Jump to ratings and reviews
Rate this book

শিবার ফিরে আসা

Rate this book

128 pages, Hardcover

First published January 1, 1993

Loading...
Loading...

About the author

Moti Nandi

86 books70 followers
Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.

In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
33 (47%)
4 stars
25 (35%)
3 stars
10 (14%)
2 stars
2 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Shom Biswas.
Author 1 book50 followers
August 31, 2021
জীবন যখন একেবারে গলা টিপে ধরতে আসে, তখন হাতের কাছে শিবা'র ফিরে আসা থাকলেই হলো। ফিরে আপনিও আসবেন।
কিশোরসাহিত্যে / ক্রীড়াসাহিত্যে এই ছোট্ট নভেলাটির থেকে ভালো লেখা বোধয় খুব একটা হয়নি।
Profile Image for musarboijatra  .
309 reviews436 followers
April 19, 2025
শিবার জন্য জীবনটা শেষ-ই হয়ে গেছিল। অর জায়গায় আমি হলে অন্তত তা-ই ভাবতাম। গলির চা-দোকানের কর্মচারী থেকে লিগের পেশাদার বক্সার হয়ে ওঠার তকমা একবার গায়ে জড়াবার পর, হৃতগৌরব হয়ে আবার আগের জীবনে ফেরা—কে মানতে পারবে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অর্জন যত বড়, সে অর্জন হারানোর অপমান ততটাই ঋণাত্মক... যার জন্য "ব্যাক টু স্কয়ার ওয়ান" কখনো আগের জায়গায় ফিরে আসার মতো লাগে না, মনে হয় আগের চেয়েও পিছিয়ে গেলাম।

'শিবার ফিরে আসা', তেমন স্কয়ার ওয়ান অথবা মাইনাস ওয়ান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। না, কমন ট্রোপ শুনিয়ে আপনাদের পড়ার মজা নষ্ট করতে চাই না, কারণ 'ঘুরে দাঁড়ানো'র কাহিনীগুলো আসলে বাস্তবে কেমন ওঠা-পড়া মিলিয়ে ঘটে, তার মাঝে আশপাশের মানুষের অপ্রত্যাশিত অবদান কতটা ভূমিকা রাখতে পারে—সেসব এই গল্পে বিদ্যমান। মতি নন্দী একাধারে কয়েকটা স্পোর্টস ফিকশন লিখেছেন। ফুটবল নিয়ে স্ট্রাইকার, স্টপার, ক্রিকেটে বুড়ো ঘোড়া, সাঁতারে কোনি, আবার বক্সিং-য়ে শিবা, এবং শিবার ফিরে আসা। এত ভিন্ন ভিন্ন স্পোর্টস নিয়ে এত সংখ্যক ফিকশন বাংলা ভাষায় আর কেউ লিখেছেন বলে জানা নেই। এবং উল্লেখ্য, প্রতিটার চরিত্রগুলো কলকাতার সাধারণ ছেলে-মেয়ে, নিজ নিজ বাস্তবতা থেকে উঠে এসেছে তারা, নিজেদের ভালো লাগার স্পোর্টস ক্যারিয়ার গড়েছে। এবং স্পোর্টস যে কেবল খেলোয়াড়ের নয়, তার সাথে জুড়ে থাকে গোটা কালচার—এই ব্যাপারটাও মতি নন্দীর এই উপন্যাসগুলোয় লক্ষণীয়।

শিবা, চা দোকানের 'বয়', দোকানের চা খদ্দেরের কাছে পৌঁছে দেওয়া তার কাজ। মা গৃহকর্মী, খাবার জোটাতে পারেন না সবসময়। এমনকি মালিকের রান্নাঘরের জানলাপথে এটা-সেটা পার করতে হয় শিবার খাওয়ার জন্য। সতেরো বছরের বাড়ন্ত শরীর শিবার, দেখে যে কেউ ভাববে পরিণত ছেলে। বক্সিং দেখার শখ, দোকানের টিভিতে একেক সময় ক্লে'র ম্যাচ দেখে শিবা। এর মাঝেই কোনো একদিন, পাড়ার কোচিংয়ে মাস্টারকে শাসাতে আসে গুন্ডারা। প্রতিবাদ করার সাধ্য কারো নেই, একে-ওকে এমন শাসানো রোজই চলে। সেদিন রোখ চেপে বসেছিল আনাড়ি শিবা'র, দুম করে ঘুষি মেরে চোয়াল ভেঙে দিয়েছিল গুন্ডার। রীতিমতো লোকাল হিরো বনে গেছিল সেই থেকে, এতদিন মুখ বুজে থাকা রাস্তার লোকেরাও রুখে দাঁড়িয়েছিল শিবার পক্ষে। সেখানেই বক্সিং ট্রেনার গোমেজের নজর কাড়ে শিবা, যার প্রচেষ্টায় আর পরামর্শে নিয়মিত বক্সিং শেখা শুরু। পাড়ার লোকেই খেলার জামাকাপড় কিনে দেয়, গ্লাভস যোগাড় হয়। শূণ্য থেকে শুরু করে পেশাদার বক্সার হয়ে ওঠার যাত্রা, প্রথম গল্প, শিবা

