Jump to ratings and reviews
Rate this book

বন্দি শিবির থেকে

Rate this book
কবি প্রণীত ভূমিকার কতিচিৎ:
"... একাত্তরের এপ্রিল মাসের গোড়ার দিকে আমাদের গ্রামে এক দুপুরে লিখে ফেললাম 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতা দু'টি। জানতাম, এতে অনেক ঝুঁকি আছে, তবু লেখনীকে ক্যাপমুক্ত গেরিলাদের হঠাৎ পদধ্বনিতে সচকিত, আশান্বিত এক শ্বাসজীবী কিছু কবিতার পঙ্ক্তি গচ্ছিত রাখতে শুরু করলাম ডায়েরির পাতায়। অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যে চলছিলো আমার এই অভিযাত্রা।"

80 pages, Hardcover

First published January 1, 1972

36 people want to read

About the author

Shamsur Rahman

105 books51 followers
Shamsur Rahman (Bengali: শামসুর রাহমান) was a Bangladeshi poet, columnist and journalist. Rahman, who emerged in the latter half of the 20th century, wrote more than sixty books of poetry and is considered a key figure in Bengali literature. He was regarded the unofficial poet laureate of Bangladesh. Major themes in his poetry and writings include liberal humanism, human relations, romanticised rebellion of youth, the emergence of and consequent events in Bangladesh, and opposition to religious fundamentalism.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
16 (59%)
4 stars
6 (22%)
3 stars
5 (18%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Antu Paul.
114 reviews83 followers
November 26, 2025
সংবর্ধনা পাবেন সবাই
যথারীতি; সাম্য মৈত্রী, অমুক তমুক ভাই ভাই
ইত্যাদি স্লোগানে হবে সচকিত সুসজ্জিত মঞ্চ।
বক্তৃতামালায় গানে যাবে ভেসে রাতের মালঞ্চ।
আপনারা এলে পথে ঘাটে নামাতে হবে না আর
লাল গালিচার ঢল। ইয়াহিয়া, নব্য অবতার
হিটলারের, আগেই রেখেছে মুড়ে বড় ক্ষিপ্রতায়
কী এলাহি কাণ্ড, সারা বাংলাদেশ রক্ত গালিচায়।

আল মাহমুদের সাক্ষাৎকার থেকে জেনেছিলাম উনি দুলাইন লিখতেন আর মুগ্ধ হয়ে ঘরময় পায়চারী করতেন। প্রেম ও প্রকৃতি বন্দনার অতি রোমান্টিক কবিতায় মুগ্ধ হলে মনের ভিতর মৃদু যে স্রোত চলে, হালকা পায়চারিও করতে হয় সে মুগ্ধতার রেশ কাটাতে।
দ্রোহের কবিতা পড়লেও মনে স্রোত আছড়ে পড়ে। ‘চিরকেলে কথা’-টাইপ কবিতার ভাষাও কিছুক্ষণ স্থবিরতা আনে।
“এখন যা কিছু লিখি সব কিছুতেই
ভর করে লক্ষ লক্ষ গুলিবিদ্ধ লাশ।
প্রতিটি অক্ষরে আজকাল
প্রতিটি শব্দের ফাঁকে শুয়ে তাকে লাশ
প্রতিটি পঙ্‌ক্তির সাঁকো বেয়ে
অক্ষরের সরু আল বেয়ে উদ্বাস্তুরা যাচ্ছে হেঁটে
সারি সারি, বিষম পা-ফোলা শুকনো গলা,
লক্ষ লক্ষ যাচ্ছে তো যাচ্ছেই,
প্রতিজন একেকটি হু হু দীর্ঘশ্বাস।
এখন আমার কবিতার
প্রতিটি অক্ষরে
বনবাদাড়ের গন্ধ, গেরিলার নিঃশ্বাস এবং
চরাচরব্যাপী পতাকার আন্দোলন।”
তবে যে কবিতা বারবার হাত পা বেঁধে ধ্বংসস্তূপের মধ্যিখানে দাঁড় করিয়ে অসহায় পঙ্‌ক্তিতে জর্জরিত করে তার অনুভূতি মিশ্র।
যুতসই কোনো শব্দে প্রকাশ করতে পারছি না।
“আমাদের ক্ষত সেরে গেলে
কোনো এক বিনম্র বিকেলে
তোমার কাছেই যাবে হে আমার সবচেয়ে আপন গোলাপ,
করবো না কথার খেলাপ।”
Profile Image for সন্ধ্যাশশী বন্ধু .
369 reviews12 followers
April 28, 2024
বন্ধুরা তোমরা যারা কবি,

