্রথম বউ এর বোনকেই বিয়ে করেছে। তরুর সন্দেহ তার খালা ও মাকে খালেক সাহেবই হত্যা করেছে। তরু ওসমান সাহেবের পরামর্শ অনুযায়ী উপন্যাস লিখছে। সেই উপন্যাসের মেইন কাহিনী অনেকটা এমন, এক লোক তার দুই স্ত্রীকে হত্যা করেছে কিন্তু কেউ জানে না। সনজুর প্রসঙ্গে আসা যাক, সে তার দুলাভাই এর সামনে বোকা হয়ে থাকে, সুযোগ পেলেই টাকা চুরি করে আর প্রচুর মাইর খায়। তাই সে ঠিক করেছে তার দুলাভাইকে শাস্তি দিবে। তরুর মাথায় কখন কি চলে বুঝা মুশকিল। তার সাথে আনিস এর বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো, তরু নিজেই সেই বিয়ে ভেঙ্গে দেয়, আবার নিজেই আনিসকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। জটিল। তরুর মনে হয় তার আসল বাবা খালেক সাহেব নয়, তার বাবা ওসমান সাহেব, কেননা সে দেখতে একদম ওসমান সাহেব এর মতো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Fatema-tuz    Shammi.
126 reviews22 followers
July 9, 2020
এটা গিফট পাওয়া বই। আমার খুব বেশি ভালো লাগে নাই এই বইটা। কাহিনি কেমন গোলমেলে 😒
Profile Image for readwithlogolepsy || AFNAN.
177 reviews3 followers
February 20, 2022
The book has no connection with the story whatsoever. Maybe the writer wanted the readers to make their own ending or to connect the dots, but tbh he didn't do a good job at it.
2 reviews
April 29, 2024
বরাবরের মতই এটাও হুমায়ূন আহমেদ স্যার এর ক্লাসিক উপন্যাস। লেখার ধরণ, পাঠক কে শেষ পর্যন্ত রাখার একটা মোহ, সাসপেন্স এই সবই এই উপন্যাসে বিদ্যমান। তবে উনি এই উপন্যাসের ক্ষেত্রেও শেষ অংশে মূল উপন্যাসের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই সমাপ্তি টেনে দিয়েছেন। উপন্যাসে উনি পাঠক মনে ৩ টা প্রশ্ন তৈরি করেছেন -
(প্রশ্নগুল যথাসম্ভব Spoiler ছাড়া তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলো)

তবে তিনি একটি চমৎকার উপন্যাস তৈরি করেছেন এতে কোন সন্দেহ নেই। স্যার এর অনেক উপন্যাসের মতো এটার কাহিনির শেষও হয়তো পাঠকের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।
Profile Image for Salma Awal.
28 reviews
April 27, 2021
যে মেয়ে সব হাজারো প্রশ্ন নিয়ে, নিজের অতীত এবং বর্তমানের অমিমাংসিত রহস্য নিয়ে সর্বদা উদগ্রীব থাকতো। যার চোখে সব সময় রহস্য উন্মোচনের তৃষ্ণা থাকতো। সে তরু একদিন তার তৃষ্ণার্ত চোখ দু'টি বন্ধ করে ফেলে। তার অমিমাংসিত জীবনকে সে পেছনে ফেলে টেনে নেয় তার নতুন জীবন। ভালোবাসার জীবন।

অনেকে ঠিকই বলে, সাধারণের সাথে যদি একটু ব্যতিক্রম কিছু যুক্ত হয় তাহলে তা হয় উঠে অসাধারণ। সেক্ষেত্রে তরু হলো একটি অসাধারণ মেয়ে। তার সিক্স সেন্স চমৎকার।

সবাই চাইলেই তরু হতে পারবে না।
Profile Image for Maahi Kaniz.
83 reviews9 followers
April 6, 2024
বইটার প্রচ্ছদ দেখেই গতবছর বইটা কেনা হয় বাতিঘর চট্টগ্রাম থেকে। পড়বো পড়বো করে পড়েই ফেললাম।


তরু নামের এক চঞ্চল,বুদ্ধিমান তরুণীর উপরে বইটা লেখা যে সব সময় অদ্ভুত কথা বলে তার আসে পাশের সবাইকে চমকে দেয়। তরুর ইচ্ছে ছিলো উপন্যাসিক হওয়ার এবং উপন্যাসিক হতে গিয়েই সে তার জীবনের কিছু গিট খুলতে শুরু করে। আর বরাবরের মতোই লেখক সেই গিঁট না খুলেই বই শেষ করেন।

বইটা যে খুব আহামরি ছিলো তেমন না আবার যে খুব ভালো ছিল তেমনও না। তরু ক্যারেক্টার তাকে আমার ভালো লাগে নি।
Profile Image for Subrna Akter.
60 reviews
June 24, 2025
গল্পটি তরুর। উদ্ভট একটি চরিত্র। কখনো কখনো তরুর কথা শুনে হেসেছি কখনো বিরক্ত হয়েছি। সে মানুষকে হুটহাট চমকে দিতে পারে। মজা পায় এই কাজটি করে। একবার তরুর ইচ্ছে জাগে সে ঔপন্যাসিক হবে। উপন্যাস লিখবেন উত্তর পুরুষের জবানীতে নিজের জীবনের গল্প। সেখানে অদ্ভুত সব কাহিনী লিখা শুরু করে।

প্রতিটি বইয়ের নির্দিষ্ট কিছু প্লট থাকে। সে অনুযায়ী লেখক পাঠকদের নিয়ে যায় সমাপ্তি পর্যন্ত। কিন্তু এই গল্পে নির্দিষ্ট কোন প্লট নেই, নেই কোন গল্প। মনে হয়েছে লেখা দরকার ছিল বলেই লিখে গেছেন। তবে শেষটা সুন্দর ছিল।
Displaying 1 - 30 of 60 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.