কিন্তু সেখানে শেষ হলে তো আর বাস্তবতাকে ছোঁয়া হতো না! নিদারুণ অভাবের জীবনে যখন একটু গতিক ফেরে শিবা'র, সবার দৃষ্টি পড়ে তার ওপর। আর সেখানেই, ভুল পদক্ষেপে ভুল অঙ্গণে জড়িয়ে পড়ে। অর্থকষ্ট থেকে মুক্তির লোভে বক্সার থেকে বাজি'র ঘোড়া বনে যায় সে, আর পার্ট টাইম স্থানীয় নেতার হেঞ্চম্যান। শিবা উপন্যাসের শেষটা যে জায়গায়, সেখানে আমরা দেখতে পাই মৃতপ্রায় শিবা কোনো রকম টিকে গেছে কেবল। ক্যারিয়ার হারিয়েছে, উপার্জন হারিয়েছে। আপাদমস্তক ব্যান্ডেজ জড়ানো শরীরটা ভেঙেচুরে একসা, আর কোনদিন ফিট হতে পারবে না।

আন্দাজ করতে পারছেন, সেখান থেকে ফিরে আসা এই দ্বিতীয় উপন্যাসের মুল গল্প। তার মজা নষ্ট না করি, বরং কয়েকটা অনুষঙ্গে চোখ বোলাই।

প্রথমত।।
যখন খিদা আর প্রতিভা মুখোমুখি হয়, নীতিবোধ তখন ধোঁয়াটে হয়ে পড়ে। বাস্তব জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ মাত্রেই জানেন, ঠিক-ভুলের বাইনারি চোখে দেখা দুষ্কর, আর খিদা পেটে সেই ঘোলাজল ছাঁকা প্রায় অসম্ভব। আপনার চাহিদা আছে, আপনার প্রতিভা আছে। আপনার প্রতিভাকে কী দামে কার কাছে বিক্রি করছেন সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেটাই ঠিক করে দেয় মানুষের চোখে আপনার 'লেবেল' কী দাঁড়াবে। বাছবিচারের আর্থিক/সামাজিক নিরাপত্তাটুকু শিবা'র ছিল না, তাই যেটাকে উপার্জনের রাস্তা ভেবেছিল, সেটাই তাকে খেয়ে জীর্ণ করেছে। এমন ভুল, এমন পতন মানুষের জীবনে দুর্লভ না। তবে, সেখান থেকে নিজেকে নতুন করে সংজ্ঞায়ন করতে পারাটা রিমার্কেবল।

দ্বিতীয়ত।।
শেষ কথাটার সূত্র ধরেই—নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা, তিল তিল করে। আবারো খাবার ডেলিভারির কাজে ফিরেছিল শিবা, কয়েক বছর বিছানায় পড়ে থাকার পর। মানুষের মন থেকে বক্সার শিবার লিজেন্ড ততদিনে হারিয়ে গেছে। শিবা এখন লুচি আলুর দম সরবরাহ করে, টেনে চলে ভাঙাচোরা দুর্বল শরীর। কিন্তু, ঠিক যেভাবে প্রথম একবার রুখে দাঁড়াতে গিয়ে 'বক্সার' হয়ে উঠেছিল সে, তেমনি আরেকটা ঘটনা তাকে আবার মনে করিয়ে দেয় তার আত্মপরিচয়। শিবা বুঝতে পারে, ফিরতে হবে। বাকি কাহিনী তার "ফিরে আসা"র। চমকপ্রদ ব্যাপার, এই যাত্রায় তাকে সঙ্গ দিয়েছে এমন কিছু মানুষ, যারা তার স্বার্থভোগী নয়। রিকশাওয়ালা ননী, ট্রেনার গোমেজ, শিবার দাদা, কোচিংয়ের ভবানী স্যার, পারমিতা, উৎপল। শিবার কাছ থেকে কিছু পাবার ছিল না কারোই। তবু তাকে সরিয়ে রাখেনি কেউ, আর... অসহায় এই মানুষগুলো মিলেমিশে দারুণ একটা পরিবার গড়ে তুলেছিল, যাদের জন্য কেবল তারাই আছে।