স্বাধীন দেশের কবি,তাদের সৌভাগ্যে

আমি বড় ঈর্ষান্বিত আজ।"



"বন্দি শিবির থেকে" বইয়ের কবিতাগুলো যখন কবি লিখছেন,দেশ তখন নিকষ আঁধারে নিমজ্জিত। সোনার দেশের কোমল অঙ্গে তখন পরদেশীর ছোঁয়াছুঁয়ি। লুটেরার দল এসেছিল, চুরি করতে স্বাধীনতা! ঘোর কুজ্ঝটিকা চারিদিকে! কবি লিখছেন,


গ্রাম্য পথে পদচিহ্ন নেই। গোঠে গরু 

নেই কোনো, রাখাল উধাও,রুক্ষ সরু

আল খাঁ খাঁ, পথপার্শ্বে বৃক্ষেরা নির্বাক

নগ্ন রৌদ্র চতুর্দিকে,স্পন্দমান কাক,শুধু কাক।




অমাবস্যার ঘোর অমানিশার মধ্যে লুন্ঠিত হতে থাকে আমার সোনার দেশ। হায়েনারা রক্তাক্ত দাঁত নিয়ে ছুটে আসে, আমার ভাইয়ের রক্ত চুষতে,যে কিনা বাঁচাতে চেয়েছিল  দেশ মায়ের সম্ভ্রম। হায়! মুহূর্তের মধ্যে আমার ভাইয়েরা নায় হয়ে গিয়েছিলো।  



অবস্থার প্রতিকূলতা টের পেয়ে,হায়েনারা বসে থাকেনি। শুরু করলেছিলো,নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ,ধর্ষণ। ওরা রেহায় দেয়নি, আমার মা বোনদের। অথচ ওরাও ছিলো মায়ের সন্তান,বোনের ভাই। আমি ভাবি,পশুত্ব কতটা গাঢ় হলে,নির্মমতা কতটা বাড়লে,কোন মায়ের সন্তান হয়ে,অন্য মায়ের গায়ে হাত দেয়,বোনের ইজ্জতের দিকে ধায় চোখ।


জননীর চোখের দু'কূলভাঙা জল হু হু বয়ে যায়।


 সোনার এই ভূখন্ড পরিণত হয়েছিলো,কয়লার নরকে! সন্তান হারা মা,সম্ভ্রম হারা বোন,স্বামী হারা বউ। গর্ভজাতদের হারানোর বেদনায় দেশ তীব্র শোকে মূর্ছাগত প্রায়। মায়ের লজ্জা সন্তান কোন কালে সহ্য করে নি,কোন কালে না।  


চোখগুলো গ্রেনেডের চেয়ে

বিস্ফোরক বেশি আর শূন্য কোটি হাত

যতটা বিপদজনক, ক্রূর মারণাস্ত্র নয় তত।



আমার দেশের বীর সন্তানেরা,আমার বিষম সাহসী ভাইয়েরা, স্বাধীনতা এনেছিলো। ছিনিয়ে এনেছিলো তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর মারণাস্ত্রে সজ্জিত শেয়ালের মুখ থেকে, প্রিয় স্বাধীনতা। মায়ের অপমানের প্রতিশোধ,বোনের লাঞ্চনার প্রতিশোধ,আমার নিরহ ভাইয়েদের রক্তের প্রতিশোধ নিয়েছিলো বাঙালি। স্বপ্নের মত সুন্দর এই দেশটা, এই ভূখন্ড টা পাপ মুক্ত হয়েছিলো। এসেছিল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। যে স্বাধীনতার জন্য কপাল ভেঙেছিলো হরিদাসীর। সেই স্বাধীনতা আসলো,


"পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত জ্বলন্ত

ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,

নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক

এই বাংলায়"




পদ্যে কি চমৎকার করে,নিজের দেশের জন্ম কথা লিখেছেন কবি। প্রতিটা শব্দ, প্রতিটা বাক্য কথা বলছে,ভীষণ রকম জ্যান্ত তারা। 


জাহানারা ইমাম গদ্যে বা দিনলিপিতে যুদ্ধকালীন অবস্থা তুলে ধরেছিলেন। শামসুর রাহমান একই কাজ কবিতায় করলেন। আমার দেশের একদিকে দুঃখের,অন্যদিকে পরম আনন্দের এসব গল্প, পদ্য পড়ি,কখনো পুলকে আকাশে ভাসি বিহঙ্গ হয়ে, কখনো বিষাদে ডুবে যাই অতলান্তিকে। 


এই দেশ আমাদের। ক'জন আমরা ভালোবাসি দেশকে! ক'জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে "তবু আমি যাব না কখনো

অন্য কোনখানে 

থাকব তাদের সঙ্গে এখানেই.....
Profile Image for Alimur Razi Rana.
95 reviews5 followers
April 1, 2025
শামসুর রাহমান আমার কাছে দুই কারনে আলাদা ছিলেন - তার নামের শেষে রাহমান না রহমান ( পরীক্ষার সময় বিশেষ করে লক্ষ্য করতে হতো ) এবং 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতা। কিছুদিন আগে জানলাম যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দৈনিক বাংলায় কর্মরত ছিলেন। 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতার সাথে এই তথ্য ঠিক মিলাতে পারছিলাম না। আজ দুপুরে হাতে আসলো ৬৪ পৃষ্ঠার বই 'বন্দী শিবির থেকে'। কবিতা তেমন পড়ি না। তাই সেই কবিতার ব্যাকরণ অনুযায়ি কতটা আদর্শ কবিতা হয়েছে আমি জানি না। তবে সাধারণ পাঠক হিসাবে এই বই যেন ৭১ সালের সেই অবরুদ্ধ সময়কেই আমার সামনে তুলে আনে।

কবি জানেন, দেশে থাকা তার জন্য নিরাপদ না, তারপরও তিনি এখানেই থেকে যাবেন, তা নিয়ে কবিতা 'না, আমি যাবো না'।

স্বাধীন দেশের কবিদের তিনি ঈর্ষা করেন, কারন তারা তাদের কবিতায় যেকোনো শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, তিনি পারেন না (বন্দি শিবির থেকে)।

যুদ্ধের উদ্ধেশ্য সম্পর্কে সন্দিহান পাঠান সৈন্যকে নিয়ে কবিতা - 'জনৈক পাঠান সৈন্য'। সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তার মাঝে "তুমি বলেছিলে, 'আমাকে বাঁচাও'। অসহায় আমি তা-ও বলতে পারিনি।" (তুমি বলেছিলে)"।

যুদ্ধের বিপক্ষে আমি, আজীবন বড়ো শান্তিপ্রিয়। কিন্তু যুদ্ধের এই সময়ে শুধু কবি নয় সকলেই বলবে ' যুদ্ধই উদ্ধার '(উদ্ধার) ।

দেখা হলেই মুনীর চৌধুরী জিজ্ঞেস করতো - " খবর আছে কি কিছু ? "। যুদ্ধ শেষে ' আপনি নিজেই আজ কি দুঃসহ বিষণ্ণ সংবাদ ' ( রক্তাক্ত প্রান্তরে )।

এরকম আরও কত কথা, কত হাহাকার যে পুরো বই জুড়ে, সবকিছু বর্ণনা করা সম্ভব না। এই বই থেকে শুধু শামসুর রাহমানকে না নতুন করে কবিতার শক্তির কথাও জানলাম।
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
720 reviews12 followers
September 1, 2020
এ কবিতা-কেতাবের 'স্বাধীনতা তুমি' আর 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা' বিপুল খুশনাম লাভ করেছে।
বেশিরভাগ কবিতাই ততটা লাগসই না। বহুত একমুখী ভাব সৌন্দর্য পণ্ড করেছে—দিনপঞ্জির মতন।
তার মাঝেও 'পথের কুকুর', 'তার কোট', 'এখানে দরজা ছিল', 'জনৈক পাঠান সৈনিক', 'প্রতিটি অক্ষরে', 'কাঁটাতার', 'সম্পত্তি', 'ধ্বস্ত দ্বারকায়' এবং সবশেষে 'গ্রামীণ' সময় পেরিয়ে এল বোধ হয়। 'কাঁটাতার'-এর উল্লেখন করি যদি:

কাঁটাতার, কাঁটাতার।
ড্রাগনের বিষদাঁতের মতন
চৌদিকে কী যে সন্ত্রাস ছোঁড়ে
কাঁটাতার, কাঁটাতার।

কালো কাঁটাতারে, হায়,
বাঁধা পড়ে আছি আষ্টে পৃষ্ঠে;
চোখে মুখে হাতে, ক্ষণিক স্বপ্নে
কাঁটাতার, কাঁটাতার।
Profile Image for Shihab Uddin.
289 reviews1 follower
May 25, 2024
'তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
সকিনা বিবির কপাল ভাঙল,
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।'

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায় ?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?'

'পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত
ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে,
নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগিদিক
এই বাংলায়
তোমাকে আসতেই হবে, হে স্বাধীনতা।'

'আমার আনন্দ, দুঃখ, ক্রোধ, ক্ষোভ, ভালোবাসা
নানান কবিতা হয়ে মানুষের কাছে
পৌঁছে যেত যথারীতি, এখন আমার আনন্দের
দুঃখের ক্রোধের
ক্ষোভের প্রেমের
প্রবেশাধিকার নেই মনুষ্যসমাজে।'

'সত্যের বলাৎকার দেখে, নিরপরাধের হত্যা
দেখেও কিছুতে মুখ পারি না খুলতে।
বুটের তলায় পিষ্ট সারাদেশ, বেয়নেটবিদ্ধ
যাচ্ছে বয়ে রক্তস্রোতে, কত যে মায়ের অশ্রুধারা।'

'এ শহরে কি আজ কেউ নেই? কেউ নেই?
আমার সমান-বয়সী দুঃখ দেখি
বসে আছে চুপ নিথর আঁধার ঘরে।
এ শহর আজ মৃতের নগরী নাকি?
মৃতেরা এবং গোরখোদকের দল
একটি ভীষণ নকশায় নিষ্প্রাণ।'
Profile Image for Nuhash.
221 reviews8 followers
January 6, 2023
শীতে শরীর গরম করা সব কবিতা আছে "বন্দি শিবির থেকে" কাব্যে। হাত-পা খুব গরম হয়ে যায় রাগে-দুঃখে, যেন মিলিটারিদের চপেটাঘাত করতেছিলাম। লোমহর্ষক সব কবিতা পড়ে মনে হয়েছে, আমি দাঁড়িয়ে আছি মিলিটারিদের খুলির উপরে। হাত বাড়িয়ে জোছনা ধরার মতে ভেঙে চূড়মার করছি তাদের কালো হাত।

কম্বলের নীচে যুদ্ধ করেছি শতবার যতবার পড়েছি, স্বাধীনতা তুমি আমার, স্বাধীনতা তুমি শহীদের রক্তের ঝলকিত বুদ্ধবুদ্ধ। তার রক্তে যেনো অস্পর্শী-বিমূর্ত কৃষ্ণচূড়ার রাঙা রক্ত ঝরছে। দেশপ্রেম, সমাজ, রাষ্ট্রকে ভালবাসার নির্দশন তার" সান্ধ্য আইন।"

এই শহরে কি আজ কেউ নেই? কেউ নেই? এই তো প্রতিটি নীরব বারান্দা বিষাদ দাঁড়ানো কবির মতন একা। নিংড়ে নিচ্ছে কবির হাত পা বেয়নেটের কবাটের ছোঁয়ায়। কবির প্রতিটি অক্ষরে আজকাল প্রতিটি শব্দের ফাঁকে শুয়ে থাকে লাশ। কখনোবা চিত্রের মতো দৃশ্যাবলি তার চোখে গ্রেনেডের চেয়ে বিস্ফোরক, শুন্য কোটি হাত যতটা বিপদজনক নয় যতটা কবির প্রতিটি শব্দ।

আমাদের সাধের এই রাষ্ট্র পচা মাছের মতন ভীষণ দুগন্ধময় আর ক্ষমতান্ধ শাসকের গদি সামলাতে আমরা কাতারবন্দী ফৌজ সর্বদাই। যে কবি আমাকে যুদ্ধে ডামাডোল বাজাতে বলেছেন আজ আমি তার শহরে বন্দী ক্রীতদাস।
Profile Image for Forkan Alam.
13 reviews
March 25, 2024
এই বইটা থেকে আমরা কেবল তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা অথবা স্বাধীনতা তুমি কবিতা দুইটির কথা জানি। যে কোনো কাব্যগ্রন্থ থেকে এরকম দুএকটা কবিতা বিখ্যাত হয়ে গেলে বাকি কবিতারা হাহাকার করে। এক্ষেত্রেও তা-ই ঘটেছে। অথচ এই কাব্যগ্রন্থে মুগ্ধ হওয়ার মতো বেশ কতগুলো কবিতা আছে।

বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাই একাত্তরের পটভূমিতে লেখা। জনৈক পাঠান সৈনিক নামক কবিতার শেষভাগে শামসুর রহমান লিখেছেন-
যুদ্ধে পক্ষ-বিপক্ষ থাকেই চিরকাল।
অথচ বুঝি না কিছুতেই
আমার মৃত্যুর পরে ফের
কোন দলে থাকব এই গুলিবিদ্ধ আমি?
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.