গুডরিডস-এ একজন লিখেছেন, "জীবন যখন একেবারে গলা টিপে ধরতে আসে, তখন হাতের কাছে শিবা'র ফিরে আসা থাকলেই হলো। ফিরে আপনিও আসবেন।" একেবারে একমত। উপন্যাসটা যাদের উদ্দেশ্যে লেখা, অর্থাৎ কিশোর বয়েসীরা, তাদের হাতের নাগালে এমন পাঠ্য থাকা খুব দরকারি মনে হয়েছে। জীবনের পরবর্তী অংশে যদি কখনো আরো জীবনবোধ জন্মায়, তাদের নতুন করে ভাবতে শেখাবে শিবার ফিরে আসা
Profile Image for Azoad Ahnaf.
139 reviews
August 21, 2024
শিবা ও শিবার ফিরে আসা আখ্যানের মূল নায়ক কি আসলেই শিবা?

নাকি ননী, শচী, ভবানী স্যার, নিতু, পারমিতা, উৎপল, গোমেজ এরাই! শিবার শিবা হয়ে ওঠার পিছে যে এদের অবদান হিমালয়কেও ছাড়িয়ে যায়। বিশেষ করে ননী, আমার চোখে ওই হলো এ আখ্যানের মেরুদণ্ড!
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
335 reviews32 followers
June 3, 2026
''শিবা তোরে ফিইরা আইতে হইব। বকসিং তোর রক্তে। চার পাঁচডারে একসঙ্গে ফ্যালাইতে পারিস আর রিংয়ে উইঠ্যা একডারে ফ্যালাইতে পারবি না? ক শিবা ক, তুই আবার ফিরবি। আমাগো পোলা ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ান হইতে পারে নাই, আমাগো হেই লজ্জা মুইছ্যা দিবি।''

শিবার হাত ধরে ননী যখন এই কথাগুলো বলছিল তখন শিবার চোখের কী নতুন করে স্বপ্ন জেগেছিল ফিরে আসার? যখন শিবাকে মে রে রাস্তায় নর্দমার পাশে ফেলে রাখা হলো তখন পরিবারের মূল্যটা বোধহয় শিবা বুঝতে পেরেছিল। জীবনে যত বিপদ হোক পরিবার ঠিক পাশেই থাকে। অথচ শিবা খ্যাতির মোহে অন্ধ হয়ে পরিবার ছেড়ে ননীর মতো বন্ধু ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিল অন্ধকারের পথে। কারণ গোরাবাবু শিবাকে টাকার লোভ দেখিয়ে সবার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিলেন।

যেকোনো স্পোর্টস হোক সেখানে একেকটা ম্যাচ শুরুর আগে হাজার হাজার টাকার জুয়া হয়। খেলোয়াড়দের উপর বাজি রেখে জুয়ার আসরে লম্বা রেসের ঘোড়ার মতো ভালো খেলোয়াড়দের খাতির করা হয়। কিন্তু শিবার বয়স ছিলো তখন অল্প এই অন্ধকার জগতের কথা তো ছিলো তার অজানা। তাই হয়তোবা চোরাবালিতে হারিয়ে গিয়েছিল সে সহজেই। তবে এবার শিবা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার ফিরতে চায় নিজের চেনা জায়গায়।

''আশ্চয্যদা, আমি আবার শুরু করব, রিংয়ে নামব।'' গলা নামিয়ে শিবা প্রায় ফিসফিস করে বলল।
আশ্চর্য ঘটক ভালমতো শুনতে পেলেন না। মাথাটা কাত করে বললেন, ''কিছু বললি?''
''আমি আবার শুরু করব।''
''কী শুরু করবি?''
''বক্সিং।''
আশ্চর্য ঘটকের চোখ পৃথিবীর নবম বা দশম আশ্চর্যতম বস্তুটি দেখার মতো হয়ে উঠল। কী বলবেন, ভেবে পাচ্ছেন না।
''তুই...তুই আবার—।''
''পারব না? মাত্র তো চারটে বছর সরে আছি, আবার ফেরা যাবে না?'' শিবা ব্যগ্র উৎকণ্ঠা নিয়ে আশ্চর্য ঘটকের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে রইল।
''ফেরা যায় না মানে! আলবাত ফেরা যায়। মহম্মদ আলি সাড়ে তিন বছর পর রিংয়ে ফিরে আরও দু'বার চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল। তা হলে তুই কেন ফিরে আসতে পারবি না?''
''আলির সঙ্গে আমার কোনও তুলনাই হয় না। কী বিরাট ফাইটার! ওর কাছে আমি তো একটি পিঁপড়ে।''

শিবার ফিরে আসাটা কতটা রাজসিকভাবে হয় সেটাই তবে এবার দেখার বিষয়। শিবা কী আবার বক্সিং রিংয়ে নাম করতে পারবে? ফিরিয়ে আনতে পারবে হারানো সুনাম নিজের?

----------------পাঠ প্রতিক্রিয়া--------------

মতি নন্দীর কিশোর স্পোর্টস ফিকশন "শিবার ফিরে আসা" কেমন লেগেছে যদি বলি তাহলে বলবো প্রথম পার্টের থেকে দ্বিতীয় পার্ট আমার কিছুটা প্রথম অংশের রিপিটিশন লেগেছে। বেশিরভাগ জায়গায় প্রথম পর্বের ঘটনাগুলো বলা হচ্ছিল।‌ এটা আমাকে বেশ বিরক্তি দিয়েছে। তবে অবশ্য দ্বিতীয় পর্বের ঘটনায় প্রথম পর্বের ঘটনাগুলো বলা দরকার মানছি তবে অনেকটা বেশি সময় ধরেই বর্ণনা চলছিল। একটু কমিয়ে অন্যভাবে বলা যেত কী না এটা প্রশ্ন এসেছিল মনে।

এছাড়া শিবার ফিরে আসাটা ভালোই লেগেছে। শিবা নিজের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে, নিজের হারানো সুনাম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে এটা দেখতে ভালো লাগছিলো। আসলে প্রত্যেকের উচিত ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

ননী চরিত্রটাকে আমার খুব ভালো লাগলো। দুইটি পর্বেই ননী যেভাবে শিবাকে সাহস দিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছে, সবসময় শিবার পাশে ভালো বন্ধু হয়ে থেকেছে। শিবাকে টাকার জন্য বিকিয়ে যেতে দিতে চায়নি ননী। এবং ননী শিবাকে সাহস দিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছে আবার নতুন করে ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে যেতে বলেছে এমন বন্ধু কজনের ভাগ্যে জোটে।

শিবার গরিব পরিবারটাকে কেন জানি খুব ভালো লাগলো আমার। শিবার দাদা নেতাজি ভাইয়ের জন্য নিজের দোকানে পর্যন্ত লোক রেখে দেয়ার কথা ভাবছে। ভাই বড় বক্সিং খেলোয়াড় হবে কত বড় গর্বের বিষয় হবে সেটা!

মতি নন্দীর লেখা সবসময় ভালো লাগে। এবং বাকিগুলো পড়ে ফেলার ইচ্ছা আছে ধারাবাহিক ভাবে। একজন লেখকের সব বই একরকম হয় না এটা যেমন ঠিক তেমনি পাঠক নিজের মতো অনুধাবন করে পড়লে সব লেখায় কিছু না কিছু উপভোগ্য বিষয় নিশ্চয়ই খুঁজে পাবে এটাও ঠিক।

🧄 বইয়ের নাম: "শিবার ফিরে আসা"
🧄লেখক: মতি নন্দী
Profile Image for  Hasnat  Muhammad.
31 reviews36 followers
July 25, 2026
খুব সাধারণ গল্প। না পড়লেও হয়। শুধুমাত্র পড়া অভ্যাস ফেরাতে পড়লাম।।
Profile Image for Mishuk Rahman.
89 reviews3 followers
June 27, 2024
মতি নন্দীর হাতের যাদু আবার দেখলাম।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews